বাংলাদেশ কি ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলার সুযোগ পাবে? এই প্রশ্ন উঠেছিল, যখন ভারতের আসরটি এ বছর হয়নি এবং শ্রীলঙ্কার প্রত্যাশিত অংশগ্রহণ নিয়েও অনিশ্চয়তা ছিল। তবে এখন সবার জন্য স্পষ্ট হলো, বাংলাদেশ এই মহামেডানির অংশ হতে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নিশ্চিত করেছে যে, ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ যোগদান করবে। আসরে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে, যেখানে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে দেশের র্যাঙ্কিংয়ের ভিত্তিতে। ব্লুটির জন্য প্রস্তুত হয়েই, বুধবার কলম্বোতে নামিবিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের জয় এই সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত করে দেয়। সাথে প্রবেশ করেছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়ে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, এই সুপার এইটে থাকা সব দল স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২০২৮ সালের বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি পেয়েছে। এর মধ্যে নিউজিল্যান্ড আয়োজকের দায়িত্ব পেয়ে আগেই নিশ্চিত ছিল। উল্টো দিকে, অস্ট্রেলিয়া এই সুপার এইটে উঠেনি, কিন্তু তারা স্বাগতিক হিসেবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। আইসিসি জানিয়েছে, ২০ দলের এই বিশ্বকাপে মূল টুর্নামেন্টে যোগ দিতে বাছাইপর্বের মাধ্যমে ৮টি দল সুযোগ পাবে। এর মধ্যে ৯টি দল ইতিমধ্যে আশা জাগিয়েছে, র্যাঙ্কিং ও স্বাগতিক দেশের ভিত্তিতে। আর বাকি তিনটি দল নির্ধারিত হবে মার্চের ৯ তারিখের র্যাঙ্কিং অনুযায়ী। এই সিদ্ধান্তে নিশ্চিত হয়েছে, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ডের বাইরে অন্য কোনো দল এই তিনটি স্থানে স্থান অর্জন করতে পারবে না। এই তিন দেশের র্যাঙ্কিং যথাক্রমে ৯, ১০ ও ১২ নম্বর। ফলে, মার্চের মধ্যে কোনও আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই তিন দেশের র্যাঙ্কিংয়ে পরিবর্তন না এলে, তাদের ২০২৮ আসরে নিশ্চিত খেলার সুবিধা থাকবে। এই অবস্থায়, বাংলাদেশের ২০২৮ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ এখনই নিশ্চিত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
