Category: সারাদেশ

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকবারের জামাত সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

    সভায় জানানো হয়, এবারের ঈদুল ফিতরের জামাত দ্বিতীয়বার কেন্দ্রীয় মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং অনুষ্ঠান শুরু হবে সকাল সাড়ে সাতটায় (৭:৩০ মিনিট)। আগেরবারের চাহিদা ও ভিড় বিবেচনায় এবার মহিলাদের জন্য মাঠে পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    অতিথিরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাইরে থেকেও বিপুলসংখ্যক মুসল্লি জামাতে অংশ নেন। তাই সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর আশেপাশে আরও তৎপরতা, রাত্রিকালীন পাহারা ও প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। সভায় নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোন কোনো জায়গায় নিয়ন্ত্রণ, পথনির্দেশ ও জরুরি সেবা রাখার বিষয়ে আলাপ করা হয়েছে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত এবং মসজিদ কমিটির সভাপতি ও খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরিফ মোহাম্মদ খান।

    আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকিয়া সুলতানা, হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মিহির কান্তি পাল, সিটিএসবির পুলিশ পরিদর্শক মল্লিক মোঃ ইমাম, তাজউদ্দীন আহমেদ তাজসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থেকে তাদের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ জানিয়েছেন।

    এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মিজানুর রহমান খান, প্রশাসন শাখার প্রধান মোঃ জাবেদ এলাহী, এস্টেট শাখার প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রারের সচিব শেখ আফসার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুসসহ অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    সভা শেষে উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্টরা জামাত সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রস্তুতি কার্যক্রম দ্রুততর করার নির্দেশ দেন এবং সবাইকে সচেতন থাকতে অনুরোধ করা হয়।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক কর্মসম্পাদনমূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভার সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

    সভায় জানানো হয় যে, এবার আবারও — দ্বিতীয়বারের মতো — খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সময় সকাল সাড়ে সাতটায় (৭:৩০) এবং এই বছর মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থাও করা হয়েছে।

    আলোচনায় বক্তারা বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি বাইরের বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সমাগম ঘটে, তাই সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এর অংশ হিসেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো, রাত্রিকালীন পাহারা জোরদার এবং প্রয়োজনীয় ট্রাফিক ও জনসেবা ব্যবস্থার উপযোগী প্রস্তুতি গ্রহণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরিফ মোহাম্মদ খান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকিয়া সুলতানা, হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মিহির কান্তি পাল, সিটিএসবির পুলিশ পরিদর্শক মল্লিক মোঃ ইমাম ও তাজউদ্দীন আহমেদ তাজসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা।

    অতিরিক্তভাবে সভায় উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মিজানুর রহমান খান, প্রশাসন শাখা প্রধান মোঃ জাবেদ এলাহী, এস্টেট শাখা প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রারের সচিব শেখ আফসার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুস এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে—আবশ‍্যক নিরাপত্তা ও সেবামূলক ব্যবস্থাসমূহ বাস্তবায়ন করে ঈদের জামাত সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও আরাধ্য পরিবেশে আয়োজন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জনসমাগম এবং যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য সময়মতো নির্দেশনা প্রদান করবেন।

  • হুইপ রকিবুল ইসলাম: খালগুলো দখলমুক্ত হলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা কমে যাবে

    হুইপ রকিবুল ইসলাম: খালগুলো দখলমুক্ত হলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা কমে যাবে

    জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বলেছেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পর এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছেন। কেউ কেউ বললেও যে ‘‘ভোটের কালি এখনও যায়নি’’, তবু তিনি পরিবার কার্ড প্রদান, মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, পুজোয় পুরোহিত, সেবায়েত, বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদের সম্মানী দেওয়া শুরু করেছেন। সেই ধারাবাহিকতায় খাল খননের মাধ্যমে আরেকটি কর্মসূচিরও যাত্রা শুরু হয়েছে।

    হুইপ আজ মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের টিয়াবুনিয়া খাল খননের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের যেসব খাল এখন দখলবিদ্ধ, সেগুলো যদি দখলমুক্ত করা হয় তাহলে ডুমুরিয়ার জলাবদ্ধতা অনেকাংশে নিরসন হবে।

    রকিবুল ইসলাম আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পর কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করেছেন—কারণ ‘‘কৃষক বাঁচলে, বাঁচবে দেশ’। তিনি সংশ্লিষ্টদের অবৈধ ইট ভাটা উচ্ছেদ করার নির্দেশনা দিয়েছেন এবং বলেন, অতীতের ভুলগুলো ভুলে আমরা সামনে এগোতে চাই।

    তিনি সতর্ক করে বলেন, এখানে মাদক সিন্ডিকেট গড়ে উঠছে; মাদক, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং দখলবাজি—এসব সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন এবং হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে এখন থেকে কেউ পার পেয়ে যাবে না। ভবিষ্যতে দলমত নির্বিশেষে জনগণের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার জন্য তারা প্রস্তুত আছেন—এটিই বিএনপির একমাত্র দায়িত্ব ও কর্তব্য হবে বলে হুইপ উল্লেখ করেন।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রশাসক এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী, পানি উন্নয়ন বোর্ড দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ড. মোঃ আবুল বাশার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জ্বল কুমার সেন ও ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবিতা সরকার।

    উল্লেখ্য, টিয়াবুনিয়া খালের ১.৭০ কিলোমিটার খননে ব্যয় হবে ৩৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা এবং কাজটি আগামী ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।

  • তারেক রহমান ধাপে ধাপে কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ডসহ নির্বাচন-পূর্ব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন

    তারেক রহমান ধাপে ধাপে কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ডসহ নির্বাচন-পূর্ব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবেন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করছেন। ইতোমধ্যে তিনি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেছেন এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সংশ্লিষ্টদের ভাতার অন্তর্ভুক্ত করেছেন। ধাপে ধাপে তিনি কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ডসহ অন্যান্য নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন করবেন বলেও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী কেসিসি’র দায়িত্ব দেওয়ার সময় মেট্রোপলিটন শহরগুলোকে পরিচ্ছন্ন, ধূলা ও মশামুক্ত নিরাপদ শহর হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন বলে জানান নজরুল ইসলাম মঞ্জু। মাঠ পর্যায়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও দৃঢ়ভাবে চালাতে এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের উদ্দীপনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী এ অনুদান প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন।

    কেসিসি প্রশাসক গতকাল সোমবার বিকেলে নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে 열린 অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ১২টি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ঈদ উপহার হিসেবে অনুদান প্রদান করেছেন।

    বক্তব্যে প্রশাসক মঞ্জু বলেন, মহানগরীর বিদ্যমান সমস্যাসমূহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট তুলে ধরা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী ‘‘নতুন বাংলাদেশ’’ গড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। দুর্নীতি ও অপচয়মুক্ত সিটি কর্পোরেশন গড়ে তুললে খুলনা মহানগরীকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা সম্ভব হবে—এই কাজে সকলের সহযোগিতা অনিবার্য। অনুষ্ঠানে উপস্থিত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন।

    অনুষ্ঠানে প্রশাসক পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হাতে অনুদান তুলে দেন। মোট ৭২৮ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মধ্যে প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে বিতরণ করে মোট ৩৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।

    প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সচিব আরিফুল ইসলাম, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোহিনুর জাহান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, কনজারভেন্সি অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ অহিদুজ্জামান খান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ ওয়ার্ডভিত্তিক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে কর্মীদের অবদানের প্রশংসা করা হয় এবং ভবিষ্যতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে সাতটায়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার প্রস্তুতি নিতে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।

    সভায় জানানো হয়েছে, এবার দ্বিতীয়বারের মতো কেন্দ্রীয় মাঠেই ঈদুল ফিতরের জামাত হবে, যা সকাল সাড়ে সাতটায় (৭টা ৩০ মিনিট) শুরু হবে। আগেরবারের চেয়ে এবারের আয়োজন আরও সুব্যবস্থা ও নিরাপত্তা জোরদার রেখে করা হবে। বিশেষভাবে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে সভায় নিশ্চিত করা হয়।

