Author: bangladiganta

  • উমামা-সাদীর নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’র প্যানেল ঘোষণা

    উমামা-সাদীর নেতৃত্বে ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’র প্যানেল ঘোষণা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে উমামা ফাতেমা ও আল সাদী ভূঁইয়ার নেতৃত্বে নতুন স্বতন্ত্র প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই প্যানেলটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন উমামা ফাতেমা।

    এই প্যানেলে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বিভিন্ন শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়বেন উমামা ফাতেমা, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র ও বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে থাকছেন আল সাদী ভূঁইয়া, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাবেক সভাপতি। সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন জাহেদ আহমদ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ছাত্র ও পাঠচক্র ‘গুরুবার আড্ডা’ সংগঠক।

    অন্য পদে মনোনীতরা হচ্ছেন মুমিনুল ইসলাম (বিধান) — বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক, নাফিজ বাশার আলিফ — আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, সুর্মী চাকমা — কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক, অনিদ হাসান — সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, সিয়াম ফেরদৌস ইমন — গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক, মো. সাদিকুজ্জামান সরকার — ক্রীড়া সম্পাদক, মো. রাফিজ খান — ছাত্র পরিবহন সম্পাদক, তানভীর সামাদ — সমাজসেবা সম্পাদক, রুপাইয়া শ্রেষ্ঠা তঞ্চঙ্গ্যা — ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক, ইসরাত জাহান নিঝুম — স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক এবং নুসরাত জাহান নিসু — মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক।

    সদস্য পদে রয়েছেন নওরীন সুলতানা তমা, আবিদ আব্দুলাহ, ববি বিশ্বাস, মো. শাকিল, মো. হাসান জুবায়ের (তুফান), আব্দুল্লাহ আল মুবিন (রিফাত), অর্ক বড়ুয়া, আবির হাসান, নেওয়াজ শরীফ আরমান, মো. মুকতারুল ইসলাম (রিদয়), হাসিবুর রহমান, রাফিউল হক রাফি, মো. সজিব হোসেন ও সাদেকুর রহমান সানি।

    উমামা ফাতেমা এই প্যানেল ঘোষণা করেন। এই প্যানেলে উপস্থিত ছিলেন কলেজের পাঁচজন শিক্ষার্থী, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছয়জন নারী এবং দু’জন আদিবাসী ছাত্র।

    উমামা ফাতেমা বলেন, অনেক পথ পেরিয়ে আজ আমি এই প্যানেলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছি। ক্যাম্পাসে আমি ৭-৮ বছর ধরে রয়েছি। জীবনের প্রথম বর্ষে যখন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করি, তখনই আমার ডাকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা হয়। তখন কবি সুফিয়া কামাল হলে পাঠচক্র পদে নির্বাচন করে আমি হেরে গিয়েছিলাম, কিন্তু ওই অভিজ্ঞতা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। এরপর আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা ও সংগ্রাম চালিয়ে গেছি, কীভাবে ক্যাম্পাসকে আরও নিরাপদ এবং বন্ধুসুলভ করা যায়। আমি আমাদের গণরুম ও গেস্টরুমের অধিকার রক্ষা করতে সংগ্রাম করেছি। আমার বিশ্বাস, আমাদের কথা এবং মতামত সাধারণ শিক্ষার্থীদের চাওয়া। এই প্যানেল তাদের ভয়েস হয়ে কথা বলার জন্য এসেছে।

  • জামায়াতের ঘোষণা: নির্বাচন নিশ্চিত করতে এনসিওর দাবি

    জামায়াতের ঘোষণা: নির্বাচন নিশ্চিত করতে এনসিওর দাবি

    ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হলে কোনও সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তবে নির্বাচনকে সামনে রেখে এখনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। তিনি বলেন, আমাদের মূল দাবি হলো নির্বাচনকে সময়োপযোগী ও সুষ্ঠু করার জন্য এনসিওর করা। এই কথা সোমবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান তিনি। জামায়াতের এ নেতার নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন সরকার ও ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান মূসা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। হামিদুর রহমান আযাদ জানান, সংসদীয় আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের বিষয়ে তারা সব বক্তব্য সবার কাছে পৌঁছানোর জন্য ইসিকে আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হতে চাইলে সন্ত্রাস এবং অনিয়ম বন্ধ করতে হবে এবং ভোটের জন্য পিআর পদ্ধতি অবলম্বন করা জরুরি। সবাই সব দাবি না রাখতে পারে, তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিবর্তে পিআর পদ্ধতিই জাতির জন্য উপকারী বলে তিনি মনে করেন। জেলেদের সমর্থনে তিনি বলেন, জনগণ যদি এ পদ্ধতিতে ভোট দেয়, তাহলে এটি দেশের জন্য কল্যাণকর। তিনি উল্লেখ করেছেন, জামায়াত মাঠে থাকবে এই দাবি নিয়ে, পাশাপাশি নিজেদের নির্বাচনী প্রস্তুতিও সম্পন্ন করবে। প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, ‘আমরা সামগ্রিকভাবে আলোচনা করেছি।’ পিআর (সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতি) ছাড়া জামায়াত কি নির্বাচন করবে- এ বিষয়ে সরাসরি কিছু বলেননি তিনি, তবে জানান, নির্বাচনের ব্যাপারে তারা সবসময়ই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য ভোটের পক্ষে। তিনি বলেন, ‘সাধারণত, আমরা ফেয়ার ইলেকশনের জন্য সচেতন। এই পদ্ধতিও আমরা মনে করি দেশের জন্য খুবই উপকারী। এটি ভোটার মূল্যায়নে গণতন্ত্রের স্বচ্ছতা বাড়াবে।’ জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আরও বলেন, তারা বিভিন্ন নির্বাচনে অংশ নিয়েছে এবং সংসদে প্রতিনিধিত্ব করছে। সেই মতো, তারা তিনশ আসনে প্রার্থী দিয়েছে এবং মাঠে-ময়দানে জনমত গড়ে তুলছে। এর আগে, রোববার (২০ আগস্ট) জাতীয় নির্বাচন প্রস্তুতির অগ্রগতি নিয়ে ইসির সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের বৈঠক হয়।

  • নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি এখনও উপযোগী নয়: তারেক রহমান

    নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি এখনও উপযোগী নয়: তারেক রহমান

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধি (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচন এখনও উপযুক্ত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, জাতীয় নির্বাচনে এই পদ্ধতি নিয়ে বহু মতবাদ এবং বিতর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের একটি জটিল আর্থ-সামাজিক, ভৌগলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই পদ্ধতি নির্বাচন করার উপযোগিতা নেই। মানুষের অন্যতম অধিকার হলো নিজ ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধিকে নির্বাচন করে সংসদে পাঠানোর বিষয়টি জানা। কিন্তু প্রস্তাবিত পিআর পদ্ধতিতে এতে সরাসরি স্পষ্টতা ও স্বচ্ছতা অনেকটাই অনুপস্থিত।

    তিনি মন্তব্য করেন, আজ বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন ছিল জন্মাষ্টমী উপলক্ষে।

    তারেক রহমান আরও বলেন, যেকোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিকে জাতীয় সংসদ বা সরকারে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য জনগণের কাছে গিয়ে তাদের আস্থা, বিশ্বাস ও সমর্থন আদায় করতে হয়। পিআর পদ্ধতি এবং কিছু অন্যান্য ইস্যুতে বিরোধী মতের জন্যতা থাকলেও এই ধরণের ভিন্নমত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলছিলেন, যেসব ব্যক্তির ক্ষমতায় আসার প্রবণতা রয়েছে কিংবা এবারের নির্বাচনের পরিস্থিতিকে ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে, তারা গণতন্ত্রের পথকে বাধাগ্রস্ত করছে। যদি এই জটিলতা আরও বাড়ে, তাহলে স্বৈরাচার ফেরার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

    তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত রাজনীতি ও রাষ্ট্রের পথে হাঁটছে। আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে সম্ভবত ভোটের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর নানা ধরনের মন্তব্য ও শর্ত দেয়া বরাবরের মতো ভোটের পরিবেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

    বিএনপির এই নেতা আশঙ্কা প্রকাশ করেন, যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে ভোট দেয়ার সুযোগ পাওয়া যায়, তাহলে জনগণ নিজেদের পছন্দের নেতৃত্বে সরকার গঠন করতে সক্ষম হবে। এরই প্রতিরোধে কিছু স্বৈরাচারী গোষ্ঠী বিভিন্ন শর্ত আরোপের মাধ্যমে ভোটের নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, রাজনীতি যেন রাজনীতি দিয়েই মোকাবিলা হয়, জনগণের ওপর আস্থা রাখতেই হবে। বিএনপি যদি জনগণের রায় পায়, তবে তা রুখে দেয়ার ক্ষতিকর চেষ্টা না করতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।

    তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিরোধ থাকলেও সেই বিরোধ কখনো পরস্পরের অপকর্ম আড়াল করার জন্য ব্যবহৃত হওয়া উচিত নয়। সব বিষয়েই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, বিশেষ করে স্বৈরাচারী শক্তি পুনর্বাসন ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায়।

    অর্থাৎ, তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ একটি সকলের জন্য সমান অধিকারের স্থান, সেখানে কে কি দেশের নাগরিক, ধর্ম বা গোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাই সমান। দেশের সবাই আইন অনুযায়ী সকল হক ভোগ করবেন, এটাই বিএনপির মূল নীতি।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। উপস্থিত ছিলেন দলের অন্য নেতারা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা। অতিথিরা সকলেই দেশের স্বার্থে ঐকমত্য ও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।

  • শেখ হাছিনার বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে: মির্জা ফখরুল

    শেখ হাছিনার বিচার এই দেশের মাটিতেই হবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজ পরিষ্কারভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে শেখ হাসিনা বর্বরোচিত হত্যা ও গুমের জন্য দায়ী। তাঁর শাস্তি তিনি অবশ্যই এই দেশের মাটিতেই পেতে হবে। তিনি বলেন, এই অপরাধের বিচারের জন্য সকল দেশের নাগরিকের মতই তার জন্যও দীর্ঘদিন অপ্রত্যাশিত অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

    শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি একথা বলেন। অনুষ্ঠানে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গুমের রহস্য উন্মোচন ও গণশুনানির জন্য গুম কমিশনকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে পারেনি। গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের কান্না বন্ধে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এ ব্যাপারে অবশ্যই জনতার কাছে জবাবদিহি করতে হবে।

    তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের প্রতিটি নির্যাতিতা ও নিপীড়িত মানুষের পাশে আছি। আমাদের নেতারা বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় বছরখানেক কারাগারে ছিলেন। নেতাকর্মীদের মধ্যে কেউ কেউ বাধ্য হন নির্বাসনে যেতে। এমনকি নেতৃত্বের বেশিরভাগের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা বা হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। ফলে মনে করা ভুল হবে যে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এসব অন্ধকার ঘটনা এড়ানো সম্ভব। বিএনপি চায় নির্বাচন হবে, এবং সেই মাধ্যমে এসব বিচার সমাপ্ত হবে বলে প্রত্যাশা করে।

    মির্জা ফখরুল বল_CLICKেস, আমাদের অন্যতম দাবি ছিল— গুম ও হত্যার সুবিচার। তিনি অঙ্গীকার করেন, গুম হওয়া শিশুসহ সব ভুক্তভোগীর পাশে থাকবেন এবং যতক্ষণ না ন্যায়বিচার হয়, ততক্ষণ সংগ্রাম চালিয়ে যাবেন। তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান, গুমের শিকার প্রত্যেকের সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করতে।

    অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে তিনি আশ্বস্ত করেন, পরিবারগুলো নিরাশ হবেন না। জনগণের আন্দোলন কখনো ব্যর্থ হয়নি— এর প্রমাণ রয়েছে। তিনি বলেন, আপনাদের মধ্যে যারা পিতা, ভাই বা সন্তান হারিয়েছেন, তারা নিশ্চিত ন্যায়বিচার পাবেন। এই আন্দোলন সত্যিই মর্মস্পর্শী এবং দেশের নির্যাতিত পরিবারগুলোকে একটি আশার আলো দেখিয়েছে।

  • জুলাই সনদ পর্যালোচনা করে ২৩টি রাজনৈতিক দলের মতামত জমা

    জুলাই সনদ পর্যালোচনা করে ২৩টি রাজনৈতিক দলের মতামত জমা

    জুলাই সনদ বিস্তারিত পর্যালোচনা করে ২৩টি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল তাদের মতামত জাতীয় ঐক্যমত সংক্রান্ত কমিশনের কাছে জমা দিয়েছেন। এই আলোচনা মূলত সরকার ঘোষিত নতুন সনদ সংশোধনের জন্য নেওয়া হয়। গত ১৬ আগস্ট, পূর্বের খসড়াতে কিছু ত্রুটি 발견 হওয়ায় সংশোধনী প্রক্রিয়া চালনা করা হয় এবং উন্নত সংস্করণ তাৎক্ষণিকভাবে সকল রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠানো হলো।

    তারপরে, ২০ আগস্ট বুধবার, কমিশন ঘোষণা করে যে সবাই যাতে নিজেদের মতামত তুলে ধরতে পারেন, সেই জন্য ২২ আগস্ট বিকেল তিনটা পর্যন্ত সময় বাড়ানো হলো। আজ (২০ আগস্ট) পর্যন্ত, বিভিন্ন দল তাদের মতামত জমা দিয়েছে। জোটে রয়েছে বিএনপি, এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি), লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি, খেলাফত মজলিস, আমার বাংলাদেশ পার্টি, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন, জামায়াতে ইসলামি, জেএসডি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি, ১২ দলীয় জোট, গণফোরাম, বাসদ, জাতীয় গণফ্রন্ট, মার্কসবাদী সমাজতান্ত্রিক দল, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ জাসদ, লেবার পার্টি, জাকের পার্টি, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।

    অন্যদিকে, সাতটি রাজনৈতিক দল এখনও তাদের মতামত দেননি। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন থেকে আর সময় বাড়ানো হবে না, ফলে সকল দলকে তাদের মতামত দ্রুত জমা দিতে আহ্বান জানানো হয়েছে। এই প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেন নতুন সনদ কার্যকর করার জন্য সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

  • নির্বাচনমুখী জনগণই ষড়যন্ত্র কাজ করবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    নির্বাচনমুখী জনগণই ষড়যন্ত্র কাজ করবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

    জনগণ যদি নির্বাচনমুখী হন, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্র তার ফলে সফল হবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষিত সময় অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের বিএডিসি হিমাগার পরিদর্শন শেষে এইসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

    অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে তিনি জানান, শুধুমাত্র নির্বাচনের জন্য নয়, সারা দেশে যেন কোনো অস্ত্র প্রবেশ না করে তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বলেছেন, অস্ত্র উদ্ধার এখানে একটি চলমান প্রক্রিয়া, দৈনিকই কোন না কোন অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে। বিশেষ করে নির্বাচনকে সামনে রেখে আশা করবেন, সব অস্ত্রই আমরা উদ্ধার করে ফেলব।

    নির্বাচনের সময় বেশ কিছু দেশ থেকে অস্ত্র প্রবেশের প্রবণতা দেখা গেছে—এমন তথ্যের জবাবে তিনি জানান, এই ধরনের অবৈধ অস্ত্র সংগ্রহে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধুমাত্র নির্বাচন সময় নয়, ভবিষ্যতেও যেন দেশের অভ্যন্তরে অস্ত্রের প্রবেশ না ঘটে, সেজন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি নিশ্চিত করেন, যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন সম্পন্ন করতে কোনো সমস্যা হবে না। প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত।

    বিভিন্ন ধরনের প্রোপাগান্ডা ও বিভ্রান্তি সম্পর্কে তিনি বললেন, এখন দেশ স্বাধীন, সব কিছু মুখে মেলে ধরতে পারছে জনগণ এবং গণমাধ্যম। তিনি বলেন, জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে, যখন সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনমুখী হয়ে উঠবে, তখন কেউ আর বাধা দিতে পারবে না। সবকিছুই জনগণের রায়ের উপর নির্ভর করে।

    সীমান্তের নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি আশ্বাস দেন, আমাদের সীমান্ত সম্পূর্ণ নিরাপদ ও সুরক্ষিত। জনগণ সচেতন and বর্ডার বেল্টে থাকা সব মানুষই খুবই সচেতন, ফলে বিপদ কম। সীমান্তে নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার ও সতর্ক অবস্থা চালু আছে।

  • উত্তরা বিমান দুর্ঘটনায় এক মাসের মধ্যে আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    উত্তরা বিমান দুর্ঘটনায় এক মাসের মধ্যে আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু

    রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সংঘটিত বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এক মাসের মধ্যে আরও এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হলো। শনিবার (২৩ আগস্ট) ভোর সকাল ৮টার দিকে তাকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই দুর্ঘটনায়। নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম তাসনিয়া, সে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) ডা. সুলতান মাহমুদ সিকদার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, বিস্ফোরণে তাসনিয়ার শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকেই আইসিইউতে অক্লান্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

    তাসনিয়ার বাবা মো. নাজমুল হোসেন বলেন, তার পরিবারের বাস ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ভেতরে। তাসনিয়া স্কুলের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

    প্রসঙ্গত, গত ২১ জুলাই উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়। এই ঘটনায় অনেক মানুষ নিহত ও আহত হয়। স্কুলের শিক্ষা কার্যক্রম একপ্রকার বন্ধ হয়ে যায়; প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর ৩ আগস্ট আবারও স্কুল খোলা হয়।

    এর আগে, ১৪ আগস্ট এই দুর্ঘটনায় এক শিক্ষিকা, মাহফুজা, মৃত্যুবরণ করেন। এর মাধ্যমে এই বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩৬ এ। এই ঘটনার পর থেকে এখনও অনেক প্রশ্ন ও আশঙ্কা অব্যাহত রয়েছে।

  • সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ ৯ দগ্ধ

    সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নারী-শিশুসহ ৯ দগ্ধ

    নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি আধা-গোড়া ঘরে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটলে নারী ও শিশুসহ মোট নয় জন দগ্ধ হন। তাদের সবাইকে দ্রুত ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনাটি ঘটে শনিবার ভোররাতে (২৩ আগস্ট) সিদ্ধিরগঞ্জ থানার হিরাজিল গ্রামে। প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল এটি গ্যাস লাইন থেকে আগুন লাগার কারণে হয়েছে, কিন্তু পরে জানা যায় ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকেই বিস্ফোরণ হয়। ফলে ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটে এবং ওই ঘটনায় পরিবারের নয়জন দগ্ধ হন।

    আদমজী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. মিরন মিয়া বলেন, “আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছি, ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে ফুটো হয়েছে। ওই বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয় এবং এতে পরিবারের সদস্যরা দগ্ধ হন।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ঘর বা আশপাশে অন্য কোনও গ্যাসের গন্ধ বা আলামত পাওয়া যায়নি। সব কিছুই নির্দেশ করে যে, ফ্রিজের কম্প্রেসার থেকেই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের সূচনা হয়েছিল।”

    ঘটনায় দগ্ধ ব্যক্তিরা হলেন— দিনমজুর তানজিল ইসলাম (৪০), তার স্ত্রী আসমা বেগম (৩৫), তাদের দুই সন্তান তৃষা আক্তার (১৭) ও আরাফাত (১৫), সঙ্গে আরও একজন দিনমজুর হাসান (৩৫), তার স্ত্রী সালমা বেগম (৩২) ও তাদের তিন সন্তান ইমাম উদ্দিন (১ মাস), জান্নাত (৪), ও মুনতাহা (১১)।

    জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ শিকদার বলেন, “ভোরে হাসপাতালে আনা ৯ জন দগ্ধ রোগীর মধ্যে হাসানের শরীরের ৪৪ শতাংশ, সালমার ৪৮ শতাংশ, আসমার ৪৮ শতাংশ, তৃষার ৫৩ শতাংশ, জান্নাতের ৪০ শতাংশ, মুনতাহার ৩৭ শতাংশ এবং এক মাসের শিশু ইমামের শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তবে তানজিল ইসলামের শরীরের আঘাতের গুরুত্বরতা কম হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর বাড়ি পাঠানো হয়েছে।”

    ঘটনাস্থলে থাকা দগ্ধ হাসানের ছোট ভাই রকিবুল জানান, তার ভাই ও ভগ্নিপতি দিনমজুরের কাজ করতেন এবং সিদ্ধিরগঞ্জের একটি আধা-সেমিপাকা ঘরে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন। দুর্ঘটনাটি ঘটে রাতে হঠাৎ বিস্ফোরণের মাধ্যমে। এতে তাদের দুই পরিবারের সদস্যরা দগ্ধ হন। পরে দ্রুত তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

  • উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি

    উপকূলে ঝড়ের আশঙ্কা, সতর্কতা জারি

    সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগরে ক্রমাগত সৃষ্টি হচ্ছে আবহাওয়া-বৈচিত্র্যপূর্ণ মেঘমালা। এর ফলে এই অঞ্চলের উপকূলে ও সমুদ্রের দিকে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বেড়ে গেছে, এবং এই পরিস্থিতিকে মোকাবেলা করতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর সতর্কতা জারি করেছে।

    আজ শনিবার (২৩ আগস্ট) প্রকাশিত আপডেট আধিকারিক সতর্কবার্তায় এই তথ্য জানানো হয়।

    আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেছেন, সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর কারণেই উত্তর বঙ্গোপসাগরে নতুন করে তৈরি হচ্ছে মাঝারি থেকে ভারী মেঘমালা। এর ফলে, উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া প্রবনতা দেখা দিতে পারে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, ঝড়ের আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া, উপকূলের কাছাকাছি অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশনা পর্যন্ত সতর্কভাবে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

    অপরদিকে, আবহাওয়া অধিদফতর পূর্বাভাসে জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন সারাদেশে কোথাও কোথাও অস্থায়ী দমকা ঝোড়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের পূর্বাভাস, টানা বর্ষণ হতে পারে

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের পূর্বাভাস, টানা বর্ষণ হতে পারে

    বঙ্গোপসাগরে আবারও একটি লঘুচাপক সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণের কারণ হতে পারে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রাকৃতিক আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। জানা যায়, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বিস্তৃতি রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল এবং আসাম পর্যন্ত। এর একটি অংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বাংলাদেশের উপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ২৫ আগস্টের মধ্যে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তার সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় বজ্রসহ ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকাসহ উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের বেশ কিছু স্থানেও ভারী বর্ষণের আভাস দেখানো হচ্ছে। একইভাবে রোববার সন্ধ্যার পর আরও কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সারাদেশে সব পর্যায়ে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের জন্য কিছু ক্ষণিকের সতর্কতা প্রয়োজন।