সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন নায়িকা পপি’র বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে প্রসphaltিত সংগীতশিল্পী জেনস সুমন আর নেই শাকিবের ‘পাইলট’ লুকের ছবি ভাইরাল নেটমাধ্যমে শুটিং শেষে সালমান খানের নতুন চেহারা দেখে চমকে গেলেন ভক্তরা অভিনব পোশাকে জয়া আহসানের বিস্ময়কর চেহারা ঋতুপর্ণা চাকমা পাচ্ছেন বেগম রোকেয়া পদক পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের জন্য বিপিএলে অনুমতি দিল পিসিবি ক্রিকেটার তোফায়েলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা: আদালতে চার্জশিট দাখিল অনূর্ধ্ব-১৫ বালক ফুটবল প্রতিযোগিতা ও বাছাইয়ের উদ্বোধন ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৮ ধাপ পিছালো বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল
যশোরে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.২০ শতাংশ

যশোরে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫০.২০ শতাংশ

এ বছর যশোর শিক্ষাবোর্ডে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার হয়েছে ৫০.২০ শতাংশ। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সকাল ১০টায় এক সংবাদ সম্মেলনে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ আসমা বেগম এই তথ্য জানিয়েছেন। এই সংগঠন জানিয়েছে, মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ১২ হাজার ৫৭৪ জন, এর মধ্যে পাস করেছে ৫৬ হাজার ৫০৯ জন শিক্ষার্থী। এ বছরের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল বিভিন্ন বিভাগে: বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাসের হার ছিল আশার মতো, ১৫ হাজার ৯৩১ শিক্ষার্থী পাস করেছেন। মানবিক বিভাগে পাসের সংখ্যা ৩৪ হাজার ৩ জন, আর ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় পাসের সংখ্যা ৬ হাজার ৬৭৫। জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ৫ হাজার ৯৯৫ জন শিক্ষার্থী, এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ৩ হাজার ৩৮১, মানবিক বিভাগের ২ হাজার ১৭৯ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৪৩৫ জন। তবে গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা কমেছে। গত বছর গড় পাসের হার ছিল ৬৪.২৮ শতাংশ ও জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৯ হাজার ৭৪৯ জন। এ বছর শূন্য পাসের কলেজের সংখ্যাও বেড়েছে, মোট ২০টি কলেজে কোনও শিক্ষার্থী পাশ করেনি। শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আব্দুল মতিন বলেন, জুলাই মাসের আন্দোলনের কারণে কিছু শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় ক্ষতিসাধন হয়েছে। পাশাপাশি, খাতার মূল্যায়ন আরও যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আতঙ্ক ও কঠোর প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে এসে পরীক্ষায় ফলাফলের মান উন্নত হয়েছে। শূন্য পাসের কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। যশোরের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আসমা বেগম জানান, ফলাফলের দিক থেকে কিছুটা আশানুরূপ না থাকলেও শিক্ষার মান উন্নত করতে আমি সচেষ্ট। আমাদের লক্ষ্য মেধাবী শিক্ষার্থীদের চিহ্নিত ও উত্সাহিত করা, যাতে তারা ভবিষ্যতে সমাজে মূল্যবান অবদান রাখতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd