বার কাউন্সিল নির্বাচন স্থগিত: আখতারের প্রশ্ন, আইনমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদে বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তোলেন বিরোধী সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বললেন, জ্বালানি সংকটকে আমলে এনে হঠাৎ করে নির্বাচন পেছানো হয়েছে, Padথচ এই প্রতিষ্ঠান তো সংবিধিবদ্ধ এবং নিয়ম অনুযায়ী তিন বছরে একবার নির্বাচন হওয়া উচিত।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদে জবাব দেওয়ার সময় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বার কাউন্সিলকে নিয়ে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করেনি। তিনি জানান, শুধুমাত্র ঢাকা বার নয়, কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন বিশিষ্ট এলাকার আইনজীবীরা নির্বাচন পিছানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। এতে মোট ২২ হাজারের বেশি আইনজীবীর আহবান ছিল—এই ভিত্তিতেই নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

এনসিপির সদস্য সচিব ও বিরোধীদলীয় এমপি আখতার হোসেন জানান, ঘটনার সময়সূচি অনুযায়ী বুধবার (১৫ এপ্রিল) মধ্যরাতে বার কাউন্সিলের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করা হয়। তিনি বলেন, ‘‘৩ বছর পরপর যে নির্বাচন হওয়া কথা ছিল, তা হঠাৎ করেই বন্ধ করা হলো। বর্তমানে অ্যাডহক কমিটি পরিচালনা করছে—গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সুযোগ এসেছে, তখন কেন নির্বাচন বাতিল করা হলো, তা স্পষ্ট হওয়া দরকার।’’

আইনমন্ত্রী মন্ত্রনালয়ের পক্ষে সংসদে পুনরায় জোর দিয়ে বলেন যে, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বার কাউন্সিলের নিজস্ব সিদ্ধান্ত কারো সঙ্গে জড়িত নয়। তিনি প্রতিপাদন করেন, অনুরোধ ও মতামত বিবেচনায় রেখে নির্বাচন পেছানো হয়েছে এবং সরকার কোনোরকম হস্তক্ষেপ করেনি।

ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক ও পেশাজীবী মহলে প্রশ্ন ওঠা শুরু হয়েছে—নির্বাচন স্থগিতের কারণ ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করছে আইনজীবী ও বিরোধী দল। আগামী দিনে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা বা অনুসন্ধান হতে পারে বলে আশা করা যাচ্ছে।