Author: bangladiganta

  • বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বড় হার বাংলাদেশ নারী দল

    বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বড় হার বাংলাদেশ নারী দল

    বাংলাদেশ নারী ওয়ানডে দলের জন্য শুক্রবারের দিনটি ছিল হতাশাজনক। দ্বিতীয় ম্যাচে তাদের karşı করা হয় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারে, যেখানে তারা ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে হার মানেছিল। এই পরাজয়ের কিছুক্ষণ পরই, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিউজিল্যান্ড নারী দলের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে তারা আরও বড় ক্ষতির মুখোমুখি হয়। গোয়াহাটিতে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা বেশ কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হন এবং টিকে থাকতে পারেননি।

    নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ২২৮ রানের লক্ষ্যে বাংলাদেশের ব্যাটাররা শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায়। পুরো ৫০ ওভারে তারা শুধুমাত্র ১২৭ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হন, ফলে শতভাগের বেশি ব্যবধানে হেরে যায়। ম্যাচের শুরুতেই ওপেনার রুবায়া হায়দার ও শারমিন আক্তার দ্রুতই বড় রানের প্রেক্ষাপটে পৌঁছাতে পারেননি, মাঝ পথে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট চলে যায়। এর মধ্যে সোবহানা মোস্তারিও মাত্র ২ রান করে আউট হয়ে যান। দলের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে আসে, যখন ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে তারা চাপের মুখে পড়ে। এরপর অধিনায়ক জ্যোতি (৪ রান) ও সুমাইয়া আক্তার (১ রান) দ্রুতই ফিরে যান, এবং দলের ইনিংস আরও শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে পড়ে।

    বাংলাদেশের পক্ষে ফাহিমা খাতুন ও নাহিদা আক্তার এই মুহূর্তে দলের হাল ধরেন। তবে নাহিদা ১৭ রান করে আউট হলে ম্যাচের পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে পড়ে। অপরদিকে, ফাহিমা ৩৪ এবং রাবেয়া ২৫ রান করে দলের স্কোরটিকে ভারসাম্য দিতে চেষ্টারত ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত, যখন তাদের বিদায় হয়, তখনই বাংলাদেশের হার নিশ্চিত হয়ে যায়। কিউই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন জেস কার ও লিয়া তাহুহু।

    অভিযোগের বিষয় হলো, দিনের শুরুতে নিউজিল্যান্ড ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রান সংগ্রহ করে, যেখানে সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ব্রুক হালিডের ৬৯ ও সোফি ডিভাইন এর ৬৩। বাংলাদেশের জন্য রাবীয়া খান সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন। এই ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের দক্ষতা এবং সফলতা স্পষ্টভাবে প্রতিপন্ন হয়, যারা সহজে জয় পায় এবং বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ দেখা দেয়।

  • মেসিকে ছাড়া ভেনেজুয়েলাকে হারাল আর্জেন্টিনা

    মেসিকে ছাড়া ভেনেজুয়েলাকে হারাল আর্জেন্টিনা

    বিশ্বকাপে স্থান নিশ্চিত হওয়ার পর আর্জেন্টিনা এখন তার শিরোপা ধরে রাখার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে তারা পশ্চিমা ফুটবলারদের নিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে, যেখানে তাদের সামনে আরও দুটি ম্যাচ রয়েছে দক্ষিন আমেরিকার এই দলটির। আজকের ম্যাচটি ছিল সেই প্রস্তুতি পর্বের প্রথমটি। লিওনেল মেসি ও তরুণ তারকা ফ্রাঙ্কো মাসতানতুয়োকে মাঠে না নামিয়ে, দলের দায়িত্ব হাতে তুলে নেন জিওভান্নি লো সেলসো। তাঁর একমাত্র গোলেই জয় পায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

    ভেনেজুয়েলার রক্ষণভাগের বিপক্ষে শুরু থেকেই আর্জেন্টিনা বলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তরুণ ফুটবলাদের ছন্দময় খেলায় তারা বেশ কিছু আক্রমণ নিয়ে তোলে। নিখুঁত এক শটে নিকো পাজ গোলের খুব কাছে পৌঁছেও যান, কিন্তু ভেনেজুয়েলার গোলরক্ষক সেটি রক্ষা করেন। পরে বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এর কিছু সময় পর, ভেনেজুয়েলা রক্ষণভাগের ভুলে গোলের সুযোগ পায়। তাদের শট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের গোপন ঢিলে বলটি গোলবারের অনেক কাছাকাছি থাকা সত্ত্বেও তারা জালসুতে জড়াতে সক্ষম হয়নি।

    খেলায় ৩১ মিনিটে জুলিয়ান আলভারেজের পাসে লাউতারো মার্টিনেজ বল দেন লো সেলসোকে, এবং তিনি নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ১-০ এগিয়ে দেন। এই গোল ছিল লো সেলসোর জাতীয় দলে চতুর্থ গোল। দ্বিতীয়ার্ধে কোচ স্কালোনি কিছু পরিবর্তন করেন এবং মাঠে নামায় নিউক্যাসল ইউনাইটেডের নিকোলাস গনসালেস ও টালিয়াফিকো। এরপরও ম্যাচে কিছু গোলের সুযোগ নষ্ট হয়।

    গোলে আরও বিশদে বলতে গেলে, জুলিয়ানো সিমিওনে নিচু পাস পাঠান ডি-অবস্থায় থাকা লো সেলসোকে, কিন্তু পাজ সেটি নিতে পারেনি। মার্টিনেজ কাছ থেকে শট নেন, তবে গোলরক্ষক দুর্দান্ত সেভ করেন। ম্যাক অ্যালিস্টারও দূর থেকে শট হিসাব করেন, কিন্তু সেটিও অতিক্রম করে যায়। ফ্রি-কিকের দায়িত্ব নেওয়া দে পল ক্রস করেন, যেখানে বালারদি ফাঁকা জায়গায় হেড করেন, কিন্তু বল পোস্টের বাইরে চলে যায়।

    সর্বশেষ, লো সেলসোর একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনা ১-০ ব্যবধানে জিতেছে। আগামী মঙ্গলবার মায়ামিতে তাদের পরবর্তী ম্যাচ হবে পুয়ের্তো রিকোর বিরুদ্ধে।

  • বিশ্বকাপের টিকিটের দাম ৪ বছরে ১০ গুণ বেড়েছে

    বিশ্বকাপের টিকিটের দাম ৪ বছরে ১০ গুণ বেড়েছে

    বিশ্বকাপের টিকিটের অর্থাৎ খেলা দেখার আধিকারিক পত্রে যেন সোনার হরিণ। তবে সেটার প্রাপ্যতা পড়ে সাধারণ মানুষের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিটের দাম বাড়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে তার আরও বাড়তি দামের বিষয়টি, যা এতটাই বেশি যে, ২০২২ বিশ্বকাপের চেয়ে ১০ গুণ বেড়ে গেছে। এর ফলে, যেখানে আগে কিছু মানুষের জন্য সবচেয়ে দামী আসনে খেলা দেখা সম্ভব ছিল, এবার সাধারণ দর্শকদের জন্য কম দামের আসনেও গুণতে হবে বেশি টাকা। এসব তথ্য দেখিয়ে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, এটি হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ।

    ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় এবারের টিকিটের দাম ব্যাপকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে ‘ক্যাটাগরি ৪’ বা সাধারণ দর্শকদের জন্য নির্ধারিত টিকিটের দাম প্রায় দশগুণ বেড়েছে। কাতারে উদ্বোধনী ম্যাচের সস্তা টিকিটের দাম ছিল ৫৫ ডলার, কিন্তু ২০২৬ সালের জন্য এই দাম দাঁড়িয়েছে ৫৬০ ডলার। অর্থাৎ, সবচেয়ে সস্তা টিকিটের দামই এখন আগের আসরের সবচেয়ে দামী ‘ক্যাটাগরি ১’ টিকিটের কাছাকাছি।

    এছাড়া গ্রুপ পর্বের টিকিটের দামও নয়গুণ বেড়েছে। যেখানে আগে সেটি ছিল মাত্র ১১ ডলার, এখন দাঁড়িয়েছে ১০০ ডলার। ফাইনাল ম্যাচের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধি বেশ নজরকাড়া। ২০২২ সালে ফাইনালের সবচেয়ে সস্তা টিকিটের মূল্য ছিল ২০৬ ডলার, আর এবারে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩০ ডলারে। এর মানে, এই বছর সবচেয়ে সস্তা আসনের মূল্য আগের সবচেয়ে দামী আসনের কাছাকাছি বা তার চেয়েও বেশি হয়ে গেছে।

    এই বিশাল টিকিটের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশ্বব্যাপী ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। ফুটবলপ্রেমীরা বলছেন, ফিফা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে গেছে যেখানে সাধারণ দর্শকের জন্য মাঠে গিয়ে খেলা দেখার সুযোগ একেবারে কমে এসেছে। কেউ কেউ মত প্রকাশ করেছেন, ‘এমন দামে বিশ্বকাপ এখন কেবল ধনীদের বিনোদন।’

    এছাড়া নতুন ‘ডাইনামিক প্রাইসিং’ নীতি এতে যুক্ত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, যে ম্যাচে চাহিদা বেশি, সেই ম্যাচের টিকিটের দাম আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ব্যবস্থা মূলত উত্তর আমেরিকার বাজারে চালু, যা শেষ মুহূর্তে কম দামে টিকিট পাওয়ার সুবিধা দেবে, তবে বিদেশি ভক্তদের জন্য এটি তুসম্পন্ন হবে। কারণ, তাঁরা আগে থেকে ভ্রমণ এবং দর্শকের পরিকল্পনা না করে হঠাৎ টিকিট কিনতে পারবেন না।

    ফিফা আবার টিকিটের পুনর্বিক্রিতে ক্রেতা ও বিক্রেতা দুই পক্ষ থেকেই ১৫ শতাংশ ফি নেবে, যা টিকিটের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে।

    বিশ্বকাপের ফাইনালের সাধারণ টিকিটের দাম এখন শুরু হচ্ছে ২০২০ ডলার থেকে এবং সর্বোচ্চ ৬৩৭০ ডলার পর্যন্ত। এখনও আতিথেয়তা বা হসপিটালিটি টিকিটের বিক্রি শুরু হয়নি। ধারণা করা হচ্ছে, এই সব দিক বিবেচনা করে, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল আসর হতে চলেছে।

  • আমেরিকান প্রেসিডেন্টের ঘোষণা: সোমবার ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিবে হামাস

    আমেরিকান প্রেসিডেন্টের ঘোষণা: সোমবার ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি দিবে হামাস

    জনপ্রিয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবারের মধ্যে হামাস ও অন্যান্য সশস্ত্র গোষ্ঠী ২০ জন জীবিত জিম্মি এবং ২৮ জনের মরদেহ হস্তান্তর করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। হোয়াইট হাউসে শুক্রবার রাতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এই দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ওই সময় সম্মিলিতভাবে হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের বন্দি বিনিময় প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। ইসরায়েল এই বিনিময়ে ৪৮ ইসরায়েলি বন্দির বদলে ২ হাজার ফিলিস্তিনিকে মুক্তি দেবে বলে জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে হামাসের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই জিম্মি মুক্তির ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ট্রাম্প আরও বলেন, আমি ইসরায়েলে যাব এবং নেসেটে এই বিষয়ে বক্তব্য দেব। পাশাপাশি মিশরেও যাবো, যেখানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। বিশ্বের বিভিন্ন নেতা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। ট্রাম্প আশাবাদ প্রকাশ করেন, সোমবার জিম্মিরা ফিরবেন এবং তারা এখন বেশ ভয়াবহ পরিস্থিতিতে estão। তারা কোথায় আছেন, সেটা খুব কম মানুষই জানে। প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ব্যাপক হামলা চালায় ইসরায়েল। এই সময়ের মধ্যে প্রায় দুই মাস যুদ্ধবিরতিসহ এমনকি এর পরে নানা সময়ে দখলদার বাহিনী নির্বিচারে হামলা চালিয়ে ৬৭ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে। প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন।

