Author: bangladiganta

  • নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রয়েছে বিএনপির : মির্জা ফখরুল

    নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা রয়েছে বিএনপির : মির্জা ফখরুল

    নির্বাচন কমিশনের ওপর সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস, নির্বাচন কমিশন তাদের যোগ্যতা এবং স্বচ্ছতার ভিত্তিতে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করবে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এই কথা বলেন তিনি।

    মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমাদের দেশকে একটি উদার ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে রূপান্তর করতে। ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হওয়ার পর আমরা নতুন করে শপথ নিয়েছি—বৈশ্বিক গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমেই দূর করতে হবে দুর্নীতি, ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি পুনঃস্থাপন করতে হবে, এবং শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শকে অনুসরণ করে অঙ্গীকার অনুসারে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে হবে।

    নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনের বৈধতা তৈরিতে কোনো সমস্যা থাকলেও তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে কাজ করছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বিএনপির এই নেতারা বিশ্বাস করেন, সামনের নির্বাচনে এই কমিশন তরুণ নেতৃত্বের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সত্যিকারের পুণরুত্থান ঘটাবে।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে জিয়াউর রহমানের নাম চিরকাল স্মরণীয় থাকবে। তিনি দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, সংবাদপত্র ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং অর্থনীতিকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে সমৃদ্ধশালী করে তুলেছিলেন। এজন্যই আমরা প্রতি বছর তার জন্মদিন স্মরণ করি এবং তার দেখানো পথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করি।

    ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারি ১২ তারিখে নির্বাচনের ঘোষণা আসে এবং একদিকে ফ্যাসিস্ট হাসিনা পালিয়ে যায়। আবারও নতুন করে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতিকে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাতে, গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে প্রতিষ্ঠা করতে আমরা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। এভাবেই ভবিষ্যত বাংলাদেশ হবে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শের আলোকন্ত্রে আলোকিত।

    উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, মীর্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খানসহ ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা।

  • মানব কল্যাণে রাজনীতি করি: মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

    মানব কল্যাণে রাজনীতি করি: মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। আমি আপনাদেরই সন্তান, এবং আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে একটি দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, এক সময় তিনি ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। সেই বাড়িটি সেভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ঘটনা এখনো মনে পড়ে তার। এই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেন এবং কড়াইলবাসীর জন্য কাজ করতে চান।

    কড়াইলবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের সন্তান, খালেদা জিয়ার সন্তান, তবে এই পরিচয়ের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমি আপনার সন্তান। আমি বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। সবাই যেন আল্লাহর কাছে হাত তুলে দেশের কল্যাণ কামনা করে, সেই আহ্বান জানান তিনি। এ সময় কড়াইলবাসীর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তারেক রহমান বলেন, খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় মা-বোনদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একইভাবে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসী অনেকভাবে উপকৃত হয়েছে।

    দোয়া মাহফิลটির আয়োজন করেন ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতির আগে পুরো মাঠ দর্শক লোকারণ্য হয়ে ওঠে, যার ফলে তারেক রহমানের আসন ঘিরে আড়মোড়া ভরে। তিনি জানান, তিনি পক্ষে ১৭ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কড়াইল বস্তি ও মহাখালী এলাকাও।

    তারেক রহমান বলেন, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করে ও নিরাপদে চলাফেরা নিশ্চিত করতে বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরিকল্পনা আছে। এছাড়াও, কৃষকদের জন্যও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যদি জনগণ আমাদের সুযোগ দেন।

    বস্তিবাসীর সন্তানদের ভবিষ্যৎ জন্য তিনি বলেন, আমরা চাই কড়াইলের সন্তানরা বিদেশি ভাষা শিখুক এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে। এজন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, সবাই যাতে থাকার সুযোগ পায়, সেজন্য ছোট ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই এলাকায় একটি ক্লিনিক স্থাপনেরও প্রতিশ্রুতি দেন।

    তারেক রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ‘২৪-এর আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এবং বলে থাকেন, করাইলবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে, যদি আল্লাহ রহম করেন এবং আপনাদের দোয়া থাকলে, আমরাই এই সকল পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবো।

  • যুক্তরাষ্ট্রে আরও ৩৬ বাংলাদেশিকে শূন্য হাতে ফেরত পাঠাল আও

    যুক্তরাষ্ট্রে আরও ৩৬ বাংলাদেশিকে শূন্য হাতে ফেরত পাঠাল আও

    অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান চালানোর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৬ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুপুর ১২টায় একটি বিশেষ সামরিক ফ্লাইটে আসা এই ব্যক্তিরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন।

    প্রবাসে উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে তারা দেশের জমি বিক্রি, গহনা বিক্রির পাশাপাশি অনেকেই ঋণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। তবে স্বপ্নের বিপরীতে তারা শূন্য হাতে ফিরে আসছেন, প্রত্যাবাসিত হয়ে তারা দীর্ঘ সময়ের আইনি লড়াই শেষে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

    ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, ফেরত আসা প্রবাসীদের জন্য বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাদের পরিবহন ও জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়।

    ফেরত আসা ৩৬ জনের মধ্যে বেশিরভাগই নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, বরগুনা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। এ ধরনের ফেরত আনা বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ২৯৩ জনে।

    প্রবাসীরা বলছেন, প্রথমে তারা বৈধভাবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) সার্টিফিকেট নিয়ে ব্রাজিলে যান, কিন্তু পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আশ্রয়ের জন্য অনুরোধ করলেও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তাদের আবেদন খারিজ হয়ে গেছে, আর তাই মার্কিন প্রশাসন ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    নোয়াখালীর জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অর্ধেকের বেশি অর্থ ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য দালালদের কাছ থেকে খরচ করেছি—প্রায় ৮০ লাখ টাকা।’ আবার গাজীপুরের সুলতানা আক্তার জানান, ব্রাজিল হয়ে মেক্সিকো পার করে দেওয়ার জন্য তিনি ৩০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, যা সবটাই বৃথা।

    তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে, অনেকেরই খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৮০ লাখ টাকার মতো। তবে শেষ পর্যন্ত তারা দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন ব্যর্থতার বোঝা মাথায় নিয়ে।

    শরিফুল হাসান বলেন, ‘প্রথমে কেউ কেউ ব্রাজিলে বৈধভাবে কাজের অনুমতি নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু পরে বোঝা যায় তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ট্রানজিট হিসেবে এটি ব্যবহার করছেন। আমাদের উচিত এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা, কারণ এই সব কর্মীদের পাঠানো এবং এজেন্সিগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’

    তিনি আরো জানান, ২০২৫ সালের মধ্যে মোট ১৩২০ বাংলাদেশি ব্রাজিলে গিয়েছেন, যার মধ্যে নোয়াখালীর সংখ্যা ৯৫১ জন। ধারণা করা হচ্ছে, অনেকে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। সরকারের উচিত আগে সতর্কতা অবলম্বন করা।

    এছাড়াও, উল্লেখ্য যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও কঠোর হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা একের পর এক ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালত বা প্রশাসনিক নির্দেশে নিজ দেশেও ফেরত পাঠানো যায়। এই প্রক্রিয়া এখন অনেক দ্রুততর হয়েছে, যার মধ্যে চার্টার্ড ও সামরিক ফ্লাইটের ব্যবহারে বৃদ্ধি হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে হাত-পা শেকল পরিয়ে ফেরত পাঠানোর অভিযোগও উঠেছে।

  • বিএনপির অভিযোগে জামায়াত, এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

    বিএনপির অভিযোগে জামায়াত, এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

    বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে তিনি বিশেষ করে বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে সতর্কতা জাহির করেছেন। বিএনপি এর আগে নির্বাচনি সময়ের আগে কোনো প্রচারণা চালালে তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়ার পর, এবার আরও চারটি দলের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে কমিশন। এই চার দল হলো জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খিলাফত মজলিস।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চার দলের প্রধানদের কাছে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনের নির্ধারিত সময়ের আগে প্রচারণা চালানো আইন বিরুদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এর অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    অতিরিক্ত বলা হয়, বিএনপি অভিযোগ করেছে যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে তারা বলেছে, ২১ জানুয়ারির আগে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এই চারটি দল বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, যা নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কর্মকর্তারা সতর্কবার্তা জারি করেছেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ের আগে বা নির্ধারিত সময়ে প্রার্থীরা কোনো ধরনের প্রচারণা, পোস্টার, ব্যানার বা জনসংযোগের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন না। এর ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন বিভিন্ন দল বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে, যা নির্বাচন কৌশল ও সমান সুযোগের নীতির জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করছেন ইসি।

    বিএনপি অভিযোগ করেছে যে, কিছু রাজনীতি দল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অমান্য করে আগাম প্রচারণা চালাচ্ছে, যা নির্বাচনী পরিবেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। তারা বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে হুমকি দেয়।

    নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মকর্তার মতে, তারা চাইছে যেন নির্বাচনোত্তর ভোটের লড়াইটি সুবিচার ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। তাই তারা কঠোর পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত, যাতে কোনো দল বা গোষ্ঠী নির্ধারিত সময়ের বাইরে প্রচারণা চালাতে না পারে।

    অতিরিক্তভাবে, বলা হয়, যদি কোনো দল নিয়ম ভাঙে, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের এই কঠোর মনোভাব ও সতর্কতা অব্যাহত থাকলে আগামী নির্বাচন ছিল আরও সুজন ও নিরপেক্ষ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

  • সরকার ওসমান হাদির পরিবারের জন্য কোটি টাকার ফ্ল্যাট বরাদ্দ

    সরকার ওসমান হাদির পরিবারের জন্য কোটি টাকার ফ্ল্যাট বরাদ্দ

    জনপ্রিয় বক্তা ও জুনাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর একজন নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বাধীন সরকার একটি সম্পন্ন এবং আধুনিক ফ্ল্যাট উপহার দিচ্ছে। এই সুবিধার জন্য রাজধানীর লালমাটিয়ার এলাকায় একটি সুসজ্জিত ফ্ল্যাট প্রদান করা হবে, যা তার পরিবারের জন্য এক বিশাল সাহায্য এবং সম্মান।

    বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এই ফ্ল্যাটের ক্রয় ও সেটি সম্পর্কিত অন্যান্য খরচের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে এক কোটি টাকার বিশেষ অনুদান প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই বরাদ্দের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে, ফ্ল্যাট হস্তান্তরের জন্য ওসমান হাদির স্ত্রীর ও সন্তানের পরিচয় নিশ্চিত করার শর্ত রাখা হয়েছে।

    শরীফ ওসমান বিন হাদি ছিলো জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ বন্ধের আন্দোলনের একজন সক্রিয় নেতা। আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের আন্দোলনে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে জনমনে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

    তার জীবনে ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগকারীর মত এক মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    শহীদের মৃত্যুতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক প্রকাশ করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন যে, শহীদ হাদির স্ত্রীর দায়িত্ব রাষ্ট্র গ্রহণ করবে এবং তার একমাত্র সন্তানের জন্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্তের জন্য সিআইডিকে আরও ৫ দিন সময় দিল আদালত

    হাদি হত্যা মামলায় পুনঃতদন্তের জন্য সিআইডিকে আরও ৫ দিন সময় দিল আদালত

    ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আরও বিস্তারিত তদন্তের জন্য পুলিশ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) আদালত পাঁচ দিনের সময় দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন নির্ধারিত ছিল, কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা প্রতিবেদনের জন্য সময় চেয়ে আবেদন করলে আদালত তা গ্রহণ করে। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম আরও পাঁচ দিন সময় মঞ্জুর করে করে আগামী ২৫ জানুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

    এদিকে, এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি, মামলার বাদী ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের একই আদালতে ডিবির দেওয়া অভিযোগপত্রে অসন্তোষ প্রকাশ করে নারাজি আবেদন করেন। সংশ্লিষ্ট আদালত তার সেই আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটির পুনরায় তদন্তের আদেশ দেয়।

    উল্লেখ্য, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ১২ ডিসেম্বর মতিঝিলের জুমার নামাজ শেষে নির্বাচনী গণসংযোগ চলাকালে ঘটেছিল। ওই দিন হাদি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যাওয়ার পথে তার অটোরিকশা পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট এলাকার কাছে পৌঁছালে, মোটরসাইকেলে থাকা দুষ্কৃতিকারীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ফেলে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে, উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়, যেখানে চিকিৎসাধীন থাকাকালে ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

    অপরদিকে, ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের হাদির মৃত্যুর পর এই ঘটনায় নিহতের ভাইর অভিযোগে হত্যা মামলাটি রূপ নেয়। এই মামলার তদন্তে জানা যায়, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পিসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগে বলা হয়, মূল অভিযুক্ত মাসুদ ওরফে রাহুল, তার বাবা, মা, স্ত্রী, শালি, বন্ধুবান্ধবসহ অন্যরা এই হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত। অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, রাজনৈতিক বিরোধ এবং ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা থেকে এই হত্যাকা-ের পরিকল্পনা করা হয়।

