সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা এক দফা কমার পরে আবারও বেড়ে গেল সোনার দাম সরকারের প্রকল্প বরাদ্দ কমে ২ লাখ কোটি টাকায় পুনর্নিযুক্ত সোনার দাম রেকর্ড ভেঙে ভরি ২ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মোবাইল ফোন আমদানির উপর শুল্ক কমছে, ফলে দাম কমবে মোবাইলের নির্বাচনের истин অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণা শুরুর পর: মির্জা ফখরুল জোটের আসন সমঝোতা দু-একদিনের মধ্যে: জামায়াত আমির জামায়াতের নির্বাচন ও প্রতিবেশী সম্পর্ক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা জামায়াতের আমিরের সতর্কবার্তা: নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেকানিজম হলে পালাতে হবে বাধ্য হয়ে বিএনপি প্রার্থী আন্দালিভ পার্থের কাছে আসন ছাড়ল বিএনপি
তারেক রহমান: জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড আমি নই, জনগণই এর মূল কাণ্ডারী

তারেক রহমান: জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড আমি নই, জনগণই এর মূল কাণ্ডারী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন, নিজেকে কখনই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে দেখেন না। তিনি জানান, এই গণঅভ্যুত্থানের মূল শক্তি এবং কৌশলগত নেতৃত্ব জনগণের মধ্যেই ছিল। তারেক রহমান বিবিসি বাংলাকে একাধিক পর্বের সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন, যার প্রথম অংশ সোমবার (৬ অক্টোবর) তাদের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত হয়।

২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনের আড়ালে শুরু হওয়া ছাত্র আন্দোলন ধীরে ধীরে বৃহৎ গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়। এই ব্যাপক বিক্ষোভে তীব্র সংঘর্ষের মাঝখানে, ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যান। এর পরে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়, কে বা কারা ছিল এই আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি বা মাস্টারমাইন্ড।

বিশেষ করে নিউইয়র্কে বিশ্বনেতা মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে ছাত্রদের পরিচিতি হওয়ার পর বিষয়টি আরও জোরেশোরে আলোচনায় আসে। এরপর বিএনপি, জামায়াত, ইসলামপন্থী বিভিন্ন দলসহ ছোট ছোট দলে নেতাদের মাধ্যমে নানা সমাবেশে আন্দোলনের কৃতিত্বের দাবির চলতে থাকে।

তারেক রহমান বলেন, ‘আমি কখনোই নিজেকে এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে ভাবি না। এই আন্দোলনটি শুরু হয় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, যা সবাই জুড়ে দিয়েছে জুলাই মাসের নামে। কিন্তু এর প্র্রারম্ভকাল বহু আগে থেকেই। এই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, তাদের নেতাকর্মীরা, যারা গণতান্ত্রিক মূলধারার। তারা প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্নভাবে অবদান রেখেছেন।’

তিনি বলেন, ‘কেবল রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাই নয়, সেদিন বিভিন্ন পেশার মানুষও রাস্তায় ছিলেন। মাদরাসার ছাত্র, গৃহিণারা সন্তানের পেছনে রাস্তায় নেমেছিলেন। কৃষক, শ্রমিক, সিএনজি চালক, ছোট দোকানি থেকে শুরু করে গার্মেন্টস কর্মী-সবাই আন্দোলনে শরিক ছিলেন। এমনকি অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং স্বৈরাচারের অত্যাচারে দেশত্যাগ করা সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিতি দেখিয়েছেন। এই প্রত্যেকের অবদানকে আমরা ছোট করে দেখিনা। সমাজের নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ সবাই এই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এই আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের আন্দোলন, যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে। এটাই ছিল মূল আন্দোলনের শক্তি এবং মাস্টারমাইন্ড, কারণ কেউ কোনো দল বা ব্যক্তি নয়—এই আন্দোলনের একমাত্র মূল চালিকা শক্তি হলো দেশের গণতন্ত্রকামী জনতা।’

আন্দোলনের শুরুতেই ছাত্রদের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি নিয়ে এক প্রশ্নে তিনি নেড বলে, ‘আমরা যখন বাইরে থেকে কাজ করছিলাম, তখন আমাদের জন্য যোগাযোগের বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে সময় স্বৈরাচারিরা টেলিফোন বা অনলাইন যোগাযোগে নানা বাধা সৃষ্টি করেছিল। আমাদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে, কার্যত ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে যোগাযোগ চালাতে হয়েছে। সবসময় এই যোগাযোগ সম্পূর্ণ স্বচ্ছ বা স্মুথ ছিল না, তবে প্রত্যেকের সহযোগিতায় আন্দোলন চালাতে পেরেছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd