সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে আয়ারল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশের পরাজয় ৩৯ রানের ব্যবধানের ফলে, দ্বিতীয় ম্যাচে জেতা ছিল বাধ্যতামূলক। চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ড নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭০ রান করে। দলের জন্য সর্বোচ্চ ৪১ রান করেন টাকার। জবাবে বাংলাদেশের শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি; তানজিদ তামিম ৭ রান করে রান আউট হওয়ায় প্রথম থেকেই কিছুটা ক্ষতিতে পড়ে যায় বাংলাদেশি দল। তবে ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমনের দুর্দান্ত ব্যাটিং ও লিটনের ফিফটি দলকে বিপদের মুখ থেকে উদ্ধার করে। লিটন ৩৪ বলে ৫৭ রান করেন, যা দলের বড় সহায়তা। মাঝমধ্যে যখন মনে হচ্ছিল জয় ঝুঁকিতে, তখন শেষের দিকে সাইফউদ্দিনের ৭ বলে অপরাজিত ৭ রানে জয় নিশ্চিত হয়। আয়ারল্যান্ডের ওপেনার পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টরের দুর্দান্ত শুরুতে তারা প্রথমে ভালো লাগলেও হঠাৎ মাঠে ফ্লাডলাইট বন্ধ হয়ে যায়, যা কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ করে দেয়। খেলা আবার শুরু হলেও আইরিশরা ছন্দ ধরে রাখে। স্টার্লিং ১৪ বলে ২৯ রান করেন। তার পরের ওভার তানজিম সাকিবের হাতে ধরা পড়ে। পাওয়ার প্লেতে আয়ারল্যান্ডের স্কোর খুবই উচ্চমাধ্যমে পৌঁছে যায়, যা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে তাদের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। যদিও শেখ মেহেদি ২৫ বলে ৩৮ রান করে ফেরত গেলে কিছুটা ধাক্কা লাগে তাদের ব্যাটিংয়ে। এরপর হ্যারি টেক্টর ও বেন কার্টিজ দ্রুত ফিরে গেলে পরিস্থিতি বাংলাদেশের পক্ষে আসে। শেষদিকে টাকার লড়াইয়ের মাধ্যমে তারা ১৭০ রান সংগ্রহ করে, যা ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই জয়ে সিরিজে সমতা ফিরে এসেছে, যা দুদলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতা।
Leave a Reply