Category: অর্থনীতি

  • টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ল

    টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায় যে বাজারে সোনার মূল্য প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে এবং নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, যা গতকের তুলনায় বেড়েছে৷ গতকাল ২২ ক্যারেটের দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    অন্যান্য ক্যারেটের নির্ধারিত দামগুলো হলো: ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা (২০০,২১৩ টাকা) এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দামের ওঠানামা বিবেচনা করে স্থানীয় বাজারে এই সমন্বয় করা হয়েছে।

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট মানের রুপার এক ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বিশ্ববাজারে সোনার মূল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকার পেছনে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সংঘাতসহ ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রভাব উল্লেখ করেছে বাজার বিশ্লেষকরা। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানানো হয়েছে, বর্তমানে আন্তর্জাতিক দর প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ৪ হাজার ৭০০ ডলারে পৌঁছেছে।

    তথ্য অনুযায়ী গত ৩০ জানুয়ারি আউন্সপ্রতি দাম ছিল প্রায় ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে ওঠে। এছাড়া গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে সোনার ধারাবাহিক উত্থানের কারণে দেশীয় বাজারেও দাম বাড়তে থাকে। ২৯ জানুয়ারি সকালে একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে বাজুস ২২ ক্যারেট সোনার দাম সংগ্রহ করে এক পর্যায়ে দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছে দিয়েছিল; যা দেশের ইতিহাসে রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হয়।

    বাজুসের 이번 ঘোষণায় স্থানীয় ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে মূল্য ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা বাড়বে বলে 예상 করা হচ্ছে। বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক দর ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল না হওয়া পর্যন্ত সোনার দর ওঠানামা করতে পারে।

  • সোনার দাম কমল, প্রতি ভরিতে নতুন দাম কত?

    সোনার দাম কমল, প্রতি ভরিতে নতুন দাম কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা করেছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এবার প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    বাজুসের ঘোষণায় সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতিভর দাম নির্ধারণ করা হয়েছে দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। এর আগে সোমবার (৪ মে) এটি ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। সংগঠনের ভাষ্য অনুযায়ী তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    অন্য ক্যারেটগুলোর নতুন দরগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি দুই লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি এক লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা।

    সোনার দাম পরিবর্তনের সঙ্গে মিল রেখে রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম রয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা; ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও গত কিছু সময় সোনার মূল্য ওঠানামা করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের পর বিশ্ববাজারে সোনার দাম বাড়ে, পরে মূল্য সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে ওঠা-নামা করেছে। বিশ্বস্ত সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৫০০ ডলারে। এর আগে ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি একসময় ৫ হাজার ৫৫০ ডলারে তা উঠেছিল।

  • বাজুস আবার বাড়ালো সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ২,44,711 টাকা

    বাজুস আবার বাড়ালো সোনার দাম, ২২ ক্যারেট ভরি ২,44,711 টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনার দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে। এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ ভরিতে দাম সর্বোচ্চ ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে—ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হলো ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। গতকাল এ সুস্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন এই মূল্য বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকরি হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এই সমন্বয় আনা হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী অন্যান্য কেরাটের দামগুলো হলো:

    – ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২১৩ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা

    সোবার পাশাপাশি রূপার দামও বাড়ানো হয়েছে। অনুযায়ী রূপার ভরিডে দামগুলো হল:

    – ২২ ক্যারেট রূপা: ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা

    – ২১ ক্যারেট রূপা: ৫ হাজার ৫৪০ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট রূপা: ৪ হাজার ৭২৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির রূপা: ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা

    বিশ্ববাজারে চলমান উত্তেজনা—ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষকালীন পরিস্থিতি—সোনার দর ঊর্ধ্বমুখী রাখছে। আন্তর্জাতিক সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি জানিয়েছে, বর্তমানে আউন্সপ্রতি সোনার দাম প্রায় ৪,৭০০ ডলার। এর আগে গত ৩০ জানুয়ারিতে আউন্সপ্রতি দাম ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারিতে তা পৌঁছে গিয়েছিল ৫,৫৫০ ডলারে।

    গত মাসের শেষের দিকেও বিশ্ববাজারে সোনার দ্রুত মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব দেশীয় বাজারে স্পষ্ট হয়েছিল। তখন বাজুস এক ধাপে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা যোগ করে ২২ ক্যারেট সোনার মূল্য এক সময়ে বেড়ে সর্বোচ্চ ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় পৌঁছেছিল—যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায় হিসেবে রেকর্ড হয়েছে।

  • সোনার দাম কমল: প্রতি ভরি নতুন দাম কত?

    সোনার দাম কমল: প্রতি ভরি নতুন দাম কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে দেশের বাজারে সোনার দাম কমানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে জারি করা ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ২,২৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম কাটা হয়েছে। নতুন দর সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

    বাজুসের নির্ধারিত দামের অনুসারে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৪০,৩৩৭ টাকা। এতে এর আগের (সোমবার, ৪ মে) যে দাম ছিল—২,৪২,৪৯৫ টাকা—তার তুলনায় পতন হয়েছে।

    অন্য কেরাটভিত্তিক দামগুলো হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২,২৯,৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ১,৯৬,৬৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৬০,১৪৭ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দর কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। একই সময়ে রূপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নির্ধারিত অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৫,৪৮২ টাকা; ২১ ক্যারেট ৫,১৯০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৪,৪৯০ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩,৩৮৩ টাকা প্রতিভরি রয়েছে।

    বিশ্ববাজারে গত কয়েক মাসে মূল্য ওঠানামা করেছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল নিয়ে উত্তেজনার পর আন্তর্জাতিকভাবে সোনার দাম প্রথমে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছিল, পরে দর সামান্য নামজাদা হয়েছে। বিশ্বস্ত সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে প্রায় ৪,৫০০ ডলার। তুলনামূলক হিসেবে বলা যেতে পারে—আগের দিকে ৩০ জানুয়ারি এমন দাম ছিল প্রায় ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থানীয় দর ও আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামা নজর রাখাই উপযোগী হবে, কারণ বিশ্ববাজারে ওঠা-নামা স্থানীয় দরে দ্রুত প্রভাব ফেলতে পারে।

  • সোনার দাম ফের বাড়ল

    সোনার দাম ফের বাড়ল

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ভরিতে দাম ২,২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

    সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে সমন্বয় করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম নির্ধারিত হয়েছে ২,৪৪,৭১১ টাকা। গতকাল এটি ছিল ২৪২,৪৯৫ টাকা।

    বাজুসের নির্ধারিত অন্যান্য মূল্য অনুযায়ী ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির দাম আছে ২,৩৩,৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২,০২,২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (পুরনো পদ্ধতি) প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৬৩,০৬৩ টাকা।

    সোনার সঙ্গে সূচকীয়ভাবে রূপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেট সমমানের রুপার প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ৫,৭৭৪ টাকা; ২১ ক্যারেট রুপা ৫,৫৪০ টাকা; ১৮ ক্যারেট ৪,৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার প্রতি ভরি ৩,৫৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে স্থিতিশীল নয় এমন ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি—বিশেষ করে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল প্রেক্ষাপট—সোনার দামের ওপর চাপ তৈরি করেছে। মূল্য সমন্বয়ের কারণে স্থানীয় বাজারেও ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট GoldPrice.org অনুযায়ী আন্তর্জাতিক বাজারে এখন প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৪,৭০০ ডলার।

    গত বছরের জানুয়ারির শেষ দিকে বিশ্ববাজারে সোনার দাম দ্রুত বাড়ার প্রভাব পড়ে দেশের বাজারেও রেকর্ডগত মূল্য লক্ষ করা গিয়েছিল। ২৯ জানুয়ারিতে বাজুস এক ধাক্কায় প্রতি ভরিতে ১৬,২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট সোনার দাম একসময় ২,৮৬,০০০ টাকা পর্যন্ত উঠিয়ে দিয়েছিল, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

  • সোনার দাম কমলো: প্রতি ভরির নতুন দর কত?

    সোনার দাম কমলো: প্রতি ভরির নতুন দর কত?

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) মঙ্গলবার দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, সর্বোচ্চ প্রতি ভরি ২ হাজার ২৫৮ টাকা পর্যন্ত দাম কমানো হয়েছে। ফলে সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরির মূল্য দুই লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের দিন, সোমবার (৪ মে) ওই দাম ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে নতুন দাম মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের ব্যাখ্যা, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার আন্তর্জাতিক দাম কমায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত দরগুলো সুত্রানুযায়ী হলো:

    – ২২ ক্যারেট (এক ভরি): ২,৪০,৩৩৭ টাকা

    – ২১ ক্যারেট (এক ভরি): ২,২৯,৪৩১ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট (এক ভরি): ১,৯৬,৬৫৫ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি (এক ভরি): ১,৬০,১৪৭ টাকা

    রুপার দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। নির্ধারিত রুপার দামগুলো হলো: ২২ ক্যারেটের এক ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৪৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা।

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও সোনার দাম ওঠানামা করছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ববাজারে সোনার মূল্য বাড়িয়ে দিয়েছে; পরে মূল্য সমন্বয়ের কারণে ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে ৪,৫০০ ডলারে নেমে এসেছে। এর আগে ৩০ জানুয়ারি সেই দাম ছিল ৫,২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ৫,৫৫০ ডলারে পৌঁছেছিল।

    গ্রাহক ও গোয়ালীরাদের জন্য গুরুত্বপূর্ন নোট: বাজারে নতুন দাম ইতোমধ্যেই কার্যকর, তাই কেনা-বেচার সময় উপরে দেওয়া নির্ধারিত দর তা মিলিয়ে দেখতে হবে।

  • এপ্রিলে রেমিট্যান্সে নতুন উচ্চতা, ৩১৩ কোটি ডলার প্রবাহ

    এপ্রিলে রেমিট্যান্সে নতুন উচ্চতা, ৩১৩ কোটি ডলার প্রবাহ

    সদ্য বিদায়ী April মাসে দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অঙ্কের রেমিট্যান্স প্রবাহ দেখা গেছে। এ মাসে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩১২ কোটি ৭০ লাখ ডলার, যা স্বর্ণাক্ষরে লিখে রাখা সময়ের ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড। প্রতিদিন গড়ে দেশের শেয়ারবাজারে প্রবাসীর মার্চেন্টের হাতে এসে পৌঁছেছে প্রায় ১০ কোটি ৪২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তিনি বলেছেন, এপ্রিল মাসে দেশের রেমিট্যান্সের পরিমাণ সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ। এর আগে মার্চ মাসে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড। অন্য মাসগুলোতেও প্রবাহ ছিল উল্লেখযোগ্য: জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে যথাক্রমে ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ও ৩০২ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার। অক্টোবর ও সেপ্টেম্বর মাসে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার ডলার, আর আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

    বর্ষশেষে, ২০২৩-২৪ অর্থবছর জুড়ে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন বা তিন হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একটি নতুন সর্বোচ্চ রেকর্ড। এই প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে এবং মুদ্রানীতির বহুমুখী শক্তিকে আরও সুসংহত করছে।

  • এপ্রিলের ২৯ দিনে মোট রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    এপ্রিলের ২৯ দিনে মোট রেমিট্যান্স ছাড়াল ৩ বিলিয়ন ডলার

    চলতি এপ্রিল মাসের ২৯ দিনেই দেশের ব্যক্তিপর্যায়ে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ ছুঁইছে তিন বিলিয়ন ডলার (৩০০ কোটি ডলার)—একটি ঐতিহাসিক milestone। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ মাসের প্রথম ২৯ দিনে মোট ৩০০ কোটি ২০ লাখ ডলার দেশে এসে পৌঁছেছে, যা দৈনিক গড়ে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহের সূচক।

    বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রবাহ একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক অবস্থানের সংকেত, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। রাজধানীর অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে এ ধরনের রেমিট্যান্সের যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে।

    আরিফ হোসেন খান আরো জানান, শুধু ২৯ এপ্রিলেই দেশে এসেছে ৯৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স, যা গত বছরের একই সময়ে (এপ্রিল ২০২৫) ছিল ২৬০ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এই সমন্বিত প্রবাহ দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রতিফলন।

    দেখা যাচ্ছে, এপ্রিলের এই পরিস্থিতি গত মার্চের রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেছে। মার্চ মাসে ৩১ দিনে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার (৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার)। এর আগে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসেও দেশের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার ডলার এবং ফেব্রুয়ারি ৩০২ কোটি ৭ লাখ ৬০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছিল।

    এই ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশে অর্থনীতির ভবিষ্যৎ আরো উজ্জ্বল হবে বলেই সাধারণ মত।

  • প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র, বিজয়ীদের পুরস্কার ঘোষণা

    প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্র, বিজয়ীদের পুরস্কার ঘোষণা

    ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৩তম ড্রটি অনুষ্ঠিত হলো বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে। এ অনুষ্ঠানে ছয় লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার বিজয়ী হলো সিরিজ নম্বর ০০০১০৩৫, যা দুর্লভ একটি নম্বর। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছেন ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা, এর নম্বর ০০৪৭৭৪৮। তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে দুইটি নম্বর শুনানো হয়, যথাক্রমে ০৫৩৮২৮৯ და ০৬৭৫৩৮২, প্রত্যেকের মূল্য এক লাখ টাকা। এছাড়া চতুর্থ পুরস্কার পেয়েছেন দুজন—নম্বর ০৪০০৪৫১ ও ০৫৬৭৬৪৪, প্রত্যেকের মূল্য ৫০ হাজার টাকা।

    এবার ৮৪টি সিরিজের মধ্যে ৪৬টি নম্বর পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছে। এই ড্র সাধারণ পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়, যেখানে প্রত্যেক সিরিজের জন্য একই নম্বর নির্বাচন করা হয়। প্রাইজবন্ডের আওতাভুক্ত সিরিজগুলো হলো—কক, কখ, কগ, কঘ, কঙ, কচ, কছ, কজ, কঝ, কঞ, কট, কঠ, কড, কঢ, কথ, কদ, কন, কপ, কফ, কব, কম, কল, কশ, কষ, কস, কহ, খক, খখ, খগ, খঘ, খঙ, খচ, খছ, খজ, খঝ, খঞ, খট, খঠ, খড, খঢ, খথ, খদ, খন, খপ, খফ, খব, খম, খল, খশ, খষ, খস, খহ, গক, গখ, গগ, গঘ, গঙ, গচ, গছ, গজ, গঝ, গঞ, গট, গথ, গড, গঢ, গথ, গদ, গন, গফ, গব, গম, গল, গশ, গষ, গপ, গস, গহ, ঘক, ঘখ, ঘগ, ঘঘ, ঘঙ, ঘচ৷

    প্রাথমিকভাবে, আরও ৪০ জনকে ১০ হাজার টাকার পুরস্কার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাদের নম্বরগুলো হলো—০০২১৭৪৯, ০২১৭৪১৯, ০৪৬১৪৭২, ০৫৮৮৯৬৬, ০৭৪৯৭৪০, ০০২২১৮১, ০২৪৬০৪৫, ০৪৬২০৫৬, ০৫৯৬৩৪৬, ۰৭৫۹۹۰৮, ০০৫৬৩৭৮, ০২৯৬৪০২, ০৪৭৮০১৫, ০৬০০৪৪০, ০৭৭২৭৭৩, ০০৯২৩৫৬, ০৩১১১৩০, ০৪৮০৫৬৭, ০৬০৭৩৪৯, ০৮১৩৬৫৯, ০১৪৪۵৬৭, ০৩৫৬৯৪২, ০৫১২০২৪, ০৬৩৯৩৬৭, ০৮৪৮০৪৬, ০১৫৫৩৯৮, ০৩৯৩২৭৭, ০৫৫১২২১, ০৬৪২০০২, ০৮৪৯৬১৪, ০১৫৫৯৩৪, ০৪১৩৫০১, ০৫৬৪৭৬০, ০৬৫০১১৯, ০৯২২৫৯৭, ০১৭৫৭৯২, ০৪৫২৪৪১, ০৫৭৩৮৬৫, ০৬৮৮৭৭৩, এবং ০৯৪৭৬৬৫। এই সংখ্যা মিলল প্রাইজবন্ডের ড্রয়ের মাধ্যমে বিজয়ীদের মধ্যে।

  • সোনার দাম আবারও বেড়ে ভয়ানক উল্লম্ফনে

    সোনার দাম আবারও বেড়ে ভয়ানক উল্লম্ফনে

    বাংলাদেশের জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আবারো ঘোষণা করেছে টানা দ্বিতীয় দফায় সোনার দাম বাড়ানোর। এতে করে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে আজ থেকে মানসম্পন্ন (২২ ক্যারেট) সোনার ভরি দাম আবারও পাঠ owing করে ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকায় পৌঁছেছে, যা গতকাল ছিল ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকার তুলনায় বেশি।

    বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল ১০টার দিকে বাজুস এ নতুন দাম এবং দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেয়। সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশেও এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সেরা মানের ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। এছাড়া অন্যান্য ক্যারেটের দাম হলো ২১ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার জন্য ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকা প্রতি ভরি।

    রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে, যা একইভাবে প্রভাব ফেলেছে বাজারে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম এখন ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৫৫৮ টাকার মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পায়, যা এখনো অব্যাহত রয়েছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের মূল্য ৪ হাজার ৭০০ ডলার ছুঁই ছুঁই করছে। এর আগে জানুয়ারি মাসে তা ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছিল।

    গত মাসের শেষের দিকে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম অপ্রত্যাশিতভাবে অনেক বেড়ে যায়। এর ফলশ্রুতিতে, বাংলাদেশেও মূল্য বৃদ্ধি দেখা যায়। ২৯ জানুয়ারি সকালের অন্যতম বড় অবনমনটি ছিল, যখন বাজুস একবারে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে দেয়, ফলে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে যায় এক ভরি সোনার দাম, যা এখন ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। এই দামে কোন কিছুর তুলনা নেই, এবং এটি দেশের বাজারে সর্বোচ্চ মূল্য হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।