সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি সামান্য পরিবর্তিত হলেও, দেশের অর্থনীতির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। রিজার্ভের এই বৃদ্ধি বা কমতি দেশের আমদানি-রফতানি, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং বৈদেশিক ঋণের চাহিদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকারের কাছে এই সংখ্যাগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা দেশের অর্থনৈতিক স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
Category: অর্থনীতি
-

সোনার দামে আবার বিপুল বৃদ্ধি
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনার দাম বৃদ্ধি করার ঘোষণা দিয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। এর ফলে, মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি আজ আবার বাড়ে এবং এখন তা দাড়িয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকা, যা গতকাল ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকার চেয়ে অনেক বেশি।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে এবং এই নতুন দাম তাৎক্ষণিকভাবে সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। সংগঠনের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়াও, অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দামের মধ্যে রয়েছে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২১৩ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি ১৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
সোনা ছাড়াও, রুপার দামেরও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২২ ক্যারেটের একটি ভরি রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশ্ববাজারে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলার ছুঁয়েছে। এর আগে, ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি মূল্য ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা আরও বেড়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে দাঁড়িয়েছিল।
বিশ্ববাজারে সোনার দামে এ ধারাবাহিক বৃদ্ধির ফলে দেশে দামও রেকর্ড বেশি হয়েছে। বিশেষ করে ২৯ জানুয়ারির সকালে, বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে দেশের বাজারে সোনার দাম এক লাফে পৌঁছায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই দামের বৃদ্ধি কখনোই এত বেশি হয়নি।
-

বাংলাদেশে সোনার মূল্য কমলো, ভরি কত গেল?
বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই পরিবর্তনের ফলে এখন থেকে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা কমে গেছে। এর ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪০ হাজার টাকায় নেমে এসেছে। আগের দিন (৪ মে) এই দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল bansে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে। নতুন দাম আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
সংগঠনের দাবি, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমায় স্থানীয় বাজারেও দাম হ্রাস পেয়েছে।
দাম নির্ধারণের জন্য সংস্থাটি বলছে, শীর্ষ মানের ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এছাড়াও, তালিকার অন্যান্য ক্যারেটের দাম হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২৯১৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারণ হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।
অপর দিকে, সোনার দাম বাড়লেও রুপার মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমান অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।
বিশ্ব বাজারে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মধ্যকার সংঘর্ষের ফলে গত কিছু সময় ধরে সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী ছিল। এরপর মূল্য কিছুটা ওঠানামা করে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪ হাজার ৫০২ ডলার হয়েছে। আগে এটি ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার (৩০ জানুয়ারি) এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলার পর্যবেক্ষিত হয়েছিল।
-

এপ্রিলে রেমিট্যান্স এসেছে ৩১৩ কোটি ডলার
সর্বশেষ এপ্রিল মাসে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খবর হলো, এই সময়ের মধ্যে দেশে এসেছে ৩১২ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এর ফলে, গড়ে দিনে দেশে প্রবাহিত হচ্ছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান গত রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
-

এপ্রিলের ২৯ দিনে প্রবাসী আয় ৩ বিলিয়নে পৌঁছেছে
চলতি এপ্রিলে দেশে ২৯ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার (৩১.৭৫ বিলিয়ন ডলার) রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, দিনপ্রতি গড়ে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন প্রায় ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানিয়েছেন, এ মাসের প্রথম ২৯ দিনে মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহিত হয়েছে দেশের অর্থনীতিতে। বিশেষ করে ২৯ এপ্রিল alone, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৯৪ কোটি ডলার, যা এ মাসের মধ্যে স্বরূপ গুরুত্বপূর্ণ। তুলনা করে দেখা যায়, গত বছর একই সময়ে (অপ্রেীল ২০২৫) দেশে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এর আগে, মার্চ মাসে দেশের রেকর্ড ভেঙে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স পাঠানো হয়েছে। ওই সময়, মার্চের ৩১ দিনে মোট ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার বা ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন।
আরো উল্লেখ্য, এই বছরের শুরুতেই জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও রেকর্ড করেছেন। জানুয়ারিতে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার। এই ধারাবাহিক প্রবাহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
-

আবার বাড়ল সোনার দাম: ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৪,৭১১ টাকা
টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত মূল্য বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম বেড়ে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা হয়েছে; যা গতকাল ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।
সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এই সমন্বয় করা হয়েছে। বেধে দেওয়া মূল্যের অনুযায়ী অন্যান্য ক্যারেট অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়েছে—২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২,০০,২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
সোনার সঙ্গে রুপার দামও সমন্বয় করা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার এক ভরির দাম নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার এক ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।
বিশ্ববাজারে রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সোনার দর গত কয়েক মাসে ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৪ হাজার ৭০০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি এক পর্যায়ে ৫ হাজার ৫৫০ ডলার নজিরিত হয়েছিল।
উল্লেখ্য, গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দর দ্রুত বাড়ায় দেশের বাজারেও রেকর্ড বৃদ্ধির দেখা মিলেছিল—২৯ জানুয়ারি সকালেই বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নির্ধারণ করেছিল, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ হিসেবে রেকর্ড হয়।
-

সোনার দাম কমল — প্রতি ভরির নতুন মূল্য কত?
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে যে দেশীয় বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবার সর্বোচ্চ প্রতি ভরিতে ২,২৫৮ টাকা পর্যন্ত মূল্যহ্রাস করা হয়েছে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমায় স্থানীয় বাজারেও দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাই পুরোভাগে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার ভরির মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ২,৪০,৩৩৭ টাকা—যা সোমবার (৪ মে) ছিল ২,৪২,৪৯৫ টাকা।
অন্যান্য কেটের সোনার নতুন দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২,২৯,৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ১,৯৬,৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১,৬০,১৪৭ টাকা।
রুপার দাম এই রাউন্ডে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। বেঁধে দেওয়া দাম অনুযায়ী ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম ৫,৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪,৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩,৩৮৩ টাকা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটও মূল্য ওঠানামায় প্রভাব ফেলেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রভাবে প্রথমে সোনার বৈশ্বিক মূল্য ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল; পরে দর সমন্বয়ের সঙ্গে তা ওঠানামা করছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪,৫০০ ডলারে নেমে এসেছে। আগের দিকে ৩০ জানুয়ারি এটি ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ছুঁয়েছিল ৫,৫৫০ ডলার।
বাজুসের এই দাম প্রচলিত রেট হিসেবে চলবে, যা স্থানীয় জুয়েলারি ও বাজারে কেনাবেচার নির্দেশিকা হিসেবে বিবেচিত হবে।
-

আবার বেড়েছে সোনার দাম
টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সংগঠন জানায়, সর্বোচ্চ এক ভরিতে দাম ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ২২ ক্যারেট সোনার দর গতকের তুলনায় বাড়ে এবং নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হবে। তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক মূল্যের বাড়তি প্রভাব সামলাতে স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।
বেধে দেওয়া দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির মূল্য এখন ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লক্ষ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেট প্রতি ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা; ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা; ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।
বাজুস বলেছে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল অঞ্চলে উত্তেজনার পর থেকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে বর্তমানে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪,৭০০ ডলারে পৌঁছেছে। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ছিল ৫,৫৫০ ডলার।
গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম তীব্রভাবে বাড়ায় দেশে দামও রেকর্ড পরিমাণে উঠেছিল। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬,২১৩ টাকা বাড়ানোর পর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম তখন পৌঁকে গিয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ওই সময়ে একধাপে এত বেশি মূল্যবৃদ্ধি আগে কখনো দেখা যায়নি।
-

সোনার দাম কমলো—প্রতি ভরি এখন কত?
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার সকালে দেশের বাজারে সোনার দর কমানো হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, বিভিন্ন ক্যারেটের সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত নামানো হয়েছে এবং নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেটের সবচেয়ে ভালো মানের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৪০,৩৩৭ টাকা। এটি করোনার পূর্ববর্তী দিন হিসেব করা গেলে গতকাল সোমবার (৪ মে) যে দাম ছিল—সেই মূল্য ছিল ২,৪২,৪৯৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি এখন ২,২৯,৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১,৯৬,৬৫৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১,৬০,১৪৭ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমায় স্থানীয় বাজারে মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে—২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম রয়েছে ৫,৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪,৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি দাম ৩,৩৮৩ টাকা।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও গত কিছু সময়ে সোনা ও রুপার দর ওঠানামা করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যকার উত্তেজনার ফলে আগে সোনার দাম বাড়তি চাপ পেয়েছিল, পরে হয়ত সমন্বয়ের মাধ্যমে দর নেমে এসেছে। বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী এখন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৫০০ ডলারে; তুলনায় ৩০ জানুয়ারি ও ২৯ জানুয়ারি আগে এটি ছিল যথাক্রমে ৫,২০০ ও ৫,৫৫০ ডলার।
-

বাজুসের ঘোষণা: টানা দ্বিতীয়বার বাড়ল সোনার দাম
বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বার সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ এক ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নতুন মূল্য আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকায়। গতকাল এই দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ফলে এক দিনে দাম বেড়েছে ২ হাজার ২১৬ টাকা।
অন্য কেটাগরিগুলোতে নির্ধারিত দামগুলো হলো: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরিতে দুই লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরিতে দুই লাখ ২১৩ টাকা (প্রতিটি ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত অনুসারে) এবং সনাতনী পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা।
সোনার পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। নির্ধারিত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের হিসেবে এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতনী পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে 최근 ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার কারণে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী থাকায় দেশীয় দরও ওঠানামা করছে। বিশ্ববাজার ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৭০০ ডলার। সূত্রে আরও বলা হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে আগে ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছিল।
গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম দ্রুত বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড মাত্রায় বৃদ্ধির ঘটনা ঘটেছিল। ২৯ জানুয়ারি একবারে প্রতি ভরিতে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়ানোর পর ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম একসময় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—এখানেই দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দেখা গিয়েছিল।
