চট্টগ্রামে দুই লাখ টন তেল নিয়ে দুই জাহাজ বন্দরে নোঙর করেছে: চিফ হুইপ

চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বন্ধ সংক্রান্ত খবরের সঙ্গে একই সূত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ছিল—দুই লাখ টন তেল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এই তথ্যও মিডিয়ায় গুরুত্বসহকারে প্রকাশ করা উচিত, কারণ নেতিবাচক খবরে এতেই ক্ষুদ্র না থেকে ইতিবাচক দিকগুলোওজন নেয়া দরকার।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের বিরতির সময় সংসদ ভবনের টানেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইস্টার্ন রিফাইনারি সংক্রান্ত সংবাদ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রচারণা হয়েছে, তথাপি বন্দরে নোঙরকৃত জাহাজ ও তেলের ব্যবস্থা সম্পর্কেও জনগণকে জানানো জরুরি।

চিফ হুইপ প্রধানমন্ত্রীকে জাতির কল্যাণে কাজ করা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দায়িত্বগ্রহণের পর থেকে মানবিক কল্যাণ, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখাকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে এবং বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করতে কাজ চলছে।

কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলায় ভাষা শিক্ষাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে চিফ হুইপ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, মানুষকে বিভিন্ন কাজের বাজার অনুসারে ভাষায় শিক্ষিত করতে হবে—মধ্যপ্রাচ্যে কাজের জন্য আরবি, চীনে কাজের জন্য ম্যান্ডারিন, ইতালিতে ইতালিয়ান, কোরিয়ায় কোরিয়ান ও জাপানে জাপানিজ শেখানো প্রয়োজন। তবু দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজির গুরুত্ব অপরিসীম; এটি একটি বৈশ্বিক ভাষা হওয়ায় ইংরেজি শিক্ষায় গুরুত্ব দেয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী সারাদেশ ঘুরে এ বিষয় নিয়ে একটি নির্দেশিকা তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীকে উপস্থাপন করবেন, জানান তিনি।

সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সরকারের এবং বিরোধী দলের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য থাকলেও তারা সর্বশেষে ঐকমত্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করবেন। লক্ষ্য হলো গণতন্ত্রকে মজবুত করা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রাখা এবং দেশের গঠনমূলক উন্নয়নে এগিয়ে যাওয়া। তিনি বলেন, সংসদে আলোচনা ও সমালোচনার মধ্যেই আমরা সমৃদ্ধ হব—দেশপ্রেমের জায়গা থেকেই ঐকমত্য অর্জন করা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

সংক্ষেপে চিফ হুইপের বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয়: সংবাদ পরিবেশে ইতিবাচক তথ্য তুলে ধরা জরুরি, সরকার দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এবং দক্ষ জনশক্তি গঠনে ভাষা শিক্ষা ও সংবিধান সংশোধনে সকল পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন।