Author: bangladiganta

  • অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর সম্পূর্ণ করলেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। তার এই বিশাল সংগীত Canvas পূরণে তিনি রজত জয়ন্তী উদযাপন করছেন। সেই উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় একটি সংগীত সফরে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে প্রতিটি ধাপে তিনি দর্শকদের আনন্দ ও ভাবাবেগে মিশে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সফরে তিনি অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, সিডনি, মেলবোর্ন এবং পার্থে কনসার্ট ঘোষণা করেছেন। তবে মেলবোর্নের কনসার্টের আগে গানের আসরে এসে তিনি বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত ঘোষণা দেন। তাহসান জানান, এটি তাঁর শেষ কনসার্ট কিংবা শেষ ট্যুর নয়, বরং ধীরে ধীরে সংগীতের ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিতে চান। এতদিন ধরে তার জন্য এই সিদ্ধান্তের খবর শুনে ভক্তরা বেশ মুষড়ে পড়েন, তবে তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক।’ তিনি আরো মজা করে যোগ করেন, ‘কামিয়ে বড় হওয়া ডাড়ি নিয়ে স্টেজে লাফালে কি হয়!’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে অনেক বছর হয়েছে বিরতি নিয়ে, এবার গান থেকে বিরতি নেওয়ার সময় হয়েছে। এই রাতটি আপনাদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে, হয়তো আর দেখা হবে না মেলবোর্নে, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের ভালোবাসবো ও মনে রাখবো।’ তাহসানের এর পরিপ্রেক্ষিতে তার সঙ্গীত জীবনের দীর্ঘ ২৫ বছরের পথচলা তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গঠন করে তার সংগীতজীবন শুরু করেন তিনি। তবে তিনি বেশি দিন ওই ব্যান্ডের সঙ্গে থাকেননি। ২০০৪ সালে ব্যান্ড থেকে বেরিয়ে একক ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেন। তার অ্যালবামগুলো যেমন ‘কথোপকথন’, ‘কৃতদাসের নির্বাণ’, ও ‘ইচ্ছে’ খুবই জনপ্রিয়। মোট সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তার। তার গাওয়া অসংখ্য হিট গান মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ও ‘কে তুমি’। পরবর্তীতে তিনি বেশ কয়েক বছর ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’-এর সঙ্গে পারফর্ম করেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি অভিনয় ক্ষেত্রেও জনপ্রিয়। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট এবং সিনেমায় তার উপস্থিতি বেশ প্রশংসিত। তবে কিছু বছর ধরে তিনি অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মাধ্যমে তিনি দুই বছরের বিরতির পর ফের চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন। এছাড়াও তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজন উপস্থাপনা করেন। গত বছর তিনি কণ্ঠনালির সমস্যার কথা প্রকাশ করেন। জানায়, ছয় বছর ধরে তিনি কণ্ঠনালির জটিলতায় ভুগছেন। তার ভোকাল কর্ডে এক ধরনের রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সালে শুরু হয়। এই সমস্যা থাকায় তিনি এখন আর আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে গান গাইতে পারেন না। তার ভয়, হয়তো আর গায়তে পারবেন না। এই পরিস্থিতিতে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এনেছেন। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন করছেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ধীরে ধীরে তার গানের ধারা কমে আসছে। ভক্তরা তার এই পরিস্থিতি বুঝে দোয়া ও সমর্থন করবেন, এটাই তার প্রত্যাশা। তিনি আশাবাদী, এই সমস্যার কারণে যদি কনসার্ট বা লাইভ পারফর্মেন্স কমে যায়, তবে তিনি তার ভক্তদের ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ থাকবেন ও চিরকাল মনে রাখবেন।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এই হত্যাযজ্ঞের জন্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেছেন। খবর অনুসারে, সম্প্রতি চেন্নাইয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। এই প্রতিবাদে শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বও যোগ দেন। অভিনেতা সত্যরাজ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারনসহ অনেকে এতে সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেন। প্রকাশ রাজ তাঁর ভাষণে বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধ কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে হ্যাঁ, এটা সত্যিই রাজনীতি। আমরা আমাদের বক্তব্য রাখতে বাধ্য, অন্যথা থাকলে তারা বলে দেয়। যুদ্ধ শেষ হবে, নেতারা হাত মিলাবে, কিন্তু এর ফলে একজন মা তার সন্তানের জন্য অপেক্ষা করবে, একজন নারী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করবে। এটাই বাস্তবতা।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং মোদিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে চলমান এই অন্যায় ও অপরাধের জন্য শুধু ইসরায়েল নয়, আমেরিকাও দায়ী। এছাড়া নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও এই ঘাটতিকে বাড়িয়ে দেয়।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞকে মানবতা বিপন্ন করার অপরাধ হিসেবে সমর্থন করেছেন এবং প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে গাজায় বোমা ফেলছে? মানবতা কোথায়? এত নৃশংসতা করার পরও কীভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘গাজার বাসস্থান, স্কুল, হাসপাতাল—প্রতিটি জায়গাতে বোমা পড়ছে। এমনকি জলপাই গাছ পর্যন্ত ধ্বংস করা হচ্ছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এই প্রতিক্রিয়াগুলিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, এই ঘটনাগুলোর নিন্দা বিশ্বসমাজের জন্য অপরিহার্য।

  • বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়া বছরে রামলীলা উৎসবের অনুষ্ঠানে বড় একটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মূলত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিয়াগের কারণে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পূনম পাণ্ডেকে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকেই এই সিদ্ধান্তের জন্য নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল, তবে সম্প্রতি তা চূড়ান্ত রূপ নেয়।

    প্রাথমিকভাবে, এই বছরের রামলীলা উদযাপনে পূনমের অভিনয় করার কথা ছিল রাবণের স্ত্রীর চরিত্রে। কিন্তু হঠাৎই বেশ কিছু গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করানো হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মাধ্যমেই। অতীতের ঘটনাবলী বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা উচিত নয়। তবে, সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    অন্যদিকে, আয়োজকদের আরও বলা হয়, ‘সমাজে প্রত্যেক নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের অপমান করা পুরোপুরি অনুচিত। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম, পূনম এই চরিত্রটি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর উষ্মাপ্রকাশের কারণে আমরা সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছি।’

    অনেকের ধারণা, পূনম শিল্পীর হিসেবে যথেষ্ট সম্মান পাওয়া সত্ত্বেও, এই সিদ্ধান্তে কোনও অসুবিধা হয়নি। এবারের রামলীলা অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হ’ল রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে প্রচার। সেখানে কোনও বিতর্ক বা সমস্যা চান না আয়োজকরা। জানানো হয়, এই ‘লব কুশ রামলীলা’ প্রতি বছর দিল্লিতে ব্যাপক উৎসাহের সাথে উপভোগ করা হয় এবং এর আগেও বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে মূল চরিত্রে দেখা গেছে।

    দিল্লি বিজেপি দলের পক্ষ থেকেও এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি যেন ধর্মপ্রাণ দর্শকদের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে অবাধ ও আনন্দময় রামলীলা উৎসব পরিচালনা সফল করা যায়, সেটাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের ওপর যেন একেবারে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ‘দাবাং’ খ্যাত নির্মাতা অভিনব কাশ্যপ। কিছু দিন আগে তিনি সালমান খান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। এবারও তিনি এই বিষয়ে অপ্রতিরোধ্য কড়াকড়ি ভাষায় কথা বললেন।

    অভিনব কাশ্যপের দাবি, সালমানের বাবা সেলিম খানকে বলিউডের সেরা চিত্রনাট্যকার বলা যায় না। তার মতে, সেলিম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বলিউডে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন, যা অপ্রত্যাশিত নয়।

    এরপরই তিনি সালমান খানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান খানও তার বাবার মতোই প্রভাব খাটিয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। সালমান হল নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপথে বড় হয়েছেন, তাই এই ধরনের অশোভন রুচি!’

