Category: বিনোদন

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হলেন বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুর। এই সুন্দর সংগীতানুষ্ঠানের আনন্দের মধ্যেও অপ্রত্যাশিতভাবে উন্মত্ত জনতার তাণ্ডব শুরু হয়, যা অনেককেই আতঙ্কিত করে তোলে। এই হামলার ফলে তারা প্রাণে বাঁচলেও তাদের বাহন গাড়িটি ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়।

    নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর জন্য বালুরঘাটে এক জমকালো কনসার্টে অংশ নেন সাচেত ও পরম্পরা। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে তৈরি হয় বিপত্তি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শিল্পীদের গাড়িটি শত শত মানুষের ঘেরাওয়plete হয়ে গিয়েছে। জনতার উন্মাদনা এতটাই বাড়ে যে, তারা চলন্ত গাড়ির উপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।

    এক পর্যায়ে, প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির পেছনের কাঁচ ভেঙে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, ভেতর থেকে সাচেতকে অজ্ঞান হয়ে ‘ওহ শিট’ বলতে শোনা যায়। পাশেই থাকা পরম্পরা পরিস্থিতি সামাল দিতে জনতাকে শান্ত করার জন্য বলছেন, ‘গাইস, রিল্যাক্স থাকো’। তবে এ হামলা থেকে তাদের গাড়ি রক্ষা পায়নি।

    অঘটনের আবেগে হতবাক হলেও এই শিল্পী জুটি এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিবৃতি দেননি। তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।

    এই ভয়ঙ্কর ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এই হামলা পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের জনপ্রিয় তারকাদের উপর এমন হামলা ভারতের আইনশৃঙ্খলা ও শিল্পীদের নিরাপত্তা সম্পর্কে বড় প্রশ্ন তোলে। এছাড়া, ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সম্প্রতি অনেক প্রাণঘাতী ‘মব কালচার’ চলার খবর শোনা যাচ্ছে। এর আগে, কয়েকদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও উন্মত্ত জনতা তাণ্ডব চালায়। পরে মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে শিল্পীরা মঞ্চ ত্যাগ করেন।

  • প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সন্ধ্যায় চিরবিদায় জানালেন। তিনি তার জীবনমানের শেষ দিনগুলো কাটান দুপুর ১২টার সময় ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে। তাঁর মৃত্যু সংবাদ নিশ্চিত করেছেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও চলচ্চিত্র পরিচালক কবিরুল ইসলাম রানা। তিনি জানান, গতকাল বিকেলে তার সাথে ফোনে কথা হয়েছিল, অথচ আজ দুপুরের মধ্যে জানতে পারলাম তিনি আর নেই।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও বলেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তার পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে পাঠানো হয়েছিল থাইল্যান্ডে, যেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে ফিরেছিলেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। জীবনে তিনি ছিলেন একজন বহুমুখী প্রতিভা, এবং সর্বশেষ বাংলাদেশের চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন সন্তানের জনক, যারা সকলে বর্তমানে আমেরিকায় বসবাস করছেন। তার মৃত্যুতে দেশে-বিদেশে শোকের ছায়া নেমে এসেছে চলচ্চিত্র অঙ্গনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা: আলাদা আয়োজনের কারণ খুলে বললেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা: আলাদা আয়োজনের কারণ খুলে বললেন হেমা মালিনী

    প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী আলাদা পৃথক আয়োজন করেছেন। এই সিদ্ধান্তের পেছনে পরিবারের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের গুঞ্জন বেশ কয়েকটি মিডিয়ায় শুরুর পর, হেমা মালিনী নিজেই স্পষ্ট করলেন বিষয়টি। এর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চান যে, পরিবারে কোনো ভাঙন বা দ্বন্দ্ব নেই।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হেমা মালিনী বলেন, ‘এটি আমাদের পরিবারের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আমার পরিচিত পরিবেশ ও বন্ধুবান্ধবের জন্য দিল্লিতে আমি একটি স্মরণসভার আয়োজন করেছি। পাশাপাশি, আমার নির্বাচনী এলাকা মথুরার আবেগের বিষয় বিবেচনায় আনতে আলাদা আয়োজন করতে হলো।’ তিনি আরও জোর দিয়ে বলেছেন, ‘পরিবারের কেউ ভুল বোঝাবেন না, আমরা সবাই নিজনিজভাবে ধর্মেন্দ্রকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’

