Category: খেলাধুলা

  • ২১ শতকের সেরা ক্রীড়াবিদ মেসি, শীর্ষ দশে আছেন যারা

    ২১ শতকের সেরা ক্রীড়াবিদ মেসি, শীর্ষ দশে আছেন যারা

    নিজের কিংবদন্তি ক্যারিয়ারে অসংখ্য শিরোপা ও পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। ২০২৫ সালের শেষে এসে তার মুকুটে আরেকটি গৌরবময় উপমা যুক্ত হয়েছে। ফরাসি ভাষার কানাডীয় গণমাধ্যম লে জার্নাল কুইবেক ঘোষণা করেছে, বিশ্বের শীর্ষ ২৫ ক্রীড়াবিদের মধ্যে প্রথম স্থানে দাঁড়িয়ে আছেন অর্জেন্টাইন মহানায়ক মেসি।

    ফুটবল, অলিম্পিক, টেনিস, বাস্কেটবল ও অ্যাথলেটিকস—বিভিন্ন খেলার মধ্যে যুক্ত করে তৈরি এই বিশেষ তালিকায় স্থান পেয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ক্রীড়া তারকারা। এবং তালিকার শীর্ষস্থানটি দখল করেছেন মেসি।

    ক্লাব ফুটবল এবং জাতীয় দলে তার সাফল্য অপরিসীম। বার্সেলোনায় শুরু করে পিএসজি, ইন্টার মিয়ামি এবং আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে তিনি জিতেছেন একের পর এক ট্রফি। দীর্ঘসময় অপেক্ষার পর বিশ্বকাপের শিরোপাও অর্জন করেছেন।

    ব্যক্তিগত স্বীকৃতি হিসেবে, মেসির রেকর্ড ৮ বার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার হয়ে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা, এছাড়া বিভিন্ন লিগ, কাপ ও আন্তর্জাতিক শিরোপািতে তার সফলতা অবিরাম।

    তালিকায় তার পরের স্থানগুলোতেও স্থান পেয়েছেন বিশ্ব ক্রীড়ার কিংবদন্তিরা। ২ নম্বর position এ আছেন আমেরিকান ফুটবলের অলিখিত মহাতারকা টম ব্র্যাডি, যিনি নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টস ও টাম্পা বে বুকানিয়ার্সের হয়ে রেকর্ড ৭টি সুপার বোল জিতেছেন—যা আগে কোনও কোয়ার্টারব্যাক করতে পারেননি।

    ৩ নম্বরে আছেন অলিম্পিকের স্বর্ণযোদ্ধা মার্কিন সাঁতারু মাইকেল ফেলপস, যিনি ২০০৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত অলিম্পিকে জিতেছেন ২৮টি পদক, যার মধ্যে ২৩টি সোনা। ২০০৮ বেইজিং অলিম্পিকে এক আসরে তিনি জিতেছিলেন ৮টি স্বর্ণপদক, যা এক অনন্য রেকর্ড।

    ৪ নম্বর স্থানে আছেন টেনিসের রাণী সেরেনা উইলিয়ামস। এরপর ৫ নম্বরে রয়েছেন দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, ৬ নম্বরে বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস, ৭ নম্বরে নোভাক জোকোভিচ, ৮ নম্বরে জিমন্যাস্টিকসের সিমোন বাইলস, ৯ নম্বরে বাস্কেটবল কিংবদন্তি কোবি ব্রায়ান্ট এবং ১০ নম্বরে আবারও উপস্থিত মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

    এই তালিকাটি শুধুমাত্র ট্রফি বা পরিসংখ্যানের গল্প নয় বরং এটি একটি স্বীকৃতি—সর্বকালের মধ্যে কে তার খেলা সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করেছেন। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, মেসি শুধু ফুটবলের নয়, পুরো ক্রীড়াজগতের একজন অনন্য আইকন।

  • নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত স্প্যানিশ কোচ ও তিন সন্তান

    নৌ-দুর্ঘটনায় নিহত স্প্যানিশ কোচ ও তিন সন্তান

    স্পেনে ফুটবল অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনার কারণে। ইন্দোনেশিয়ার পর্যটন দ্বীপ লাবুয়ান বাজোতে এক নৌ-দুর্ঘটনায় মারা গেছেন স্প্যানিশ ফুটবল কোচ ফার্নান্দো মার্তিন ও তার তিন সন্তান।

