গৃহকর্তা ফোরকানের নামে হত্যা মামলা, লাশ গোপালগঞ্জে পাঠানো হলো

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউত্বকোনা গ্রামে এক ভয়ংকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৯ মে) সকালে পুলিশ গলা কাটা অবস্থায় গৃহবধূ শারমিন খানম, তার তিন মেয়ে—মীম খানম (১৫), উম্মে হাবিবা (৮), ফারিয়া (২)—সহ শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা সকলেই গ্রামীণ বাড়ি গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনা নিয়ে দিনভর চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে গৃহকর্তা ফোরকান মিয়ার বিরুদ্ধে শনিবার দুপুরে কাপাসিয়া থানায় মামলা দায়ের করেছেন গৃহবধূর বাবা সাহাদত মোল্লা। মামলায় ফোরকানসহ আরও ৪-৫ অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, হত্যাকাণ্ডের সময় ফোরকান পালিয়ে গেছেন বলে প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে। তার খোঁজে পুলিশ বিভিন্ন অভিযান চালাচ্ছে এবং তাকে গ্রেপ্তার করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

প্রাথমিক সুত্রমতে, হত্যাকাণ্ডের পিছনে অন্য কিছু কারণ থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে, কে বা কারা এর পেছনে জড়িত এবং কেন এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটল তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।

শারমিনের চাচা মো. উজ্জ্বল জানান, ফোরকানের ছোট ভাই মিশকাত ঢাকায় থাকেন। শনিবার সকালে মিশকাতকে ফোন দিয়ে ফোরকান বলেছিলেন, ‘সবগুলারে মাইরা ফালাইছি, আমারে আর পাবি না।’ এরপর থেকে ফোরকানের সঙ্গে তার যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

ঘটনার তদন্তে নিয়োজিত পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য গোপালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, তদন্তের স্বার্থে তিনটি পুলিশ টিম কাজ করছে এবং আসামিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য কঠোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে।