Category: অর্থনীতি

  • প্রতি ভরিতে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ: ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    প্রতি ভরিতে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ: ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে — প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বর্ষায় পৌঁছেছে। ফলস্বরূপ সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে গিয়ে এক ভরিতে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকায়।

    বাজুস মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানিয়েছেন, নতুন দাম ২১ জানুয়ারি বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দর সম্পর্কিত চিকিৎসিত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪৭৪৫ ডলারের ওপরে পৌঁছেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এইভাবে — ২২ ক্যারেটের একটি ভরির দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    রূপার দামও একই সঙ্গে বেড়েছে। নতুন হিসেবে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বাজার ও গ্রাহকদের জন্য এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে বাজার পূর্ণদৃষ্টি রাখার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

  • কাস্টমস ডিউটি কমল, মোবাইল ফোনের দামও কমার সম্ভাবনা

    কাস্টমস ডিউটি কমল, মোবাইল ফোনের দামও কমার সম্ভাবনা

    গ্রাহক এবং দেশীয় উৎপাদকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি কমিয়ে ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় মোবাইল সংযোজনকারীদের জন্য উপকরণ আমদানির শুল্কও ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    এনবিআর ওই সংশোধনী সম্পর্কিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জারি করেছে বলে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ জানিয়েছেন।

    এনবিআর জানিয়েছে, মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান শুল্ক ২৫% থেকে ১০% হওয়ায় ওই শুল্কে মোট ৬০ শতাংশ হ্রাস এসেছে। একইভাবে মোবাইল ফোন সংযোজনকারীদের উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ১০% থেকে ৫% হওয়ায় সেখানে প্রযোজ্য শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে।

    এই শুল্ক হ্রাস বাস্তবায়িত হলে বাজারে প্রভাব পড়ার হিসাব অনুযায়ী, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যবাহী সম্পূর্ণ আমদানি করা প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা কমতে পারে। আর ৩০ হাজার টাকার ওপরে দেশের মধ্যে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমবে বলে এনবিআর জানিয়েছে।

    সরকার আশা করছে, আমদানি ও সংযোজনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য শুল্ক হ্রাসের ফলে সব ধরণের মোবাইল ফোনে মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল সেবা গ্রহন আরও সহজ হবে। এছাড়া স্থানীয় মোবাইল সংযোজন শিল্পও বিরূপ প্রতিযোগিতা থেকে মুক্ত থাকবে।

    এনবিআর জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

  • ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনা: প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনা: প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির ফলে ভালো মানের সোনার দামের হার ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে—এক ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকায়।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন এই দর কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে। বাজুস মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই স্থানীয় বাজারে মূল্য বাড়ছে। বিশ্বস্ত সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ে এবং প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪,৭৪৫ ডলারের ওপরে গেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী ভরের দামের তালিকা হলো:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৪৪,১২৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৩২,৯৮৮ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ১,৯৯,৭৪৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির: ১,৬৩,৮২১ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রূপার নতুন মূল্য হলো:

    – ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি: ৬,৫৯০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি: ৫,২৯৯ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি: ৫,৪২৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি: ৪,০৮২ টাকা

    বাজারে এই পরিবর্তন ক্রেতা ও স্বর্ণবিক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। যারা বিনিয়োগ বা গহনা কেনাবেচা করছেন, তাদের কাছে নতুন এই দর বিবেচনায় রাখা জরুরি।

  • মোবাইল আমদানিতে কাস্টমস শুল্ক কমলো, ফোনের দাম কমার আশা

    মোবাইল আমদানিতে কাস্টমস শুল্ক কমলো, ফোনের দাম কমার আশা

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানি ও দেশীয় সংযোজন শিল্পের জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি কমিয়েছে, যা বাজারে ফোনের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

    এনবিআর মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছে। একই সঙ্গে দেশীয় মোবাইল সংযোজনকারীদের জন্য উপকরণ আমদানিতে ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নেয়া হয়েছে।

    এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

    এনবিআর জানান, মোবাইল ফোন আমদানিতে বিদ্যমান শুল্কের পরিমাণ আপেক্ষিকভাবে ৬০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে সংযোজনকারীদের উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যাতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে।

    প্রজ্ঞাপনের প্রভাব হিসাব করে এনবিআর বলেছে: সম্পূর্ণভাবে আমদানিকৃত প্রতিটি মোবাইল ফোন (৩০,০০০ টাকার বেশি মূল্যের) আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা সস্তা হতে পারে; আর ৩০,০০০ টাকার বেশি মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি ফোনের দাম প্রায় ১,৫০০ টাকা কমতে পারে।

    এনবিআর ও সরকার আশা করছে, উল্লেখযোগ্য শুল্কহ্রাসের ফলে সব ধরনের মোবাইল ফোনের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল সেবা গ্রহণ আরও সহজতর হবে। সরকার মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের নাগালের মধ্যে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক গতি দ্রুতই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। আগে যেখানে অর্থনীতিকে চাপে ফেলত অক্সিজেনের অভাব, যেখানে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করত তারল্যের অভাব, এখন সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো পূর্বে ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি মুনাফা করত, তবে এখন সরকারের অর্থনৈতিক নীতির কারণে তারা অস্বস্তিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে নাড়াচাড়া ও সঠিক ঋণগ্রহীতাকে বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোর হতে হবে।

    তিনি বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য মূল্যপণ্য সস্তা হওয়ায় দেশের আমদানির ওপর চাপ কমেছে।

    সুদ হার নিয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে এটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের টাকা আরও আকর্ষণীয় করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক বিতরণের চেয়েও বেশি। এছাড়া, বাজারে আরও ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর ফলে তারল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গভর্নর বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা ব্যবসায়ের ওপর কিছু প্রভাব ফেলেছে, তবে যাদের টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়নি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, খুব দ্রুত সুদের হার কমানো ঠিক নয় কারণ এতে অর্থনীতির বিনিময় হার ও বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা লক্ষ্য করা হয় যে ৫ শতাংশের নিচে নামাতে এখনো কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই রেমিট্যান্সের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চলমান, যেখানে সোমবার রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বেশি। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত, গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। মাসিক ও সাপ্তাহিক ডেটার পাশাপাশি এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি রিপোর্টও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণে সহায়তা করছে।

    অতীতের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই’র সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।

  • সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    সোনার দামে আবার রেকর্ড, ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা

    দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও দেখা গেল দামের বিশাল উল্লম্ফন। এই মুহূর্তে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে সোনার মূল্য। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ঘোষণা করেছে, এখন থেকে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৯ টাকা, যা গত বছরের তুলনায় ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি। এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে আগামী মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি থেকে।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা তাজা সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার ফলে এই মূল্যনির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামে যোগ হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস-নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি। গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে অনেক বেশি বা কম হতে পারে মজুরির পরিমাণ।

    সাম্প্রতিক আগে, গত ১৪ জানুয়ারি, একই সংগঠন দেশের স্বর্ণবাজারে দাম সমন্বয় করেছিল, তখন ভরিতে ২৷৬২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৯ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির ১৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারিত হয়।

    এটি দেশের স্বর্ণবাজারে চলতি বছরের অষ্টম মূল্যসমন্বয়, যেখানে ছয় দফায় মূল্য বাড়ানো হয়েছে এবং দুটি দফায় কমানো হয়েছে।

    অতীতের মতো, রুপার দামের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন এসেছে। ভরিতে ২৯১ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে এক ভরি রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৬ হাজার ২৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৩ হাজার ৮৪৯ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

  • সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    সোনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    দেশীয় বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নতুন দাম অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার মূল্য সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এখন দেশের বাজারে সোনার মূল্য পৌঁছেছে দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার আশেপাশে, যা ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্য।

    বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, এই মূল্যবৃদ্ধির কারণ হলো বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়া। আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারে স্বর্ণের দাম এখন প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার ছাড়িয়েছে। এর প্রভাব দেশের বাজারে এসে পৌঁছেছে।

    নতুন এই দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার একটি ভরি দাম এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, এবং ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা। অন্য দিকে, ১৮ ক্যারেটের সোনার মূল্য এক লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি সোনার হার এখন এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা প্রতি ভরি।

    সোনামের পাশাপাশি ব metais রুপার দামেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রূপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা প্রত্যকে ভরি।

    বাজুসের এই ঘোষণা আজ থেকে কার্যকর হবে, যা দেশের স্বর্ণ ও রুপার বাজারে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

  • নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্টকে অ্যাডভান্সড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে ব্র্যাক ব্যাংক

    নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশ-কে উন্নত এবং আধুনিক ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগ্রহের অর্থের ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা, ফালাফলাত্মকতা বৃদ্ধি করা এবং পণ্য বিতরণের প্রক্রিয়াগুলিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    চুক্তির আওতায় নিপ্পন পেইন্ট ব্র্যাক ব্যাংকের ডেটা এপিআই ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় করবে। এর ফলে, ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’র সঙ্গে যুক্ত হয়ে তারা ২০০টির বেশি ডিস্ট্রিবিউটরের কাছ থেকে সংগৃহীত অর্থের তথ্য সরাসরি ইআরপি সিস্টেমে দেখা যাবে, যা সময় ও শ্রম খরচ যথেষ্ট কমিয়ে দেবে।

    এই সমঝোতার ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের দৃশ্যমানতা বাড়বে, রিসিভেবল ম্যানেজমেন্টের প্রক্রিয়া সহজতর হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশনের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও জোরদার হবে। এই উদ্যোগ ব্র্যাক ব্যাংকের ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত হয়। এই অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল অ্যান্ড ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, অ্যান্ড ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এরিয়া হেড এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং রিলেশনশিপ ইউনিটের এস এম মুসা উপস্থিত ছিলেন।

    নিপ্পন পেইন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এই যৌথ উদ্যোগটি প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতির অংশ। ব্র্যাক ব্যাংক তাদের এই পরিষেবার মাধ্যমে কর্পোরেট ক্লায়েন্টদের স্বতন্ত্র ব্যবসায়িক উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।

  • মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা

    মোবাইল ফোনের আমদানির শুল্ক কমল, ফলে ফোনের দাম হ্রাসে প্রত্যাশা

    আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানিতে শুল্ক কমানোর ঘোষণা দিয়েছে, যাতে সাধারণ জনগণের জন্য মোবাইল ফোনের দাম আরও সাশ্রয়ী হয়। এর ফলে মোবাইল ফোনের উত্পাদন ও আমদানির খরচ কমে গেলে, ক্রেতারা বেশি জনপ্রিয় ও সুবিধাজনক দামে মোবাইল কিনতে পারবেন।

    নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল ফোনের ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি আগের ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি, দেশীয় মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলির জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নিধারিত হয়েছে। এবিষয়ে এনবিআর থেকে আজ পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যাকে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

    এনবিআর জানিয়েছে, এই শুল্ক কমানোর ফলে মোবাইল ফোনের উপর মোট শুল্কের হার ৬০ শতাংশ কমে গেছে। এর ফলে, মোবাইল ফোনের আমদানি খরচ কমায়, মোবাইল প্রস্তুতকারক ও আমদানিকারকদের জন্য প্রতিযোগিতা আরও সমান হবে। বিশেষ করে, উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৫০ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনের কারণে, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যের প্রতি সম্পূর্ণ মোবাইল ফোনের দাম প্রায় ৫ হাজার ৫০০ টাকা কমবে। এছাড়া, দেশে সংযোজিত সামগ্রী বা মোবাইল ফোনের দাম প্রতিটি প্রায় দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত হ্রাস পাবে।

    সরকারের এই শুল্ক হ্রাসের ফলে দেশের সাধারণ মানুষ মোবাইল ফোন কেনাকাটায় আরও সুবিধা পাবেন, এবং ডিজিটাল সেবাগ্রহণের প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। মোবাইল ফোনের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য সরকারের এই ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

  • সোনার দামে ইতিহাসের নতুন রেকর্ড ভেঙে গেছে বাংলাদেশে

    সোনার দামে ইতিহাসের নতুন রেকর্ড ভেঙে গেছে বাংলাদেশে

    বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে নতুন এক ঘটনা ঘটেছে, যা দেশের অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা করেছে যে, তারা দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুটি হাজার ৬২৫ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে, ফলে দেশের স্বর্ণের মূল্য গণনায় নতুন এক রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। এখন ভালো মানের সোনার দামের দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা পর্যন্ত, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চতম।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দাম বৃদ্ধির কারণ হলো বৈশ্বিক বাজারে সোনার মূল্য বাড়ার প্রবণতা। এ ঘটনায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা ও গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

    বিশ্ববাজারের নির্ভরযোগ্য সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি থেকে জানা গেছে, স্বর্ণের বাজারে আউন্স প্রতি দাম চার হাজার ৬২০ ডলার ছাড়িয়েছে, যা উল্লেখযোগ্য। এর ফলে বাংলাদেশে স্বর্ণের মূল্যও বৃদ্ধি পেয়েছে।

    নতুন দামে, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম now দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৮০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২২৪,০৭০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১৯১,৯৮৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম এক লাখ ৫৭ হাজার ২৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    অপর দিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৭১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৭৪ টাকা। এই দাম পরিবর্তনগুলো আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে এবং বাজারে নতুন দামের প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।