  • ট্রাম্পের চীনা পণ্যে আরও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা

    ট্রাম্পের চীনা পণ্যে আরও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা

    চীনের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য পরিস্থিতিতে আবারও উত্তেজনা বেড়ে গেছে। আগামী মাস থেকে চীনের থেকে আমদানি করা পণ্যগুলোর ওপর আরও ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ঘোষণা তিনি শুক্রবার (১০ অক্টোবর) নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালের মাধ্যমে দেন। ট্রাম্প জানান, চীনের অবিচারপূর্ণ বাণিজ্যনীতি ও প্রযুক্তি খাতে আক্রমণাত্মক মনোভাবের জবাবে যুক্তরাষ্ট্র এই কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার রপ্তানির ক্ষেত্রেও মার্কিনা নতুন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করবে। এর আগে এক পোস্টে ট্রাম্প চীনের বিরূপ নীতির কঠোর সমালোচনা করেন, যেখানে তিনি অভিযোগ করেন যে বিরল খনিজ রপ্তানিতে কড়াকড়ি আরোপের মাধ্যমে চীন বিশ্বকে জিম্মি করার চেষ্টা করছে, যা একটি শত্রুতাপূর্ণ পদক্ষেপ। ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নির্ধারিত বৈঠক বাতিলের হুমকিও দেন, যদিও পরে তিনি জানান যে, ঐ বৈঠকটা এখনো ‘চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়নি’, তবে এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। এই ঘোষণা পেলে মার্কিন পুঁজিবাজারে দ্রুত দরপতন দেখা গেছে, বিশেষ করে প্রযুক্তি ও গাড়ি খাতের শেয়ারমূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে পড়ে গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চীনের বিরল খনিজ রপ্তানিতে কঠোরতা আরোপের সঙ্গে সঙ্গে দুই দেশের মধ্যেই উত্তেজনা আরও বাড়ছে। এই খনিজ ব্যবহৃত হয় উচ্চপ্রযুক্তি পণ্য, স্মার্টফোন ও গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে। চলতি বছরের শুরুর দিকে ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিলে বেইজিংও বিরল খনিজের রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। এর ফলে মার্কিন কোম্পানিগুলোর মধ্যে ব্যাপক শঙ্কা তৈরি হয়, এমনকি কিছু সময়ের জন্য গাড়ি নির্মাতা ফোর্ড তাদের উৎপাদন বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়। একই সময়ে, চীন মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কোয়ালকমের বিরুদ্ধে একচেটিয়া ব্যবসার অভিযোগে তদন্ত শুরু করে এবং এর ফলস্বরূপ কোয়ালকমের একটি চিপ নির্মাতা কোম্পানি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া বন্ধ থাকলে যায়। এছাড়াও সম্প্রতি চীন মার্কিন-সম্প্রক্ত জাহাজ থেকে নতুন বন্দরের জন্য ফি আদায়ের ঘোষণা দেয়, যার আওতায় মার্কিন কোম্পানির জাহাজগুলোও পড়বে। গত মে মাস থেকে এই দুই পরাশক্তির মধ্যে সম্পর্কের অবনতি শুরু হয়; বিশ্লেষকদের মতে, এই সব পদক্ষেপই সম্ভবত নতুন এক বাণিজ্যযুদ্ধের সূচনাকে নির্দেশ করছে।

