Category: অর্থনীতি

  • সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩,২৬৬ টাকা কমল

    সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩,২৬৬ টাকা কমল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার ঘোষণা করেছে যে সোনার দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩,২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমার প্রেক্ষিতে স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির মূল্য দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে — যা ভরিপ্রতি দুই লক্ষ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নামা হিসেবে দেখা যায়।

    অন্যান্য মানের দামের তালিকা অনুযায়ী: ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সোনার সঙ্গে রূপার দামও কমেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রূপার দাম এখন ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেটে প্রতি ভরি রূপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রূপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও আজ দরপতন ধরা পড়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায় যে আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,০৯০ ডলার, যেটি গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। গত ফেব্রুয়ারিতে (৩০ জানুয়ারি) দাম ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫০৪ ডলারে উঠেছিল।

    বিশ্ববাজারে গত সপ্তাহে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কিত উত্তেজনার কারণে সোনার দাম বাড়েছিল, কিন্তু আজকের পরিবর্তনে স্থানীয় বাজারে দাম নামা দেখা যাচ্ছে।

    এদিকে, মাসের শেষে বিশ্ববাজারে খাড়া বৃদ্ধির সময় দেশের বাজারেও বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে — ২৯ জানুয়ারি বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়ানোর মাধ্যমে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম রেকর্ডভাবে দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে দেয়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

  • এক ভরিতে সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়াল

    এক ভরিতে সোনার দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনে সোনার দাম বাড়িয়েছে। ভরিতে ২ হাজার টাকারও বেশি বাড়িয়ে সংগঠনটি ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

    বাজুস বুধবার (১১ মার্চ) সকালে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে যে নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বাড়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য দাঁড়িয়েছে: ২২ ক্যারেট — ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট — ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা করে বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা; ২১ ক্যারেট — ৬ হাজার ৪১৫ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ৫ হাজার ৪৮২ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ৮২ টাকা।

    বাজারের এসব পরিবর্তন ক্রেতা ও বিজেবায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ; প্রতিদিনের দর ও স্থানীয় শর্ত অনুযায়ী লেনদেনের সময় সতর্ক থাকা উচিত।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ১৮ ও ১৯ মার্চ কিছু শাখা সীমিতভাবে খোলা থাকবে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ১৮ ও ১৯ মার্চ কিছু শাখা সীমিতভাবে খোলা থাকবে

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ঈদের ছুটির সময়ে আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) ও ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কয়েকটি এলাকার কিছু বাণিজ্যিক ব্যাংক শাখা সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। এই নির্দেশনা মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) জারি করেছে।

    সরকার নির্বাহী আদেশে ১৮ মার্চকে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা করায় সাধারণত তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। তবে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্য ভাতা পরিশোধ এবং রফতানি বিল ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় বিশেষ কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখিত শাখাগুলো হলো ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের বস্ত্রশিল্প সংযুক্ত এলাকায় অবস্থিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর শাখা। এসব শাখায় যথাযথ নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সীমিত সংখ্যক কর্মী নিয়ে ১৮ ও ১৯ মার্চ দুইদিন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

    এই দুইদিন ব্যাংকের অফিস খোলা থাকবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত। অফিসের মধ্যে যোহরের নামাজের জন্য দুপুর ১:১৫টা থেকে ১:৩০টা পর্যন্ত বিরতি থাকবে। আর লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    আগে জারি করা নির্দেশনা অনুসারে সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর সংলগ্ন (পোর্ট ও কাস্টমস) এলাকায় থাকা শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) আমদানি-রফতানি সংক্রান্ত কার্যক্রম সীমিতভাবে চালাতে পারবে; এই ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়োজিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

    এসসংক্রান্ত নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • বাজুস: প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩,২৬৬ টাকা কমলো

    বাজুস: প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩,২৬৬ টাকা কমলো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এ ঘোষণা অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে, ফলে ভালো মানের সোনার ভরি দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছে।

    বাজুস আজ সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়ে বলে, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী প্রতিটি গ্রেডের ভরি দাম হচ্ছে:

    – ২২ ক্যারেট: দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: দুই লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: দুই লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: এক লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও কমে গেছে। প্রতি ভরির রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে:

    – ২২ ক্যারেট: ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৬ হাজার ৬৫ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫ হাজার ১৯০ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: ৩ হাজার ৯০৭ টাকা

