Category: অর্থনীতি

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ চ্যানেলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ধরে এ যেন প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকার সমতুল্য। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১৬.২ শতাংশ বেশি ছিল — রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৯ মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময় এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ফলে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স আয় বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেছে।

    মাসভিত্তিক প্রবাসী আয় ছিল যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

  • রেমিট্যান্সের ঢলে উত্থান: ১৯ দিনে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার দেশে এসেছে

    রেমিট্যান্সের ঢলে উত্থান: ১৯ দিনে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার দেশে এসেছে

    চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানান।

    মুখপাত্র জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

    ব্যাংকটির প্রকাশ করা তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    এর আগে গত মার্চে একক মাসে দেশে এসেছে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে highest রেকর্ড ছিল। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে এসেছে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার ও ৩০২ কোটি ৭ লাখ ডলার। ডিসেম্বরে রেমিট্যান্স ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা মার্কেটেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপক্ষে ডলারের বিনিময়হার বেড়ে গেছে, ফলে প্রবাসীরা দেশে টাকা পাঠালে তুলনামূলকভাবে বেশি টাকার পাবার সুযোগ পাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখা ও তদারকি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।

  • রেমিট্যান্সের স্রোত তীব্র: ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের স্রোত তীব্র: ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার, সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য জানিয়েছেন। গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যা year-on-year তুলনায় স্পষ্ট বৃদ্ধি দেখায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। মার্চ মাসে একক মাস হিসেবে রেকর্ডভাবে আসে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    অন্যান্য মাসগুলোতে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ছিল: জানুয়ারি ৩১৭ কোটি ৯ লাখ, ফেব্রুয়ারি ৩০২ কোটি ৭ লাখ, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার।

    মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈদেশিক মুদ্রা বাজারেও প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় স্থানীয় মুদ্রার বিপরীতে ডলারের বিনিময় হার বেড়ে গেছে, ফলে প্রবাসীরা যখন টাকা পাঠাচ্ছেন তখন তুলনামূলকভাবে বেশি টাকাই পাচ্ছেন।

    অর্থনীতিবিদরা জানান, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে তার প্রভাব বাংলাদেশে অর্থনীতিতে পড়তে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্ত অবস্থায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন, যাতে ভবিষ্যতে ছন্দপতন এড়ানো যায়।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে রেমিট্যান্স ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স। এক ডলারের মান ১২৩ টাকা ধরে এ রেমিট্যান্সের মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান রোববার এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এ বার রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ২ শতাংশ।

    ব্যাংকের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় নয় মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। আনুমানিক ভিত্তিতে আলোচ্য সময়ে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যকর উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতি রেমিট্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে চলতি অর্থবছরের মাসগুলোয় রেমিট্যান্সের প্রবাহ ছিল এভাবে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবর ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ডলার এবং মার্চে ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার।

  • এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে দেশে এসেছে ১৮০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স

    এপ্রিলের প্রথম ১৮ দিনে বৈধ চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা — মোট ১৮০ কোটি ডলার। প্রতি ডলার ১২৩ টাকার হারে এটিকে দেশের মুদ্রায় রুপান্তর করলে পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি প্রায় ১৬.২ শতাংশ বেশি, জানায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

    চলতি অর্থবছরের শুরু যাওয়া জুলাই থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। তুলনায় আলোচনা সময়ের রেমিট্যান্স বৃদ্ধি হয়েছে ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি, প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের সুবিধাজনক উন্নতি রেমিট্যান্স বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এসব পদক্ষেপ বৈধ পথে অর্থ প্রবাহ বাড়িয়েছে বলে তারা মনে করেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি অর্থবছরের রেমিট্যান্স প্রবাহ মাসভিত্তিতে ছিল:

    জুলাই — ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার

    আগস্ট — ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার

    সেপ্টেম্বর — ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার

    অক্টোবর — ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার

    নভেম্বর — ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ ডলার

    ডিসেম্বর — ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ ডলার

    জানুয়ারি — ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ ডলার

    ফেব্রুয়ারি — ৩০২ কোটি ডলার

    মার্চ — ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    পরিসংখ্যানগুলো দেখায় যে বছরের প্রথম নয় মাসে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থান আরও মজবুত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • রেমিট্যান্সের প্রবাহ তীব্র: ১৯ দিনে দেশে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    রেমিট্যান্সের প্রবাহ তীব্র: ১৯ দিনে দেশে ২.১৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৯ দিনে দেশে এসেছে ২.১৩ বিলিয়ন বা ২১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এতে দৈনিক গড় প্রবাহ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১১ কোটি ১৯ লাখ ডলার। এই তথ্য সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান।

    মুখপাত্র জানিয়েছেন, গত বছরের একই সময়ে দেশে এসেছিল ১৭১ কোটি ৯০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় এ বছর রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ১৯ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৮৩৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ২০ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি।

    একই সূত্র জানায়, গত মার্চে একক মাস হিসেবে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে—দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ এক মাসের প্রবাহ। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ এবং ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পৌঁড়ায়। ডিসেম্বরে ছিল ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ, অক্টোবরেই ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ এবং সেপ্টেম্বরে ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় মুদ্রার প্রস্তুত বিনিময় হারে উঠানামা হয়েছে। ফলে প্রবাসীরা দেশের কাছে পাঠানো প্রত্যেক ডলারের বিনিময়ে তুলনামূলকভাবে বেশি টাকা পাচ্ছেন, যা রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সহায়ক হয়েছে।

    অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে জানাচ্ছেন, যদি মধ্যপ্রাচ্যের সংকট দীর্ঘায়িত হয় তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় তারা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তভাবে রাখা ও প্রয়োজনীয় নীতি সম্প্রসারণের পরামর্শ দিয়েছেন।

  • এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮০ কোটি ডলার

    এপ্রিল মাসের প্রথম ১৮ দিনে দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন মোট ১৮০ কোটি ডলার। এই পরিমাণ রেমিট্যান্সের মান বিভিন্ন দেশের বিনিময় হার ধরা হলে, প্রতি ডলার ১২৩ টাকায় গণনা করলে টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২২ হাজার ১৪০ কোটি টাকা। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৬.২ শতাংশ বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে (জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত) মোট রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ২ হাজার ৮১৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২ হাজার ৩৪৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, এই সময়ে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মূলত ২০.২ শতাংশ।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পদক্ষেপ, প্রণোদনা ব্যবস্থা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি রেমিট্যান্সের পরিমাণ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের চিত্র দেখা যায়, জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ, নভেম্বর ২৮৮ কোটি ৯৭ লাখ, ডিসেম্বর ৩২২ কোটি ৩৬ লাখ, জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ১৬ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি এবং মার্চে রেকর্ড ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার সংগ্রহ হয়েছে।

  • এসএসসি পরীক্ষা এখনই: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র সম্পর্কিত জরুরি নির্দেশনা

    এসএসসি পরীক্ষা এখনই: সিসি ক্যামেরা ও প্রশ্নপত্র সম্পর্কিত জরুরি নির্দেশনা

    আসন্ন এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ এবং নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, কেন্দ্রগুলোকে সিসি ক্যামেরার সংক্রান্ত তথ্য এবং প্রশ্নপত্র গ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য দ্রুত পাঠানোর জন্য বলা হয়েছে। কথাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অত্যাবশ্যকীয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    রোববার, ১৯ এপ্রিল, বোর্ডের একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, সিসি টিভির আইডি ও পাসওয়ার্ড, পাশাপাশি যারা প্রশ্নপত্র গ্রহণ করবেন তাদের নাম, ঠিকানা এবং মোবাইল নম্বর [email protected] এই ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে। এ ছাড়া, প্রশ্নপত্র গ্রহণের জন্য যে শিক্ষক ও কর্মচারীরা যুক্ত থাকবেন, তাদেরও এই তথ্যে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

    উপযুক্ত সময়ের মধ্যে এই তথ্য পাঠানোর জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, অর্থাৎ আজ রোববার অফিস সময়ের মধ্যে নির্ধারিত ই-মেইলে এসব তথ্য পাঠাতে হবে।

    শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী, এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার শুরু হবে আগামী ২১ এপ্রিল। প্রথম দিনে বাংলা প্রথমপত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২০ মে। এরপর, ৭ জুন থেকে শুরু হয়ে চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা।

    অতএব, এই নির্দেশনা মানা এবং সময়মতো প্রয়োজনীয় তথ্য পাঠানো অত্যন্ত জরুরি, যেন সব কিছু সুষ্ঠুভাবে ও সততার সঙ্গে সম্পন্ন হয়।

  • সৌজন্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ চুক্তি এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের

    সৌজন্যে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ চুক্তি এসএমই ফাউন্ডেশন ও প্রাইম ব্যাংকের

    দেশের শিল্প খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করতে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং প্রাইম ব্যাংক। তারা একত্রিত হয়ে ক্ষুদ্র, মাইক্রো এবং মাঝারি (CMSME) শিল্পের উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে স্বল্প সুদে ঋণ দেওয়ার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো, সরকারের ৩০০ কোটি টাকার ‘রিভলভিং ফান্ড’-এর আওতায় এবং ক্রেডিট হোলসেলিং নির্দেশনা অনুসারে, তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও गतিশীল করা। রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি শিল্প উন্নয়নের জন্য সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য একটি ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করা আমাদের অগ্রাধিকার।

    চুক্তির বাস্তবায়নের মাধ্যমে, প্রাইম ব্যাংক যোগ্য উদ্যোক্তাদের বার্ষিক সর্বোচ্চ ৮ শতাংশ সুদে স্বল্পমূল্যের ঋণ দেবে। এই অর্থায়নের সুবিধা খুবই সহজ, যেখানে প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী ১ লক্ষ টাকা থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মূলধন সংগ্রহে আর্থিক চাপ কমাতে এই কর্মসূচিতে ঋণের পরিশোধের সময়সীমা রাখা হয়েছে সর্বোচ্চ চার বছর, যার মধ্যে রয়েছে ছয় মাসের একটি গ্রেস পিরিয়ড। ফলে উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা থেকে মুনাফা অর্জনের পরপরই কিস্তি পরিশোধ শুরু করতে পারবেন।

    এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো অর্থনৈতিক বিস্তার ও সমাজে সমতা নিশ্চিত করা। চুক্তি অনুযায়ী, তহবিলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নারী উদ্যোক্তা, নির্দিষ্ট শিল্প ক্লাস্টার ও তরুণ উদ্ভাবকদের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি আইসিটি খাতের উদ্ভাবক, আমদানি-প্রতিকল্প পণ্য উৎপাদনকারী, ও জলবায়ু সংকটপ্রবণ বা সুবিধাবঞ্চিত অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। ১০ লক্ষ টাকার ভেতরে কোনও জামানত বা স্থাবর সম্পত্তির বাধ্যবাধকতা থাকছেনা, ফলে যারা পর্যাপ্ত সম্পদ নেই, তারাও সহজে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় মূলধন সংগ্রহ করতে পারবেন।

    অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই তহবিলের প্রভাব নিয়ে রয়েছে উচ্ছ্বাস ও আশাবাদ ব্যক্ত করেছে এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা এবং প্রাইম ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই কর্মসূচি কেবল ঋণ দেওয়া পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে টেকসই শিল্পায়নের পাশাপাশি, দেশের বাইরে থেকে ফেরত আসা অভিবাসীদের উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করার লক্ষ্যেও কাজ করছে।

    প্রাইম ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম নাজিম এ. চৌধুরী এবং এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই অংশীদারিত্ব কেবল কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে না, বরং বাংলাদেশের সিএমএসএমই খাতের সামগ্রিক সক্ষমতাকেও আরও জোরদার করবে।

  • প্রবাসী আয়ে ফের রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    প্রবাসী আয়ে ফের রিজার্ভ ছাড়ালো ৩৫ বিলিয়ন ডলার

    গত মার্চ মাসে রেকর্ড পরিমাণ প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে, যা অর্থনীতির জন্য খুবই ইতিবাচক সংকেত। এই ধারা চলতি এপ্রিলেও অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয় বা রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৫ বিলিয়ন ডলারের ওপর উঠে গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ০৪ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। এই হিসাবের মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ৩০ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। এক মাস আগে, অর্থাৎ ১৬ মার্চ, এই রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার, যা থেকে জানুয়ারি মাসের তুলনায় প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে, সমস্ত রিজার্ভ ব্যবহারযোগ্য নয়। স্বল্পমেয়াদি দায় ও অন্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে নিট বা প্রকৃত ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ থাকে, সেটিই দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক এই ব্যবহারের যোগ্য রিজার্ভ হিসেবে বর্তমানে প্রায় ২৭ বিলিয়ন ডলার দেখায়। সাধারণত, দেশের মোট আমদানি ব্যয় কমপক্ষে তিন থেকে পাঁচ মাসের জন্য এই রিজার্ভ ধরে রাখা নিরাপদ বিবেচিত। অতীতে রিজার্ভ চাপে পড়ে ১৪ বিলিয়ন ডলার নিচে নেমে গেলেও, বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে সেগুলো আবার বৃদ্ধি পায়। ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর, নতুন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি কমিয়ে দেন এবং হুন্ডি ও অর্থপাচার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেন। এর ফলে, রিজার্ভ ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রবাসী আয় বাড়ার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং রিজার্ভ আবারো সুদৃঢ় হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, ডলার উদ্ধারের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজন অনুযায়ী ডলার কিনছে, যা রিজার্ভের পরিমাণ বজায় রাখতে সহায়ক। তিনি সতর্ক করে বলেন, ডলারের দাম খুব বেশি কমে গেলে প্রবাসী আয়ের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ২০২১ সালের আগস্টে বাংলাদেশের রিজার্ভ ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলার, পরে ঋণ ও অর্থপাচারসহ নানা কারণে কমে গিয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সময়, রিজার্ভ অর্ধেকের বেশি কমে ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে নেমে যায়। তখন ডলার মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয়, এবং ডলার মূল্যে একশো টাকার ওপর উঠে যায়। অর্থনীতির সামাল দিতে তখন বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তবে সরকারের নতুন উদ্যোগে, বাজারভিত্তিক ডলার বিনিময় ব্যবস্থা এবং প্রবাসী আয় বৃদ্ধির জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এসব কারণে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে, যা রিজার্ভ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করছে। চলতি এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে, দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ১৭৯ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১.৫% বেশি। গত বছরের প্রথম ১৫ দিনে মোট প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিল ১৪৭ কোটি ডলার। এই উন্নতি দেখে বেশিরভাগ বিশ্লেষক মনে করছেন, প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে দেশের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক এই সময়ে, অর্থাৎ চলতি অর্থবছরে, বিভিন্ন ব্যাংক থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫৬১ কোটি ডলার ডলার কিনেছে, যা রিজার্ভের পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক মার্কেটের বিভিন্ন অস্থিরতা, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের উত্তেজনা ও জ্বালানি তেলের দাম ওঠানামা, এসব পরিস্থিতিতে রিজার্ভ বৃদ্ধির বিষয়টি বাংলাদেশসহ বিশ্লেষকদের জন্য বেশ স্বস্তিদায়ক বলে মনে করা হচ্ছে।