সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়লো, সিদ্ধান্ত বাতিল একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় আঘাত ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য: ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো অসম্ভব সোনার দাম ফের বেড়েছে, এক দফা কমার পর আবার নতুন মূল্য নির্ধারণ তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ভোট চান নির্বাচনে নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত-এনসিপির জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম নির্বাচনের অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণার পর, মির্জা ফখরুলের প্রতিশ্রুতি জামায়াতের আমিরের মতে দুই-একদিনের মধ্যে ১১ দলের আসন সমঝোতা হবে তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চলের সফর স্থগিত: মির্জা ফখরুল
বনশ্রীর স্কুলছাত্রী ফাতেমাকে প্রেমের জেরে হত্যার রহস্য

বনশ্রীর স্কুলছাত্রী ফাতেমাকে প্রেমের জেরে হত্যার রহস্য

রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর দক্ষিণ অংশে অবস্থিত একটি বাসা থেকে স্কুলছাত্রী ফাতেমা আক্তার এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামী হিসেবে রেস্তোরাঁ কর্মী মিলন মল্লিককে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব। গ্রেফতারের পর সে স্বীকার করেছে যে, ফাতেমার সঙ্গে তার প্রেম ছিল, এবং এই প্রেমের কারণে ঘটনাটি ঘটেছে।

প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাদের। সেই দিন ফাতেমার বাবা বাড়িতে থাকছেন না জানলে মিলন বাসায় প্রবেশ করে তাকে পালিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। তার কারণ ছিল, সে জানিয়েছিল, মিলন তার বাবার রেস্তোরাঁর কর্মচারী আর সে মালিকের মেয়ে। সে তার সঙ্গে পালিয়ে যেতে চায়নি। এই উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ হয়ে মিলন তার গলাকেটে হত্যা করে। এরপর তিনি পালিয়ে যান।

পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিতে মিলন জানায়, হত্যার আগের রাতে ফাতেমা তাকে কথা দেয়, পরিবার গ্রামে গেলে তারা পালিয়ে যাবে। সেই অনুযায়ী, ঐ দিন সে বাসায় হাজির হয়। কালি সে তাকে তার সঙ্গে যেতে বলে, কিন্তু ফাতেমা রাজি হয়নি। তখন সে তাকে কটাক্ষ করে, জানিয়েছিল যে সে মালিকের মেয়ে, আর সে তার সাথে পালিয়ে যাবেনা। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে মিলন এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটানো হয়। পরে সে পালিয়ে যান বাগেরহাট জেলার বড় সিংগা এলাকায়। তবে শেষ পর্যন্ত তার রক্ষা হয়নি।

অভিযোগে বলা হয়, শনিবার বিকেলে দক্ষিণ বনশ্রীয়ের এল ব্লকের ‘প্রীতম ভিলা’ থেকে স্কুলছাত্রী ফাতেমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই রামপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়।

ফাতেমা আক্তার ছিলেন বনশ্রী রেডিয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তার পরিবারের সাথে থাকতেন সেই বাসায়—মা, বাবা, ভাই ও বোন। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাইয়ে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd