২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের একটি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫টাকায়। এই নতুন দাম আজ সকাল ১০টাদ থেকে কার্যকর হয়েছে।
বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড)-এর মূল্য কমার প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম):
২২ ক্যারেট—২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা; ২১ ক্যারেট—২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা; ১৮ ক্যারেট—১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।
এর আগে গত ২৮ এপ্রিল সকালে বাজুস দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করেছিল। ওই সময়ও ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি দাম ছিল ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
চলতি বছর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩২ দফা এবং কমানো হয়েছে ২৬ দফা। গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, তাতে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকায়; ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৯১ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।
চলতি বছর রুপার দাম বাজারে মোট ৩৬ দফা সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ১৯ দফায় দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ১৭ দফায় দাম কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বাড়েনি এবং ৩ বার কমানো হয়েছিল।
