রাজনৈতিক নিপীড়নের শেষের পথে ভোটের বিকল্প নেই

সম্প্রতিক রাজনৈতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মোঃ মঈনুল ইসলাম বলেছেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতা জামায়াতকে কুফুরি ও শিরকের সঙ্গে তুলনা করে যে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অজ্ঞতাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, তা শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন নয়, বরং ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সরাসরি অবমাননা। দুঃশাসন, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক নিপীড়নের নিরন্তর কার্যকলাপের অবসান ঘটানোর জন্য দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার কোন বিকল্প নেই—এমনটাই তিনি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, দেশে অর্থনীতিতে প্রকাশ্য লুটপাট, বিচারব্যবস্থাকে দলীয় কারবারে পরিণত করা, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার, এবং ভিন্ন মত প্রকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা চালিয়ে দেশকে এক ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে বর্তমান শাসন ব্যবস্থা। এই ধ্বংসাত্মক বাস্তবতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ আজ ১০ দলের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকালেঃ ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় একাধিক গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের আরাফাত আবাসিক এলাকা, আল আকসা, ফলইমারা, শিবপুর, বাদুরগাছা এলাকায় গভীর গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, হরিণটানা থানার কর্মপরিষদ সদস্য লিখন হোসেন, মতিয়ার রহমান, আব্দুর রশীদ মল্লিক, শহিদুল ইসলাম, ডাঃ ইলিয়াস হোসেন, তাজুল ইসলাম, আমীর হোসাইন, সালাহ উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মামুন, রাসেল গাজী, রফিকুল ইসলাম, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ ও আবু মুহসীন প্রমুখ। পরে সেক্রেটারি জেনারেলকে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপির নাসির গাজী নেতৃত্বাধীন কয়েকজন জামায়াতে যোগ দেন। এরপর বাদুরগাছা উঠান বৈঠকেও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। বিকেলে ফুলতলা উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজন করা হয় গণমিছিল ও সমাবেশ। পরে ৬নং ওয়ার্ডের আটরা-গিলাতলা এলাকার উঠান বৈঠকেও মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।