Author: bangladiganta

  • আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    আইসিসির হ্যান্ডশেক বিতর্কে পাকিস্তানের দাবি খারিজ

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হ্যান্ডশেকের জন্য সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের মধ্যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বলেছিল, ম্যাচ রেফারি হিসেবে অ্যান্ডি পাইক্রফটকে এশিয়া কাপ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, পাইক্রফট এশিয়া কাপের ম্যাচে ছিল এবং তার কোনও অস্বাভাবিক ভুমিকা ছিল না। ম্যাচ রেফারি হিসেবে থাকবেন তিনি, এমন সিদ্ধান্তই কার্যকর থাকবে। ক্রিকবাজ নামে একটি ক্রিকেট বিষয়ক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। আইসিসি এখনও পর্যন্ত কোনো অফিসিয়াল বিবৃতি দেয়নি, তবেছেন তারা পাকিস্তান বোর্ডকে এই সিদ্ধান্তের খবর দিয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে, জাতির নেতৃত্বদানকারী জয় শাহর মাধ্যমে।

    গত রোববার দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টসের সময় করমর্দন না করাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক শুরু হয়। পিসিবির অভিযোগ ছিল, রেফারি পাইক্রফট পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আঘাকে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের সঙ্গে হাত মেলাতে বাধা দেয়। তবে আইসিসি জানিয়েছে, এ ঘটনার সঙ্গে পাইক্রফটের কোনো স্বাধীন ভূমিকা ছিল না। সংস্থাটি বলেছে, এএসসি কর্মকর্তারা আগে থেকেই পাইক্রফটকে এই বিষয়ে জানিয়েছিলেন, তিনি কেবল সেই নির্দেশ পালন করেছিলেন।

    চিঠিতে নিশ্চিত করা হয় যে, পাইক্রফট ভারতীয় দলের পক্ষ থেকে কাজ করেননি বা কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। ফলে পিসিবির অভিযোগ প্রমাণিত নয় বলে স্পষ্ট করে দেয় আইসিসি। অনুমানিক, পাকিস্তান বোর্ড যদি পাইক্রফটকে সরায় না, তবে তারা বুধবারের পাকিস্তান-সংযুক্ত আরব আমিরাত ম্যাচে অংশ নাও করতে পারে। এই ম্যাচেও তাদের কর্তৃপক্ষ হিসেবে পাইক্রফটকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে আইসিসির এই সিদ্ধান্তের খবর প্রকাশ্যে এলেও, পিসিবি বলছে, তারা এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি বা বার্তা পায়নি।

    অন্যদিকে, ম্যাচের ৪৮ ঘণ্টা পরে বিসিসিআই থেকে প্রতিক্রিয়া এসেছে। অফিসিয়াল কোনও বিবৃতি না দিলেও, পিটিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সূর্যকুমার যাদব ও তাদের দলের অন্য ক্রিকেটাররা যা করেছেন, তা একদম সঠিক। তিনি বলেন, ক্রিকেটে সাধারণত ম্যাচ শেষে প্রতিপক্ষের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করা হয়; এটি একটি সম্মান প্রকাশের রীতি। তবে এর কোনও আইন বা বাধ্যবাধকতা নেই। এ ক্ষেত্রে সূর্য ও দলের অন্যরা যা করেছেন, সেটার কোনও Gil আইন মানা হয়নি।

    অতিরিক্তভাবে, তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কে যে এখন শত্রুতা প্রকট, সেখানে ভারতীয় ক্রিকেটাররা পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলালে সেটাই অস্বাভাবিক। আমাদের ক্রিকেটাররা যে উচিত কাজ করেছেন, সেটিই ঠিক। যদি কোনও নিয়ম না থাকে, তাহলে সূর্যরা মনে করেছিলেন, বাবদ শত্রুতার মধ্যে থাকাকালীন পাকিস্তানিদের সঙ্গে হাত মেলানো সমীচীন নয়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে, ক্রিকেট খেলাটা সম্মানের মতো মনে হয় না। তারা বলছেন, সূর্য যেভাবে খেলেছেন, তা সঠিক, এবং এখন আর কোনওAdditional শর্মান দেখানোর প্রয়োজন নেই।

  • বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশে আসছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা

    আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকায় এসে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচের সিরিজ খেলতে আসবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। Initially চিন্তা ছিল, এই সিরিজ তিন শহরে আয়োজন করা হবে, তবে শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে যে দুই ফরম্যাটের ম্যাচগুলো মিরপুর ও চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) মঙ্গলবার এই আসন্ন সিরিজের সূচি নিশ্চিত করেছে।

