প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সোমবার (০৬ এপ্রিল) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার প্রবাসী মামুনের মরদেহ গ্রহণের পর সাংবাদিকদের এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমরা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় খোলার জন্য কায়মনে কাজ করছি এবং এর প্রক্রিয়াকে সিন্ডিকেটমুক্ত রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, শ্রমবাজার খোলার এই প্রচেষ্টার মাধ্যমে দেশের প্রবাসীরা সুবিধাজনক পরিবেশে কাজ করতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্যও বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
প্রসঙ্গত, সোমবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে সৌদি আরবের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মামুনের মরদেহ পৌঁছায়। পুরো পরিবারের উপস্থিতিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রধানরা মরদেহ গ্রহণ করেন।
মামুনের পরিবারের একজন সদস্য জানান, ঈদুল ফিতরের একমাস পর দেশে ফিরে নতুন বাড়ি বানানোর পরিকল্পনা ছিল তার। তবে দুর্ভাগ্যবশত, সে আর সেটা দেখতে পেল না। ২০ বছর বয়সে পরিবারকে সমর্থন দিতে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। দীর্ঘ ১৫ বছর প্রবাস জীবনের পরে, তার স্বপ্ন ছিল পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো, কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সে চিকিৎসার জন্য লাইফ সাপোর্টে থাকতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
৮ মার্চ সৌদি আরবের আল খারজ এলাকায় একটি শ্রমিক ক্যাম্পে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় ауыр আহত হন মামুন। শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ দগ্ধ হওয়ার পর রিয়াদে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর বেশ কিছু দিন পরে সৌদি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ বাংলাদেশে আসে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরও জানান, এই ট্র্যাজেডির ফলে এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মরদেহ দেশের আনা সম্ভব হয়েছে। তাদের পরিবারের প্রতি সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সবাই সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।
