Category: অর্থনীতি

  • খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় করতে তফসিলি ব্যাংককে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ

    খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় করতে তফসিলি ব্যাংককে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ

    বাংলাদেশ ব্যাংক বুধবার একটি সার্কুলার জারি করে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছে, যাতে খেলাপি ঋণ সম্পর্কিত বিরোধগুলো আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ বা এডিআর পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, এই উদ্যোগ বিচারব্যবস্থায় মামলার চাপ কমিয়ে ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

    সার্কুলারে নির্ধারণ করা হয়েছে, তফসিলি ব্যাংকগুলোকে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। বর্তমান সময়ে পর্যাপ্ত পরিমাণ অনাদায়ী ঋণ থাকা এবং দীর্ঘ আদালত প্রক্রিয়ার কারণে এই টার্গেটকে দেশের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনাটি ২২ মে ২০২৪ জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ জোর দিয়েছে। মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাংককে বলা হয়েছে, বিদ্যমান আইন অনুযায়ী বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো দ্বারা গঠিত প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে হবে।

    সংশ্লিষ্ট প্যানেলে থাকতে পারে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও অন্যান্য অভিজ্ঞ পেশাজীবী। সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন সংক্রান্ত ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে—যার মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতা সম্পর্কে প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না হওয়া ও আর্থিক সক্ষমতা ইত্যাদি।

    মধ্যস্থতাকারী নিয়োগে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া মেনে চলা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি ব্যাংকগুলোর কাছে নির্দেশনা আছে যে, গ্রাহকদের কাছে এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে সক্রিয় তথ্য সরবরাহ করতে হবে, যাতে তারা আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার সুযোগ সম্পর্কে সচেতন হয়।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি দাঁড়িয়ে দিলেই দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে একটি কার্যকর কাঠামো গড়ে উঠবে, যা ব্যাংক খাতের স্থিতিশীলতা ও কর্মদক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

  • সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ছাড়াল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এবার ২২ ক্যারেটের ভালো মানের এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা।

    বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নতুন এই দাম বুধবার (১১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি এবং তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্যের ঊর্ধ্বগতিকে বিবেচনা করে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

    নতুন দর অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা।

    সোনার দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম কয়েকটি অঞ্চলে ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

  • ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়ালো

    ২২ ক্যারেট সোনার ভরির দাম ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা ছাড়ালো

    টানা দ্বিতীয় দিন সোনার দাম বাড়ল — বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার সকালে ঘোষণা করে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরিতে ২ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি রেখে দাম নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনা (পিওর গোল্ড)-র মূল্য বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ভরি=১১.৬৬৪ গ্রাম হিসেবে দেশের বাজারে এখন সোনার দর নির্ধারণ করা হলো — ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতনী পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরি: ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। প্রতি ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। সমতুল্যভাবে ২১ ক্যারেট রুপা ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৪,০৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুসের এই নতুন মূল্য নির্দেশিকা ভোর থেকে কার্যকর থাকায় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বাজারে ক্রমশ মূল্য সমন্বয় দেখা যাবে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ: খেলাপি ঋণ আদায়ে তফসিলি ব্যাংকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ বাধ্যতামূলক

    বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ: খেলাপি ঋণ আদায়ে তফসিলি ব্যাংকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ বাধ্যতামূলক

    বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত নিষ্পত্তি করার লক্ষ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মিডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। চারপাশে সময়সীমা দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বুধবার একটি সার্কুলার প্রকাশ করেছে, যাতে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিতে সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

    সার্কুলারে বলা হয়েছে, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে তাদের মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। এই সময়সীমা ব্যাংক খাতের তারল্য এবং আর্থিক স্থিতি বজায় রাখার প্রয়াসে নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু দ্রুত টাকা আদায় নয়—একসাথে এটি বিচার ব্যবস্থায় মামলা কমিয়ে দীর্ঘ এবং ব্যয়সাপেক্ষ আইনি প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে কার্যকর সমঝোতার সুযোগ তৈরি করতে চায়। বিশেষ করে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এবং দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় যেতে পারে এমন বিরোধ আদালতে যাওয়ার আগে মীমাংসার সুযোগ পাবে।

    সার্কুলারে নির্দেশনা বেঁধে দেওয়া হয়েছে যে, মধ্যস্থতাকারী নির্বাচন করতে হবে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী নিবন্ধিত এবং বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গঠিত প্যানেল থেকে। ওই প্যানেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং নির্ভরযোগ্য অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

    মধ্যস্থতাকারী হওয়া বা প্যানেলে থাকার জন্য সার্কুলারে মোট ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা ও মধ্যস্থতা সম্পর্কিত জ্ঞান, প্রমাণিত অভিজ্ঞতা, পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, খেলাপি না থাকা এবং যথাযথ আর্থিক সক্ষমতা।

    ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের ক্ষেত্রে কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মধ্যস্থতাকারীগণের হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে।

    এছাড়া, গ্রাহকদের মধ্যে এসব মধ্যস্থতা সুবিধা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর দায়িত্বও ব্যাংকগুলোর ওপর দেওয়া হয়েছে, যাতে ঋণগ্রহীতারা আদালত ছাড়াই দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে আপস-মীমাংসার সুবিধা ব্যবহার করতে পারে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এই নির্দেশনা ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১-এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আনা হয়েছে, তবে নতুন নীতিমালা বিশেষভাবে আদালতে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ মীমাংসায় জোর দিচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, মধ্যস্থতার মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও বৃহৎ উভয় স্তরের খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ, দ্রুত কার্যকরী এবং সুসংগঠিত পদক্ষেপ হবে।

  • সোনার দাম ছুঁলো ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার: বাজুসের তৃতীয় দিনে বাড়ানো দর

    সোনার দাম ছুঁলো ভরি ২ লাখ ৭০ হাজার: বাজুসের তৃতীয় দিনে বাড়ানো দর

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায় যে ২২ ক্যারেট মানের সোনার এক ভরির দাম ২ হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি করে নতুনভাবে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুস বলেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে:

    – ২২ ক্যারেট: ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২ লাখ ৫৮ হাজার ১২৪ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ২ লাখ ২১ হাজার ২৬৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুসারে: ১ লাখ ৮০ হাজার ৬১৭ টাকা

    সোনার সঙ্গে সঙ্গেই রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার নতুন ভরি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে নিম্নরূপ:

    – ২২ ক্যারেট অনুযায়ী: ৬ হাজার ৭০৭ টাকা (ভরিতে ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি)

    – ২১ ক্যারেট: ৬ হাজার ৪১৫ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫ হাজার ৪৮২ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: ৪ হাজার ৮২ টাকা

    বাজুসের এই ঘোষণা বাজারে অলঙ্কার ও জুয়েলারি খাতের ক্রয়-বিক্রয় প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • খেলাপি ঋণ আদায় দ্রুততর করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    খেলাপি ঋণ আদায় দ্রুততর করতে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের নির্দেশ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

    বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে খেলাপি ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তি করার জন্য দক্ষ মধ্যস্থতাকারী (মেডিয়েটর) নিয়োগের নির্দেশনা জারি করেছে। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই নির্দেশনা একটি সার্কুলারের মাধ্যমে প্রকাশ করেছে।

    নতুন উদ্যোগে বিশেষভাবে ‘প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা’ পদ্ধতিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে—অর্থাৎ আদালতে মামলা দায়েরের আগে বিরোধসমূহ বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মীমাংসার ব্যবস্থা করা হবে। এর মাধ্যামে বিচারব্যবস্থায় মামলার ঝুঁকি কমানো এবং সময় ও খরচ বাঁচানোই লক্ষ্য। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে যে এই ধরণে এমন সব বিরোধও আদালতে যাওয়ার আগে সমাধানের সুযোগ পাবে, যেগুলো সম্ভবত অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩ ও দেউলিয়া আইন, ১৯৯৭-এর আওতায় পড়তে পারে।

    সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এডিআর পদ্ধতির মাধ্যমে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে মোট খেলাপি ঋণের অন্তত ১ শতাংশ নিষ্পত্তি করতে হবে। চলতি অর্থবছরের শেষ দিনটিকে লক্ষ্য করে নির্ধারিত এই সময়সীমা ব্যাংক খাতের তারল্য ও আর্থিক স্থিতি উন্নয়নে নিয়ন্ত্রকের গুরুত্বপ্রকাশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বর্তমান সময়ে ব্যাংকখাতে অনাদেয় ঋণ বড় পরিমাণে থাকায় মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই ১ শতাংশ রিকভারি জাতীয় পর্যায়ের ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    নতুন নির্দেশনাটি ২০২৪ সালের ২২ মে জারি করা কেন্দ্রীয় সার্কুলার (বিএরপিডি সার্কুলার নং-১১) এর ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে, তবে এতে আদালতে মামলা করার আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

    বৈধতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য ব্যাংকগুলোকে আইন অনুযায়ী গঠিত বিশেষায়িত মধ্যস্থতা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্যানেল থেকে মধ্যস্থতাকারী বাছাই করতে হবে। এসব প্যানেেলে সাধারণত অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের অবসরপ্রাপ্ত কর্তাব্যক্তি এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন।

    সার্কুলারে মধ্যস্থতাকারী নির্বাচনের জন্য ১০টি যোগ্যতা ও অযোগ্যতার শর্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে প্যানেল সদস্যপদ যাচাই, নিরপেক্ষতা, পেশাগত সুনাম, বিশেষজ্ঞ দক্ষতা, মধ্যস্থতার জ্ঞান এবং প্রমাণিত অভিজ্ঞতা। এছাড়া পরিষ্কার আইনি রেকর্ড, আর্থিক সততা, ঋণখেলাপি না থাকা এবং পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা থাকা বাধ্যতামূলক রাখা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যাংকগুলোকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের সময় কঠোর প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে; নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে হলফনামা ও অঙ্গীকারপত্র গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে গ্রাহকদের মধ্যস্থতা সুবিধা ও প্রক্রিয়ার বিষয়ে সক্রিয়ভাবে অবহিত করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আদালতের বাইরে দ্রুত সমঝোতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে দীর্ঘমেয়াদি আইনি জট ও সময় খরচ কমানো এবং ঋণ পুনরুদ্ধার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। বর্তমান অনাদেয় ঋণের চ্যালেঞ্জকে মাথায় রেখে এ ধরনের প্রাক-মামলা মধ্যস্থতা জাতীয় স্তরে ঋণ পুনরুদ্ধারে কার্যকর সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হবে।

  • ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমেছে

    ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমেছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সোমবার জানিয়েছে যে ভরিপ্রতি সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। নতুন দর সোমবার (০৯ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম নামানো হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য মানের দামগুলো হলো: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২৫২,৮৭৬ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২১৬,৭৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১৭৬,৯৪৩ টাকা।

    রুপার দামও কমেছে—২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬,৩৫৭ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৬,০৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩,৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সম্পর্কিত তথ্য দিয়ে জানা যায়, গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বর্তমানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫,০৯০ ডলার। রবিবার তা ছিল ৫,১৭০ ডলার। গত মাসের শেষের দিকে আন্তর্জাতিক বাজারে দর ওঠানামার ফলে দেশীয় বাজারেও বড় ওঠানামা দেখা গেছে—উদাহরণস্বরূপ ২৯ জানুয়ারি বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম রেকর্ড ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে দেয়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এবং এক ধাক্কায় এত বড় বাড়তি কখনো করা হয়নি।

    বিশ্ববাজারে সাম্প্রতিক ওঠানামার পেছনে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা (ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্কিত) প্রধান প্রভাব হিসেবে দেখা গেছে। তবে আজকের বাজারে দরপতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা স্থানীয় ক্রেতা-বিতরণ ও মূল্য নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে।

  • সোনার দাম ভরিতে ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    সোনার দাম ভরিতে ছাড়াল ২ লাখ ৭০ হাজার

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনও সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনের নতুন সিদ্ধান্তে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) এক ভরির দাম ভরিতে ২ হাজার টাকারও বেশি বাড়িয়ে নির্ধারিত হয়েছে ২,৭০,৪৩০ টাকা।

    বাজুস বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। নতুন দাম বুধবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের ঘোষণা অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দর বাড়ার প্রভাব বিবেচনায় রেখে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামের তালিকা (প্রতি ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম):

    – ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ১,৮০,৬১৭ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার ক্ষেত্রে ২২ ক্যারেটের এক ভরি দামে প্রতি ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। অন্যান্য ক্যারেট অনুযায়ী রুপার দাম যথাক্রমে ২১ ক্যারেট ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫,৪৮২ টাকা ও সনাতন পদ্ধতি ৪,০৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এই পরিবর্তন ক্রেতা ও আভরণ ব্যবসায়ীদের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে বলা হচ্ছে। বাজার থেকে প্রাপ্ত নতুন দামের ভিত্তিতে ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম চলবে।

  • সোনার দাম চড়লো: এক ভরি ২২ ক্যারেট ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    সোনার দাম চড়লো: এক ভরি ২২ ক্যারেট ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সোনার দাম বাড়িয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, ভরিতে দুই হাজার টাকার বেশি বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেট সোনার দাম নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭০ হাজার ৪৩০ টাকা। নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে দামসমূহ পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ভাগভিত্তিক হল— ২২ ক্যারেট: ২,৭০,৪৩০ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৫৮,১২৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,২১,২৬৬ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি: ১,৮০,৬১৭ টাকা।

    একই সঙ্গে রূপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ধার্য করা হয়েছে ৬,৭০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি রুপার দাম ৬,৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫,৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৪,০৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    দামের এই পরিবর্তন গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের বাজারে চাহিদা-সাপ্লাই ও বিক্রয়ের ওপর প্রভাব ফেলে— এমনটাই মনে করছেন বিক্রেতারা। বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী নতুন মূল্য নবায়িত বাজার অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নেওয়া হয়েছে।

  • সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমলো

    সোনার দাম ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমলো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে, সোনার দাম সর্বোচ্চ ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম দুই লাখ ৬৫ হাজার টাকার নীচে নেমে এসে দাঁড়িয়েছে — নতুন নির্ধারিত দাম এক ভরি প্রতি দুই লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

    বাজুস সোমবার (০৯ মার্চ) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় এবং উল্লেখ করে যে নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক/স্থানীয় দাম কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নির্ধারিত নতুন দামের বিবরণ ওষুধানুসারে:

    – ২২ ক্যারেট: এক ভরি ২,৬৪,৯৪৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: এক ভরি ২,৫২,৮৭৬ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: এক ভরিতে ২,১৬,৭৭৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: এক ভরিতে ১,৭৬,৯৪৩ টাকা

    রুপার দামও কমে গিয়েছে। প্রতি ভরির রুপার মূল্য এখন:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৩৫৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,১৯০ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: ৩,৯০৭ টাকা

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও ওঠানামা দেখা গেছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৫,০৯০ ডলার; গতকাল ছিল ৫,১৭০ ডলার। এর আগে ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলার।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষদিকে বিশ্ববাজারে সোনার দর দ্রুত বাড়ার প্রভাবে দেশে দামও রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। ২৯ জানুয়ারিতে এককভাবে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট সোনার দাম এক ভরিতে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় ঘোষণা করেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ছিল।