ধবলধোলাইয়ের পর জ্যোতিকে আইসিসির শাস্তি — আনুষ্ঠানিক তিরস্কার ও ডিমেরিট পয়েন্ট

শ্রীলঙ্কা সফর বাংলাদেশের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতির জন্য বেশই হতাশাজনক প্রমাণিত হয়েছে। ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি—উভয় সিরিই বাংলাদেশ হেরে গেছে, আর টি-টোয়েন্টি সিরিতে স্বাগতিকরা বানিয়ে দিয়েছে সম্পূর্ণ ধবলধোলাই। এবার এরপরই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) জ্যোতির বিরুদ্ধে শাস্তিও দিয়েছে।

আইসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জ্যোতিকে আনুষ্ঠানিক তিরস্কার করা হয়েছে এবং একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেওয়া হয়েছে। মাঠে থাকা দুই আম্পায়ার এলয়িজ শেরিডান ও শাথিরা জাকির জেসি, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা ও চতুর্থ আম্পায়ার চম্পা চাকমা অভিযোগটি এনেছিলেন। ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানি দাস শাস্তি ঘোষণা করেছেন।

জ্যোতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল আইসিসির খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের আচরণবিধির ধারা ২.২ ভঙ্গের — আন্তর্জাতিক ম্যাচ চলাকালীন ক্রিকেট সরঞ্জাম, পোশাক বা মাঠব্যবহারের অনুপযুক্ত ব্যবহার। ঘটনাটি ঘটে সিলেটে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে, যেখানে লঙ্কান অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু জ্যোতিকে ৯ বলে ১৩ রানে আউট করেন। আউট হয়ে হতাশায় ব্যাট ছুড়ে ফেলার ফলে এই অভিযোগ ওঠে।

আইসিসির বিধিতে এটা জ্যোতির প্রথম অনুচিত্র ঘটনা গত ২৪ মাসে। তিনি দায় স্বীকার করায় আলাদা শুনানির প্রয়োজন হয়নি এবং Level‑1 ধারা ভঙ্গের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন শাস্তি হিসেবে আনুষ্ঠানিক তিরস্কারই দেওয়া হয়েছে; পাশাপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্টও লিখে দেওয়া হয়েছে। ধারা ভঙ্গের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফি থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা এবং এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট আরোপ করা যেতে পারে।

টেস্ট না থাকলেও ওই সিরিজে বাংলাদেশের একমাত্র সুধা ছিল রাজশাহীতে পাওয়া প্রথম ওয়ানডে জয়; এরপর বাংলাদেশ পাঁচ ম্যাচ হারের ধাক্কায় পড়েছে। ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ, আর টি-টোয়েন্টিতে লেজছে ৩-০ ব্যবধানে হারতে হয়েছে।