Category: অর্থনীতি

  • অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না এবং এসব প্রতিষ্ঠান শতভাগ পেশাদারভাবে পরিচালিত হবে। তিনি মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    অনুষ্ঠনায় বিএসআইসির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন সভাপতিত্ব করেন। বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান ও বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কার্যকর হবে না; সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বিনিয়োগ ও পরিচালনায় পুরোপুরি স্বচ্ছতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখা হবে। তিনি জানান, যে পরিমাণ মূলধন নিয়ে এই কোম্পানি যাত্রা শুরু করেছে ভবিষ্যতে তা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং এটি কেবল একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান নয়, বরং দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করে তুলতে একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

    আলোচনা কালে তিনি দেশের তরুণ প্রজন্মের দুইটি প্রধান সমস্যা — তহবিলের অভাব ও জামানত প্রদানের অক্ষমতা — তুলে ধরে বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে এই সমস্যাগুলো কাটিয়ে উঠার পথ তৈরি করা হয়েছে। বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ, দক্ষ ও পেশাদার।

    অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, এই কর্মসূচিটি তাদের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টোর সঙ্গে সুস্পষ্টভাবে সম্পৃক্ত। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে এক কোটির বেশি মানুষের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টিই সরকারের লক্ষ্য। বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতির जरिये গ্রামীণ ও শহরের যুবসমাজকে মূলধারার অর্থনীতির সাথে সংযুক্ত করা হবে।

    পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ পরিবেশের সংস্কার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে আমরা কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় পার করছি। পুঁজিবাজারে সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় ডিরেগুলেশনের দিকে এগোচ্ছি। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারকে শক্তিশালী করতে দক্ষ ব্যক্তিদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দাতৃসংস্থা আমাদের সঙ্গে কাজ করছে।

    মন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের ব্যাংক ও প্রাইভেট সেক্টরের আন্ডার-ক্যাপিটালাইজেশন দূর করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি শুধু ব্যাংকিং খাতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করবে।

    শেষে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পের সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সাপোর্ট দেবেই এবং দেশের কয়েকটি ব্যাংক একত্রে এই ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ নিয়েছে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে।

  • বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে

    বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ এখন দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সুপারিশকৃত বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ হয়েছে ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার — এই তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান সোমবার বিকেলে নিশ্চিত করেছেন।

    মুখপাত্র জানান, বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে সোমবার দেশের রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৫৬ কোটি ৫৬ lakh ৬০ হাজার ডলার (প্রায় ২৯.৫৬ বিলিয়ন)। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজ হিসাব অনুযায়ী মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪২২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার (প্রায় ৩৪.২২ বিলিয়ন)।

    এর আগে রোববার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করে মোট ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ওই বিল পরিশোধের পর আইএমএফভিত্তিক বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৪৭ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার ডলার; ব্যাংকের নিজ হিসাব অনুযায়ী তখন রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪১৪ কোটি ২০ হাজার ডলার।

    তুলনামূলকভাবে দেখতে গেলে, গত ৭ মে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৯৬ কোটি ৪০ হাজার ডলার এবং ব্যাংকের নিজ হিসাব অনুযায়ী ছিল তিন হাজার ৫৬১ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার। এই পরিসংখ্যানগুলো দেখায় রিজার্ভে সাময়িক ওঠা-নামা হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক লেনদেন ও ক্লিয়ারিং বার্তার প্রতিক্রিয়ার প্রভাবকে প্রতিফলিত করে। বাংলাদেশ ব্যাংক সময়সাপেক্ষভাবে দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে চলেছে।

  • বৈদেশিক রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার; আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯.৫৬ বিলিয়ন

    বৈদেশিক রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার; আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯.৫৬ বিলিয়ন

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ এখন ৩৪.২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত বিপিএম‑৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভ দাঁড়ায় ২৯.৫৬ বিলিয়ন ডলার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সময় অনুযায়ী সোমবার বিকেল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী মঙ্গলবার (১১ মে) বিপিএম‑৬ পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৫৬ কোটি ৫৬ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ২৯.৫৬ বিলিয়ন ডলার)। অন্যদিকে একই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪২২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার (প্রায় ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার)।

    এর আগে রোববার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) মার্চ ও এপ্রিলের দুই মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করে, যার পরিমাণ ছিল ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। আকুর এই বিলে পরিশোধ শেষ হওয়ার পর আইএমএফের বিপিএম‑৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ তখন দাঁড়ায় দুই হাজার ৯৪৭ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সেই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪১৪ কোটি ২০ হাজার ডলার।

    তুলনামূলকভাবে বলা যায়, গত ৭ মে বিপিএম‑৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩০.৯৬ বিলিয়ন ডলার (তৎকালীন প্রকাশিত কাগজে উল্লেখ করা হিসাবে তিন হাজার ৯৬ কোটি ৪০ হাজার ডলার) এবং ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল প্রায় ৩৫.৬১ বিলিয়ন ডলার (তথ্য অনুযায়ী তিন হাজার ৫৬১ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার)।

    বিপিএম‑৬ হলো আইএমএফের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী আয়-ব্যয়ের হিসাব করার পদ্ধতি; অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব কিছু সময়তালিকা ও অ্যাকাউন্টিং আইটেমের ভিন্নতার কারণে তা থেকে আলাদা হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই সকল তথ্য সরকারি রেকর্ড ও হিসাবের ভিত্তিতে নিশ্চিত করেছেন।

  • অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ সকল সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না এবং এই ক্ষেত্রগুলো হবে শতভাগ পেশাদার ভিত্তিতে পরিচালিত। তিনি এই কথা বলেন মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।

    অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিএসআইসির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন। এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

    মন্ত্রী বলেন, সরকারের কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ বা প্রভাব এখানে কাজ করবে না; এটি হবে সম্পূর্ণ দক্ষ ও পেশাদার একটি প্রতিষ্ঠান। যে পরিমাণ মূলধন নিয়ে বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি যাত্রা শুরু করেছে, ভবিষ্যতে তা আরও বাড়বে। তিনি এই প্রতিষ্ঠানকে কেবল বিনিয়োগকারী সংস্থা হিসেবে না দেখে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বর্ণনা করেন।

    আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের তরুণ প্রজন্মের বড় দুইটি সমস্যা হলো ফান্ডের অভাব ও জামানত প্রদানের অক্ষমতা। এই উদ্যোগ সেই দুই বাধা দূর করবে। এখানে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে স্বচ্ছ, দক্ষ ও পেশাদার।

    মন্ত্রী আরো বলেন, এই উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টোর সঙ্গে সরাসরি যুক্ত; আমরা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছি। বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমির মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরের তরুণদের অর্থনীতির মূলধারায় আনা হবে।

    আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে বর্তমান সময়কে চ্যালেঞ্জিং বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুঁজিবাজারে সংস্কার ও প্রয়োজনমত ডিরেগুলেশনের দিকে কাজ করা হচ্ছে। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারে দক্ষ ব্যক্তিদের উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। দেশের ব্যাংক ও বেসরকারি খাতের আন্ডার-ক্যাপিটালাইজেশন দূর করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

    অবশেষে মন্ত্রী আশাব্যঞ্জকভাবে বলেন, এই স্টার্টআপ কোম্পানি কেবল ব্যাংকিং খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে। অর্থ মন্ত্রণালয় এই প্রকল্পের সফলতার জন্য সর্বাত্মক নীতিগত সমর্থন দেবে। দেশের কয়েকটি ব্যাংক মিলিতভাবে যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ নিয়েছে, তা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী: আর্থিক খাতে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থাকবে না

    অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আর্থিক খাতসহ দেশের সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক সেক্টরে কোনো ধরনের রাজনৈতিক নিয়োগ বা হস্তক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। তিনি বলেন, এ প্রতিষ্ঠান হবে শতভাগ পেশাদারভিত্তিক—রাজনৈতিক প্রভাব এখানে কাজ করবে না।

    মঙ্গলবার (১২ মে) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে নতুন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ স্টার্টআপ ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি (বিএসআইসি)–এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএসআইসির চেয়ারম্যান মাসরুর আরেফিন সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং বিএবির চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।

    অর্থমন্ত্রী বেঠিকভাবে বলেন, বিএসআইসি যেই মূলধন নিয়ে উদ্বোধন করেছে তা ভবিষ্যতে আরও বাড়বে। এটি শুধু একটি বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান হবে না, বরং দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে দৃশ্যমান ও সমর্থনযোগ্য করে তোলার একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্মের প্রধান দুটি প্রতিবন্ধকতা হলো ফান্ডের ঘাটতি এবং জামানত প্রদানের অক্ষমতা। বিএসআইসি–র মাধ্যমে এই দুইটি বাধা দূর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এখানে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, দক্ষ ও পেশাদার উপায়ে।

    আর্থমন্ত্রী বলেন, এই উদ্যোগটি তাদের রাজনৈতিক ম্যানিফেস্টো’র সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। সরকার ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগিয়ে এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। বিশেষ করে ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বা সৃজনশীল অর্থনীতির মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরের তরুণদের অর্থনীতির মূলধারায় যুক্ত করা হবে।

    পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ পরিবেশ পুনর্গঠনের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে আমরা কঠিন সময় পার করছি; তাই পুঁজিবাজার সংস্কার ও নিয়মের পুনর্বিবেচনা (কিছু ক্ষেত্রে ‘সিরিয়াস ডিরেগুলেশন’)–এ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার ব্যবস্থায় দক্ষ উপদেষ্টাদের নিয়োগ করা হয়েছে এবং দেশি-বিদেশি বড় ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন দাতা সংস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা হচ্ছে।

    মন্ত্রী যোগ করেন, দেশের ব্যাংক ও প্রাইভেট সেক্টরের আন্ডার-ক্যাপিটালাইজেশন দূর করতে সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিএসআইসি কেবল ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি আন্তর্জাতিক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে।

    সমাপ্তিতে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পের সফলতার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে। দেশের কয়েকটি ব্যাংক যৌথভাবে যে ভেঞ্চার ক্যাপিটাল উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, তা দেশের স্টার্টআপ ও অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

  • রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার, আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯.৫৬ বিলিয়ন

    রিজার্ভ দাঁড়ালো ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার, আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯.৫৬ বিলিয়ন

    বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ এখন ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) গ্রহণযোগ্য বিপিএম-৬ হিসাবনীতি অনুসারে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে। সোমবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    মুখপাত্র জানান, আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৫৬ কোটি ৫৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪২২ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

    তিনি আরও বলেন, রোববার এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়ন (আকু) মার্চ ও এপ্রিল মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে ১৫১ কোটি ৪৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার। ওই বিল পরিশোধের পর আইএমএফ পদ্ধতি অনুযায়ী রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল দুই হাজার ৯৪৭ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার ডলার। একই সময় ব্যাংকের নিজ হিসাব ছিল তিন হাজার ৪১৪ কোটি ২০ হাজার ডলার।

    এ ছাড়াও, গত ৭ মে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৯৬ কোটি ৪০ হাজার ডলার; সেই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুসারে মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৫৬১ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিতভাবে রিজার্ভ সংক্রান্ত তথ্য আপডেট করে থাকে এবং আন্তর্জাতিক হিসাবনীতি অনুযায়ী বিভিন্ন উপাদান ভিন্নভাবে গণনা হওয়ায় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব ও আইএমএফ পদ্ধতির মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি সামান্য পরিবর্তিত হলেও, দেশের অর্থনীতির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। রিজার্ভের এই বৃদ্ধি বা কমতি দেশের আমদানি-রফতানি, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং বৈদেশিক ঋণের চাহিদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের কাছে এই সংখ্যাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা দেশের অর্থনৈতিক স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

  • সোনার দামে আবার বিপুল বৃদ্ধি

    সোনার দামে আবার বিপুল বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনার দাম বৃদ্ধি করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এর ফলে, মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি আজ আবার বাড়ে এবং এখন তা দাড়িয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকা, যা গতকাল ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকার চেয়ে অনেক বেশি।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে এবং এই নতুন দাম তাৎক্ষণিকভাবে সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংগঠনের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়াও, অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দামের মধ্যে রয়েছে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২১৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি ১৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    সোনা ছাড়াও, রুপার দামেরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের একটি ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলার ছুঁয়েছে। এর আগে, ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি মূল্য ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা আরও বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছিল।

    বিশ্ববাজারে সোনার দামে এ ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে দেশে দামও রেকর্ড বেশি হয়েছে। বিশেষ করে ২৯ জানুয়ারির সকালে, বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে দেশের বাজারে সোনার দাম এক লাফে পৌঁছায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই দামের বৃদ্ধি কখনোই এত বেশি হয়নি।

  • বাংলাদেশে সোনার মূল্য কমলো, ভরি কত গেল?

    বাংলাদেশে সোনার মূল্য কমলো, ভরি কত গেল?

    বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই পরিবর্তনের ফলে এখন থেকে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা কমে গেছে। এর ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। আগের দিন (৪ মে) এই দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল bansে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    সংগঠনের দাবি, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমায় স্থানীয় বাজারেও দাম হ্রাস পেয়েছে।

    দাম নির্ধারণের জন্য সংস্থাটি বলছে, শীর্ষ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়াও, তালিকার অন্যান্য ক্যারেটের দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২৯১৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    অপর দিকে, সোনার দাম বাড়লেও রুপার মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমান অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    বিশ্ব বাজারে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মধ্যকার সংঘর্ষের ফলে গত কিছু সময় ধরে সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এরপর মূল্য কিছুটা ওঠানামা করে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৫০২ ডলার হয়েছে। আগে এটি ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার (৩০ জানুয়ারি) এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলার পর্যবেক্ষিত হয়েছিল।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৩ কোটি ডলার

    এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৩ কোটি ডলার

    সর্বশেষ এপ্রিল মাসে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খবর হলো, এই সময়ের মধ্যে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর ফলে, গড়ে দিনে দেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গত রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।