    তদন্ত কর্মকর্তা ফয়সাল আহমেদ বলেছেন, আসামিদের রাজনৈতিক পরিচয় ও তাদের দেওয়া বক্তৃতার বিশ্লেষণে বোঝা যায়, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই হাদিকে হত্যা করা হয়। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী পরিস্থিতি ও ভোটারদের ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে এর পৃষ্ঠপোষকতা ও পরিকল্পনা করা হয় বলে অভিযোগ ছিল।

  • খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিকের ধর্মঘটের ঘোষণা

    খুলনা বিভাগীয় ট্যাংকলরী মালিক-শ্রমিকের ধর্মঘটের ঘোষণা

    খুলনা বিভাগীয়ের ট্যাংকলরী মালিক ও শ্রমিকরা চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ না পাওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় রবিবার দুপুরে কাশিপুর মোড়ে ট্যাংকলরী ওনার্স ভবনে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায়। সভায় নেতৃবৃন্দ বলেছিলেন, বিএসটিআইয়ের আদেশ অনুযায়ী প্রতিটি ট্যাংকলরীতে ৫০০ থেকে ৯ হাজার লিটার জ্বালানি তেল প্রয়োজন হলেও, ডিপো থেকে ডিলার ও এজেন্টদের চাহিদামতো তেল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এর ফলে অনেক খুচরা বিক্রেতারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, বিএসটিআইয়ের নিয়ম অনুযায়ী ৫০০ থেকে ৯০০০ লিটার তেল সরবরাহের বিষয়টি সরকারকে মানতে হবে। তারা জানিয়েছেন, এই দাবিগুলো মানা না হলে তারা আগামী ২০ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তেল ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেবে। এরপর অনির্দিষ্টকাল ধরে এই ধর্মঘট চলবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগের ট্যাংকলরী ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি এম মাহবুব আলম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি তেল পরিবেশক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোড়ল আব্দুস সোবহান, সাধারণ সম্পাদক সুলতান মাহমুদ পিন্টু, শ্রমিক সংগঠনের নেতারা মীর মোকসেদ আলী, এনাম মুন্সি, আলী আজিম, গাজী মামুনুর রশিদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • সকলের ঐক্যই আমাদের রুখতে পারে কোনও ষড়যন্ত্র: মনজু

    সকলের ঐক্যই আমাদের রুখতে পারে কোনও ষড়যন্ত্র: মনজু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মনজু বলেছেন, দেশব্যাপী জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে অংশ নিয়েছে। ৫ আগস্টের ‘ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে’ সফলতা পাওয়া এবং দেশকে নতুনভাবে স্বাধীনতা উপহার দেওয়া হলেও, দেশের মুক্তির স্বপ্নের শান্তি এখনও সম্পূর্ণ হয়েছে বলে মনে করতে পারছে না কেউ। কারণ, দেশের শত্রুরা দমে যায়নি; দেশি-বিদেশি নানা চক্রান্ত এখনও চলছে। তিনি রবিবার দুপুর ১২টায় খুলনা শহরের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বাজার ধানচাল বণিক সমিতির আয়োজনে, মরহুমা নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আলোচনা সভা ও রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলে এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমিতির সভাপতি মনির আহমেদ এবং বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোহায়েমেন কালু, বিদ্যুৎ দাস, গোপাল চন্দ্র সাহা, সৈকত আহমেদ রাজু, গোলাম মোর্শেদ, তাজুল ইসলাম পাটোয়ারি, রূপকুমার ভৌমিক ও প্রসিত কুমার সাহা।

