গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে সবাদের একক প্রচেষ্টা জরুরি

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি গণতান্ত্রিক, ভোটাধিকারভিত্তিক এবং সুরক্ষিত সর্ম্পদে বিশ্বাসী বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বিএনপি’র মূল লক্ষ্য। এই উদ্দেশ্যে খুলনা-২ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের সংসদ সদস্য প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং বাকস্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করতে হলে শহীদ সহযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে। তাদের আত্মদান বৃথা যেতে দিতে পারেন না আমরা। বুধবার সকালে তিনি খুলনা মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষকমন্ডলী ও কর্মচারীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। পরে সকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক আ স ম জমশেদ খোন্দকারের হাতে ধানের শীষ প্রতীক পেয়ে যান তিনি। দুপুরে হোটেল ক্যাসেল সালামে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বিকেলে রূপসা স্ট্যান্ড রোডে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আয়োজনে শ্রমিক সমাবেশ ও বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল হয়, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি মহিলাদের উদ্দেশ্যে বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটদানে বিরত ছিল। এখন তারা চায় নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। অতীতে ভোটাধিকার হরণের অপপ্রয়াস দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে; এসবের অবসান ঘটাতে হবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে। বিএনপিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, কিন্তু নেত্রীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে তারা সফল হয়নি; বাংলাদেশে বিএনপি গড়ে উঠেছে। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি মুক্ত, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের ইচ্ছানুযায়ী সরকার গঠন করা। এই সভা-সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, মহিবুজ্জামান কচি, অনুয়ার হোসেন, মুজিবর রহমান ও আরও অনেকে। নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেনি। এখন তারা চান, নিরাপদে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে। আমাদের আসল কাজ হচ্ছে, অতীতের মত ভোটাধিকার হরণের অপচেষ্টা বন্ধ করে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। ভবিষ্যতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হত্যার পেছনের ফাঁদে অনেককেই ফেলেছিল। যারা এই হত্যার সঙ্গে জড়িত, তারা বিএনপি-কে ধ্বংসের চেষ্ঠা করেছে। কিন্তু নেতা বেগম খালেদা জিয়া তাদের ব্যর্থ করে বাংলাদেশে বিএনপি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন সৃষ্টি করেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিএনপি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছায় সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়েছে। অনুষ্ঠানগুলোতে উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, রেহেনা ঈসা, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, মহিবুজ্জামান কচি ও অনেকে। একই দিনে, মহানগর বিএনপি তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমের জন্য একটি উপ-কমিটি গঠনের সভাও অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে আগামী ২২ জানুয়ারি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে প্রার্থীর লিফলেট বিতরণের কর্মসূচি নির্ধারিত হয়েছে। সবাইকে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।