    গত বছরের ২৪ নভেম্বর তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তাঁর অস্থি বিসর্জন সম্পন্ন হয় ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে, যেখানে সানি ও ববি দেওল অংশ নিয়েছিলেন। তবে, শেষকৃত্য ও পরবর্তী ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে দেখা না যাওয়ায় বলিউডে নানা গুঞ্জন শুরু হয়।

    প্রতিবেদকরা জানাচ্ছেন, এই গুঞ্জনকে খণ্ডন করে হেমা মালিনী স্পষ্ট করেছেন, পরিবারে কোনো মতানৈক্য নেই। তিনি বলেন, ‘ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি সমুন্নত রাখতে সানি দেওল বড় পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন। মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় থাকা ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমিতে একটি ফার্মহাউস বা জাদুঘর তৈরির পরিকল্পনা চলছে। আমি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই, কারণ এটি ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য একটি বিশেষ উপহার হবে।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে ধর্মেন্দ্রের স্মৃতি ব্যাপকভাবে জাগ্রত হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন হেমা মালিনী।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল আসছে!

    নতুন বছর উপলক্ষে বলিউডের প্রख্যাত পরিচালক করণ জোহর আবারও দর্শকদের জন্য নিয়ে আসছেন এক চমকপ্রদ সিনেমা। আগেই খবর ছিল তিনি একটি পারিবারিক ছবি নির্মাণের পরিকল্পনা করছেন, যা Antônio অনূভূতিপূর্ণ এবং পরিবার ভিত্তিক গল্পে ভরা থাকবে। তবে কেউই ধারণা করেননি যে তার নতুন এই ছবিতে থাকবে জনপ্রিয় ক্ল্যাসিক সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’-এর সিক্যুয়েল।

    প্রতিবেদনে জানা গেছে, করণ জোহর his পূর্বের রোম্যান্টিক কমেডি ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ এর পর এখন একটি সম্পূর্ণ পারিবারিক ড্রামা নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছেন। এই সিনেমাটি ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত হবে। জুলাইয়ের মধ্যে প্রি-প্রোডাকশনের কাজ শুরু হবে বলে জানা যাচ্ছে, এবং এটি এই বছরের শেষের দিকে সম্পন্ন হবে। প্রাথমিক হিসেবে, সিনেমায় দুজন পুরুষ এবং দুজন নারী চরিত্র থাকবে, যার জন্য কাস্টিংও দ্রুত শুরু হতে চলেছে।

    এছাড়াও, প্রতিবেদনটি জানিয়েছে যে এই সিনেমার নাম ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’ হতে পারে, তবে এই বিষয়ে এখনও কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও রহস্যজনকভাবে কোনো আপডেট দেয়া হয়নি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, করণের জনপ্রিয় সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ মুক্তি পায়, যা আজও দর্শকদের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। এখন সেই ছবির সিক্যুয়েল নির্মাণের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যা অনেকের জন্যই উত্তেজনাপূর্ণ সংবাদ।

    করণের চলচ্চিত্র জীবন আরও বিশেষ করে ভরে গেছে বিখ্যাত সিনেমাগুলোর মাধ্যমে, যেমন ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং সাম্প্রতিক সময়ের ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহিনী’। এবার তিনি প্রিয় সিনেমার সিক্যুয়েল দিয়ে দর্শকদের মন জয় করতে চলেছেন।

  • প্রেক্ষাগৃহে আগুন জ্বালিয়ে উল্লাস প্রভাসের ভক্তদের

    প্রেক্ষাগৃহে আগুন জ্বালিয়ে উল্লাস প্রভাসের ভক্তদের

    ভারতের ওড়িশায় এক প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখার সময় কৌতূহল ও উচ্ছ্বাসের নামে অপ্রত্যাশিত একটি ঘটনা ঘটেছে। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা প্রভাসের নতুন সিনেমা ‘দ্য রাজা সাব’ প্রদর্শনী চলাকালীন কিছু ভক্ত প্রেক্ষাগৃহের ভেতরে আগুন জ্বালিয়ে উৎসবের আবেগ প্রকাশ করেন। এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে অনেকেই এই অঙ্গভঙ্গিকে নিয়ে গণধিক্কার জানাচ্ছেন।

    ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, প্রেক্ষাগৃহের অন্ধকারে একজনের হাতে জ্বলন্ত কনফেটি বা রঙিন কাগজের টুকরো; এই আগুন আস্তে আস্তে ছড়িয়ে পড়ে। এতে করে ভেতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়। অনেক নেটিজেন এ কাজটিকে ‘অত্তন্ত অদ্ভুত’ ও ‘অবিবেচকের মতো’ বলে মন্তব্য করেছেন।

    অভিনেতা বা সিনেমা হলের কর্তৃপক্ষ এখনও এই ঘটনায় কোনও 공식 বক্তব্য দেননি, তবে ভক্তদের বিচ্ছিন্ন আচরণপ্র Excতে জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    প্রভাসের এই নতুন সিনেমা ‘দ্য রাজা সাব’ গত শুক্রবার বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেয়েছে। এর আগে সিনেমার কিছু দৃশ্য দেখতে পেয়ে ভক্তরা প্রেক্ষাগৃহের বাইরে কুমিরের ডেমি সহ নানা অঙ্গভঙ্গি করেছেন, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এবার আগুন জ্বালিয়ে উৎসবে মাততে গিয়ে একজনের এই কাজটি আবারও আলোচনায় আসলো।

    মারুতি নির্মিত এ হরর-কমেডি সিনেমায় অভিনয় করেছেন প্রভাস ও সঞ্জয় দত্ত। ভক্তরা এটির অ্যাকশন ও লুকের প্রশংসা করলেও, এরকম বিশৃঙ্খলার কারণে জননিরাপত্তা ও সমাজে এর প্রভাব নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে।

  • প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

    সৌদি আরবে ওমরাহ পালনে গিয়েছেন টিকটক তারকা আব্দুল্লাহ আল মামুন, পরিচিত প্রিন্স মামুন, কিন্তু দেশের মাটিতে তার জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসংবাদ। ঢাকার আদালত তার বিরুদ্ধে একটি গুরুতর মামলার কারণে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। এই মামলার তদন্ত ও অভিযোগের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

    বৃহস্পতিবার, ঢাকায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সেফাতুল্লাহ এই আদেশ দেন। ওই দিন মামলার অভিযোগ গঠনের জন্য শুনানি নির্ধারিত ছিল। মামুন ওমরাহ করায় আদালতে উপস্থিত থাকতে পারেননি, তবে তার পক্ষে আইনজীবী আশিকুল ইসলাম আবেদন করেন যে, সময় দেওয়া হোক। কিন্তু বাদী লায়লা আখতার ফরহাদ সাক্ষ্য দিয়ে আদালতকে জানান যে, মামুন তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে বিচারাধীন অন্য একটি মামলাও আছে।

    আদালত ওই অভিযোগের ভিত্তিতে জানিয়ে দেন যে, তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে আদালত তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন এবং মামলার বিচার শুরু করার নির্দেশ দেন। আগামী ৫ মার্চ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

    অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, প্রিন্স মামুন ফেসবুকের মাধ্যমে লায়লার সাথে পরিচয় হয়। ১০ মে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মামুন ক্যান্টনমেন্ট ডিওএইচএস-এর বাসায় যান এবং সেখানে লায়লার পূর্বের মামলার ও জিডির বিষয়টি তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। যখন লায়লা তা অস্বীকার করেন, তখন মামুন ফেসবুক লাইভে গিয়ে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালি দেন। এরপর লাইভ বন্ধ করে তিনি মারধর শুরু করেন এবং ছুরি দিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। লায়লা আহত হন, তাকে হাত দিয়ে ঠেকানোর সময়। এই ঘটনায় ওই দিনই ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা করেন লায়লা।

    উপ-পরিদর্শক আতিকুর রহমান সৈকত তদন্ত শেষে অক্টোবর ৩০ তারিখে মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এই মামলার বিস্তারিত এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সকলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।

  • বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু আর নেই

    প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা আবদুল লতিফ বাচ্চু (৮৪) আজ সোমবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তিনি ধানমন্ডির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    কথা বলতে গেলে, চলচ্চিত্র পরিচালক ও বন্ধু কবিরুল ইসলাম রানা এই দুঃখদায়ক খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গতকাল বিকেলে তার সাথে আমার ফোনে কথা হয়েছিল, এবং আজ দুপুরে জেনে বার্তা পেলাম যে তিনি আর বেঁচে নেই।

    কবিরুল ইসলাম রানা আরও জানিয়েছেন, কয়েক মাস আগে তিনি নিউমোনিয়ার আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন এবং সুস্থ হয়ে আবার দেশে ফেরেন।

