Category: অর্থনীতি

  • LG এশিয়ার বাজারে উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির কৌশল তুলে ধরল

    LG এশিয়ার বাজারে উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির কৌশল তুলে ধরল

    বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড LG Electronics (LG) কোরিয়ার বুসানে ৭–১০ এপ্রিল আয়োজিত InnoFest 2026 APAC সম্মেলনে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য তাদের সর্বশেষ হোম অ্যাপ্লায়েন্স উদ্ভাবন ও ভবিষ্যৎ কৌশল উন্মোচন করেছে। এশিয়ার প্রায় ২০টি দেশ থেকে ২০০-এর বেশী ব্যবসায়িক পার্টনার এবং মিডিয়া প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করে এই ইভেন্টকে LG-এর ২০২৬ InnoFest সিরিজের সমাপ্তি হিসেবে গুরুত্ব দিয়েছে।

    “Innovation, Forward Together” থিমের আলোকে প্রদর্শনীতে LG দেখায় কিভাবে স্থানীয় জীবনযাপনের প্রয়োজন, ঘরসংকুলান ও ব্যবহারিক চাহিদাকে কেন্দ্র করে প্রযুক্তিনির্ভর, টেকসই হোম সলিউশন তৈরি করা হচ্ছে। সাধারণ সাংস্কৃতিক রীতিনীতি এবং K-Tech উদ্ভাবন মিলিয়ে কোম্পানিটি এশিয়ার প্রতিটি বাজারে বাস্তবজীবনে কার্যকর সমাধান প্রদানে মনোযোগ দিয়েছে।

    শক্তিশালী পোশাক পরিচর্যা সমাধান

    LG তাদের লন্ড্রি পোর্টফোলিয়োকে শক্তিশালী করছে নতুন WashTower™ সিরিজ দিয়ে, যা এশিয়ান ঘরবাড়ি ও অ্যাপার্টমেন্টের সীমিত জায়গার দাবি মাথায় রেখে বানানো। নতুন লাইনআপে ২৫ ইঞ্চি মডেলকে যোগ করা হয়েছে, পাশাপাশি ২৪ ও ২৭ ইঞ্চি সংস্করণও আছে—যা ঘনবসতিপূর্ণ বাজারগুলোর জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।

    নতুন টপ-লোড ওয়াশারে AI Direct Drive™ (AI DD™) প্রযুক্তি রয়েছে, যা কাপড়ের ধরনের সঙ্গে ময়লার মাত্রা বিবেচনা করে ধোয়ার গতিবিধি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানিয়ে নেয়। TurboWash™ 3D প্রযুক্তির ফলে সম্পূর্ণ ওয়াশ সাইকেল ৩০ মিনিটের কমে শেষ করা যায় এবং স্বয়ংক্রিয় ডিটারজেন্ট ডিসপেনসার প্রতিটি লোডের জন্য সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে ঐতিহ্যগত অপচয় কমায়।

    এছাড়া LG WashCombo™ একক ইউনিটে ধোয়া ও শুকানোর সুবিধা দেয়, আর Inverter HeatPump™ প্রযুক্তি বিদ্যুতের চাহিদা কমিয়ে সাশ্রয় নিশ্চিত করে—যা বিদ্যুৎ ব্যয়ে সংবেদনশীল বাংলাদেশের মতো বাজারে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

    স্মার্ট ও কমপ্যাক্ট কিচেন সমাধান

    এশিয়ান পরিবারের রান্নাঘরের বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে LG নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেটর উন্মোচন করেছে। Fit & Max ডিজাইনে থাকা Zero Clearance Hinge দেয়ালের সংগে ফাঁক ছাড়াই বিল্ট-ইন লুক দেয় এবং স্টোরেজ ক্ষমতা সর্বোচ্চ করে তোলে।

    LG-এর উন্নত Ice Solution চার ধরনের বরফ তৈরি করতে পারে—Craft Ice™, Cubed, Crushed ও Mini Craft—যা দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়নে কার্যকর।

    ডিশওয়াশার সেগমেন্টে LG এক ঘণ্টার Wash & Dry সাইকেল, QuadWash™ Pro এবং Dynamic Heat Dry+ প্রযুক্তি তুলে ধরেছে, যা দ্রুত ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে বাসনপত্র পরিস্কার করে। উল্লেখ্য, LG-এর গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু মডেলে A গ্রেড এনার্জি এফিসিয়েন্সি অর্জিত হয়েছে।

    AI চালিত স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতা

    প্রদর্শনীতে LG তাদের AI Home Vision প্রদর্শন করেছে, যেখানে ThinQ ON™ AI Home Hub-এর মাধ্যমে বিভিন্ন স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্স ও IoT ডিভাইস একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর দৈনন্দিন কাজগুলো আরও সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করে তোলে। এই প্ল্যাটফর্ম ধাপে ধাপে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে চালু করা হবে।

    LG Subscribe: সাবস্ক্রিপশন ভিত্তিক বৃদ্ধি কৌশল

    এশিয়ায় দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে LG তাদের LG Subscribe সাবস্ক্রিপশন সার্ভিস সম্প্রসারণ করছে। এই সেবায় গ্রাহকরা কিস্তিতে পণ্যভোগের সুবিধা মিলবে এবং নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধাও পাওয়া যাবে—যা বাংলাদেশের মতো বাজারে ভবিষ্যতে ব্যাপক সম্ভাবনা রাখে।

    কোম্পানির বক্তব্য

    LG Electronics Asia Pacific-এর আঞ্চলিক সিইও জেসুং কিম বলেন, “এশিয়া আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুতবর্ধনশীল বাজার। InnoFest 2026 আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ ভিশন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। আমরা স্থানীয় জীবনধারা বিবেচনায় রেখে AI চালিত হোম সল্যুশন এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    LG Home Appliance Solution Company সম্পর্কে

    LG Home Appliance Solution Company (HS) হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও AI-চালিত স্মার্ট হোম সলিউশনে বিশ্বব্যাপী একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। কোম্পানিটি উদ্ভাবনী কোর প্রযুক্তি, শক্তি সাশ্রয়ী ডিজাইন ও টেকসই সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে। আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: www.LG.com/global/newsroom

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে, ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে, ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বাড়েছে। বর্তমানে এটি দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার, যাকে ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার হিসেবে সংসা করা হচ্ছে — তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    মুখপাত্র জানান, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার)। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এই অঙ্কটি উল্লেখ করা হয়েছে ৩ হাজার ২০১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার।

    তুলনামূলকভাবে বলা যায়, আগের মাসের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। সেই সময় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

    এদিকে চলতি এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে প্রবাসীরা মোট ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বর্তমান বাজারে প্রতি ডলারের মূল্য দাঁড়ালে ১২২ টাকায়, এই রেমিট্যান্সের স্থানীয় মূল্য প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি হয়। এই হিসেবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১১ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই তথ্য দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অবস্থার সাম্প্রতিক চিত্র তুলে ধরছে, যেখানে রিজার্ভের ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার ও প্রবাসী আয়ের অব্যাহত প্রবাহ দৃশ্যমান।

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৪ হাজার ৮৭৩ দশমিক ৩২ মিলিয়ন ডলার — যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলারের সমান।

    আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী এ রিজার্ভের পরিমাণ দেওয়া হয়েছে ৩ হাজার ২০১ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার।

    তুলনামূলকভাবে, গত ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার; আইএমএফের বিপিএম-৬ অনুসারে তখন রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।

    অন্যদিকে চলতি এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। একে দেশীয় মুদ্রায় রূপান্তর করলে (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে) এর মূল্য দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকারও বেশি। এই সময়ে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে প্রায় ১১ কোটি ৭ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

  • LG Electronics এশিয়া প্যাসিফিকের জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি কৌশল তুলে ধরল

    LG Electronics এশিয়া প্যাসিফিকের জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি কৌশল তুলে ধরল

    দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে ৭-১০ এপ্রিল আয়োজিত LG InnoFest 2026 APAC এ LG Electronics এশিয়া প্যাসিফিক বাজারের উদ্দেশ্যে তাদের সাম্প্রতিক উদ্ভাবনী হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও ভবিষ্যৎ কৌশল উন্মোচন করেছে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রায় ২০টি দেশের ২০০ এর বেশি ব্যবসায়িক অংশিদার ও গণমাধ্যম প্রতিনিধি অংশ নেওয়া এই ইভেন্টটি LG-এর ২০২৬ InnoFest সিরিজের সমাপনী অঙ্গ ছিল।

    ‘Innovation, Forward Together’ থিম কাঁধে নিয়ে প্রদর্শনীতে LG তুলে ধরেছে কিভাবে স্থানীয় জীবনধারা, আবাসন বাস্তবতা ও ব্যবহারিক চাহিদা মাথায় রেখে সাশ্রয়ী ও প্রযুক্তিনির্ভর হোম সলিউশন তৈরি করা হচ্ছে। অঞ্চলভিত্তিক সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ও K-Tech উদ্ভাবন একসঙ্গে ব্যবহার করে LG স্থানীয় বাজারে কার্যকর ও টেকসই সমাধান সরবরাহের ওপর জোর দিয়েছে।

    কনডেন্সড লন্ড্রি কেয়ার ও স্থাপন সুবিধা

    LG তাদের লন্ড্রি পোর্টফোলিওকে শক্তিশালী করতে নতুন WashTower™ লাইনআপ উন্মোচন করেছে, যা বিশেষ করে এশীয় ঘর ও অ্যাপার্টমেন্টের সংকীর্ণ জায়গায় কাজে দিবে। নতুন ২৫ ইঞ্চি মডেল ছাড়াও ২৪ ইঞ্চি ও ২৭ ইঞ্চি সংস্করণে এই সিরিজ পাওয়া যাবে—যা ঘনবসতিপূর্ণ বাজার, যেমন বাংলাদেশে স্থান সাশ্রয়ের প্রয়োজন মেটাতে সহায়ক।

    নতুন টপ লোড ওয়াশারগুলিতে AI Direct Drive™ (AI DD™) প্রযুক্তি যোগ করা হয়েছে, যা কাপড়ের ধরন ও ময়লার মাত্রা অনুযায়ী নিজে থেকেই ওয়াশ মুভমেন্ট সমন্বয় করে—ফলে কাপড়ের যত্ন ভালো থাকে। TurboWash™ 3D প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৩০ মিনিটেরও কম সময়ে সম্পূর্ণ ওয়াশ সাইকেল শেষ করা সম্ভব, যা ব্যস্ত দৈনন্দিন জীবনের জন্য সময় সাশ্রয়ে বড় সুবিধা। স্বয়ংক্রিয় ডিটারজেন্ট ডিসপেনসার প্রতিটি লোড অনুযায়ী সঠিক পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়, ফলে অপচয় কমে।

    WashCombo™ সিরিজে LG এক ইউনিটেই ধোয়া ও শুকানো করার সুবিধা দিচ্ছে—অতিব্যস্ত পরিবারের জন্য কম জায়গায় পূর্ণ সমাধান। পাশাপাশি Inverter HeatPump™ প্রযুক্তির কারণে বিদ্যুতের ব্যবহার কমে, যা বাংলাদেশসহ বিদ্যুৎ ব্যয় সংবেদনশীল বাজারে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা।

    স্মার্ট ও কমপ্যাক্ট কিচেন সমাধান

    এশীয় পরিবারের রান্নাঘরের স্থান ও ব্যবহারের ধরন বিবেচনায় রেখে LG নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেটর উন্মোচন করেছে। Fit & Max ডিজাইন ও Zero Clearance Hinge দরজার জন্য অতিরিক্ত জায়গা প্রয়োজন করে না—ফলে বিল্ট-ইন লুক বজায় রেখে স্টোরেজ সর্বোচ্চ করা যায়।

    LG-এর উন্নত Ice Solution চার ধরনের বরফের অপশন দেয়—Craft Ice™, Cubed, Crushed ও Mini Craft—যা দৈনন্দিন ব্যবহারের পাশাপাশি অতিথি আপ্যায়নে ব্যবহারিক। ডিশওয়াশার সেগমেন্টে LG এক ঘণ্টার Wash & Dry সাইকেল, QuadWash™ Pro ও Dynamic Heat Dry+ প্রযুক্তি ব্যবহার করে দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর পরিষ্কার নিশ্চিত করছে। উল্লেখ্য, কোম্পানির কিছু প্রধান মডেলে A গ্রেড এনার্জি এফিসিয়েন্সিও অর্জিত হয়েছে, যা বিদ্যুৎ খরচ কমায়।

    AI চালিত স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতা

    প্রদর্শনীতে LG তাদের AI Home Vision বাস্তব সেটআপে উপস্থাপন করে: ThinQ ON™ AI Home Hub-এর মাধ্যমে LG-এর স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্স ও IoT ডিভাইসগুলো একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর দিনচরি আরও স্বয়ংক্রিয় ও সহজ করে তোলে। এই প্ল্যাটফর্মটি ধাপে ধাপে এশিয়ার বিভিন্ন বাজারে চালু হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিস্তৃত সার্ভিস ও সাবস্ক্রিপশন অপশন

    দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে LG তাদের LG Subscribe সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসও সম্প্রসারণ করছে। এ পরিষেবায় গ্রাহকরা কিস্তিভিত্তিক পেমেন্টের সুবিধা পাবে এবং নিয়মিত পণ্য রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধাও পাবেন—যা বাংলাদেশের মতো বাজারে গ্রাহক গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য

    LG Electronics Asia Pacific-এর আঞ্চলিক CEO জেসুং কিম বলেন, “এশিয়া আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও দ্রুতবর্ধনশীল বাজার। InnoFest 2026 আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ ভিশন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ভাগ করে নেওয়ার একটি মূল্যবান প্ল্যাটফর্ম। আমরা স্থানীয় জীবনধারা বিবেচনায় রেখে AI চালিত হোম সলিউশন চালু করে গ্রাহকদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সহজ ও সুবিধাজনক করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

    LG Home Appliance Solution Company সম্পর্কে

    LG Home Appliance Solution Company (HS) হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও AI হোম সলিউশনে বৈশ্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। কোম্পানিটি কোর প্রযুক্তি, শক্তি-সাশ্রয়ী ডিজাইন ও টেকসই সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নত করার দিকে কাজ করছে। আরও তথ্যের জন্য ভিজিট করুন: www.LG.com/global/newsroom/

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার

    দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বাড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বুধবার জানান, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪,৮৭৩.৩২ মিলিয়ন ডলার, যা আনুমানিক ৩৪.৮৭ বিলিয়ন ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ হিসাবপদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ প্রদর্শিত হচ্ছে ৩,২০১.৭১ মিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩.২০ বিলিয়ন ডলার)।

    তুলনায়, গত ৯ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৪.৬৪ বিলিয়ন ডলার; আইএমএফ পদ্ধতিতে তখন তা ছিল ২৯.৯৫ বিলিয়ন ডলার।

    এদিকে চলতি এপ্রিলের প্রথম ১১ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ১২১ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। যদি ১ ডলার = ১২২ টাকা ধরা হয়, এসব রেমিট্যান্সের মোট মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকার বেশি। ওই সময়ে দৈনিক গড় রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ১১ কোটি ৭ লাখ ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী রিজার্ভ ও রেমিট্যান্স উভয় ক্ষেত্রেই ওঠানামা থাকলেও সাম্প্রতিক প্রবাহে রিজার্ভ কিছুটা শক্তিশালী হয়েছে। ব্যাংকিং মহলে ও অর্থনীতির পর্যবেক্ষকরা এই পরিসংখ্যান খুঁটিয়ে দেখছেন।

  • এশিয়া-প্যাসিফিকের জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও বৃদ্ধিকৌশল উপস্থাপন করল LG