  • পাকিস্তানে রাতভর সংঘর্ষে ১২ জন নিহত, সাত পুলিশসহ

    পাকিস্তানে রাতভর সংঘর্ষে ১২ জন নিহত, সাত পুলিশসহ

    পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়ায় একটি সন্ত্রাসী হামলায় সন্তান-সন্ততি, নিরাপত্তা বাহিনী ও সাধারণ জনগণসহ কমপক্ষে ১২ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে সাত পুলিশ সদস্য রয়েছেন। পালটা অভিযানে নিরাপত্তা বাহিনী এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ পাঁচ জন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে।

    শনিবার (১১ অক্টোবর) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। খবর জানিয়েছে জিও টিভি।

    প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুক্রবার রাতে একটি পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এই ভয়াবহ হামলা হয়। হামলাকারীরা ভারি অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে প্রথমে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়। এরপর তারা প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রবেশ করে সংঘর্ষ বাধায়। দীর্ঘক্ষণ ধরে নিরাপত্তাকর্মীদের এবং হামলাকারীদের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ চলে। অবশেষে, নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের পিছু হটিয়ে সীমান্তের বাইরে পাঠাতে সক্ষম হয়।

    একজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই বন্দুকযুদ্ধ দ্রুতই নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষে যায়। অতিরিক্ত মোবাইল ফোর্সরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগে ही তারা হামলাকারীদের প্রতিরোধ করে।

    ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ হাফিজ মুহাম্মদ আদনান বলেন, ‘সেনা-নিরাপত্তা বাহিনী সফলভাবে সন্ত্রাসীদের মোকাবেলা করেছেন এবং হামলায় জড়িত সবাইকে নির্মূল করেছেন।’ হামলার সময় সন্দেহভাজনরা রাত প্রায় ৮:৩০ মিনিটে হামলা চালায়, এবং অভিযানে গভীর রাত পর্যন্ত চলছিল।

    জেলার ডিএইচকিউ ট্রমা সেন্টারের পরিচালক বলেন, হামলার পরে ১৩ জন আহতকর্মীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    মিডিয়া সঙ্গে কথা বললে জনসংযোগ মহাপরিচালক জানান, হামলার সময় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উপস্থিত ২ শতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা এবং সহকারী সদস্যরা নিরাপদে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি স্বভাববশত এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং এটিকে কাপুরুষোচিত কাজ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি নিহত সাত পুলিশ সদস্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন এবং তাদের সাহসিকতা প্রশংসা করেছেন।

  • দিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান নিয়ে যা বললেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    দিল্লিতে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তান নিয়ে যা বললেন আফগান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    অফগানিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি জানিয়েছেন, পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা ও জইশ-ই-মোহাম্মদ দীর্ঘদিন ধরে আফগান মাটিকে তাদের ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করেছে। তবে এখন এসব গোষ্ঠীর আর কোনও অস্তিত্ব নেই বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। এই মন্তব্য করেন তিনি বৃহস্পতিবার ভারতের বেসরকারি টেলিভিশন এনডিটিভির সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে।

    মুত্তাকি বলেন, ‘গত চার বছরে, আমরা আফগানিস্তান থেকে সব ধরনের সন্ত্রাসী সংগঠনকে নির্মূল করেছি। তাদের এখন আফগানিস্তানে এক ইঞ্চি জমিও দখল করতে দেয়নি। ২০২১ সালে যার বিরুদ্ধে আমরা অভিযান চালিয়েছিলাম, সেই আফগানিস্তান এখন সম্পূর্ণ নতুন রূপে বদলে গেছে।’

    পাকিস্তানের প্রতি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অন্য দেশগুলোকেও উচিত, আফগানিস্তানের মতো সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রমে উদ্যোগী হতে, যদি তারা সত্যিই শান্তি চায়।’

    এই বক্তব্য মুত্তাকির প্রথম ভারত সফরের সময় এসেছে। সফরকালে ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক আবারও স্থাপন হয়। এর অংশ হিসেবে ভারতীয পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর জানান, কাবুলে ভারতের টেকনিক্যাল মিশনকে দূতাবাসে উন্নীত করা হবে এবং প্রতিবেশী দেশের উন্নয়নে ভারত গভীর আগ্রহী।

    কাবুলের সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের প্রসঙ্গে মুত্তাকি পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করে বলেন, ‘সীমান্তের কাছাকাছি প্রত্যন্ত এলাকায় একটি হামলা হয়েছে। আমরা মনে করি, এটি পাকিস্তানের কাজ, যা ভুল। সমস্যা সমাধানের জন্য এই ধরনের ঘটনা চলতে পারে না। আফগানিস্তান এখন ৪০ বছর পর শান্তি ও উন্নয়নের পথে। কেউ যেন এই প্রক্রিয়াকে ব্যাহত না করে।’

    তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘যারা আফগানিস্তানে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়, তারা সোভিয়েত ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ন্যাটোর পরিণতিও দেখুক। এই ধরনের খেলায় আফগানিস্তানের জন্য ভাল কিছু আসবে না।’

    মুত্তাকি আরও জানিয়েছেন, আফগানিস্তান ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে চায়, তবে তা একতরফা নয়, উভয় পক্ষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দরকার।

    অফগানিস্তানে সাম্প্রতিক ভূমিকম্পের পর ভারতের সহায়তাকে তিনি প্রশংসা করে বলেন, ‘আমরা ভারতের প্রতি কৃতজ্ঞ। ভারত আমাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। পারস্পরিক সম্মান, বাণিজ্য এবং জনগণের আন্তঃসম্পর্কের ভিত্তিতেই আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর হবে।’

    সর্বশেষ তিনি বলেন, ‘ভারত ও আফগানিস্তানের উচিত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ আলোচনা চালানো। বাণিজ্য বাড়ছে, তাই সব বাণিজ্য রুট খোলা রাখা জরুরি। রুট বন্ধ থাকলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

  • অস্ট্রেলিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

    অস্ট্রেলিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত, সবাই নিহত

    অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস অঙ্গরাজ্যের শেলহারবার বিমানবন্দরে একটি হালকা বিমানের দুর্ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে তিন আরোহীর সবাই প্রাণ হারিয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনাটি স্থানীয় সময় শনিবার (১১ অক্টোবর) সকালে ঘটেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিমানটি সিডনি থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত এই বিমানবন্দরে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিধ্বস্ত হয়। পুলিশ আরও জানায়, বিমানটি ভূমিতে আঘাত করার সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায় এবং দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দুর্ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের (এবিসি) ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আকাশ থেকে তোলা ছবি অনুযায়ী, রানওয়ের উপর পুড়ে যাওয়া বিমানের ধ্বংসাবশেষ দেখা যাচ্ছে। ঘটনার তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটিসি ব্যুরোকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। আসলে, এই দুর্ঘটনায় হতাহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

  • নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া রাজনৈতিক সংকট সমাধান সম্ভব নয়

    নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন ছাড়া রাজনৈতিক সংকট সমাধান সম্ভব নয়

    খুলনা নগরীর ঐতিহাসিক শহিদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত গণসংবর্ধনা ও সমাবেশে প্রধান অতিথি জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা-৬ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমাধান শুধুমাত্র নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের মধ্যদিয়েই সম্ভব। তিনি আরও বলেন, যে লক্ষ্যে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, তা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, সকল রাজনৈতিক দল ও জনগণ এক হয়ে দেশের স্বৈরাচার, ফ্যাসিবাদ মুক্ত করে সুন্দর একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে ঐক্যবদ্ধ হবে।

    মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আরো জানান, জাতীয় নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের ভিত্তিতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন এবং ভোটের জন্য একটি নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জরুরি। তিনি বলেন, জোটের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল বর্তমানে এই দাবিতে সমর্থন দিয়ে কাজ করছে। এ দাবি উপেক্ষা করে যেকোনো অপ্রকাশ্য ও একতরফা নির্বাচন দেশের জন্য ক্ষতিকর। তিনি তার মত মনে করেন, আগে দেশের ব্যাপক সংস্কার এবং দায়ের আঘাত থাকা গণঅভ্যুত্থান, ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারী শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় আন্দোলন চলতে থাকা প্রয়োজন।

    তিনি জানান, গত ২৪ আগস্টের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে দেশে কিছু ইতিবাচক রাজনৈতিক সূচনা দেখা গেলেও, এখন আবার পেশীশক্তির প্রদর্শনী শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন। এই ধরণের পরিস্থিতি একদিকে আবারও পুরনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় নির্বাচন আয়োজনের ষড়যন্ত্র বলে মনে হয়। তিনি স্পষ্ট করেন যে, নির্বাচনের আগেই যথোপযুক্ত আইনি ভিত্তি, পিআর পদ্ধতি, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়াও সকল গণহত্যার বিচার ও আট দলের ষড়যন্ত্রের নির্মূলের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল প্রয়োজন।

    সমাবেশটি নগরীর শহীদ হাদিস পার্ক থেকে শুরু হয়ে পিকচার প্যালেস মোড়, ডাকবাংলো মোড়, ফেরিঘাট মোড়, পাওয়ার হাউজ মোড়, সঙ্গীতা মোড় হয়ে শিববাড়ি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি ছাড়াও মহানগর আমীর মাহফুজুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি এড. মুহাম্মদ শাহ আলম, প্রিন্সিপাল শেখ জাহাঙ্গীর আলম, নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম, মহানগর সেক্রেটারি এড. শেখ জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, জেলা সহকারি সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, মহানগর শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, ছাত্রশিবিরের সভাপতি আরাফাত হোসেন মিলনসহ বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

    মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সকল রাজনৈতিক দল ও জনতা এক হয়ে জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি মনে করেন, ভোটাধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় আমাদের সবাইকে একসাথে থাকতে হবে। বর্তমান সরকার যদি দেশের শান্তি, উন্নয়ন ও গণতন্ত্র রক্ষায় সচেষ্ট না হয়, তবে দেশের অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকবে। সবাইকে সচেতন ও সক্রিয় থাকতে আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য নয়, দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হবে।

  • নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন সম্ভব নয়

    নির্বাচিত সরকার ছাড়া দেশে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন সম্ভব নয়

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, খুলনার অধিকাংশ আলোচিত হত্যার পথশিল্পিরা এখনও ধরা পড়ছে না। এর ফলে খুনখারাবি অব্যাহত থাকছে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও হত্যাকাণ্ড, গুলি চালনা বা কুপিয়ে জখমের ঘটনা ঘটছে। এই অসহনীয় পরিস্থিতিতে খুলনা নগরীর মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পরে গত ১৪ মাসে খুলনায় মোট ৩৮টি লাশ পড়েছে। এর মধ্যে ১৩টি বা প্রায় ৩৪ শতাংশ হত্যা মাদক কারবার ও আধিপত্যের সঙ্গে জড়িত। নগরীতে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। হত্যাকাণ্ডের অধিকাংশ আসামি এখনও শনাক্ত বা গ্রেফতার হয়নি। মাঠ পর্যায়ে পুলিশের নিষ्क্রিয়তা, হত্যার আসামিদের ধরা না পড়া, সামাজিক অস্থিতিশীলতা, অস্ত্র ও মাদকের সহজলভ্যতা, এবং সহযোগিতার অভাব খুলনা শহরকে অস্থির করে তুলেছে। গত শুক্রবার বিকেলে গণসংযোগ ও ৩১ দফার লিফলেট বিতরণের পর রূপসা ট্রাফিক মোড়ে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড থেকে ধানের শীষের পক্ষে গণসংযোগ শুরু হয় এবং বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রূপসা ট্রাফিক মোড়ে এসে শেষ হয়।