খালিশপুরে লাল হাসপাতাল ও স্কাউট মাঠ পরিদর্শন করেন হুইপ বকুল, উন্নয়নের আশ্বাস

খুলনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল রোববার দুপুরে খুলনার খালিশপুর এলাকায় অবস্থিত লাল হাসপাতাল ও স্কাউট মাঠ পরিদর্শন করেন। এই সময় তিনি উভয় প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি সরাসরি দেখে নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিস্তারিত মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে হুইপ বকুল হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা, অবকাঠামো, জনবল সংকট, প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সেবার মান সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এছাড়া তিনি স্কাউট মাঠের বর্তমান অবস্থা, ব্যবহারের উপযোগিতা ও ভবিষ্যত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডাঃ আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ, সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ মিনহাজুল আলম, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, খালিশপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি এড. মোহাম্মদ আলী বাবু, মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুল আজিজ সুমন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ মিরাজুর রহমান, খালিশপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক বেলাল হোসেন সুমনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।

পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে হুইপ বকুল বলেন, খালিশপুর লাল হাসপাতাল ও স্কাউট মাঠ আমাদের এলাকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দুটি প্রতিষ্ঠান। এগুলোকে আধুনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরও কার্যকর সেবাকেন্দ্রে রূপান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, লাল হাসপাতালকে আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্বলিত একটি পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন, দক্ষ চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।

স্কাউট মাঠের বিষয়ে তিনি বলেন, এই মাঠকে শুধু খেলাধুলার জন্য নয়, বরং যুবসম্প্রদায় ও শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। এখানে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে এটি এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হুইপ বকুল আরও উল্লেখ করেন, সরকারি ও বেসরকারি সকল স্তরের সমন্বিত সহযোগিতার মাধ্যমে এই দুটি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। জনসেবা ও কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়ে খুলনা-৩ আসনসহ সমগ্র খুলনা অঞ্চলে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিদর্শনের সময় তিনি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে উন্নয়ন পরিকল্পনা, জনসেবা বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। স্থানীয়রা এ ধরনের উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন এবং দ্রুত বাস্তবায়ন প্রত্যাশা করছেন।