Author: bangladiganta

  • মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বেড়ে যাচ্ছে, কর্মসংস্থান কমছে: বিশ্বব্যাংক

    মুদ্রাস্ফীতি কমলেও দারিদ্র্য বেড়ে যাচ্ছে, কর্মসংস্থান কমছে: বিশ্বব্যাংক

    চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট সংসদীয় উৎপাদন বা জিডিপি যেখানে প্রায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশের সম্ভাবনা রয়েছে, সেখানে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে যাওয়ার ফলে এখন বেসরকারি ভোগের সামান্য বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ফলে, এই সময়ে অর্থনীতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের তুলনায় অপ্রত্যাশিত নয়।

    বিশ্বব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও শক্তিশালী হয়ে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করা হয়েছে। এই প্রতিবেদনটি আজ মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্বব্যাংকের নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি এতে এশিয়ার ডেভেলপমেন্ট আপডেট শীর্ষক আরেকটি প্রতিবেদনের তথ্যও তুলে ধরা হয়।

    বিশ্বব্যাংকের ডিভিশনাল ডিরেক্টর জেন পেসমি, সংস্থার চীফ ইকনোমিস্ট ফ্রানজিসকা লেসলোট ওহসেজ এবং অন্য কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের অর্থনীতির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সংস্থার ইকনোমিস্ট নাজসুস সাকিব খান ও সিনিয়র এক্সটারনাল অফিসার মেহেরিন এ মাহবুব।

    প্রতিবেদনটি বলছে, চলমান অর্থবছরে বিনিয়োগের পরিমাণ কিছুটা বাড়বে বলে আশা করা হলেও, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এই বৃদ্ধির গতিকে বাধা দিতে পারে। আমদানিতে স্বাভাবিকতা আসলে চলতি হিসাবের ঘাটতি কিছুটা বাড়তে পারে। এর পাশাপাশি, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতির ফলে রাজস্ব আয়ের বৃদ্ধির সঙ্গে জিডিপির অনুপাতের রাজস্ব ঘাটতি ৫ শতাংশের নিচে রাখতে পারা সম্ভব হবে।

    মুদ্রাস্ফীতির দিকেও এ প্রতিবেদন আন্তরিক মনোযোগ দেয়। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা কমলেও, ২০২৫ সালের আগস্টে তা ৮ দশমিক ৩ শতাংশে পৌঁছেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ২০২৪ সালের নভেম্বরের ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ২০২৫ সালের আগস্টে ৭ দশমিক ৬ শতাংশে নেমেছে। এর পেছনে নিয়মিত বিনিময় হার এবং খাদ্য সরবরাহের পুনরুদ্ধার বিশেষ ভূমিকা রেখেছে।

    নিম্ন-আয়ের মানুষের মধ্যে মজুরির বৃদ্ধির হার মুদ্রাস্ফীতির থেকে বেশির ভাগই বেশি হলেও, সম্প্রতি এই ব্যবধান কিছুটা সংকুচিত হয়েছে। তবে, দারিদ্রের হার এখনও বাড়ছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের দারিদ্র্যের হার ২১ দশমিক ২ শতাংশে পৌঁছাতে পারে, যা ২০২৪ সালে ছিল ২০ দশমিক ৫ শতাংশ। শ্রমশক্তির অংশগ্রহণও কমে গেছে। ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে শ্রমশক্তির অংশগ্রহণ হার ৬০ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে কমে ৫৮ দশমিক ৯ শতাংশে নেমেছে, যেখানে নারীর অংশগ্রহণে সবচেয়ে বেশি হ্রাস ঘটেছে। এই সময়ে প্রায় ৩০ লাখ কর্মক্ষম বয়সী ব্যক্তি শ্রমবাজারের বাইরে রয়েছেন, এর মধ্যে ২ দশমিক ৪ মিলিয়ন নারী। এর ফলে, মোট কর্মসংস্থান প্রায় ২০ লাখ কমে ৬৯ দশমিক ১ লাখে দাঁড়িয়েছে। কর্মক্ষম জনসংখ্যার সাথে কর্মসংস্থানের অনুপাত ৫৬ দশমিক ৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা আগে আরো বেশি ছিল।

    অর্থনৈতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা এখনও উদ্বেগের কারণ। খেলাপি ঋণ মূল মূলচ্যালেঞ্জ হিসেবে বিদ্যমান। মূলধন ঝুঁকি বাড়াতে সম্পদের অনুপাত ৬ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সাধারণত ১০ শতাংশের নিচে। সরকারের পক্ষ থেকে দুর্বল ব্যাংকগুলোকে মার্জ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাসনব্যবস্থা ও পরিচালনাগত স্বাধীনতা শক্তিশালী করতে নানা প্রচেষ্টা চলমান। এ ছাড়া, ব্যাংকের কর্পোরেট শাসন উন্নত করার জন্য আইনি কাঠামো নির্মাণ এবং জরুরি তরল্য সহায়তা ব্যবস্থা চালু করার কাজ চলছে।

    প্রতিবেদনটি আরও উল্লেখ করে, ২০২৫ অর্থবছরে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি সামান্য হ্রাস পেয়ে ৪ দশমিক ০ শতাংশে দাঁড়াবে, যা ২০২৪ সালে ছিল ৪ দশমিক ২ শতাংশ। দুর্বল বিনিয়োগের কারণে এই প্রবৃদ্ধি মাত্র ০ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এছাড়া রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং ব্যবসা পরিচালনায় উচ্চ ব্যয়ের কারণে বেসরকারি বিনিয়োগও কমে গেছে। সরকারি বিনিয়োগের গতি আরও ধীর।

    অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি, প্রতিবেদনে কর-রাজস্ব বৃদ্ধি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে কর-জিডিপি হার দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই কম, যা দেশের টেকসই উন্নয়নের পথে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

  • সোনার দাম ফের বাড়লো, ভরি ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি

    সোনার দাম ফের বাড়লো, ভরি ২ লাখ ১৯ হাজারের বেশি

    দেশের বাজারে সোনার দাম প্রথমবারের মতো ভরিতে ২ লাখ টাকার নিচে নামলেও তেমন ছাড় থাকেনি। এক দিনের মধ্যে আবার দাম বৃদ্ধি পেয়ে ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকায় পৌঁছেছে। এটি ছিল গত মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এর ঘোষণা অনুযায়ী। এতে গত চার দিনেই ভরি অনুযায়ী সোনার দাম মোট ৬ হাজার ৮৪৮ টাকা বেড়েছে। নতুন দাম আগামীকাল বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের তথ্যমতে, দাম বাড়ার এই প্রভাবে দেশের বাজারে আজ পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে ভরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের সোনার সর্বোচ্চ দাম ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৬৪ হাজার ২২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা ১ লাখ ৩৬ হাজার ৪৪৫ টাকায়।

    নতুন দাম অনুযায়ী, আজ থেকে ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার দাম আরও ১ হাজার ৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে ভরি ২১ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ৩৯৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের সোনা ১ হাজার ২০২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ হাজার ২৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেরও সাম্প্রতিক বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। এখন এক ভরি রুপার সর্বোচ্চ বিক্রির মূল্য ১ হাজার ২৬ টাকা। পাশাপাশি, বিশেষ মানের ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ভরিতে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৮০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার মূল্য ২ হাজার ৮৫৮ টাকা। এভাবে প্রতি ভরিতে ২১ ক্যারেট রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ৯৯১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৪০ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ৬৩০ টাকা।

  • সোনা-রুপার বাজারে রেকর্ড আধিপত্য, একদিনে সোনার ভরি দাম বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    সোনা-রুপার বাজারে রেকর্ড আধিপত্য, একদিনে সোনার ভরি দাম বেড়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম এক দিনেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) মূল্য বিশ্ববাজারের পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম গড়ে উঠেছে। বর্তমানে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৬ হাজার ৯০৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এর ফলে এক ভরি স্বর্ণের দাম আগের চেয়ে বেশি হয়ে যাচ্ছে, যা এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে সর্বোচ্চ রেকর্ড। একই সঙ্গে রুপার দামও বৃদ্ধি পেয়েছে, যার জন্য নতুন মূল্য কার্যকর হবে আজ বৃহস্পতিবার। বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধি অনুমোদন করে, যেখানে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে এক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন।

    এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও বাড়ানো হয়, যেখানে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা ছিল, যা এখন আরেক ধাপ উঁচুতে উঠে গেল। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম আরও ৬ হাজার ৯০৫ টাকা করে বাড়িয়ে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা এলো। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৬৫৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ хувের অসামান্য উচ্চতায় পৌঁছেছে, এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ৫৬৫৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সনাতনী পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্যও ৪৮২৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৪২ হাজার ৩০০ টাকা হয়েছে।

    আগের দিন, ৭ অক্টোবর, স্বর্ণের দাম বেশ কিছু ক্যাটেগরিতে আরও বেড়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ৩ হাজার ১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯১ হাজার ৬০৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২৫৭৮ টাকায় উঠেছিল। পাশাপাশি সনাতনী পদ্ধতির দামের বৃদ্ধি ছিল ২ হাজার ১৯২ টাকা।

    এদিকে, রুপার দামে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। করোনাকালীন সময়ের প্রচলিত দামের তুলনায় আজ অনেক বেশি। স্বর্ণের মতো রুপার দামও বিশ্লেষণ করে নির্ধারিত হয়েছে। গত ৮ অক্টোবর, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১২ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, যা আগের তুলনায় considerably বেশি। অন্য ক্যাটেগরির ক্ষেত্রে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৯৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৪৪৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৮৩৯ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৮০২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ৬৩০ টাকা বাড়িয়ে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এভাবে নিয়মিত দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় দেশের মূল্যবান ধাতুগুলোর বাজার মূল্য ক্রমশ অপ্রতিরোধ্য উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে, যা কাতর দামে স্বর্ণার ও রুপার চাহিদাকে আরও জোরদার করছে।

  • আগামী নির্বাচনে শিক্ষকদের সমর্থন প্রত্যাশা তারেক রহমানের

    আগামী নির্বাচনে শিক্ষকদের সমর্থন প্রত্যাশা তারেক রহমানের

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী নির্বাচনে শিক্ষকদের সমর্থন এবং সহযোগিতা চান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, দেশের ক্ষমতা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষকদের দাবিগুলো পূরণ হবে। গত মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের এক সমাবেশে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার শিক্ষক ও কর্মচারী অংশ নেন। তাদের মূল দাবি ছিল, অবসর বয়স ৬৫ বছর নির্ধারণ, শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণ এবং অন্যান্য চার দফা দাবির প্রতি সরকার মনোযোগী হোক। তারেক রহমান আহ্বান জানিয়ে বলেন, অতীতের সফল দৃষ্টান্ত থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ গড়ার অঙ্গীকার করতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রভাবশালী একটি রাষ্ট্র হিসেবে উন্নত মেধা, মনন এবং জ্ঞানে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। এক্ষেত্রে, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করতে হলে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে হবে। দুর্নীতিবিরোধী একটি সমাজ তৈরিতে স্কুল পর্যায়ে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এর পাশাপাশি তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দেন এবং এ জন্য একটি সংস্কার কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি দেন।

  • নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে সতর্ক থাকুন: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্রে সতর্ক থাকুন: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক চোখে চোখে সংকেত দিয়েছেন যে, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছে। মঙ্গলবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের আয়োজিত এক শিক্ষক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন। এই সমাবেশের মূল লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা, অবসর বয়স ৬৫ বছর নির্ধারণ, নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরি জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পেশ করা। মির্জা ফখরুল শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বলেন,

  • নির্বাচন কাকে দিয়ে হবে তা জনগণই ঠিক করবে: আমীর খসরু

    নির্বাচন কাকে দিয়ে হবে তা জনগণই ঠিক করবে: আমীর খসরু

    বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিদেশিদের উপর নয়, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও নির্বাচন কেমন হবে, তা নির্ধারণ করবে মূলত দেশের জনগণ। বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    এ prior, ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারসহ একদল বিএনপি প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আমীর খসরু বলেন, বিএনপি স্বাগত জানায় যে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যাতে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাতে আগ্রহী। অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অনুরোধের প্রেক্ষিতে তারা অবজারভার দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, যার মাধ্যমে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছে তারা।

    আমীর খসরু বলেন, আমাদের কাছে বিদেশিদের কাছে কোনও অভিযোগ বা নালিশ নেই। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কোনো বিদেশির হাতেও নয়, বরং এর সিদ্ধান্ত হবে দেশের জনগণের ভোটের মাধ্যমে। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক 유지 করে আসছে এবং এই সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায়। এছাড়া তারা বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে দৃ solid করার জন্য, সংসদকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নিতে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করতে চায়।

    বৈঠকে অংশ নেওয়া বিএনপির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ।

    অপরদিকে, আওয়ামী লীগ নেতা সাবের হোসেন চৌধুরীর বাসায় কিছু বিদেশি কূটনীতিকের সঙ্গে সম্প্রতি যে বৈঠক হয়েছে, সে বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু বলেন, এসব বৈঠক কোথায় and কবে হয়, তা ব্যক্তি বিশেষের বিষয়। এ ব্যাপারে তাঁদের কোনও মন্তব্য নেই বোঝাতে চান। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের স্বার্থে ও গণতন্ত্রের স্বার্থে সবাই সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেবে।

  • বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সকলেই অপেক্ষা করছে ভোটের ফলাফলের জন্য: আমীর খসরু

    বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য সকলেই অপেক্ষা করছে ভোটের ফলাফলের জন্য: আমীর খসরু

    বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খানসুর মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সবাই এখন নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছেন। আজ বৃহস্পতিবার (০৯ অক্টোবর) সকালে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জার্মানির রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজের সঙ্গে দলের প্রতিনিধিদলের বৈঠকের পর এ কথা তিনি বলেন। বৈঠকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

    বৈঠকের পর আমীর খসরু বলেন, জার্মান সরকার মনে করে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় স্থান। তবে, সব চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানার জন্য তারা জানতে চেয়েছেন যখন দেশ নির্বাচনটি সম্পন্ন হবে। তিনি আরও বলেন, বিনিয়োগের জন্য সবাই এখন দেশের নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকছেন।

    একই সময়ে তিনি বলেছিলেন, স্কিল ডেভেলপমেন্ট এখন অত্যন্ত জরুরি, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা সম্ভব করতে, জার্মানির সঙ্গে যৌথভাবে অভিজ্ঞতা ভাগাভাগির আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক আরও কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

    জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেন, রাজনৈতিক দলগুলো মধ্যে যে ঐকমত্য তৈরি হয়েছে, তার বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। তিনি বলেন, যতটুকু ঐকমত্য হয়, সেটির ওপর ভিত্তি করে এগিয়ে যেতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, জনগণ ম্যান্ডেটবিহীন রাজনৈতিক দলগুলোকে সব সমস্যার সমাধান দিতে দিচ্ছে না। যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোর ভিত্তিতেই অগ্রসর হওয়া উচিত। বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই। যারা সমঝোতা করতে পারবে না, তারা নির্বাচনের পরে বিষয়গুলো সমাধান করবে। বিএনপি যেসব বিষয়ে ঐকমত্যের বাইরে থাকছে, তাদের তিনি মান্য করছেন বলে জানিয়েছেন।

    নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেছেন, দলগুলো কী করছে, সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তবে, বিএনপির কবে প্রার্থী ঘোষণা করবে, তা সময় অনুযায়ী জানানো হবে। নির্বাচন উপলক্ষে যথাযথ ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং দল সে সিদ্ধান্ত নেবে। বিএনপি একটি বড় দল, তাই একাধিক প্রার্থী আসার প্রত্যাশা রয়েছে। দল যাকে মনে করবে, সবাই তাকে সমর্থন করবে।

    খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে আমীর খসরু বলেছেন, খালেদা জিয়া কখনোই রাজনীতি থেকে চলে যাননি। তার জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করা সাধারণ ঘটনা, যা রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। এ বিষয়ে কোনো রাজনৈতিক প্রসার ঘটানো উচিত নয়।

    অপর এক প্রশ্নে তিনি উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তিন রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ নিয়ে বিএনপির মাথাব্যথা নেই। যেকোনো সময় যেকোনো দেশের কোনো ব্যক্তির সঙ্গে বৈঠক হওয়া সাধারণ ব্যাপার।

  • নতুন টেলিভিশন লাইসেন্সপ্রাপ্তরা নিজের যোগ্যতা নিয়ে হিমশিম

    নতুন টেলিভিশন লাইসেন্সপ্রাপ্তরা নিজের যোগ্যতা নিয়ে হিমশিম

    গণমাধ্যমের অনুমোদন পাওয়া টিভি চ্যানেলের লাইসেন্সধারীদের মধ্যে বেশিরভাগই নিজেদের পরিবারের পরিচালনা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়ে কথা বলেছেন।

    তিনি বলেন, ‘‘শোনা যাচ্ছে, এনসিপির নেতাদের নামে দুটি গণমাধ্যমের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমি ওই দুইজনকে খুব ভালোভাবে চিনি। তারা নিজের পরিবারের জন্য চালাতে গিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছেন।’’

    নুরুল হক নুর যোগ করেন, ‘‘আমি একজন দলের প্রধান, কিন্তু ৫ অগস্টের পরে যেখানে ছিলাম, তখন থেকেই আছি। এর মধ্যে অনেক সহকর্মী রয়েছেন, যারা ছোট ছোট পত্রিকায় কাজ করেন। তাঁদের খুব ভালো বেতনও হয় না। মূলধারার মিডিয়ায় কেউ কাজ করেন না, কিভাবে কী দেওয়া হয়, আমি তা জানি না। আমি এটা দেখে অবাক হয়েছি, এবং মনে হয়, এর মধ্য দিয়ে সরকারের অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতিত্বের বিষয়গুলো স্পষ্ট হয়েছে।’’

    তিন Further, he highlighted the government’s actions during the previous government’s time, especially pointing to anti-corruption measures and efforts to establish discipline among the people. তবে তিনি বলেন, ‘‘আন্তবর্তী সরকারের সময়ে আমরা দেখেছি, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। মানুষকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করার জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই সরকারের সময় আমরা সেই কার্যক্রম দেখছি না। বরং দেখা যাচ্ছে, পুরনো পদ্ধতিতে ভাগাভাগি, নিয়ন্ত্রণ, লোক উপস্থিতি ও প্রতিষ্ঠান দখল আরও প্রবল হয়েছে।

    ৫ আগস্টের পরে আরও অনেকটি গণমাধ্যম দখল করে নেওয়া হয়েছে, যা আমরা এই সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশা করিনি। এই দিক থেকে যারা আছেন, তাদের অবশ্যই দায় নিতে হবে।’’

    উল্লেখ্য, নতুন দু’টি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। চ্যানেল দুটি হচ্ছে ‘নেক্সট টিভি’ ও ‘লাইভ টিভি’। এর মধ্যে ‘নেক্সট টিভি’ এর লাইসেন্স পেয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক মোঃ আরিফুর রহমান তুহিন। তিনি ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দলের সদস্য হিসেবে যোগ দেন। এর আগে তিনি একটি ইংরেজি দৈনিকের স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। এনসিপি গঠিত হওয়ার পরে তিনি দলের যুগ্ম-মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব নেন।

  • স্ত্রীসহ বিআরটিএ এর সহকারী পরিচালক আলতাবের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

    স্ত্রীসহ বিআরটিএ এর সহকারী পরিচালক আলতাবের সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ

    বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটির (বিআরটিএ) সহকারী পরিচালক মোঃ আলতাব হোসেন ও তার স্ত্রী জিয়াসমীন আরার ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ১৭টি স্থানে ঝুঁকিপূর্ণ জমি ও বাড়ি ক্রোকের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফায়েজের আদালত এই আদেশ দেন। এই পদক্ষেপের পেছনে রয়েছে পৃথক দুদকের দুটি আবেদন, যেখানে জমি ও সম্পত্তি ক্রোকের জন্য বলা হয় যে, আলতাব হোসেনের নামে ফরিদপুরে ১২টি জমির মালিকানা রয়েছে, যার মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। এছাড়া ঢাকার গুলশানে একটি প্লট ও বাড়ির মূল্য ধরা হয় ১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তার স্ত্রী জিয়াসমীন আতার নামে রয়েছে দুটি প্লট ও বাড়ি, যার মোট মূল্য প্রায় ২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, পাশাপাশি ফরিদপুরের আরও দুইটি জমির মূল্য ৩ লাখ টাকা। দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়, আলতাব হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলার চলমান অবস্থানে এই সম্পদগুলো অন্যত্র স্থানান্তর, রূপান্তর বা হস্তান্তর হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তাই, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এই স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদগুলো ক্রোকের প্রয়োজন রয়েছে। আদালত এই আবেদন মঞ্জুর করে এই নির্দেশ দেন, যাতে অবৈধভাবে অর্জিত সম্পদগুলো দ্রুতই জব্দ করা যায় এবং তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

  • শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১২ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে

    শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা: ১২ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গুমের দুই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি আরও ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে করেছে। এই পরোয়ানা আইজিপির কাছে পাঠানো হয়েছে এবং একইসঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরেও তা পাঠানো হয়।

    বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকাল নাগাদ ট্রাইব্যুনাল রেজিস্ট্রার কার্যালয় এই তথ্য জানিয়েছে। এই বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, গতকাল বিকেলে দুই মামলায় অভিযুক্ত ৩০ জনের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আইজিপি ও সংশ্লিষ্ট ১২ দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

    ১২ দপ্তর হলো: চিফ অব আর্মি স্টাফ, চিফ অব জেনারেল স্টাফ, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (আর্মি হেডকোয়ার্টার), ডিরেক্টর জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা এজেন্সি (ডিজিএফআই), ডিরেক্টর জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই), প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (আর্মি বিভাগ), সচিব প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়, ডিরেক্টর মিলিটারি ইন্টেলিজেন্স, ডিরেক্টর পাসপোর্ট ও ব্যক্তিগত সেবা (বাংলাদেশ সেনাবাহিনী), কমান্ড্যান্ট আর্মি সিকিউরিটি ইউনিট, প্রোভোস্ট মার্শাল, এবং সেনাবাহিনী তথ্য কেন্দ্রের সিইও।

    এর আগে, গত বুধবার (৮ অক্টোবর) টিএফআই সেলে গুমের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল-১। একইসঙ্গে, গুমের মামলায় শেখ হাসিনাসহ আরও ১৩ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এই দুই মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলও করা হয় ওই দিন।

    মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে ডিজিএফআইয়ের সাবেক পাঁচ ডিজিসহ উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা, যারা এখনও কর্মরত রয়েছেন। তবে, আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিলের পর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন অনুযায়ী, তারা কোনো সরকারি পদে থাকতে পারবেন না বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।