    এশিয়া-প্যাসিফিকের জন্য উদ্ভাবনী হোম সলিউশন ও বৃদ্ধিকৌশল উপস্থাপন করল LG

    বিশ্বখ্যাত ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড LG Electronics তাদের ২০২৬ সালের InnoFest সিরিজের সমাপনী ইভেন্ট ‘‘LG InnoFest 2026 APAC’’ কোরিয়ার বুসানে ৭–১০ এপ্রিল আয়োজন করে। এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রায় ২০টি দেশ থেকে ২০০-রও বেশি ব্যবসায়িক পার্টনার ও গণমাধ্যম প্রতিনিধি এতে অংশগ্রহণ করেন। ‘‘Innovation, Forward Together’’ থিমে LG প্রদর্শনীতে দেখিয়েছে কীভাবে স্থানীয় জীবনযাপন, আবাসিক সমস্যা ও ব্যবহারিক চাহিদা বিবেচনায় রেখে প্রযুক্তিনির্ভর হোম সলিউশন তৈরি করা হচ্ছে।

    অনুষ্ঠানে LG তুলে ধরেছে তাদের K Tech উদ্ভাবন এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে মিলিয়ে স্থানীয় বাজারের জন্য বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ এশীয় শহরগুলোর ছোট জায়গা, বিদ্যুতের ব্যয় এবং ব্যবহারিক চাহিদা মাথায় রেখে ডিজাইন করা পণ্যগুলো প্রদর্শিত হয়েছে।

    কাপড় পরিচর্যায় উন্নতি

    LG তাদের লন্ড্রি পোর্টফোলিওকে আরো শক্তিশালী করেছে নতুন WashTower™ লাইনআপে। এশিয়ার ছোট-আকারের ঘর ও অ্যাপার্টমেন্টে উপযোগী নতুন ২৫ ইঞ্চি মডেলসহ ২৪ ও ২৭ ইঞ্চি বিকল্প অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে—সীমিত জায়গায় বেশি সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে।

    নতুন টপ লোড ওয়াশারগুলোতে AI Direct Drive™ (AI DD™) প্রযুক্তি রয়েছে, যা কাপড়ের ধরন এবং ময়লার মাত্রা অনুযায়ী ওয়াশ মুভমেন্ট স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করে। TurboWash™ 3D প্রযুক্তি সম্পূর্ণ ওয়াশ সাইকেলকে ৩০ মিনিটের কম সময়ে শেষ করতে সক্ষম, আর স্বয়ংক্রিয় ডিটারজেন্ট ডিসপেনসার প্রতিটি লোডের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ নির্ধারণ করে দেয়—সব মিলিয়ে সময় ও রসায়নসংক্রান্ত খরচ কমে আসে।

    একই ইউনিটে ধোয়া ও শুকানো সুবিধার জন্য LG WashCombo™ অল-ইন-ওয়ান ওয়াশার-ড্রায়ার উপযোগী সমাধান; আর Inverter HeatPump™ প্রযুক্তি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে কার্যকর—যা বিদ্যুৎ ব্যয় সংবেদনশীল বাজার যেমন বাংলাদেশে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

    স্মার্ট ও কমপ্যাক্ট রান্নাঘর

    এশীয় পরিবারের রান্নাঘরের বাস্তবতা বিবেচনায় LG নতুন প্রজন্মের রেফ্রিজারেটর নিয়ে এসেছে। Fit & Max ডিজাইনের Zero Clearance Hinge দেয়ালের কাছাকাছি থেকে বিল্ট-ইন লুক দেয়ার সাথে কোনো ফাঁক ছাড়া স্টোরেজ ব্যবহার সর্বোচ্চ করে।

    LG-এর উন্নত Ice Solution চার ধরনের বরফ তৈরি করে—Craft Ice™, Cubed, Crushed ও Mini Craft—যা দৈনন্দিন চাহিদা ও অতিথি আপ্যায়ন উভয়েই কাজে লাগে। ডিশওয়াশার সেগমেন্টে এক ঘণ্টায় ওয়াশ ও ড্রাই শেষ করে এমন এক-ঘণ্টার সাইকেল, QuadWash™ Pro এবং Dynamic Heat Dry+ প্রযুক্তি দ্রুত ও স্বাস্থ্যকর পরিষ্কার নিশ্চিত করে। উল্লেখ্য, কিছু গুরুত্বপূর্ণ মডেলে A গ্রেড এনার্জি এফিসিয়েন্সিও অর্জিত হয়েছে।