    অভিনব আরও জানান, সাইয়ারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অসাধারণ অভিনয় দেখে সালমানের হিংসা বোধ হয়।

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কিছু বিষয়ও রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি সম্প্রতি একটি প্রথম সারির টেলিভিশন চ্যানেলের সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি মনে করেন সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যuints পারে। এটাই তার মুখোমুখি ক্ষোভের মূল কারণ।

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ভরসা সাম্প্রতিক পারফরমেন্স

    পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ভরসা সাম্প্রতিক পারফরমেন্স

    এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার প্রথম সুযোগে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরমেন্স প্রত্যাশিত নয় বলে অনেকের মনে হয়েছিল। ফলে, সুপার ফোরে পাকিস্তানের সঙ্গে নিজেদের শেষ ম্যাচটি এখন তো যেন এক অলিখিত সেমিফাইনালে পরিণত হয়েছে। ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য উভয় দলের জন্যই এখন সহজ সমীকরণ, যারা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতবে, তারাই মূল টুর্নামেন্টের মহারণে অংশ নেবে। আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুই মানুশের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

    এশিয়া কাপের গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের ফাইনালে উঠার সম্ভাবনা খুব বেশি মনে হয়নি। তবে সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের আশার বাতিগুলি প্রজ্জ্বলিত হয়েছে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখিয়ে বেশ আশাবাদ জুগিয়েছে, যা পাকিস্তানের বিপক্ষে অন্যান্য ম্যাচেও দেখা গেছে। বিশেষ করে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে, যখন পাকিস্তানের স্বাভাবিক ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ে কিছু দুর্বলতা দেখা গেছে, তখন বাংলাদেশের বোলিং বিভাগ কিছুটা আশা জাগিয়েছে।

    পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে, তবে, এখনো অনেক অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে। গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষের পর বিগত ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা ছিল না। ভারতীয় দলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ বেশ দুর্বল হতে দেখা গেছে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে যে মাত্র ১৩৪ রান তাড়া করতে হয়নি, শেষপর্যন্ত ১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান কিছুটা চাপের মুখে পড়েছে। পরে শেষ দিকে হুসাইন তালাত ও মোহাম্মদ নওয়াজের জুটি পাকিস্তানের বিপদ থেকে খানেকটা মুক্তি দিয়েছে। বাংলাদেশের বোলাররা এখন পাকিস্তানের এই ব্যাটিং দুর্বলতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

    বাংলাদেশের বোলিং দুর্দান্ত প্রশংসা পেয়েছে। গতকালও ভারতের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে তারা গড়ে ১২ গড়ে ৭২ রান দিয়ে, ১০.১ ওভারে দলীয় ১শ পূর্ণ করে ফেলেছে। তাতে সূর্যকুমার যাদবের দল ১৬৮ রানের লক্ষ্য পৌঁছায়। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান সাইফ হাসানের ছাড়া অন্য কেউ ধারাবাহিকভাবে কিছু করতে পারেননি, যা আশার সঙ্গে কিছু হতাশার ছোঁয়া দেয়। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস কিছুটা বেড়েছে। তাদের মাটিতে জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতি এখনও জ্বলজ্বল করছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক জয় লাভের মধ্য দিয়ে এই দলটি এশিয়া কাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মোট টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে, যেখানে পাকিস্তান ২০ জয়, বাংলাদেশের জয় মাত্র ৫টি।

    ভারতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়ে গত ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া জাকের আলি অনিক বলেন, ‘আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে আসছি। কালকের (পাকিস্তান) ম্যাচেও সেই সাহস নিয়ে খেলব। ফাইনালে উঠা ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলছি। বোলিং ও ব্যাটিং দুই বিভাগেই আমরা ভালো করেছি। অবশ্যই আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাটিংয়ে ভালো করে ম্যাচটি জেতা। আশা ছাড়ার কিছু নেই।’

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি মনে করছেন, বাংলাদেশকে হারানোর জন্য পাকিস্তানকে নিজেদের সেরাটা দিয়েই খেলতে হবে। বাঁ-হাতি এই পেসার বলেন, ‘বাংলাদেশ ভালো দল। বেশ কিছুদিন ধরে তারা ভালো খেলছে। শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেললে প্রথম ধাক্কাটা আপনাকেই দিতে হবে। আমাদের যত বিভাগ, ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং-তিনই ভালো খেলতে হবে, যাতে আমাদের জেতার সুযোগ তৈরি হয়।’

  • আইসিসির কাছে অভিযোগ করেছে ভারতের against পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

    আইসিসির কাছে অভিযোগ করেছে ভারতের against পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

    এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মাঠের আচরণকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানের ক্রিকেটার হারিস রউফ এবং শাহেবজাদা ফারহানের বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। জানা গেছে, এই অভিযোগটি বুধবার ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসির কাছে পৌঁছে গেছে। যদিও রউফ ও ফারহান লিখিতভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, ফলে বিষয়টি এখন শিগগিরই শুনানির মুখোমুখি হতে পারে। এই শুনানি পরিচালনা করবেন ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসন, পরিচালক হিসেবে থাকবেন অ্যান্ডি পাইক্রফট।

    অভিযোগের মূল বিষয়বস্তু হলো—ফারহানের অর্ধশতক পূরণের আগে করা উদযাপন এবং লাইন ধরে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের উদ্দেশে রউফের অঙ্গভঙ্গি, যা ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

    এদিকে, আরও একটি অপ্রত্যয়িত সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) নাকি পাল্টা অভিযোগ করে রেখেছে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের বিরুদ্ধে। ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর, সূর্যকুমার সেই জয়টি পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারকে উৎসর্গ করেছিলেন। পিসিবি এটিকে ‘রাজনৈতিক মন্তব্য’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ তুলেছে বলে জানা গেছে।

    অপরদিকে, সেই ম্যাচের পরের উপস্থাপনা অনুষ্ঠান নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছিল। ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে হ্যান্ডশেক না করাকে কেন্দ্র করে ‘হ্যান্ডশেকগেট’ নামক এক বিতর্ক চলে।

    সোমবারের ম্যাচটিও ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। পাকিস্তানের দুই পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফের সঙ্গে ভারতের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুবমান গিলের মধ্যে বাকবিনিময় ও তর্ক চলে, যা ম্যাচের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

  • বিসিবি নির্বাচনে ক্রিকেটারদের এমন পরিস্থিতি

    বিসিবি নির্বাচনে ক্রিকেটারদের এমন পরিস্থিতি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চলছে একাধিক বিতর্ক ও নাটকীয়তা। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তামিমের প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

    সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ অভিযোগ তুলেছেন, তামিম এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর না নিলে তিনি বিসিবির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সিলর হতে পারবেন না। তিনি আরও জানান, তামিম ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের সদস্য নন এবং ক্লাবের পক্ষ থেকে কাউন্সিলর করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি।

    অথচ, বাস্তবতা হলো, গত ১০ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামিম ইকবাল জানিয়েছেন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার এই ঘোষণাটি দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়। তিনি আরো জানান, যদি তিনি বিসিবিতে দায়িত্ব নেন, তবে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও সরে যাবেন। বর্তমানে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে একযোগে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান সবাই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, বিসিবি নির্বাচনের এই ধরনের অপ্রশান্তি ও বিভ্রান্তির অবসান দরকার। তারা আরো বলছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ—অতএব, নির্বাচনে যেন প্রতিযোগিতা হয় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ।

    এসব ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, বিসিবি নির্বাচন শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত নির্ধারণে এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই নির্বাচনের ফলাফল নিশ্চয়ই দেশের ক্রিকেটের জন্য দিক নির্দেশক হতে যাচ্ছে।

  • পাকিস্তানের কাছে হারিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ থেকে বিদায়

    পাকিস্তানের কাছে হারিয়ে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ থেকে বিদায়

    বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা প্রাণপণে চেষ্টা করেছেন নিজেদের সেরা সুবিধা দেওয়ার জন্য, কিন্তু লক্ষ্য ছিল মাত্র ১৩৪ রান। এই সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের চেষ্টা করেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। উইকেটে এসে তারা প্রতিপক্ষের মনোবল ভাঙার জন্য ঝুঁকি নিয়ে শট খেলতে থাকেন, কিন্তু মাঝে মাঝে ভুলের কারণে উইকেট হারিয়েছেন। এমন ব্যাটিং দেখেই ধারাভাষ্যকক্ষে বসে কমেন্টেটর সুনীল গাভাস্কার মন্তব্য করেছিলেন, “বাংলাদেশের ব্যাটাররা এখানে সবাই হিরো হওয়ার চেষ্টা করেছেন।” টপ অর্ডার থেকে মিডল অর্ডার পর্যন্ত সবাই একই রকম ভুল করে সাজঘরে ফিরেছেন, যার ফলে বাংলাদেশের চোট লেগেছে অধিক। ২৫ বলে ৩০ রান করে দলের জন্য কিছুটা সান্তনা বেঁচে থাকা শামীম হোসেন পাটোয়ারি চার্ট তার ইনিংসের মাধ্যমে। বাঁহাতি এই ব্যাটারটির সামান্য ইনিংসটি অবশ্য বাংলাদেশের হারের ব্যবধান কমিয়েছে। অবশেষে পাকিস্তানের কাছে ১১ রানে হার মানে বাংলাদেশের দল, যা তাদের এশিয়া কাপ থেকে বিদায়ের কারণ হয়েছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান এই জয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে। এশিয়া কাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ-পাকিস্তান মুখোমুখি হচ্ছে ফাইনালে, যেখানে ভারতের সঙ্গে ষোলকান্না করবেন পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে এই ম্যাচের জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য ছিল ১৩৬ রান। শুরুতেই বাংলাদেশ আরম্ভ ভালো করে না, প্রথম ওভারে পারভেজ হোসেন ইমন উইকেট হারান, যখন তিনি শাফিন আফ্রিদির শর্ট লেংথ ডেলিভারিতে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগে নাওয়াজকে ক্যাচ দেন। তিনি প্রথম দুটি বলেই কোনো রান করতে পারেননি। চাপ কমাতে সাইফ উজ্জীবিত করেন হারিস রউফের ওভার থেকে ছক্কা আর চার মারার মাধ্যমে। তবে পঞ্চম ওভারে তৌহিদ হৃদয় যদি একদম ঠিকঠাক করেন, তাহলে তিনি ফিরতে পারতেন, কারণ তিনি পয়েন্টে বল ঠেলে দিয়ে রান নিতে চেয়েছিলেন, কিন্তু বলফিল্ডারের হাতে চলে যায়। উল্টো, সাইফ দৌড়ে এসেছেন এবং হৃদয় দৌড় না দেয়ায় সাইফ নন স্ট্রাইক রান আউট হতে পারতেন। দুর্ভাগ্যবশত, পাকিস্তানের ফিল্ডারদের অদক্ষতায় তিনি জীবিত থাকেন। তবে পরের বলেই হৃদয় আউট হন। সাহস দেখানোর চেষ্টা করে সাইম আইয়ুবের ক্যাচ দিয়ে সাইফের আউট হয়েছেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে সাইফ আশা অনুযায়ী রান করতে পারেননি। হারিস রউফের বল মোকাবেলা করতে গিয়ে তিনি লিডিং এজ নিয়ে ক্যাচ দেন ১৮ রানে। এই ব্যর্থতার কারণে বাংলাদেশ পাওয়ার প্লে-তে তিন উইকেট হারিয়েছে, স্কোর দাঁড়ায় ৩৬ রান। ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন করা হলেও দলের প্রভাব পড়েনি। নাওয়াজের ডেলিভারিতে ব্যাট করে ভিন্নধর্মী কিছু করতে চাওয়া হুসাইন তালাতের হাতে ক্যাচ দেয়। তিনি ১০ বলে ১১ রানে আউট হন। এরপর সোহান ও শামীম জোট বেঁধে একটু পরিস্থিতি ঘুরিয়ে আনতে চান, কিন্তু তারা সফল হননি। সোহান ২১ বলে ১৬ রান করে আউট হন, আর শামীমও শেষ মুহূর্তে ফিরেছেন। বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ১২৪ রানে অলআউট হয়ে গেছে। পাকিস্তানের হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন শাহীন আফ্রিদি ও হারিস রউফ। এই জয়ে পাকিস্তান এশিয়া কাপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ভারতের সঙ্গে হবে।

  • পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    পাকিস্তানকে হারিয়ে স্বপ্নের ফাইনালে বাংলাদেশ

    আজ একই দিনে বাংলাদেশের জন্য দুটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রাতের এশিয়া কাপ ক্রিকেটের ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে পাকিস্তান, যা অলিখিত সেমিফাইনাল বলে মনে হচ্ছে। এই ম্যাচের জয়ী দলই ফাইনালে পৌঁছাবে। এর আগে, ক্রিকেটের বাইরে এক অন্য স্বরণীয় স্থানে, শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত সাফ অ-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে।

    এই ম্যাচের শুরুতেই বাংলাদেশের জন্য শুভ সূচনা হয়। প্রথম চার মিনিটে দুই গোল করে তারা বড় অঙ্কের লিড তৈরি করে। তৃতীয় মিনিটে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড কেড়ে নেন অপন্যই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গোল। পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের কিছু অসচেতনের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফরোয়ার্ড নাজমুল হুদা ফয়সাল বল জালের গভীরে পাঠান।

    প্রথম গোলের জন্য পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও ডিফেন্সের কিছু ভুল ছিল। তারপর, এক মিনিট পরই বাংলাদেশের অপু দুর্দান্ত একটি গোল করেন, ডান প্রান্ত থেকে পাকিস্তানের ডিফেন্সের পিছনে ফাঁকা সুযোগ নিয়ে তিনি জোরালো শটে বল জালজাত করেন।

    ম্যাচের বাকী সময়ে উভয় দলই আক্রমণ চালিয়েছে, তবে আর কোনো গোল না হওয়ায় স্কোরলাইন অপরিবর্তিত থাকে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে গোলের সুযোগ বাড়ানো গেল না, আবার পাকিস্তানও তাদের আক্রমণ থেকে তোড়জোড় করতে পারেনি। যদিও গ্রুপ পর্বে পাকিস্তান দাপটের সঙ্গে খেলেছিল। প্রথম দুটি ম্যাচ জিতে তাদের সেমিফাইনাল নিশ্চিত হয়েছিল। শেষ ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে ৩-২ গোলে হেরেও তারা গ্রুপে রানার্স আপ হয়ে যায়। আজ পাকিস্তানের বিপক্ষে তারা গোল করতে পারেনি।

    আবার আজকের রাতে একই ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে অন্য একটি সেমিফাইনাল। নেপাল ও ভারত মুখোমুখি হবে, যার বিজয়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ফাইনালে বাংলাদেশের মুখোমুখি হবে। এই ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য ব্যাপক উত্তেজনাপূর্ণ এবং অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

  • লাদাখে বিক্ষোভে সহিংসতা, কারফিউ জারি

    লাদাখে বিক্ষোভে সহিংসতা, কারফিউ জারি

    ভারতীয় হিমালয় অঞ্চলের লাদাখে রাজ্যের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য চলমান বিক্ষোভ ও আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিয়ে উঠেছে। এর ফলশ্রুতিতে লেহ জেলায় কারফিউ জারি করা হয়েছে। বুধবারের এই সহিংসতায় কমপক্ষে চারজন নিহত এবং বহু জন আহত হন। খবর বিবিসির। পরে, বিক্ষোভকারীরা বিজেপির স্থানীয় কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার পাশাপাশি পুলিশের একটি গাড়ি পুড়িয়ে দেয় বলে জানা গেছে।

    ভারতীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই ঘটনায় আন্দোলনের অগ্রणी পরিবেশ কর্মী সোনম ওয়াংচুককে দায়ী করেছে। মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, তিনি আরব বসন্তের আন্দোলন ও নেপালের জেন-জি বিক্ষোভের অনুকরণে মানুষকে উসkýে দিচ্ছেন। তবে, ওয়াংচুক এই অভিযোগ অস্বীকার করে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি জানান, এর আগে ৬ অক্টোবর দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাইপাওয়ার্ড কমিটির সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন, কারণ তিনি মনে করেন, ফলপ্রসূ আলোচনা ছাড়া এ আন্দোলন অর্থহীন।

    এমন সময়ে এই আন্দোলন ও বিক্ষোভ শুরু হলো, যখন আগামী মাসে লাদাখের অটোনমাস হিল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিলের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ২০২০ সালের নির্বাচনে বিজেপি জয় লাভ করেছিল।

    ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার লাদাখকে জম্মু ও কাশ্মীর থেকে আলাদা করে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ঘোষণা করে। এর পর থেকেই, বৌদ্ধ অধ্যুষিত লেহ ও মুসলিম অধ্যুষিত কারগিল-উভয়ই সমপ্রদায়ের মানুষ রাজ্যের মর্যাদা ও অধিক স্বায়ত্তশাসনের জন্য উদ্যোগী হয়ে আসছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মর্যাদা হারানোর কারণে তাদের জমি, সংস্কৃতি ও সম্পদে নিয়ন্ত্রণ কমে গেছে এবং বাইরের অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    লাদাখের লেফটেন্যান্ট গভর্নর কুবিন্দর গুপ্তা জানিয়েছেন, সহিংসতার ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। তাঁরা বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নতুন করে বৈঠক করবেন। এছাড়া, কেন্দ্রীয় সরকারের একটি বিশেষ কমিটি আগামী ৬ অক্টোবর লাদাখের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।