শান্তের ক্যারিয়ার সেরা র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান, মুমিনুল-নাহিদের উন্নতি

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ব্যাট হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্সে উজ্জ্বল ছিলেন বাংলাদেশের তারকা बल्लेबাজ নাজমুল হোসেন শান্ত। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ের জন্য তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কারও লাভ করেন। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের ফলে আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তার অবস্থান নাটকীয়ভাবে উন্নতি লাভ করে। ক্যারিয়ারসেরা ২৩ নম্বর অবস্থানে স্থান করে নিয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার।

শেষ বিকেলে নাহিদ রানা তাঁর রকমারি বোলিংয়ে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারাতে সহযোগিতা করেন বাংলাদেশের। এই জয়ে মুখ্য অবদান রেখেছেন শান্ত। প্রথম ইনিংসে মাহমুদুল হাসান জয় ও সাদমান ইসলামকে আউট করার পর, চাপের মধ্যে থাকা দল যখন ব্যাটিংয়ে নামে তখন শান্ত কৌশলীভাবে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়েন। দারুণ ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে তিনি করেন ১০১ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। বাংলাদেশের হয়ে শান্তর এটি নবম টেস্ট সেঞ্চুরি।

দ্বিতীয় ইনিংসেও আরও একশ রান করার সুযোগ ছিল বাংলাদেশ অধিনায়কের সামনে, তবে নোমান আলীর বলের রিভার্স সুইপ করা সৌভাগ্যবান ছিলেন না তিনি। সেটি করে তিনি ফিরতে হয় ৮৭ রানে। দুই ইনিংস মিলিয়ে ১৮৮ রান করে, ঢাকা টেস্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার পান শান্ত। এই চমৎকার পারফরম্যান্সের ফলে আইসিসির টেস্ট ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ১৬টি ধাপ এগিয়ে ২৩ নম্বরে পৌঁছেন। তাঁর রেটিং পয়েন্ট ৬৪৯।

বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন শান্ত। তাঁর সঙ্গী পাকিস্তানের তারকা ব্যাটার বাবর আজম। মুশফিকুর রহিমও দারুণ খেলেছেন, প্রথম ইনিংসে ৭১ এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ২২ রান করে। দুই ধাপে এগিয়ে তিনি এখন ২৬ নম্বরে এসেছেন। অন্যদিকে, মুমিনুল হক দারুণ ব্যাট করেছেন, প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির সুযোগ থাকলেও তিনি ৯১ রানে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন ৫৬ রান। এর ফলে তিনি ১২ ধাপ এগিয়ে ৩৫ নম্বরে অবস্থান করছেন। তাঁর সাথে রয়েছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটার ওলি পোপ। তবে ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিকতা দেখাতে না পারায়, সাদমান ৪ ধাপ পিছিয়ে, মেহেদী হাসান মিরাজ এক ধাপ এবং মাহমুদুল জয় ৬ ধাপ পিছিয়ে গেছেন।

সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংস মিলে ৪ উইকেট নিয়ে তিনি ছিলেন অন্যতম সফল বোলার। এই বরেণ্য স্পিনারের রেটিং পয়েন্টে ৩ ধাপ অগ্রগতি হয়েছে। এখন তিনি ১৩ নম্বরে অবস্থান করছেন। প্রথম ইনিংসে কিছুটা অসফল হলেও, দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট তুলে নেন নাহিদ। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য তিনি ৫ ধাপ এগিয়ে ৬৩ নম্বরে উঠে এসেছেন। অন্যদিকে, মিরাজ ও তাসকিন আহমেদ তাদের অবস্থানে রয়েছেন, তবে হাসান মুরাদ এবং নাঈম হাসান কিছুটা পেছনে গেছেন।