    আবদুল লতিফ বাচ্চু ১৯৪২ সালের ৯ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে একজন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ চলচ্চিত্রগ্রাহক সমিতির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন তিন ছেলেদের জনক। তার তিন সন্তানই বর্তমানে আমেরিকাত বাস করছেন।

  • পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    পশ্চিমবঙ্গে গাইতে এসে মবের শিকার বলিউডের দুই শিল্পী

    বর্ষবরণের রাতে পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটে এক ভয়েতর ঘটনা ঘটেছে বলিউডের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী জুটি সাচেত ট্যান্ডন ও পরম্পরা ঠাকুরের সঙ্গে। তারকাদের উন্মাদনা ও উৎসাহের অন্ধকার দিক প্রকাশ পেয়েছে এই ঘটনার মধ্য দিয়ে, যেখানে পরিস্থিতি এক পর্যায়ে অগ্নিস্পৃহ উন্মত্ত জনতার তাণ্ডবে রূপ নেয়। ভাগ্যক্রমে তারা অক্ষত থাকলেও তাদের বহনকারী গাড়িটি ব্যাপক ভাঙচুরের শিকার হয়।বালুরঘাটে নতুন বছর উদযাপন উপলক্ষে একটি জমকালো কনসার্টে অংশ নিয়েছিলেন এই দুই শিল্পী। অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে ঘটে ঘটনা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তাদের গাড়িটি শত শত জনতার দখলে। জনতা এতটাই উন্মত্ত হয়ে উঠে যে, তারা চলন্ত গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে।সেখানে প্রচণ্ড শব্দে গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ির ভিতর থেকে সাচেতকে আঁতকে উঠে ‘ওহ শিট’ বলতে শোনা যায়। পাশেই থাকা পরম্পরা আতঙ্কিত হয়ে জনতাকে শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলছিলেন, ‘গাইজ রিল্যাক্স, শান্ত থাকো।’ তবে উন্মত্ত জনতার হামলা থেকে তাদের গাড়ি রক্ষা পায়নি। এই আকস্মিক হামলার দৃশ্য দেখে হতভম্ব হয়ে পড়েন শিল্পীরা। এ ব্যাপারে তারা এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি, তবে তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়তেই ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেটিজেনরা হেঁয়ালি করে বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বলিউডের তারকা শিল্পীদের ওপর এমন হামলা ভারতীয় আইনি পরিস্থিতি ও শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সংশয় সৃষ্টি করেছে। এই ধরনের ‘মব কালচার’ এখন ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যাচ্ছে, যেখানে দিন দিন শিল্পীদের ওপর চড়াও হওয়ার ঘটনা বেড়ে চলেছে। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে কৈলাস খেরের কনসার্টেও সহিংসতার ঘটনা ঘটে, সেখানে মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে মঞ্চ ত্যাগ করেন শিল্পীহীরা। এরকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেশের সাংস্কৃতিক মুক্তি ও নিরাপত্তার বিষয়ে চিন্তার জন্ম দিয়েছে।

  • ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল আসছে!

    বলিউডের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সিক্যুয়েল তৈরি হওয়ার খবর আলোচনায় রয়েছে। বছরের শুরুতেই জানা যায়নি এমন এক বড় আপডেট that নতুন বছরটিতে আসছে করণ জোহর পরিচালিত আরেকটি পারিবারিক ছবি, যা মূলত একটি আবেগঘন ফ্যামিলি ড্রামার গল্প নিয়ে। কেউ ভাবেননি, এই ছবিটি কি হবে ‘কাভি খুশি কাভি গাম’ এর সত্যিই এক সিক্যুয়েল।

    পিঙ্কভিলার প্রতিবেদনে জানা গেছে, করণ জোহর তার পরবর্তী ছবিতে একটি রোমান্টিক কমেডির পর এবার একটি পারিবারিক ড্রামা নির্মাণে মনোযোগী। এই সিনেমা ধর্ম প্রোডাকশনের ব্যানারে निर्माण পর্যায়ে থাকবে এবং ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রি-প্রডাকশনের কাজ শুরু হবে। এছাড়া, এই বছরের শেষের দিকে শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ছবিতে দুইজন নায়ক এবং দুইজন নায়িকা থাকবেন, যার জন্য কাস্টিং প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি শুরু হবে।

    খবরের মধ্যে আরও বলা হয়েছে যে, এই সিনেমাটির নাম হয়তো হবে ‘কাভি খুশি কভি গাম ২’, তবে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনো আসেনি। করণ জোহর বা ধর্ম প্রোডাকশনের পক্ষ থেকেও এই বিষয়ে কোনও অফিসিয়াল জাননোর প্রক্রিয়া এখনও শুরু হয়নি।

    প্রায় ২৫ বছর আগে, অর্থাৎ ২০০১ সালে, মুক্তি পেয়েছিল করণের অন্যতম ব্লকবাস্টার সিনেমা ‘কাভি খুশি কাভি গাম’। এ সিনেমার জনপ্রিয়তা এবং দর্শকদের প্রশংসা এখনও অব্যাহত। এখন সেই গল্পের পরবর্তী অংশের কাজ শুরুর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, যা অনেকের জন্যই উৎসাহের।

    উল্লেখ্য, করণ জোহর তার কর্মজীবনে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘কাভি আলবিদা না কেহনা’, ‘মাই নেম ইজ খান’, ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’, ‘বোম্বে টকিজ’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, ‘লাস্ট স্টোরিজ’ এবং ‘রকি অর রানি কি প্রেম কাহানি’ পরিচালনা করেছেন।

  • ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা নিয়ে পারিবারিক বিভাজন নয়, জানালেন হেমা মালিনী

    ধর্মেন্দ্রর স্মরণসভা নিয়ে পারিবারিক বিভাজন নয়, জানালেন হেমা মালিনী

    প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর স্মরণে দুটি পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় চর্চা শুরু হয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছু সময় ধরে গুঞ্জন চালু ছিল যে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। একদিকে, সানি ও ববি দেওলের আয়োজনে হেমা মালিনী উপস্থিত ছিলেন না, আবার হেমার সম্পাদনায় তার আয়োজনেও সানি ও ববির প্রবেশাধিকার হয়নি। এসব নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সংবাদমাধ্যমে নানা আলোচনা চলতে থাকায় এবার স্পষ্ট করে মন্তব্য করলেন হেমা মালিনী।

    ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, পারিবারিক এই বিচ্ছিন্নতা কিংবা দ্বন্দ্বের বিষয়টি আসলে সত্যিই কিছু নয়। তিনি যোগ করেন, এটি শুধুমাত্র আমাদের পরিবারের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়। আমি একজন রাজনীতিবিদ, ফলে আমার এই আয়োজনগুলো মূলত আমার কর্মক্ষেত্রের দায়িত্ব ও আবেগের প্রতিফলন। দিল্লিতে আমার রাজনৈতিক সফর ও বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য আলাদা করেই এই স্মরণসভা আয়োজন করতে হয়েছে। এছাড়া, আমার নির্বাচনী এলাকা মথুরার এলাকার মানুষের অনুভূতি ভেবে সেখানে অন্য একটি অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    হেমা মালিনী আরও জানান, তাদের পরিবারের মধ্যে কোনো বিভ্রান্তি বা ভাঙনের সুরাহা হয়নি। তারা সবাই তাঁদের প্রিয় অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে যথাযথ শ্রদ্ধা আর সম্মান জানিয়ে থাকেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৪ নভেম্বর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ধর্মেন্দ্র। তার প্রিয়সাধারণ আত্মীয়-স্বজন ও ভক্তরা তাকে স্মরণে মেতেছিলেন। ৩ ডিসেম্বর হরিদ্বারে ধর্মেন্দ্রর অস্থি বিসর্জনের আচার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়, যেখানে সানি ও ববি দেওল উপস্থিত ছিলেন। তবে, এই শেষকৃত্য ও তার পরবর্তী ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দু’পক্ষের কেউ একসঙ্গে দেখা যায়নি, যা বলিপাড়ায় নানা আলোচনা ও গুঞ্জনের সৃষ্টি করে।

    উল্লেখ্য, পারিবারিক বিভাজনের গুঞ্জনকে তিনি অস্বীকার করে বলেন, ধর্মেন্দ্রর স্মৃতি ধরে রাখতে সানি দেওল বড় ধরনের উদ্যোগ নিতে চলেছেন। এর মধ্যে রয়েছে, মুম্বাইয়ের লোনাভেলায় অবস্থিত ধর্মেন্দ্রর ১০০ একর জমির ওপর নির্মিত ফার্মহাউসটিকে একটি মিউজিয়ামে রূপান্তর করতে পরিকল্পনা। হেমা মালিনী এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি ধর্মেন্দ্রর অনুরাগীদের জন্য একটি বিশেষ উপহার হবে।