খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে একসাথে নিয়ে একটি সমৃদ্ধ, সুন্দর এবং উন্নত নগরী গড়ে তোলা। তিনি বলেন, যেখানে যা প্রয়োজন, সেটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে খুলনাকে একটি আরো সুষ্ঠু, বাসযোগ্য ও সুন্দর শহর হিসেবে রূপান্তরিত করতে চাই। এ জন্য তিনি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা ও সহানুভূতি কামনা করেন।
গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরীর গল্লামারিস্থ শ্রী শ্রী হরি মন্দির ও গুরুচাঁদ ছাত্রাবাস প্রাঙ্গণে আয়োজিত মতুয়া মহাসম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃ্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছিলেন খুরুনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক। মূল অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় শ্রী শ্রী হরিমন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য ও গুরুচাঁদ ছাত্রাবাসের সভাপতি সুপতি ঠাকুর শিবু এবং ওড়াকান্দির আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মিশনের সভাপতি সম্পদ ঠাকুর। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন খুলনা ভারতের সহকারী হাইকমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) চন্দ্রজীৎ মুখার্জি।
প্রশাসক আরো বললেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ প্রকল্প, যা দেশের সব অংশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য। তিনি জানান, জাতির বঞ্চনা দূর করে আমরা একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনের উদ্যোগে আছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, সকলের মধ্যে সম্প্রীতি, বিশ্বাস ও আস্থার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে চাই, যাতে সবাই একসাথে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করতে পারে। তিনি মন্দিরের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সব ধরণের সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাসও দেন।
মহাসম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন ডাঃ দুলাল কৃষ্ণ রায় এবং এতে উপস্থিত ছিলেন ওড়াকান্দির ইন্টারন্যাশনাল হরি-গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের সভাপতি সুপতি ঠাকুর শিবু ও আন্তর্জাতিক মতুয়া প্রচার মিশনের সভাপতি সম্পদ ঠাকুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন শিল্পপতি প্রফুল্ল কুমার রায়। মূল আলোচক ছিলেন হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সত্যানন্দ দত্ত ও ঢাকা কিশোরলাল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক গৌতম কুমার ঢালী। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৌমি রায় এবং সঞ্চালনা করেন সাংগঠনিক সম্পাদক এড. অপূর্ব বৈদ্য।
সকালে, নগরীর বিআইডিসি রোডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন নগরপাল। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিজ তহবিল থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক এড. জিএম ফজলে হালিম লিটন, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।
