বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নতুন ব্যবস্থায় সব ব্যাংককে একইভাবে দেখা না হয়ে, ঝুঁকি বেশি থাকা ব্যাংকগুলোকে বেশি নজরদারির বিষয়টি নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে সম্ভাব্য আর্থিক দুর্বলতা, ঋণ ঝুঁকি ও খেলাপি ঋণের ত্রুটি দ্রুত চিহ্নিত করা সহজ হবে। পাশাপাশি, এ পদ্ধতি কার্যকর হলে ব্যাংকগুলোতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হওয়ার পাশাপাশি সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতে উন্নয়ন ও অস্থিরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