    সিরিজের প্রথম ওয়ানডে হবে ১৮ অক্টোবর মিরপুরের শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। এরপর ২০ ও ২৩ অক্টোবর যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ গড়াবে একই স্থানে। এই ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো দর্শকদের জন্য বড় একটি ট্রেলার হতে চলেছে কারণ এটি হবে দুই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি মহোর্ষে, কারণ স্পষ্টতই এটি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতির অংশ। এই বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারতে, যেখানে শক্তিভুক্ত হবে ভারত নিজের হয়ে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে।

    তারপর, টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লে. মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে (পূর্বে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম) অনুষ্ঠিত হবে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ, যথাক্রমে ২৭ ও ৩০ অক্টোবর এবং ১ নভেম্বর।

    উভয় দলের জন্যই এই সিরিজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাদের জন্য ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের বড় সুযোগ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের শেষবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর হয়েছিল ২০২৪ সালের ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, যেখানে তারা তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে ক্যারিবিয়ান দলকে প্রথমবারের মতো হোয়াইটওয়াশ করেছিল। এই সিরিজের মাধ্যমে বাংলাদেশের টাইগাররা ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডের পর প্রথমবার কোনও সিরিজে তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচই জিতল। তবে, ওই সফরে ওয়ানডে সিরিজে তারা হোয়াইটওয়াশ হয়ে ফিরে এসেছিল। এর আগে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ সমতায় শেষ হয়।

  • পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    পাকিস্তানি কিংবদন্তি সূর্যকুমারকে ‘শূকর’ বললেন

    ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের মধ্যে সবসময়ই ছিলো কঠিন টানটান উত্তেজনা, আর এবার সেই উত্তেজনার সূত্র ধরেছে নতুন এক বিতর্কের সৃষ্টি। সম্প্রতি দুবাইয়ে এশিয়া কাপের ক্রিকেট ম্যাচে ভারতের জয় হয় শক্তিশালী পাকিস্তানকে দুয়ারে হঠাৎই উড়িয়ে দিয়ে। এই ম্যাচের নায়ক ছিলেন ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তবে ম্যাচের পরের ঘটনা যেন এই জয়ের উত্তেজনাকে ছাপিয়ে গেছে, সৃষ্টি করেছে ব্যাপক আলোচনার ঝড়।

    জয়ের পর কোনও প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের সঙ্গে হাত মেলাননি সূর্যকুমার। এমনকি টসের সময়ও পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলী আগার সঙ্গে করমর্দন বা কুশল বিনিময় করেননি তিনি। অনেকের কাছে এটি অখেলোয়াড়সুলভ আচরণ বলে প্রশংসিত হলেও কিছুজনের সমালোচনায় পড়েছে।

    কিন্তু এই বিতর্কের সবচেয়ে বড় বিস্ফোরক ঘটনা ঘটে পাকিস্তানের প্রখ্যাত সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ ইউসুফের হাত ধরে। এক টিভি আলোচনায় সূর্যকুমারকে নিয়ে আলোচনায় বসে তিনি একাধিকবার তাকে ‘শূকর’ বলে গালি দেন। সঞ্চালক বারবার তাকে থামানোর চেষ্টা করলেও ইউসুফ যেন নিজেই থামতে রাজি নন। তিনি বলেন, ‘ভারত সিনেমার দুনিয়া থেকে বের হতে পারছে না। আম্পায়ার আর ম্যাচ রেফারির মাধ্যমে জেতা হচ্ছে। এটা লজ্জাজনক!’ এরপর তার গালাগাল বন্ধ হয়নি, চলতে থাকে।

    এই মন্তব্য মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। ভারতের ক্রিকেটভক্তরা ইউসুফের এই আচরণে চরম ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন।

    অবশ্য এই বিতর্কের পরে ইউসুফ এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি পোস্ট করে বলেছেন, ‘আমি কাউকে অসম্মান করতে চাইনি। আবেগের বশে কথাগুলো বলে ফেলেছি। তবে ইরফান পাঠান যখন আফ্রিদিকে ‘ঘেউ ঘেউ করা কুকুর’ বলে বলেছিল, তখন তো ভারতীয় মিডিয়া সেটাকে প্রশংসা করেছিল!’

    ইউসুফ যে ঘটনার কথা বলছেন, সেটি ইরফান পাঠানের এক পুরনো সাক্ষাৎকার থেকে নেয়া। সেখানে পাঠান জানান, ২০০৬ সালের পাকিস্তান সফরে আফ্রিদির আচরণে বিরক্ত হয়ে তিনি ব্যঙ্গাত্মকভাবে বলেছিলেন, ‘আফ্রিদি তো অনেকক্ষণ ধরে ঘেউ ঘেউ করছে, নিশ্চয়ই কুকুরের মাংস খেয়েছে!’ এরপর থেকে আফ্রিদি আর কখনো তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডা করেননি বলে উল্লেখ করেন।

  • আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের স্বপ্ন বেঁচে রইল

    আফগানদের হারিয়ে সুপার ফোরে বাংলাদেশের স্বপ্ন বেঁচে রইল

    বাংলাদেশের জন্য বৃহস্পতিবারের ম্যাচটি ছিল বেশ অনিশ্চিত। শুরুতেই চাপের মধ্যে পড়ে গেলেও, তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত হাফ সেঞ্চুরিতে প্রথম ১০ ওভারে ৮৭ রান তুলে, দেশের দর্শকদের আশা জাগিয়েছিল। তবে পরবর্তীতে ব্যাটসম্যানরা.expected প্রস্তুত করা যায়নি, যার ফলস্বরূপ, ১৫৪ রানের বেশি সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়নি। বাংলাদেশ দল মাঝারি লক্ষ্য তাড়ায় অনবরত উইকেট হারাতে থাকলে, আফগানিস্তানের দিক থেকে জয়ের আশা দুর είনায় যেড়ে। তবে, নাসুম আহমেদ ও রিশাদ হোসেনের দুর্দান্ত স্পিনিং পারফরম্যান্সে আফগানিস্তানকে ১৪৬ রানে আটকে রাখতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ। ফলে, বাংলাদেশ ৮ রানে জয় লাভ করে এবং তাদের সুপার ফোরের স্বপ্নটি অক্ষত থাকলো।

  • গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা: জাতিসংঘের তদন্তের দাবি

    গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা: জাতিসংঘের তদন্তের দাবি

    ফিলিস্তিনীদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের গণহত্যার অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে জাতিসংঘের একটি তদন্ত কমিশন। সংস্থাটি বলেছে, ২০২৩ সালে হামাসের সাথে সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইল বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আইনের মতে গুরুতর পাঁচ ধরনের গণহত্যার মধ্যে চারটি কার্যকর করেছে। এর মধ্যে রয়েছে গোষ্ঠীর সদস্যদের হত্যা, তাদের শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি করা, গোষ্ঠীটির ধ্বংসের জন্য পরিকল্পিত পরিস্থিতি তৈরি করা এবং জন্ম রোধের জন্য অপপ্রয়াস।

    জাতিসংঘের এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইলি নেতাদের বিবৃতি এবং সেনাদের আচরণ গণহত্যার মনোভাব বোঝাতে সক্ষম। স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, গাজায় গণহত্যা এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং এর দায় পুরোপুরি ইসরাইলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপর চাপানো হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত দুই বছরে এই পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞের লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনিরা ধ্বংস করা।

    অভিযোগের বিপরীতে ইসরাইলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিবেদনটি স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা এটিকে বিকৃত ও মিথ্যা বলার অভিযোগ এনে, কমিশনকে বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছে। তবে উল্লেখ করা প্রয়োজন, এই তদন্ত সংস্থা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র এবং জাতিসংঘের অধীনস্থ। তারা গাজা সীমান্তে ইসরাইলের হামলার সময়কার পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এই প্রতিবেদন প্রণয়নে কাজ করেছে।

    এদিকে, এই রিপোর্টের প্রকাশের সময়ের সাথে মিলিয়ে গাজায় নতুন করে স্থল হামলা শুরু করে ইসরাইলি সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, দুইটি ডিভিশনের হাজারো সেনা অংশ নিয়েছে এই অভিযানে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই ইসরাইল গাজায় ব্যাপক বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে এই অঞ্চল বিধ্বস্ত ও জ্বলন্ত অবস্থায় রয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ায় ভবিষ্যতেও এই সংঘর্ষের ভয়াবহতা বেড়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে আন্তর্জাতিক মহল।

  • হাজার হাজার ফিলিস্তিনি গাজা ছাড়ছেন ইসরায়েলি হামলার কবলে

    হাজার হাজার ফিলিস্তিনি গাজা ছাড়ছেন ইসরায়েলি হামলার কবলে

    অবস্থার অবনতি হওয়ায় গাজা শহর থেকে হাজার হাজার ফিলিস্তিনি পার করছেন ইসরায়েলি সামরিক হামলার ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে। গত দুই বছরের মধ্যে এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী অভিযান, যেখানে শহরের ওপর ব্যাপক আকাশ ও স্থল থেকে হামলা চালানো হয়। শহরের মানুষ আতঙ্কে জীবন রক্ষা করার জন্য পালিয়ে যাচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন যে তারা আর কখনও ফিরে যেতে পারবেন কিনা জানেন না। জাতিসংঘের মহাসচিব এই হামলার গভীরতাকে ভয়াবহ বলে মন্তব্য করেছেন।

    সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ছবিতে দেখা যায়, গাজা জ্বলছে এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী আকাশে উঠে আসছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ মন্তব্য করেছেন যে, শহরটি এখন অগ্নিগর্ভ। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে শহর থেকে কালো ধোঁয়া দৃশ্যমান, এবং উপকূলীয় আল-রাশিদ সড়ক দিয়ে আসবাবপত্র বোঝাই ভ্যান, গাধার গাড়ি ও পায়ে হেঁটে বহু মানুষ দক্ষিণ দিকে ছুটে চলেছেন জীবন বাঁচানোর জন্য।

    প্রাথমিকভাবে অনেক নাগরিক শহরে থেকে যাওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা করেছিলেন, তবে ব্যাপক ও প্রাণঘাতী বোমা হামলার কারণে তারা স্থানান্তর করতে বাধ্য হচ্ছেন। মঙ্গলবারের খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনারা গাজা শহরে অন্তত ৯১ জনকে হত্যা করেছে। তারা জানিয়েছেন, পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকারীদের বহনকারী একটি যান লক্ষ্য করে বোমা ছোঁড়া হয়।

    এদিন শহরের অন্তত ১৭টি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়, যার মধ্যে পূর্বাঞ্চলের তুফফাহ এলাকায় অবস্থিত ঐতিহাসিক আইবাকি মসজিদও রয়েছে, যা এক বিমান হামলায় ধ্বংস হয়ে গেছে।

    বোমাবর্ষণের পাশাপাশি, শহরের উত্তর, দক্ষিণ ও পূর্ব অংশে বিস্ফোরক বোঝাই রোবটের সাহায্যে ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে ইসরায়েলি সেনারা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা ইউরো-মেড মনিটর জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনারা অন্তত ১৫টি বিস্ফোরক রোবট ব্যবহার করছে, যার প্রত্যেকটি একসঙ্গে ২০টি আবাসিক ইউনিট ধ্বংস করতে সক্ষম।

    সূত্র: আল-জাজিরা

  • নেপালি প্রধানমন্ত্রী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন ও দুর্নীতির তদন্তের প্রত্যাশা

    নেপালি প্রধানমন্ত্রী ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন ও দুর্নীতির তদন্তের প্রত্যাশা

    নেপালের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি বিবিসিকে জানান, তিনি ছয় মাসের মধ্যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করতে চান এবং এই সময়ের মধ্যে দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেতে চান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, দ্রুত ভোটার তালিকা হালনাগাদ এবং নির্বাচন পরিচালনা কার্যক্রম সম্পন্ন করবেন। তার লক্ষ্য হলো দ্রুত ভোটের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করে নির্বাচন কমিশনকে সক্রিয় করে তোলার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সময়ে নির্বাচন সম্পন্ন করা।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রথমে একটি ১০-১১ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করে দুর্নীতির বিস্তারিত তদন্তের পরিকল্পনা রয়েছে। এই তদন্তের জন্য তিনি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করবেন, যাতে এক মাসের মধ্যে বা দেড় মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ হয়। তিনি উল্লেখ করেন, যত দ্রুত সম্ভব দুর্নীতির তদন্ত সম্পন্ন করে জাতিকে শান্তি ও স্থिरতা ফিরিয়ে আনা জরুরি।

    অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, জেন জি-র আন্দোলনের সময় সম্পত্তি ও প্রাণহানির ঘটনাগুলোর প্রতীয়মান তদন্তের জন্য সরকার একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করবে। তাদের পরিকল্পনা হলো, এই তদন্তকে এক মাসের মধ্যে সম্পন্ন করা, যাতে দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়।

    মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্টের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিটি রাজনৈতিক দল থেকে একজন করে প্রতিনিধি নেওয়া হলেও তিনি মত প্রকাশ করেন যে, রাজনীতি থেকে স্বতন্ত্র ও অ-রাজনৈতিক ব্যক্তিরাই এই দায়িত্বShould পালন করতে পারেন। তিনি জানান, নির্বাচনের জন্য অপব্যবহার এড়াতে এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে তিনি অ-রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

    মন্ত্রিসভার সদস্য বাছাই প্রক্রিয়ার ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, তিনি কিছু বিশ্বস্ত সহযোগীর কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে কাজ করছেন এবং মাঠ পর্যায়ে চেক করে দেখছেন। পরবর্তীতে সদস্যদের চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে। তিনি প্রত্যাশা করেন, নির্বাচনের মতো একটি গণতান্ত্রিক অনুষ্ঠানের জন্য সকল কাজ আইন ও নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হবে, যাতে সুষ্ঠু ও নির্ভুল সরকার গঠন সম্ভব হয়।

    অতিরিক্তভাবে, জেন জি আন্দোলনের সময় গঠিত সরকারের বিরোধীতার প্রসঙ্গে তিনি জানান, তারা আসলে আন্দোলনকারী বা গঠনতান্ত্রিক দাবিদার নয়। তিনি বলেন, ৮ সেপ্টেম্বর ছাত্রদের নিহতের পরে তিনি দুর্নীতি ও শাসন ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য কাজ করতে চান। তিনি জানান, কিছু দাবি পূরণে সম্ভব হয়নি হয়তো, তবে পরবর্তী সরকার ও সংসদ এই দায়িত্ব গ্রহণ করবে। তিনি বলেন, সবকিছু শতভাগ সফলতা দাবি না করলেও,max.us সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

  • কংগ্রেসের গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ আদানির বিরুদ্ধে

    কংগ্রেসের গোপন তথ্য ফাঁসের অভিযোগ আদানির বিরুদ্ধে

    ভারতের প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ ও জনপ্রিয় শিল্পপতি গৌতম আদানি সম্পর্কে কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে, তারা দাবি করছে যে তার প্রতি বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে। এই অভিযোগের মূল বিষয় revolves around বিহারের ভাগলপুরে এক হাজার ৫০ একর জমি, যেখানে প্রায় ১০ লাখ গাছ রয়েছে, সেটি মাত্র ১ টাকা বার্ষিক ইজারা বরাদ্দ করা হয়েছে আদানি গোষ্ঠীর কাছে, এবং সেই জমিতে একটি ২৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। কংগ্রেসের নেতা পবন খেরার মতে, এভাবে বিনামূল্যে জমি, কয়লা এবং নদীর জল ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে, কিন্তু বিহারের সাধারণ মানুষকে তার জন্য ইউনিট প্রতি ৬ টাকা ৭৫ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনতে হবে। পবন খেরা আরও মন্তব্য করেন, এটাই বিজেপির ডাবলি “ডাবল” লুটের প্রমাণ, কারণ এর যানবাহন, মহারাষ্ট্রের ধারাভি প্রকল্প, ছত্তিশগড়ের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বিভিন্ন রাজ্যে ভোটের আগে আদানিদের জন্য অবকাঠামো ও প্রকল্পের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এখন বিহারের নির্বাচনের আগে সেই সুযোগে ভাগলপুরেও একই ধরনের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রকল্পের জন্য কৃষকদের জমি ন্যায্য মূল্য না দিয়ে জোরপূর্বক অধিগ্রহণ করা হয়েছে, এবং ভোটের আগে তাদের গৃহবন্দী করে রাখা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানের সময়। উল্লেখ্য, সোমবার ভাগলপুরে প্রধানমন্ত্রী মোদি মোট ৩৬ হাজার কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন, যার মধ্যে আদানি গোষ্ঠীর এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র অন্যতম। একই দিনে, আদানি এন্টারপ্রাইজ উত্তরাখণ্ডের শোনপ্রয়াগ থেকে কেদারনাথ পর্যন্ত ৪ হাজার কোটি টাকার রোপওয়ে প্রকল্পের বরাদ্দও পেয়েছে। তবে, কংগ্রেসের এই অভিযোগের বিষয়ে কেন্দ্রীয় বা বিহার রাজ্য সরকার এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

  • দিল্লির বিষাক্ত বাতাসে ঐতিহাসিক লালকেল্লা কালো হয়ে যাচ্ছে

    দিল্লির বিষাক্ত বাতাসে ঐতিহাসিক লালকেল্লা কালো হয়ে যাচ্ছে

    ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ভয়াবহ বায়ুদূষণের কারণে ঐতিহাসিক মুঘল আমলের লালকেল্লার দেয়াল কালো হয়ে যাচ্ছে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এক গবেষণা উঠে এসেছে যা আশঙ্কাজনক। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মারাত্মক বায়ুদূষণের কারণে ঢাকার এই প্রাচীন স্থাপনা তার লালের রঙ হারিয়ে কালো হয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে দৈনন্দিন বায়ু দূষণের ধুলিকণা এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য এই অবস্থা তৈরি হচ্ছে। গবেষণায় জানা গেছে, লালকেল্লার লাল বেলেপাথরের দেয়ালে বাতাসের দূষক কণার সঙ্গে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে তৈরি হওয়া কালো আস্তরণ ধীরে ধীরে জমছে, যার পুরুত্ব ০.০৫ মিলিমিটার থেকে ০.৫ মিলিমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। যদি সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া না হয়, তবে এই কালো স্তর ঐতিহাসিক নকশা ও সূক্ষ্ম খোদাই ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত লালকেল্লা নিয়ে করা প্রথম ও পর্যাপ্ত গবেষণা। বিভিন্ন অংশের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, দূষণের কারণে দেয়ালের সুক্ষ্ম স্তর ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ফোস্কা, খোসা ওঠার মতো ক্ষতি দেখা যাচ্ছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, মূলত বাতাসে থাকা সূক্ষ্ম ধূলিকণা ও দূষক পদার্থ এই কালো আস্তরণের প্রধান উৎস, যা ধীরে ধীরে পুরু হয়ে যায়। তাই দ্রুত সংরক্ষণমূলক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বিশেষ সংস্কার বা সুরক্ষা উপাদান প্রয়োগ করে এই কালো আস্তরণ রোধ বা কমানো সম্ভব বলে পরামর্শ দিয়েছে গবেষকরা। উন্নত বিজ্ঞান ও সচেতনতায় যদি দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে এই ঐতিহাসিক স্থাপনার বর্তমান রূপ বাঁচিয়ে রাখার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • বিএনপি সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করেনা: মন্টু

    বিএনপি সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করেনা: মন্টু

    খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মো: মনিরুজ্জামান মন্টু বলেছেন, বিএনপি কখনোই সংখ্যালঘু তত্ত্বে বিশ্বাস করে না। বাংলাদেশে জন্ম নেওয়া সব নাগরিকই জন্মসূত্রে বাংলাদেশেরই নাগরিক, যা আমাদের জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রী শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছেন। বিএনপি উদার ও গণতান্ত্রিক আদর্শে অঙ্গীকারবদ্ধ থাকায়, বিশ্বাস করে যে দেশের উদার চেতনা এবং সকল সম্প্রদায়ের মিলিত শক্তিই জাতি গঠনের মূল স্তম্ভ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শারদীয় দুর্গোৎসবের নির্বিঘ্ন আয়োজন ও সফলতা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান বিষয়ে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বললেন।

    মনিরুজ্জামান মন্টু আরও বলেন, একটি রাজনৈতিক দল কখনোই বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে অস্বীকার করতে পারে না, অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে গ্রহণ করেনি। এরপরও কিছু অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে কিছু রাজনৈতিক দল ধর্মভিত্তিক রাজনীতির আড়ালে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। এ জন্য সকলের সচেতন হওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ও স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সঙ্গে মোকাবিলা করে, আগামী নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠায় বিএনপি’র নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

    এছাড়াও, আসন্ন শারদীয় দুর্গা পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পূজা উদ্যাপন কমিটি এবং বিএনপির নেতা-কর্মীদের যথাযোগ্য দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি। সভায় অন্যান্য বক্তারা include করেন জেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক এড. মোমরেজুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মো: খায়রুল ইসলাম, তৈয়েবুর রহমান, এস এম শামীম কবীর, গাজী তফসীর আহমেদ ও জিএম কামরুজ্জামান টুকু। জেলা বিএনপি’র সদস্যরা ছিলেন মলিক আব্দুস সালাম, সুলতান মাহামুদ, জিএম রফিকুল হাসান, আশরাফুল ইসলাম নূর ও মো: রিয়াজুল ইসলামসহ আরও অনেকে।