    ফার্নান্দো মার্তিন ভ্যালেন্সিয়া সিএফ ফেমেনিনো বি দলের কোচ ছিলেন। এই দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটে when তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা অবকাশযাপনে ছিলেন।

    দুর্ঘটনার স্থানটি ইন্দোনেশিয়ার জনপ্রিয় পর্যটন স্থান লাবুয়ান বাজো দ্বীপের কাছাকাছি। ভ্যালেন্সিয়া ক্লাবের অফিসিয়াল বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘ইন্দোনেশিয়ায় মর্মান্তিক নৌ-দুর্ঘটনায় ভ্যালেন্সিয়া সিএফ ফেমেনিনো বি দলের কোচ ফার্নান্দো মার্তিন ও তার তিন সন্তান নিহত হয়েছেন। এই মারাত্মক ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।’

    ইন্দোনেশিয়ার কোস্টগার্ড ও স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, শুক্রবার ঝড়ো আবহাওয়ার মধ্যে পাদার আইসল্যান্ড প্রণালীতে ১১ আরোহী নিয়ে এক নৌকা ডুবে যায়। উদ্ধার কর্মীরা বেশ কিছু ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও, মার্তিন ও তার তিন সন্তান এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

    চলতি বছর ভ্যালেন্সিয়ার নারী দলের কোচ হিসেবে নিযুক্ত হওয়া মার্তিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ফুটবল বিশ্বের সবাই। স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগীয় ফুটবল লীগের এই সাবেক ফুটবলারের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা, যেমন তার স্ত্রী ও এক কন্যা, নিরাপদে উদ্ধার হয়েছেন।

    এছাড়াও, এই দুর্ঘটনায় আরও চারজন ক্রু সদস্য ও একজন ট্যুর গাইড প্রাণে বেঁচে গেছেন। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় ফুটবল পরিবারের পাশাপাশি সমর্থকদের মধ্যেও গভীর শোকের ছায়া পড়েছে।

  • উজ্জয়িনীর ধর্মীয় নেতাদের হুমকির মধ্যে মোস্তাফিজের আইপিএলের ভবিষ্যৎ uncertain

    উজ্জয়িনীর ধর্মীয় নেতাদের হুমকির মধ্যে মোস্তাফিজের আইপিএলের ভবিষ্যৎ uncertain

    আইপিএলের ২০২৬ আসর শুরু হতে এখনো প্রায় তিন মাস বাকি। তবে এর আগেই একটি অপ্রত্যাশিত ঘটনায় বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের নাম উঠে এসেছে আলোচনায়। গত ১৬ ডিসেম্বর কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) ৯ কোটি ২০ লাখ রুপির বিনিময়ে তাকে দলে নেয়। তবে ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনী থেকে কয়েকজন ধর্মীয় নেতা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে হুমকি দিয়েছেন।

    গত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা এই বিতর্কের পেছনে থাকছে। ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহে দীপ চন্দ্র দাস নামে এক হিন্দু শ্রমিকের মৃত্যু ঘটে, যেখানে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ ওঠে, যদিও এর সত্যতা প্রমাণ হয়নি। তার কয়েক দিন পর, ২৪ ডিসেম্বর রাজবাড়িতে অমৃত মন্ডল নামে অন্য একজন হিন্দু ধর্মাবলম্বীও নিহত হন।

    এসব ঘটনার পটভূমি নিয়ে ভারতের মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর কিছু ধর্মীয় নেতা মোস্তাফিজের কেকেআর-এ খেলার বিরোধিতা করছেন। ভারতীয় সংবাদসংস্থা আইএএনএসের খবর অনুযায়ী, রিণমুক্তেশ্বর মহাদেব মন্দিরের প্রধান পুরোহিত মহাবীর নাথ বলেন, ‘বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর প্রতিষ্ঠিত অবস্থার কারণে যদি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) বা আইপিএলের কর্তৃপক্ষ নীরব থাকেন, তাহলে তারা কঠোর ব্যবস্থা নেবেন।’ তিনি আরও বলছেন, এ বিষয়ে আরও কয়েকটি সংগঠন তাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এ অবস্থায় সামাজিক মাধ্যমে কেকেআর-কে বয়কটের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

    এমন পরিস্থিতিতে মোস্তাফিজের আইপিএলে খেলার সম্ভাবনা এখন অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, বিষয়টি ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ দেখবে, এবং আইপিএলের সূচি ও জাতীয় দলের ব্যস্ততা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    একদিকে যেখানে আইপিএল চলাকালীন সময় বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক খেলা রয়েছে, অপরদিকে আগামী এপ্রিল মাসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিমও সম্প্রতি জানান, আইপিএল চলাকালীন সময়ে মোস্তাফিজকে আট দিন দেশে ফিরতে হবে।

    অবস্থান পরিবর্তনের মতো, মোস্তাফিজ পেরেছেন দুবাইয়ে আইএলটি-টোয়েন্টি আসরে অংশ নিতে, এবং আসন্ন সময়ের জন্য রংপুর রাইডার্সের হয়ে বিপিএলে খেলার সম্ভাবনাও রয়েছে।

  • বিপিএলের মাঝেই বাংলাদেশ ছাড়বেন কিছু পাকিস্তানি ক্রিকেটার

    বিপিএলের মাঝেই বাংলাদেশ ছাড়বেন কিছু পাকিস্তানি ক্রিকেটার

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলমান আসরটি শুরু হয়েছে সিলেট পর্ব দিয়ে। এ সময় প্রচুর বিদেশি ক্রিকেটার অংশ নিচ্ছেন, কিন্তু এর মধ্যে অনেকেরই এখনই মনে হচ্ছে যে তারা সিলেট পর্ব শেষের আগেই বাংলাদেশ থেকে চলে যেতে পারেন। বিশেষ করে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা, যারা আর কিছুদিনের মধ্যেই দেশের জন্য অন্য পরিস্থিতিতে যোগদান করবেন।

    কারণ, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পাকিস্তান দল পরিকল্পনা করছে তাঁর জন্য প্রস্তুতি ম্যাচের সূচি। তারা জানুয়ারির প্রথম দিকেই দুইটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ খেলবে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে। যেখানে পাকিস্তান যাবে ৭, ৯ ও ১১ জানুয়ারি ডাম্বুলা সিরিজের জন্য। এই সিরিজের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের ১৫ সদস্যের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে, যেখানে বর্তমানে বিপিএলে খেলছেন সাত পাকিস্তানি ক্রিকেটারও রয়েছেন। ফলে এর মানে, তারা ৭ জানুয়ারির আগে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে বিদায় নিতে পারেন।

    বিপিএলের এই আসরে সত্যিকার অর্থে অংশ নেওয়া পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের মধ্যে রয়েছেন যথাক্রমে: ফাহিম আশরাফ ও খাজা নাফে (রংপুর রাইডার্স), মোহাম্মদ নেওয়াজ (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), মোহাম্মদ সালমান মির্জা (ঢাকা ক্যাপিটালস), শাহিবজাদা ফারহান (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), সাইম আইয়ুব ও উসমান খান (ঢাকা ক্যাপিটালস)। এছাড়া আরো বেশ কিছু পাকিস্তানি ক্রিকেটার বিভিন্ন দলের স্কোয়াডে রয়েছেন, আনুমানিক ৮ থেকে ১০ জন।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন সিরিজে ডাক পেয়েছেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার খাজা নাফে, যদিও এ পর্যন্ত তিনি এই বিপিএলে মাঠে নামেননি। প্রথমবারের মতো রংপুরের জার্সিতে তিনি খেলতে পারেন ২৯ ডিসেম্বর। এর আগে তিনি ২৩ বছর বয়সীরূপে চট্টগ্রামের হয়ে খেলেছিলেন। এছাড়া সম্প্রতি প্রায় ছয় মাস পর পাকিস্তান দলের স্কোয়াডে ফিরেছেন শাদাব খান, যিনি কাঁধের অস্ত্রোপচারের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন। এখন তিনি বিগ ব্যাশে ফর্মে থাকছেন।

    তবে, লঙ্কানদের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তানের স্কোয়াডে স্থান পায়নি সাবেক টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও পেসার হারিস রউফ। তারা এখনো বিশ্লেষণে রয়েছেন নাসিম শাহ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও সালমান মির্জার মতো পেস আক্রমণের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে। এই সিরিজের পারফরম্যান্স দেখেই পাকিস্তান ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুতি নেবে।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পাকিস্তানের স্কোয়াডে রয়েছেন: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাজা নাফে (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোহাম্মদ সালমান মির্জা, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, নাসিম শাহ, শাহিবজাদা ফারহান (উইকেটরক্ষক), সাইম আইয়ুব, শাদাব খান, উসমান খান (উইকেটরক্ষক) ও উসমান তারিক।

  • প্রয়াত খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপিএলের ম্যাচ বাতিল

    প্রয়াত খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপিএলের ম্যাচ বাতিল

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী জ্যেষ্ঠ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ মঙ্গলবার ভোরে জীবন্তে আর নেই। দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় ছিলেন তিনি, এবং শেষমেশ তার মৃত্যুতে পুরো দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে শোকের ছায়া সাঁটা পড়েছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই আজ নির্ধারিত বাংলাদেশের বিপিএলের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। যদিও ভবিষ্যতে নতুন সূচি অনুযায়ী এগুলো আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের সিলেট টাইটান্স বনাম চট্টগ্রাম রয়্যালস এবং ঢাকা ক্যাপিটালস বনাম রংপুর রাইডার্সের ম্যাচ আর আয়োজন করা হবে না। এই ম্যাচগুলো পরবর্তীতে নির্ধারিত নতুন সূচি অনুযায়ী আয়োজন করা হবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সময়মতো বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।

    প্রায় এক মাস ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন খালেদা জিয়া। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। ডাক্তাররা বলেছিলেন, তিনি অত্যন্ত জটিল পরিস্থিতির মধ্যে আছেন এবং সংকটময় মুহূর্ত পার করছেন। তবে, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সত্ত্বেও তিনি আর সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। দেশের প্রথম নারী ও তিনবারের প্রধানমন্ত্রীর অকাল মৃত্যুতে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি স্বল্প সময়ের জন্য দেশের দায়িত্বশীল নেতৃত্বে ছিলেন, কিন্তু তার অবদান চিরস্থায়ী।

  • ঢাকার ব্যাটিং উল্লেখযোগ্য জয়ে রাজশাহীকে হারালো

    ঢাকার ব্যাটিং উল্লেখযোগ্য জয়ে রাজশাহীকে হারালো

    বিপিএলের ম্যাচে রাজশাহীকে হারিয়ে ঢাকার শুরু হলো অসাধারণ জয়ে। ইমাদ ওয়াসিমের মিতব্যয়ী ও ধারাবাহিক বোলিংয়ের সঙ্গে অভিজ্ঞ নাসির হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও সালমান মির্জারা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট শিকার করে নিজেদের দাপট দেখিয়ে যান। পূর্বের ম্যাচের নায়করা, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম, ভালো শুরু করলেও বড় ঝোড়ো ইনিংস খেলতে পারেননি। অন্যদিকে, রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা শুরুতে কিছুটা বিপদে পড়লেও শেষ দিকে মোহাম্মদ নাওয়াজের ব্যাটে ১৩২ রানের পুঁজি তৈরি করেন তারা। তবে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকাও সহজে জয় করতে পারেনি। আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে নাসির, শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সাব্বির রহমানের ব্যাটে দলটি জয় নিশ্চিত করে। ফলাফল: রাজশাহীর বিরুদ্ধে ৫ উইকেটে জিতে বিপিএল শুরু করল ঢাকার দল।

    প্রথম দিকে টস হারিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীর আলশুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহানকে হারায় তারা, এরপর তানজিদ হাসান তামিম ও শান্ত জুটি গড়ার চেষ্টা করে। তানজিদ আক্রমণে যান নাসিরের বলে ১৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। এরপর ইয়াসির আলী রাব্বি বেশিক্ষণ টেকেননি, ১৩ রান করে শামীমের হাতে ক্যাচ দেন। রাজশাহীর অধিনায়ক মেহেরব শুরুতেই শক্তিশালী শুরু করতে পারেননি, ২৩ বলে ২৪ রান করে উইকেট হারান। বিরতি শেষে শামিমের ইনিংসে ভিন্ন রূপ দেখা যায়; তিনি ২৮ বলে ৩৭ রান করেন। অন্যদিকে, মুশফিকুর রহিম ২৩ বলে ২৪ রান করে ব্যাটিংয়ে সুবিধা করতে পারেননি। শেষদিকে নাওয়াজের ২৬ বলে ২৬ রানের ইনিংসে রাজশাহীর সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩২ রান। ঢাকার জন্য এই লক্ষ্য কঠিন ছিল না। স্পিনার ইমাদের ৩ উইকেট ও নাসিরের ২ উইকেট এই জয়ের জন্য সফলতা এনে দেয়। তার আগে, রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা শুরুতেই ধাক্কা খেয়ে কিছুটা পিছিয়ে পড়লে, শেষ পর্যন্ত নাওয়াজের প্রত্যাঘাত ও দলের অন্যান্য স্পিনারদের শক্ততর দুর্ব্যবহার জয় নিশ্চিত করে।

  • স্পেনে ফুটবল কোচসহ তিন সন্তান Nautica দুর্ঘটনায় নিহত

    স্পেনে ফুটবল কোচসহ তিন সন্তান Nautica দুর্ঘটনায় নিহত

    স্পেনে ফুটবল অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এক হৃদয়বিদারক ঘটনাকে কেন্দ্র করে। ইন্দোনেশিয়ায় ছুটি কাটানোর সময় নৌ-দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ফুটবল কোচ ফার্নান্দো মার্তিন ও তার তিন সন্তান।

    ফার্নান্দো মার্তিন ভ্যালেন্সিয়া সিটি ফুটবল ক্লাবের নারী দলের কোচ ছিলেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ায় অবকাশের জন্য গিয়েছিলেন, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটে লাবুয়ান বাজো দ্বীপের কাছাকাছি পাদার আইসল্যান্ড প্রণালীতে।

    ভ্যালেন্সিয়া ক্লাব এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, ‘ইন্দোনেশিয়ায় ঘটেছেন মর্মান্তিক নৌ-দুর্ঘটনায় আমাদের কোচ ফার্নান্দো মার্তিন ও তার তিন সন্তানের মৃত্যু। স্থানীয় কর্তৃপক্ষই এই দুঃখজনক খবর নিশ্চিত করেছে।’

    সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়া ও স্পেনের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার কঠোর আবহাওয়ার মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় একটি ছোট নৌকা ১১ আরোহী নিয়ে পাদার আইসল্যান্ড প্রণালীতে ডুবে যায়। শনিবার ঘটনাস্থল থেকে কিছু মানুষকে উদ্ধার করা হলেও, মার্তিন এবং তার তিন সন্তান এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।

    চলতি বছর ভ্যালেন্সিয়ার নারী দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মার্তিনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে রিয়াল মাদ্রিদ। তার স্ত্রী ও এক কন্যাকে উদ্ধার করে নিরাপদে নিয়ে আসা হয়। এ ঘটনায় আরও চার ক্রু সদস্য ও একজন ট্যুর গাইড প্রাণে বেঁচে গেলেন।

  • ২১ শতকের শীর্ষ ক্রীড়াবিদ মেসি, শীর্ষ দশে অন্যরা

    ২১ শতকের শীর্ষ ক্রীড়াবিদ মেসি, শীর্ষ দশে অন্যরা

    নিজের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে লিওনেল মেসি অসংখ্য শিরোপা ও পুরস্কার জিতেছেন। ২০২৫ সালের শেষপ্রান্তে এসে তাঁর মুকুটে যোগ হলো আরও একটি গৌরবময় পালক। জনপ্রিয় ফরাসি ভাষার কানাডীয় গণমাধ্যম লে জার্নাল কুইবেক ঘোষণা করেছে, ২১ শতকের প্রথম ২৫ বছরের মধ্যে সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে শীর্ষে আছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।

    বিশ্বক্রীড়ার নানা শাখায়—ফুটবল, অলিম্পিক, টেনিস, বাস্কেটবল ও অ্যাথলেটিক্স—বৈচিত্র্যময় খেলাগুলোকে এক ছাতার নিচে এনে তৈরি এই তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়রা ঠাঁই পেয়েছেন। আর এশা তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছেন মেসি, যিনি তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্স ও অবদান দিয়ে ক্রীড়াজগতে এক অনন্য অবয়ব তৈরি করেছেন।

    ক্লাব ফুটবল হোক বা জাতীয় দল—সব ক্ষেত্রেই তাঁর সফলতা অনন্য। বার্সেলোনায় শুরু করে প্যারিস সেন্ট জার্মেই, ইন্টারন্যামিক, আবুধাবি ও আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে—প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ট্রফি জিতেছেন। দীর্ঘ কষ্টার্জিত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ বিশ্বকাপের মতো গুরুত্বপূর্ণ ট্রফিও জিতেছেন। ব্যক্তিগত অর্জনের ক্ষেত্রেও তিনি অসাধারণ—৮ বার ব্যালন ডি’অর পুরস্কার পেয়ে থাকেন, যা ফুটবল বিশ্বের রেকর্ড। বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনা দলের হয়ে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা, আর ক্লাব ও আন্তর্জাতিক লিগে জিতেছেন অসংখ্য শিরোপা।

    এছাড়াও, লে জার্নাল কুইবেকের তালিকায় শীর্ষ দশে থাকা অন্যান্য কিংবদন্তিদের মধ্যে আছেন টম ব্র্যাডি, যিনি নিউ ইংল্যান্ড প্যাট্রিয়টস ও টাম্পা বে বুকানিয়াসের হয়ে সাতটি সুপার বোল ট্রফি জিতেছেন—একেবারেই অপরাজেয় রেকর্ড। তৃতীয় অবস্থানে আছেন অলিম্পিক ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাঁতারু মাইকেল ফেলপস, যিনি ২০০৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে অলিম্পিকে ২৮টি পদক জিতেছেন, যার মধ্যে সোনা ২৩টি। ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকে এক অনুষ্ঠানে ৮টি স্বর্ণপদক জিতে গড়েছিলেন একেবারে নতুন ইতিহাস।

    আরও কিছু খেলা ব্যক্তিত্বের মধ্যে রয়েছেন টেনিসের সেরেনা উইলিয়ামস, দৌড়বিদ উসাইন বোল্ট, বাস্কেটবল তারকা লেব্রন জেমস, টেনিস তারকা নোভাক জোকোভিচ, জিমন্যাস্টিকসের সিমোন বাইলস, বাস্কেটবল কিংবদন্তি কোবি ব্রায়ান্ট এবং ফুটবলের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এই তালিকা শুধু ট্রফি বা পরিসংখ্যানের গল্প নয়—এটি প্রকাশ করে, কোন ক্রীড়াবিদ নিজের খেলাকে শুধু সফল নয়, বরং প্রভাবশালী করে তুলেছেন এক শতাব্দীতে। সুতরাং, আলাদা করে বলা যায়, লিওনেল মেসি কেবল ফুটবলেরই নয়, বরং পুরোটাই ক্রীড়াজগতের এক অনন্য আইকন, যিনি নিজের খেলাকে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী করে তুলেছেন।

  • বিপিএলের মাঝেই বাংলাদেশ ছাড়বেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

    বিপিএলের মাঝেই বাংলাদেশ ছাড়বেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) চলমান আসর এখন সিলেট পর্বে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই পর্ব শেষে কয়েকজন পাকিস্তানি ক্রিকেটার বাংলাদেশ ছেড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। মূলত, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে তারা জানুয়ারির প্রথম দিকের দুটি সিরিজের জন্য নিজ দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

    অভিষিক্ত উইকেটরক্ষক ব্যাটার খাজা নাফে এই সিরিজের জন্য পাকিস্তানের স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন। যদিও তিনি আপাতত বিপিএলে মাঠে নামেননি, তবে ২৯ ডিসেম্বর রংপুরের জার্সিতে প্রথমবারের মতো খেলতে দেখা যেতে পারে। গত বিপিএলে তিনি চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে ২৩ বছর বয়সী ব্যাটার হিসেবে পারফর্ম করেছিলেন। এছাড়া, দীর্ঘদিন পর পাকিস্তানের সবশেষ স্কোয়াডে ফিরেছেন শাদাব খান, যিনি জুনে কাঁধের অস্ত্রোপচার করায় মাঠের বাইরে ছিলেন। এখন তিনি বিগ ব্যাশে বেশ ভালো ফর্মে আছেন।

    একই সঙ্গে, বিপিএলে বিভিন্ন দলের হয়ে খেললেও পাকিস্তানের স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটাররা হলেন– ফাহিম আশরাফ (রংপুর রাইডার্স), খাজা নাফে (রংপুর রাইডার্স), মোহাম্মদ নেওয়াজ (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), মোহাম্মদ সালমান মির্জা (ঢাকা ক্যাপিটালস), শাহিবজাদা ফারহান (রাজশাহী ওয়ারিয়র্স), সাইম আইয়ুব ও উসমান খান (ঢাকা ক্যাপিটালস)। তবে এ ছাড়া আরও ৮ থেকে ১০ জন পাকিস্তানি ক্রিকেটার বিভিন্ন দলের স্কোয়াডে রয়েছেন।

    শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানের স্কোয়াডে ডাক পেয়েছেন খাজা নাফে, যিনি এবারের বিপিএলে মাঠে নামেননি। সিরিজের আগে তিনি রংপুর রাইডার্সের জার্সিতে খেলার সুযোগ পাবেন। এছাড়া, এই সিরিজের জন্য পাকিস্তানের স্কোয়াডে থাকছেন– সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবদুল সামাদ, আবরার আহমেদ, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, মোহাম্মদ নেওয়াজ, মোহাম্মদ সালমান মির্জা, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, নাসিম শাহ, শাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, শাদাব খান, উসমান খান ও উসমান তারেক। তবে সাবেক টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও পেসার হারিস রউফ এই সিরিজে থাকছেন না। তারা মূলত পেস আক্রমণের শক্তি হিসেবে নাসিম শাহ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র ও সালমান মির্জাকে দলে রেখেছেন।

    এই সিরিজের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পাকিস্তানের স্কোয়াড নির্ধারিত হবে।

  • উজ্জয়িনীর ধর্মীয় নেতাদের হুমকির মুখে মোস্তাফিজের আইপিএল খেলার অনিশ্চয়তা

    উজ্জয়িনীর ধর্মীয় নেতাদের হুমকির মুখে মোস্তাফিজের আইপিএল খেলার অনিশ্চয়তা

    আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পেসার মোস্তাফিজুর রহমানের নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রে। আসন্ন ২০২৬ আইপিএল আসরের শুরু এখনও তিন মাসের বেশি সময় বাকি থাকলেও, ইতিমধ্যেই оның খেলার বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। নভেম্বরের শেষ দিকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) দলে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে নির্বাচিত হওয়ার পর ভারতীয় মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর কিছু ধর্মীয় নেতা এর বিরোধিতা শুরু করেন। তারা মোস্তাফিজকে মাঠে নামানোর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন এবং হুমকি দেন।

    প্রেক্ষাপটে রয়েছে বাংলাদেশে কয়েক সপ্তাহে ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনা। ১৮ ডিসেম্বরে ময়মনসিংহে দীপ চন্দ্র দাস নামে একজন হিন্দু শ্রমিকের নিহতের ঘটনায় ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ উঠলেও সত্যতা নিশ্চিত হয়নি। এরপর ২৪ ডিসেম্বর রাজবাড়ী জেলায় অমৃত মন্ডল নামে আরেকজন হিন্দু ধর্মাবলম্বীর মৃত্যুর খবর আসে। এই ঘটনাগুলিকে উল্লেখ করে ভারতীয় সংস্থা আইএএনএস জানিয়েছে, উজ্জয়িনীর কয়েকজন ধর্মীয় নেতা মোস্তাফিজের কলকাতা নাইট রাইডার্সে খেলার বিরুদ্ধে সরাসরি হুমকি দিয়ে বলছেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলি ভারতের বড় ধর্মীয় সংগঠনগুলোর নীরবতাকে জোরদার করছে।

    মহাবীর নাথ প্রকাশ্যে বলেছেন, তারা এই বিষয়ে বিসিসিআই ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অবহেলা ও নীরবতাকে তাদের জন্য অপেশাদারী বলে মনে করেন। তিনি আরও বলেন, যে সব ধর্মীয় সংগঠন এই বিরোধিতা বাড়াতে সক্রিয় হতে পারে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেকেআরকে বয়কটের ডাকও দেওয়া হয়েছে।

    বিষয়টি এখন ক্রিকেটাঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানিয়েছেন, মোস্তাফিজের আইপিএলে খেলতে যাওয়া ও না যাওয়া বিষয়টি ক্রিকেট অপারেশন্স বিভাগ দেখবে। তারা আইপিএলের সূচি ও দেশের বর্তমান ব্যস্ততা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

    উল্লেখ্য, আইপিএল চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ দলের আন্তর্জাতিক সিরিজও চলমান রয়েছে। আগামী এপ্রিল, মে মাসে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বাংলাদেশ তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবো। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের মতে, মোস্তাফিজকে আট দিন জন্য দেশে ফিরতে হবে তার পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড সিরিজের জন্য। সম্প্রতি মোস্তাফিজ দুবাইয়ে আইএলটি-টোয়েন্টি খেলে দেশে ফিরেছেন, এবং রংপুর রাইডার্সের হয়ে বিপিএল ম্যাচ খেলার সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে মোস্তাফিজের আইপিএলে খেলা কতদিন নিশ্চিত, তা এখন এখনো অনিশ্চিত।