খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী একাডেমিক ও প্রশাসনিক মতবিনিময়

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও পারোয়াজিত বিষয়ে আলোচনা করতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সভাটি সোমবার, ৩০ মার্চ বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজনীয় তাগিদ দেওয়া হয়।

সভায় বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল-আওয়ালকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসডিজি সংক্রান্ত মুখ্য সমন্বয়ক পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য গান্ধর্ব অভিনন্দন জানানো হয়। এছাড়া প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলে।

উপাচার্য সভায় জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধানে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমানে সবুজ পাতায় যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে আবাসন ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

উপাচার্য সরকারের নির্দেশনার আলোকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অফিস সময় মেনে চলা ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বানও জানান। তিনি কর্মানুষ্ঠান ও শৃঙ্খলা জোরদারের মাধ্যমে একাডেমিক কার্যক্রমের মান ও গতি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

সভায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত থেকে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

সভা শেষে উপস্থিতরা মিলিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির জন্য সমন্বয় ও দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনার সীমা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেন।