ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বেসরকারিভাবে ঘোষণা করা ফলাফলে যশোরের ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে জামায়াত এবং একটিতে বিএনপি বিজয়ী হয়েছে। নিচে প্রতিটি আসনের ফলাফল সংক্ষেপে দেওয়া হলো।
যশোর-১ (শার্শা): মাওলানা আজীজুর রহমান (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ২৫৫ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯০৯ ভোট। জয় ব্যবধান ২৫ হাজার ৩৪৬ ভোট।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁর ভোট সংখ্যা এক লাখ ৭১ হাজার ৯৯১। বিএনপির সাবিরা সুলতানা (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ ৪৪ হাজার ৯৩১ ভোট। জয় ব্যবধান ২৭ হাজার ৬০ ভোট।
যশোর-৩ (সদর): এই আসনে বিএনপির অনিন্দ্য ইসলাম অমিত (ধানের শীষ) বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪৭ ভোট। জামায়াতের আব্দুল কাদের ওরফে ভিপি কাদের (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৫৯ ভোট ও ফনিশ করেছেন; জয় ব্যবধান ১৫ হাজার ১৮৮ ভোট।
যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর-সদরের বসুন্দিয়া ইউনিয়ন): জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রসুল (দাঁড়িপাল্লা) এই আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর প্রাপ্ত ভোট ১ লাখ ৭৭ হাজার ৫৩৩। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজী (ধানের শীষ) পেয়েছেন এক লাখ ২৭ হাজার ৩০৬ ভোট। জয় ব্যবধান ৫০ হাজার ২২৭ ভোট।
যশোর-৫ (মণিরামপুর): গাজী এনামুল হক (জামায়াত, দাঁড়িপাল্লা) ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) অ্যাডভোকেট শহীদ মো. ইকবাল হোসেন (কলস), যারা পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৫ ভোট; জয় ব্যবধান ৪৭ হাজার ৯৩১ ভোট। বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রার্থী রশীদ আহমাদ পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৮৭৫ ভোট।
যশোর-৬ (কেশবপুর): জামায়াতের অধ্যাপক মোক্তার আলী (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন; তিনি পেয়েছেন ৯২ হাজার ২৫৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯৫৯ ভোট। জয় ব্যবধান ১২ হাজার ২৯৪ ভোট।
উল্লেখ্য, এখানে বর্ণিত ফলাফলগুলো বেসরকারিভাবে ঘোষিত; চূড়ান্ত ফলাফল নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে।