    আঁশর বাদ ২৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে, মরহুমা খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিলে, বিএনপির নেতা ইশহাক তালুকদারের সভাপতিত্বে ও এড. মশিউর রহমান নান্নুর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মনজু বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা মৃত্যুর মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ আমাদের মধ্যে নেই, তবে তিনি মানুষের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে, সকল দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সবাই মিলে কাজ করলে কোনও ষড়যন্ত্রই আমাদের দমাতে পারবে না। তিনি দেশের গণতন্ত্রের ধারকজন, নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবাই দোয়া প্রার্থনা করেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহীন, সৈয়দা নার্গিস আলী, এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, রেহেনা ঈশা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মেহেদী হাসান দিপু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, শের আলম সান্টু, একরামুল হক হেলাল, আনোয়ার হোসেন,নিজাম উর রহমান লালু, এড. গোলাম মওলা, মুজিবর রহমান, শফিকুল ইসলাম শফি, শরিফুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান আসাদ, বেগ তানভিরুল আলম, কামরান হাসান, মহিউদ্দিন টারজান, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, ওহেদুর রহমান দিপু, মঞ্জরুল আলম, জিএম রফিকুল হাসান, মনিরুল ইসলাম মাসুম, মাজেদা খাতুন, মুন্সি ওহেদুজ্জামান খসরু, কামাল উদ্দিন, শামীম আশরাফ, শামীম খান, সাইফুল মল্লিক, এড. রফিকুল ইসলাম, শরিফুর ইসলাম সাগর, ইব্রাহিম হাওলাদার, জাকির হোসেন, হাফিজুর রহমান খান তুষার, মিজানুর রহমান মিজান, শেখ শাহিন, কাজী আবুল কালাম আজাদ, রাসেল ফরাজী, সুলতান মাহমুদ সুমন, ফারুক হোসেন, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, রোকেয়া ফারুক, হাবিবুর রহমান খান, কামরুল ইসলাম, মাসুম সিদ্দিক, তারেক হাবিবুল্লাহ, হাসান হাওলাদার, সেলিম বড় মিয়া, আরিফুর রহমান, ইলিয়াস হোসেন, আরিফুল ইসলাম, আশিকুর রহমান সেলিম, জামাল, রিপন, মামুনুর রহমান রাসেল, মুরাদ হোসেন প্রমুখ।

  • প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নতুন ‘হেলথ কার্ড’ চালু হবে

    প্রত্যেক নাগরিকের জন্য নতুন ‘হেলথ কার্ড’ চালু হবে

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানেরশীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, সাধারণ মানুষের সহজে ও দ্রুত উন্নত চিকিৎসা সেবা পেতে আমাদের আগামী পরিকল্পনায় থাকছে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ। এই হাসপাতালে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের চিকিৎসা সমস্যার সমাধান হবে এবং অত্র অঞ্চলের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাপকভাবে উন্নত হবে। এর পাশাপাশি প্রতি নাগরিকের জন্য চালু করা হবে একটি বিশেষ ‘হেলথ কার্ড’, যার মাধ্যমে মানুষ সহজে মানসম্মত চিকিৎসা সুবিধা লাভ করতে পারবেন। এই হেলথ কার্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ কম খরচে উন্নত চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।

    গতকাল রবিবার বাদ জোহর, ১৪নং ওয়ার্ডের মুজগুন্নি আবাসিক এলাকার বকুলতলা ১নং সড়কে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এবং দেশ ও জনগণের কল্যাণে মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন্স হাই স্কুল ইউনিট বিএনপি’য় আয়োজিত এক নাগরিক শোকসভা ও দোয়া মহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনিট বিএনপি’র সাবেক পুলিশ পরিদর্শক আব্দুল মোতালেব। উপস্থিত ছিলেন প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল।

    উপস্থিত ছিলেন কেডিএ’র সাবেক সচিব বাশারুল কবির, ডা: হারুনর রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার পরিমল কুমার দাস, প্রফেসর শেখ ফজলুর রহমান, খ্রিস্টান প্রতিনিধি জোহান মন্ডল, ব্যাংকার খালিদ বাবু, স্থানীয় মন্দির কমিটির সহ-সভাপতি শুভাষ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় নন্দী, নগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খুলনা মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন, সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রুবেল, খালিশপুর থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক শাহনাজ সরোয়ার প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে, বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মোফতী আবু সাঈদ। এই দোয়া মাহফিলে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক উপস্থিতি ছিলেন।

  • খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    খুলনায় আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়ের

    কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ইসলামী বক্তা আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানি মামলা দায়েরের আবেদন গ্রহণ করেছে খুলনা আদালত। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) এই মামলা দায়েরের জন্য খুলনা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালত উপযুক্ত বলে বিবেচনা করেন। মামলাটি করেন কোকো স্মৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম বাপ্পি।

    আদালত সংশ্লিষ্ট বিচারক আসাদুজ্জামান খান এ বিষয়ে বলেন, তারা এই আবেদন গ্রহণ করেছেন এবং তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন সোনাডাঙ্গা মডেল থানার ওসিকে। পরবর্তী শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ২৪ মে।

    বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার নিশ্চিত করেছেন যে, মামলার এজাহারে বলা হয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে প্রচারিত একটি ওয়াজ মাহফিলে মুহত্য আমির হামজা আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কটূক্তিমূলক বক্তব্য প্রদান করা হয়। এর ফলে কোকোর পরিবার, বিএনপির নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের মানহানি হয়েছে এবং তাদের মানসিক ও সামাজিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।