    AI চালিত স্মার্ট হোম অভিজ্ঞতা

    LG তাদের AI Home Vision দিয়ে দেখিয়েছে কিভাবে ThinQ ON™ AI Home Hub-কে কেন্দ্র করে স্মার্ট অ্যাপ্লায়েন্স ও IoT ডিভাইসগুলো একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ব্যবহারকারীর জীবনকে সহজ ও স্বয়ংক্রিয় করে তুলবে। এই প্ল্যাটফর্ম পর্যায়ক্রমে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে চালু করা হবে।

    বর্ধিত সার্ভিস ও সাবস্ক্রিপশন মডেল

    দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি কৌশলের অংশ হিসেবে LG Subscribe নামের সাবস্ক্রিপশন সার্ভিসও সম্প্রসারণ করছে—যেখানে গ্রাহকরা কিস্তিভিত্তিক পেমেন্টের সুবিধা ছাড়াও পণ্যের রক্ষণাবেক্ষণ সুবিধা পাবেন। এই মডেলটি শিক্ষাহীন বাজারগুলোর জন্য, যেমন বাংলাদেশ, ভবিষ্যতে আকর্ষণীয় হতে পারে।

    কোম্পানির বক্তব্য

    LG Electronics Asia Pacific-এর আঞ্চলিক সি.ই.ও. জেসুং কিম বলেন, ‘‘এশিয়া আমাদের একটি অন্যতম দ্রুতবর্ধনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ বাজার। InnoFest 2026 আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে ভবিষ্যৎ ভিশন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতি শেয়ার করার ভালো একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। আমরা স্থানীয় জীবনধারা বিবেচনায় রেখে AI-চালিত হোম সলিউশনগুলোকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’’

    LG Home Appliance Solution Company সম্পর্কে

    LG Home Appliance Solution Company (HS) হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও AI হোম সলিউশনে বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি। কোম্পানি উদ্ভাবনী কোর প্রযুক্তি, শক্তি সাশ্রয়ী ডিজাইন ও টেকসই সমাধানের মাধ্যমে গ্রাহকদের জীবনমান উন্নয়নে সচেষ্ট। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন: www.LG.com/global/newsroom/

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংসদের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক মূল্য বাড়ায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এতে করে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা করা হয়েছে; মঙ্গলবার এই মূল্য ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

    বাজুস ঘোষিত নতুন মূল্য অনুযায়ী সোনার দাম (প্রতি ভরি) হলো— ২২ ক্যারেট: ২,৫০,১৯৩ টাকা; ২১ ক্যারেট: ২,৩৮,৮২০ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ২,০৪,৭০৩ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ১,৬৬,৭৩৭ টাকা।

    সোনার দামের সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে রুপার নতুন মূল্য (প্রতি ভরি) উল্লেখ করা হয়েছে— ২২ ক্যারেট: ৬,০৬৫ টাকা; ২১ ক্যারেট: ৫,৭৭৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট: ৪,৯৫৭ টাকা; সনাতন পদ্ধতি: ৩,৭৩২ টাকা।

    আন্তর্জাতিক বাজারে কিছুটা উদ্বেগজনক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি—ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা—সোনার মূল্য বাড়ানোর এক কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্বস্ত দরোবজারি সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম এখন ৪ হাজার ৮২৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আগের দিকে—২৯ ও ৩০ জানুয়ারিতে মূল্য ওঠা-নামাও দেখা গেছে; ৩০ জানুয়ারি ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫,৫৫০ ডলারের মতো ওঠাপড়া রেকর্ড করা হয়েছিল।

    গত মাসেই বিশ্ববাজারে সোনার ব্যাপক উত্থানের প্রভাব দেশে পড়েছিল; সেই সময় ২৯ জানুয়ারি একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস এক দেশীয় রেকর্ড দাম ঘোষণা করেছিল, ফলে ভালো মানের এক ভরি সোনার মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজার ও পুরাতন-নতুন দরকে খেয়াল করে প্রয়োজনে আরও দর সমন্বয় করা হবে।

  • ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন ডলার

    ১৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে প্রবাসী প্রেরিত রেমিট্যান্স এসেছে ১,৬০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী এ সংক্রান্ত এটি প্রথমার্ধের মোট পরিমাণ।

    বুধবার (১৫ এপ্রিল) প্রকাশিত ওই আপডেটে দেখা গেছে, বিশেষ করে ১৩ ও ১৪ এপ্রিল দুই দিন মিলিয়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭১ মিলিয়ন ডলার।

    তুলনামূলকভাবে গত বছরের একই সময়즙—অর্থাৎ গত বছরের এপ্রিলের প্রথম ১৪ দিনে—রেমিট্যান্স ছিল ১,২৮৪ মিলিয়ন ডলার। এই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে প্রথম ১৪ দিনের রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়েছে ২৫.২ শতাংশ।

    অন্যদিকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসে দাঁড়িয়েছে ২৭,৮১৬ মিলিয়ন ডলার। একই সময় গত অর্থবছরে এই সংখ্যা ছিল ২৩,০৬৯ মিলিয়ন ডলার, ফলে অর্থবছর ভিত্তিতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ২০.৬ শতাংশ।

    রেমিট্যান্সে এ ধরনের প্রবৃদ্ধি সাধারণত বৈদেশিক মুদ্রা ভাণ্ডার ও গৃহস্থালি আয়কে সহায়তা করে—তাই অর্থনীতির জন্য এটি ইতিবাচক সংকেত বিবেচিত হচ্ছে।

  • বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ালো ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার

    বৈদেশিক রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ালো ৩৪.৬৬ বিলিয়ন ডলার

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, গ্রস রিজার্ভ এখন ৩৪ হাজার ৬৬০.৯৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা প্রায় ৩৪ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার। এই হিসাব ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত সর্বশেষ পরিসংখ্যানের।

    আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ দেখালে পরিমাণ দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৯৭৭.৮৯ মিলিয়ন ডলার। তুলনামূলকভাবে, গত ৯ এপ্রিল গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৬৪৫.০৪ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৯ হাজার ৯৫২.৬৬ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ গত কয়েক দিনে গ্রস রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৫.৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুসারে রিজার্ভ বেড়েছে প্রায় ২৫.২৩ মিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুযায়ী: মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদী দায় (short-term liabilities) বাদ দিলে যেটি বাকি থাকে, সেটিকেই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ বলা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মাপকাঠিতে দেশের রিজার্ভের অবস্থা নিয়মিতভাবে প্রকাশ করে থাকে।

  • দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    দেশে সোনা-রুপার দাম বাড়ল, ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) বুধবার (১৫ এপ্রিল) দেশের বাজারে সোনা ও রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সমিতির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দামে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। এ পরিবর্তনে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়। গতকাল মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) একই মানের সোনার দাম ছিল ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দর 상승ের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়েছে, তাই ভরি ভিত্তিক দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন নির্ধারিত দামের বিবরণে দেখা যায়— ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির (সোনার ঐতিহ্যবাহী মান) প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রুপার দামে теж বাড়তি দেখা গেছে। বাজুস জানিয়েছে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপার ভরি দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে মাঝপ্রস্থ সংকট ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার কারণে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় স্থানীয় বাজারেও ওঠানামা বাড়ছে। জনপ্রিয় বিশ্ববাজার তথ্যসূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৮২৩ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে বছরের শুরুতে গত ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে ওঠানামা দেখা গিয়েছিল।

    উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে তীব্র উত্থানের প্রভাবে রেকর্ড পরিমাণ বাড়তি শুল্ক হিসেবে দেশের বাজারেও এক ধাক্কায় বড় রকমের মূল্যবৃদ্ধি হয়েছিল। ২৯ জানুয়ারি একদিনে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধি করে বাজুস ভালো মানের সোনার মূল্য একবারে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে গিয়েছিল — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ একদিনে বৃদ্ধি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত।

    বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দর ও রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব বজায় থাকলে ঘরের বাজারেও দামের ওঠানামা চলতেই পারে; তাই ক্রেতা-বিক্রেতাদের সর্বশেষ রেট অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।