Category: অর্থনীতি

  • আবার বেড়েছে সোনার দাম

    আবার বেড়েছে সোনার দাম

    টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সংগঠন জানায়, সর্বোচ্চ এক ভরিতে দাম ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট সোনার দর গতকের তুলনায় বাড়ে এবং নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বাজুস বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে। তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক মূল্যের বাড়তি প্রভাব সামলাতে স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    বেধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির মূল্য এখন ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা; ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা; ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বাজুস বলেছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল অঞ্চলে উত্তেজনার পর থেকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪,৭০০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ছিল ৫,৫৫০ ডলার।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম তীব্রভাবে বাড়ায় দেশে দামও রেকর্ড পরিমাণে উঠেছিল। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়ানোর পর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম তখন পৌঁকে গিয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ওই সময়ে একধাপে এত বেশি মূল্যবৃদ্ধি আগে কখনো দেখা যায়নি।

  • সোনার দাম কমলো—প্রতি ভরি এখন কত?

    সোনার দাম কমলো—প্রতি ভরি এখন কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার সকালে দেশের বাজারে সোনার দর কমানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত নামানো হয়েছে এবং নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেটের সবচেয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৪০,৩৩৭ টাকা। এটি করোনার পূর্ববর্তী দিন হিসেব করা গেলে গতকাল সোমবার (৪ মে) যে দাম ছিল—সেই মূল্য ছিল ২,৪২,৪৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এখন ২,২৯,৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১,৯৬,৬৫৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১,৬০,১৪৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে—২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রয়েছে ৫,৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪,৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি দাম ৩,৩৮৩ টাকা।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও গত কিছু সময়ে সোনা ও রুপার দর ওঠানামা করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনার ফলে আগে সোনার দাম বাড়তি চাপ পেয়েছিল, পরে হয়ত সমন্বয়ের মাধ্যমে দর নেমে এসেছে। বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৫০০ ডলারে; তুলনায় ৩০ জানুয়ারি ও ২৯ জানুয়ারি আগে এটি ছিল যথাক্রমে ৫,২০০ ও ৫,৫৫০ ডলার।

  • বাজুসের ঘোষণা: টানা দ্বিতীয়বার বাড়ল সোনার দাম

    বাজুসের ঘোষণা: টানা দ্বিতীয়বার বাড়ল সোনার দাম

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বার সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ এক ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়। গতকাল এই দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ফলে এক দিনে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।

    অন্য কেটাগরিগুলোতে নির্ধারিত দামগুলো হলো: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরিতে দুই লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরিতে দুই লাখ ২১৩ টাকা (প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত অনুসারে) এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হিসেবে এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে 최근 ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার কারণে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশীয় দরও ওঠানামা করছে। বিশ্ববাজার ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলার। সূত্রে আরও বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে আগে ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছিল।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড মাত্রায় বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছিল। ২৯ জানুয়ারি একবারে প্রতি ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানোর পর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম একসময় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—এখানেই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দেখা গিয়েছিল।

  • সোনার দাম কমল, প্রতি ভরি এখন কত?

    সোনার দাম কমল, প্রতি ভরি এখন কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি ভরি সোনারের দাম সর্বোচ্চ ২,২৫৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে।

    সংগঠনটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম সোমবার (৪ মে) ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা; এখন তা নেমে এসেছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকায়। নতুন এই দর মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বেঁধে দেওয়া দর অনুসারে অন্যান্য মানের সোনার দামগুলো হল: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    রুপার দাম এই সমন্বয়ে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা; ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও সোনার বাজার ওঠানামা করছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়তে থাকলেও পরে স্বল্পটা মানিয়ে নেওয়া হয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪,৫০০ ডলারে নেমে এসেছে। এর আগের দিকে এই দাম ছিল বেশি — ৩০ জানুয়ারি প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ছিল প্রায় ৫,৫৫০ ডলার।

  • বাংলাদেশে সোনার দাম কমলো, ভরি কত?

    বাংলাদেশে সোনার দাম কমলো, ভরি কত?

    বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। अब থেকে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি দাম কমে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায়। গত সোমবার (৪ মে) এ দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়, এবং নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম কমানোর ফলে দেশের বাজারে সোনার দামও হ্রাস পেয়েছে। বেঁধে দেওয়া নতুন দাম অনুসারে, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি দাম নির্ধারণ করা হয় দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার জন্য একভরি দাম ঠিক করা হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা। তবে, অন্যান্য ধরণের সোনার মূল্য বাড়লেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম নির্ধারিত হয় ৩ হাজার ৩৮৩ টাকায়। বিশ্ব বাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাসেলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়। তবে পরবর্তীতে মূল্য সামঞ্জস্যের মাধ্যমে দাম ওঠানামা করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারের তথ্যমতে, এখন বিশ্বের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুসারে, প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫০০ ডলারে। এর আগের বছরের জানুয়ারি মাসে এটি ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, আর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে তা চলে গিয়েছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১২ কোটি ডলার

    এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১২ কোটি ডলার

    সদ্য বিদায়ী এপ্রিল মাসে দেশে এসেছে মোট ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। প্রতিদিন গড়ে এই রেমিট্যান্স পাঠের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলারের বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিলে বাংলাদেশে প্রবাসীরা মোট তিন বিলিয়ন বা ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এ মাসের ২৯ দিনে দেশের মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা দৈনিক গড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আরিফ হোসেন খান জানান, এপ্রিলে প্রথম ২৯ দিনে প্রবাসীরা মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যেখানে শুধু ২৯ এপ্রিলেই এসেছে ৯৪ কোটি ডলার। গত বছর একই সময়ে (এপ্রিল, ২০২৫) দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    এর আগে, মার্চ মাসে দেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল, যখন এই মাসে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে।

    এছাড়াও, বছরের শুরুতেই জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স তিন বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। জানুয়ারিতে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র: বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ‘ড্র’ সম্পন্ন হয় বুধবার (৩০ এপ্রিল)। এই ড্র৩ অংকের সিরিজের জন্য মোট আটটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়, যার প্রথম পুরস্কার ছিল ছয় লাখ টাকার জন্য, বিজয়ী সিরিজের নম্বর হলো ০০০১০৩৫। দ্বিতীয় পুরস্কার পাওয়া হয় ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকার জন্য, এবং নম্বরটি ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে চূড়ান্ত হয় প্রত্যেক ৫০ হাজার টাকার দুটি নম্বর—০৫৩৮২৮৯ এবং ০৬৭৫৩৮২। পাশাপাশি চতুর্থ পুরস্কার হিসেবে চারটি নম্বরের জন্য ৫০ হাজার টাকার ঘোষণা হয়েছে, এগুলো হলো ০৪০০৪৫১, ০৫৬৭৬৪৪, ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪।

    এ ড্র অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরাফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সম্মেলন কক্ষে। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

    প্রচলনযোগ্য ১০০ টাকার মোট ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি সিরিজ এবার পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়। এই ড্রটি একক সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর নির্ধারণ করা হয়। নির্বাচিত সিরিজের তালিকা যেমন কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গথ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ এবং ঘচ—এই সব সিরিজ এই ড্র’য়ে স্থান পেয়েছে।

    তাছাড়া, পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকার পুরস্কার জিতেছেন মোট ৪০ জন বিজয়ী, যাদের নম্বরগুলো হলো ০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ০৭৫৯৯০৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪৫৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫۰১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩ এবং ০৯৪৭৬৬৫। বিজয়ীদের মধ্যে এই নম্বরগুলো উপস্থিত থাকায় তারা তাদের ভাগ্য পরীক্ষা করে পুরস্কার পেলেন।

  • সোনার দাম আবার বৃদ্ধি পেলো

    সোনার দাম আবার বৃদ্ধি পেলো

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে, উচ্চ মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি আজ আবার বেড়ে ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় পৌঁছে গেল, যা গতকাল ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানায় এবং নতুন এই দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে স্থানীয় বাজারে এই দামের সমন্বয় সাধন করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম হয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ২১৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার জন্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    এছাড়াও, রুপার দামের ক্ষেত্রেও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৭২৪ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বিশ্ববাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী চলেছে। এরপর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের ওঠানামা দেখা গেছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলার পৌঁছেছে। গত জানুয়ারির শেষের দিকে আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, এবং ২৯ জানুয়ারি এটিเพิ่ม হয়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলার হয়েছিল।

    আগের মাসের শেষ দিকে বিশ্ববাজারে সোনার মূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পায়, যার কারণে দেশের বাজারে মূল্য রেকর্ড পরিমাণ বাড়ে। ২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস এক পর্যায়ে ভরিপ্রতি সোনার দাম ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে দেয়, ফলে উচ্চ মানের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এটি একসময় অপ্রত্যাশিতভাবে সবচেয়ে বড় বৃদ্ধি ছিল।

  • সোনার দাম আবার বাড়ল

    সোনার দাম আবার বাড়ল

    টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি বলেছে, সর্বোচ্চ প্রতি ভরি দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

    বাজুসের দেওয়া নতুন তালিকা অনুযায়ী ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম এখন ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। গতকালের দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এই পরিবর্তন বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে, বলে সমিতি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

    সমিতি জানায়, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দামের উত্থানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। নির্ধারিত নতুন দামের কাতারে অন্যান্য মানের সোনার দরগুলো এভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রূপা ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা করা হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে চলমান উত্তেজনা—ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহিংস সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে—স্বর্ণের দর ঊর্ধ্বমুখী থাকতে শুরু করে। আন্তর্জাতিক ভ্যালু ট্র্যাকিং সাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪ হাজার ৭০০ ডলারে উঠেছে। আগে ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি সেটি ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার, যা দাম ওঠানামার প্রেক্ষাপট দেখায়।

    গত মাসের শেষ দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ডগতভাবে দর বেড়ে যায়। ২৯ জানুয়ারি সকালে বাজুস একবারে প্রতি ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা পর্যন্ত ওঠানামা করায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছিল।

    বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত ওঠানামা থাকায় স্থানীয় বাজারেও মুহূর্তে দর বদলে যেতে পারে; তাই ক্রেতা-বিক্রেতাদের সাবধানতা অবলম্বন করা উচিৎ।