    বিশ্ববাজারে গত সপ্তাহে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংক্রান্ত ঘটনায় স্বর্ণের দাম বাড়ছিল। কিন্তু আজ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দরপতন দেখা গেছে। বিশ্বস্ত সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,০৯০ ডলার, যেখানে গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলারে উঠেছিল।

    স্থানীয় বাজারে এই পতন আগের সপ্তাহের উত্থানের পর আগত সমন্বয় হিসেবেও দেখা যাচ্ছে। উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম দ্রুত বাড়ায় দেশে এক ধাক্কায় দাম বাড়ানো হয়েছিল—২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস এক অবশ্যম্ভাবী সমন্বয়ে প্রতি ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ায়, ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়ায় দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায়; যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড।

  • ভরিতে সোনার দাম কমল ৩,২৬৬ টাকা

    ভরিতে সোনার দাম কমল ৩,২৬৬ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা দিয়েছে, প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসে নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

    বাজুস প্রথমে আজ সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই পরিবর্তনের কথা জানায়। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকরি হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নির্ধারিত নতুন দরগুলো হলো:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৬৪,৯৪৮ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ২১ ক্যারেট: ২,৫২,৮৭৬ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ১৮ ক্যারেট: ২,১৬,৭৭৫ টাকা (প্রতি ভরি)

    – সনাতন পদ্ধতি: ১,৭৬,৯৪৩ টাকা (প্রতি ভরি)

    সোনা ছাড়াও রুপার দামও কমেছে। নতুন রুপার দরগুলো হল:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৩৫৭ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ২১ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা (প্রতি ভরি)

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা (প্রতি ভরি)

    – সনাতন পদ্ধতি: ৩,৯০৭ টাকা (প্রতি ভরি)

    আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রতি উত্তেজনার কারণে (ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কিত পরিস্থিতি) সোনার দর বেড়ে গিয়েছিল। তবে গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ৫,০৯০ ডলার, যা গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। এর আগের দিনগুলোতে ৩০ জানুয়ারিতে দর ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারিতে এটি ৫,৫৫০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দর দ্রুত বাড়ায় দেশের বাজারেও বড় হারে মূল্য বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে দেয়— যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড এবং এক ধাক্কায় এত বেশি বেড়েছিল কখনও হয়নি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক দর কিছুটা নেমে আসায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় দেখা যাচ্ছে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিতভাবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশ: ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিতভাবে ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আসন্ন ঈদের ছুটির মাঝে কিছু ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং পরিষেবা চালু রাখা হবে। সরকারি ছুটির নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮ মার্চ (বুধবার) তফসিলি ব্যাংকের সাধারণ শাখা-উপশাখা বন্ধ থাকলেও পোশাক শিল্প ও রফতানি লেনদেন সহজ করতে নির্দিষ্ট এলাকায় সীমিত সংখ্যক শাখা খোলা রাখা যাবে।

    মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এই সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ঈদুল ফিতরের আগে প্রস্তুত পোশাক শিল্পের শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন, বোনাস ও অন্যান্যভাতা পরিশোধ এবং রফতানি বিল ক্রয়ের প্রয়োজন বিধানে ব্যাংকগুলোর নির্দিষ্ট শাখায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সীমিত কর্মী নিয়ে সীমিত পরিসরে সার্ভিস চালু রাখার অনুমতি দেয়া হয়েছে।

    খোলা রাখার সুযোগটি শুধু ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম এলাকায় অবস্থিত পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কিং শাখাগুলোর জন্য প্রযোজ্য। এসব শাখা ১৮ ও ১৯ মার্চ যথাক্রমে বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই অফিস খোলা রাখবে এবং দুপুর ২টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে। কার্যক্রমের মধ্যে যোহরের নামাজের জন্য সকাল সোয়া ১টা (১:১৫) থেকে দেড়টা (১:৩০) পর্যন্ত বিরতি থাকবে। লেনদেনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

    এ ছাড়া বন্দর ও কাস্টমস এলাকায়—সমুদ্র, স্থল ও বিমান বন্দর সংলগ্ন তফসিলি ব্যাংকের শাখা, উপশাখা ও বুথগুলো চলমান নির্দেশনা অনুযায়ী সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা চালু রাখার ক্ষেত্রে সুবিধা পাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) আমদানি-রফতানি সম্পর্কিত জরুরি কার্যক্রম সীমিত আকারে বজায় রাখার জন্য স্থানীয় প্রশাসন, বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

    ছুটি উপলক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী ভাতা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় আনা জনস্বার্থজনিত এই নির্দেশনা দেশের সব তফসিলি ব্যাঙ্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

  • ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট শাখা সীমিতভাবে খোলা রাখার নতুন নির্দেশনা

    ঈদের ছুটিতে নির্দিষ্ট শাখা সীমিতভাবে খোলা রাখার নতুন নির্দেশনা

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আসন্ন ঈদের সরকারি ছুটির মধ্যে আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) ও ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) কয়েকটি এলাকায় সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং পরিষেবা চালু থাকবে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে।

    নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের পূর্ব নির্ধারিত ছুটির প্রেক্ষিতে ১৮ মার্চ সরকার কর্তৃক объявিত ছুটির কারণে সাধারণ নিয়মে তফসিলি ব্যাংকের সব শাখা ও উপশাখা বন্ধ থাকবে। তবু তৈরি পোশাক খাতে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মচারীদের বেতনে ব্যাঘাত এড়াতে এবং রফতানি বিল ক্রয়ের প্রয়োজন মেটাতে বিশেষভাবে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে অবস্থিত পোশাক শিল্পের লেনদেন সংক্রান্ত শাখাগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে আগামী ১৮ ও ১৯ মার্চ বুধবার ও বৃহস্পতিবার দুদিন সীমিত সংখ্যক কর্মী উপস্থিত রেখে সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

    এই দুই দিনে ব্যাংক অফিস সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। যোহরের নামাজের বিরতিতে দুপুর সোয়া একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ থাকবে, আর সরাসরি লেনদেন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে।

    আগে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী সমুদ্র, স্থল ও বিমানবন্দর এলাকার (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোকে প্রয়োজনে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সুবিধা আছে; এ সংক্রান্ত প্রয়োজনে ব্যাংকগুলোকে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত (ঈদের দিন ব্যতীত) আমদানি-রফতানি বিষয়ক সীমিত কার্যক্রম চালিয়ে যেতে স্থানীয় প্রশাসন ও বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

    ছুটির দিনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নিয়ম অনুযায়ী ভাতা পাবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক এই নির্দেশনা ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জারি করেছে এবং দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে।

  • বাজুস জানাল—প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমলো ৩,২৬৬ টাকা

    বাজুস জানাল—প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমলো ৩,২৬৬ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩,২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসেছে।

    বাজুস সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সমিতি জানিয়েছে যে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য হ্রাস করা হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত দামে ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম রাখা হয়েছে ২64,948 টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম হয়েছে 252,876 টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি 216,775 টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে 176,943 টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও কমানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন 6,357 টাকা; ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা 6,065 টাকা; ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি 5,190 টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম 3,907 টাকা।

    আন্তর্জাতিক পটভূমিতে বলা হয়, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল উত্তেজনার কারণে গত সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ঊর্ধ্বগামী ছিল; তারপর আজ দর নেমে এসেছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্যমতে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে 5,090 ডলার, যেখানে গতকাল এটি ছিল 5,170 ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি ছিল 5,200 ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি এক পর্যায়ে 5,550 ডলারে উঠেছিল।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের হঠাৎ উত্থানের কারণে দেশের বাজারেও রেকর্ড বাড়তি মূল্য দেখা গিয়েছিল। ২৯ জানুয়ারিতে বাজুস একবারে ভরিপ্রতি 16,213 টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম নিয়ে গিয়েছিল ২৮৬,০০০ টাকায়—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। বর্তমানে সেই চূড়ান্ত মূল্য কমে নতুন এই দরেই বাজার চলবে।

  • জ্বালানির দাম দুই বছরে শীর্ষে — বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত

    জ্বালানির দাম দুই বছরে শীর্ষে — বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনি সংকেত

    মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার তীব্রতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম গত দুই বছরের সর্বোচ্চ স্থরে পৌঁছেছে। কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাবি সতর্ক করেছেন যে উপসাগরীয় তেল-গ্যাস রফতানিকারক দেশগুলো কয়েক দিনের মধ্যে উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে, যা বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধাক্কা দিতে পারে।

    ফাইনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাবি বলেন, চলমান সংঘাত স্বাভাবিক পরিস্থিতি থেকে দ্রুত বেরিয়ে গেলে তা বিশ্ব অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করে দিতে পারে। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ৯%-এর বেশি বেড়ে প্রতি ব্যারেল প্রায় ৯৩ ডলারে পৌঁছায় — যা ২০২৩ সালের শরতের পর সর্বোচ্চ।

    জ্বালানি বিশ্লেষকেরা বলছেন, তেলের দাম বাড়লে সাধারণ মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব পড়বে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হিটিং, খাদ্য উৎপাদন ও আমদানিকৃত পণ্যের দামও দ্রুত বাড়তে পারে। কাতার এনার্জি জানিয়েছে তাদের এলএনজি উৎপাদন কেন্দ্র সামরিক হামলার কারণে অস্থায়ীভাবে বন্ধ আছে; কাবি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধে যদি কয়েক সপ্তাহ স্থায়ীত্ব পায় তেলদামের মূল্য প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে পৌঁছতে পারে।

    কাবি আরও বলেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বিশ্বব্যাপী জিডিপি প্রবৃদ্ধি দমে যাবে, জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হবে এবং কলকারখানায় উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ফলে পণ্যের ব্যাপক সংকট দেখা দেবে।

    বিশ্ববাজারে পরিস্থিতির একটি বড় কারণ হলো হরমুজ প্রণালী — যেখানে মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। গত সপ্তাহে ইরান ও মার্কিন-ইসরায়েল সংঘাতের পর এই সংকীর্ণ জলপথে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। ফলত চীন, ভারত ও জাপানসহ তেল আমদানিতে নির্ভর দেশগুলোর জন্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

    রাইস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক হোর্হে লিওন এই অবস্থা ‘বাস্তব ঝুঁকি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেন, আমাদের সামনে এমন এক সংকটের সন্ধিক্ষণ যেখানে বলা কঠিন এটি সাময়িক নাকি দীর্ঘমেয়াদি প্রত্যাহার। যদি সরবরাহ দুই সপ্তাহের বেশি বন্ধ থাকে, তাহলে বিশ্ব অর্থনীতিতে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

    যুক্তরাজ্যের বাজার তদারকি সংস্থা সিএমএ এবং জ্বালানি নিয়ন্ত্রক অফিস অব জেনারেল এনার্জি মার্কেটস (অফজেম) পরিস্থিতি নজরদারি করছে। ইতোমধ্যেই ব্রিটেনে পেট্রল ও ডিজেলের দাম ১৬ মাসের সর্বোচ্চতে উঠেছে।

    বিশ্লেষকরা মনে করান যে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছে কিছুদিনের তেল মজুদ থাকলেও তা সিমিত। মজুদ ফুরিয়ে গেলে এবং উৎপাদন ব্যাহত হলে বিশ্ববাজার কষ্টে পড়ে যাবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অনেক সরকার জরুরি তেল মজুদ বাজারে ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে — ঠিক যেভাবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় করা হয়েছিল।

    সামগ্রিকভাবে, যদি সংঘাত শিগগির না থামে তাহলে তেলের স্বল্পমেয়াদি শক বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বাড়াবে, সরবরাহ শৃঙ্খল ভেঙে দেবে এবং অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে ধাক্কা দেবার সম্ভাবনা থাকবে।

  • বাজুসের ঘোষণা: প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমলো সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

    বাজুসের ঘোষণা: প্রতি ভরিতে সোনার দাম কমলো সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত সোনার দাম কমানো হয়েছে। এতে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নিচে নেমে এসে এখনই নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

    বাজুস সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সমিতি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দামের পতনের কারণে স্থানীয় বাজারে দাম কমিয়েছে তারা।

    নতুন নির্ধারিত দামগুলো হলো — ২২ ক্যারেট: এক ভরি ২ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা; ২১ ক্যারেট: এক ভরি ২ লাখ ৫২ হাজার ৮৭৬ টাকা; ১৮ ক্যারেট: এক ভরি ২ লাখ ১৬ হাজার ৭৭৫ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম: ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা।

    রুপার দামও কমেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা; ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৬৫ টাকা; ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৯০৭ টাকা।

    বিশ্ববাজারে গত সপ্তাহে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংক্রান্ত উত্তেজনার কারণে সোনার দাম বেড়ে গিয়েছিল। তবে বর্তমানে বাজারে দরপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার মূল্যের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম রয়েছে ৫,০৯০ ডলার; যেখানে গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। পূর্বে ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলার।

    উল্লেখ্য, মাসের শুরুতে বিশ্ববাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে দেশের বাজারেও দাম দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছিল। গত ২৯ জানুয়ারিতে বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম রেকর্ড পরিমাণে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে গিয়েছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংখ্যা হিসেবে অ্যাকর্ড করা হয়। ঐ সময়ের সেই একক বাড়ি এতোটাই ব্যতিক্রম—আগের যুগে এতো বাড়ানো হয়নি।