ভারতে না গেলে বিকল্প দল নেবে আইসিসি, বিসিবিকে একদিনের সময়

নিরাপত্তা উদ্বেগের বলেই যদি বাংলাদেশ ভারত যেতে অস্বীকার করে, তাহলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তাদের জায়গায় অন্য একটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি। সোমবার হওয়া আইসিসি বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্তটি ভোটাভুটির মাধ্যমে গৃহীত হয়েছে।

বিসিবি আগে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ তুলে ভারত যাওয়ার বিষয়ে অনিশ্চয়তা জানিয়েছিল এবং একই বিষয় নিয়ে আইসিসিকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছে। সূত্রে জানা যায়, আইসিসি ওই চিঠি এবং পরিস্থিতি বিবেচনা করে সভায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) সরকারীর স্তরে আলোচনা করে এক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছে।

আইসিসি বোর্ড সভায় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসীন নাকভি, বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া সহ বিভিন্ন পূর্ণ সদস্য দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আইসিসির প্রধান নির্বাহী, ইভেন্টস হেড ও লিগ্যাল অফিসারও উপস্থিত ছিলেন। ক্রিকইনফো সংবাদ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

বোর্ড সভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যই সমর্থন জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ যদি নির্ধারিত সময়সীমায় ভারত গিয়ে ম্যাচ খেলতে অস্বীকৃতি জানায়, তাতে তাদের জায়গায় অন্য একটি দলকে টুর্নামেন্টে নেওয়া হবে। আইসিসি জানিয়েছে বিষয়টি কেবল বোর্ডের সিদ্ধান্তে সীমাবদ্ধ নয় — বাংলাদেশ সরকারেরও অবগত করা প্রয়োজন।

অজানা পরিস্থিতিতে বিকল্প হিসেবে স্কটল্যান্ডকে সবচেয়ে সম্ভাব্য দল হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে, যদিও তারা মূল কোটা থেকে উঠে আসতে পারেনি। ইউরোপীয় কোয়ালিফাইারে নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও জার্সির পেছনে থেকে স্কটল্যান্ড সরাসরি অংশ পায়নি; তবু আইসিসির কাঠামো অনুযায়ী এমন পরিস্থিতিতে স্কটিশ দলকে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এর আগে ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে, তবু বিসিবি তাদের অবস্থানে অনড় থেকেছে। আইসিসি জানিয়েছে সূচি অনুযায়ীই ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে — এমন কোনো পরিবর্তন করা হবে না যদি না বাংলাদেশ সরকার বা বিসিবি বাধ্যতামূলক কারণে ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি করে।

এখন পুরো দিক নির্ভর করছে বিসিবির সিদ্ধান্তের ওপর। আইসিসির দেওয়া একদিনের মেয়াদ শেষ হলে বাংলাদেশ যদি ভারত যাত্রা থেকে বিরত থাকে, তাহলে বিশ্বকাপে তাদের জায়গায় বিকল্প দলকে অন্তর্ভুক্ত করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে।