খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতির আলোকে রূপসা উপজেলার নৈহাটি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ জিয়া খাল পুনঃসংস্কারের জন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই খাল কেবল পানি চলাচলের রাস্তা বা জলাধার নয়, এটি নৈহাটি ইউনিয়নের কৃষি, অর্থনীতি ও জনজীবনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত একটি প্রাণবন্ত জলর helping défisবিশেষ। খালটির সংস্কার হলে ইউনিয়নের বিভিন্ন জলাশয় ও বিলের পানির প্রবাহ স্বাভাবিক হবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে, সেচের সুবিধা বাড়াবে এবং বর্ষা মৌসুমে Excess water নিষ্কাশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় নৈহাটি ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের গোডাউন মোড়ে রূপসা উপজেলা বিএনপির আয়োজিত এক কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, একটি কৃষি-ভিত্তিক অর্থনীতি সুস্থভাবে চালানোর জন্য পানি ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা, ভরে গেছে ও অযত্নে পড়ে থাকা জিয়া খালটি এখন স্বাভাবিক প্রবাহ হারিয়ে ফেলেছে। এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে কৃষকরা প্রয়োজনীয় পানি পান করতে না পারায় তারা ক্ষতিগ্রস্ত হন, আবার বর্ষা ও অতিবৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশন বাধাগ্রস্ত হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, যা ফসলি জমি ও নিম্নাঞ্চলকে জলমগ্ন করে তোলে। এর ফলে প্রতি বছরই কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।
অতএব, কৃষকদের আর্থিক ও উৎপাদনক্ষমতা রক্ষা করতে হলে মৌলিক অবকাঠামো—বিশেষ করে খাল, বিল, ড্রেন ও সেচ ব্যবস্থাকে টেকসই ও আধুনিকায়ন করতে হবে। তিনি আশ্বাস দেন, এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, কৃষকের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এছাড়াও আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, কামরুজ্জামান টুকু ও এনামুল হক সজল। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রূপসা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক। উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ আবু সাঈদ, জেলা বিএনপির সদস্য মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, রূপসা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক বিকাশ মিত্রসহ আরও অনেকে। المشاركين में ছিলেন বিএনপি নেতা এস এম আঃ মালেক, মহিউদ্দিন মিন্টু, শেখ মোঃ আবু সাঈদ, খান আনোয়ার হোসেন, আজিজুর রহমান, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস, শাহালম ভূঁইয়া, খন্দকার শরিফুল ইসলাম, সরদার শিহাবুল ইসলাম, বিভিন্ন মহিলা নেত্রী, বরিষ্ঠ নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।