    অতিরিক্ত নিরাপত্তা ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করতে সভায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি বাড়ানো, রাত্রিকালীন পাহারা জোরদার, সামনের এলাকা ও প্রবেশপথে নজরদারি বৃদ্ধি এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেয়ার উত্তেজনামূলক পরিকল্পনা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বক্তারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বহিরাগত বিপুল সংখ্যক মুসল্লির সমাগমকে মাথায় রেখে সার্বিক প্রস্তুতি নিতে হবে।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত, মসজিদ কমিটির সভাপতি ও খান বাহাদুর আহছানউল্লাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর শরিফ মোহাম্মদ খান। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকিয়া সুলতানা, হরিণটানা থানার ওসি (তদন্ত) টিপু সুলতান, সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক মিহির কান্তি পাল, সিটিএসবির পুলিশ পরিদর্শক মল্লিক মোঃ ইমাম ও তাজউদ্দীন আহমেদ তাজ।

    আরও উপস্থিত ছিলেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) শেখ শারাফাত আলী, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) মিজানুর রহমান খান, প্রশাসন শাখা প্রধান মোঃ জাবেদ এলাহী, এস্টেট শাখা প্রধান এস এম মোহাম্মদ আলী, রেজিস্ট্রারের সচিব শেখ আফসার উদ্দিন, কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    সভায় গ্রহণ করা পরিকল্পনা ও নিরাপত্তা পরিপত্র বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের কাছে সময়মতো পরিবেশিত হবে। প্রশাসন সবাইকে অনুরোধ করেছে—নির্ধারিত সময়ে মসজিদের নির্দেশনা মেনে চলা, ব্যক্তিগত মূল্যবান সামগ্রী সচেতনভাবে রাখা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়ার জন্য।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দুইজন গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ডিবি পরিচয়ে চাঁদাবাজি, দুইজন গ্রেফতার

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ডিবি (ড্রাগ্স ব্রাঞ্চ/ডিবি) পরিচয় দিয়ে সড়কে বিভিন্ন যানবাহন থামো করে চাঁদা আদায় করার সময় দুই ভুয়া ডিবি সদস্যকে স্থানীয়রা আটক করে। পরে গণধোলাই করে তাদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

    ঘটনা ঘটে বুধবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের চেংড়িখালী ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে। স্থানীয়রা জানায়, কয়েকজন ব্যক্তি রেজিস্ট্রেশনবিহীন একটি সুজুকি মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনকে থামিয়ে নগদ টাকা দাবি করছিলেন। তাদের আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে এলাকাবাসী তাদের ঘিরে ধরে।

    আটককৃত দুইজন তখন ডিবি লেখা জ্যাকেট পরিহিত ছিলেন। স্থানীয়দের হাতে আটকের সময় তাদের আরও ২–৩ জন সহযোগী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আটকরা হলেন ঝিনাইদহ জেলার গাবতলা পাড়ার আক্কাস আলীর ছেলে আহাদ (৩৫) ও কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজারপাড়ার ইউসুফ আলীর ছেলে রিজভী সালমান (২৯)।

    জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ভুয়া পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুইজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের থানায় রাখা হয়েছে। পলাতক অন্যান্য সহযোগীদের শনাক্ত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা दায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

    ওসি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়রা এ ধরনের কেউ না করলে সড়কে এই ধরনের চাঁদাবাজির ঘটনা আর ঘটবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পুলিশি কর্তারা।

  • প্রশাসক নিয়োগে খুলনা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার হবে: আশা

    প্রশাসক নিয়োগে খুলনা জেলা পরিষদের উন্নয়ন কর্মসূচি জোরদার হবে: আশা

    খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, স্থবির থাকা জেলা পরিষদগুলো সচল করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ খুলনা জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পুনরায় ত্বরান্বিত করবে এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ভূমিকা রাখবে। ঈদের আগে পাওয়া এই দায়িত্ব সবাইকে অনুপ্রাণিত করছে। কিছু আগে আমাকেও সিটি করপোরেশনে নিয়োগ দেয়া হয়েছে; এখন মিলেমিশে খুলনা মহানগরী ও জেলার মানুষের কল্যাণে কাজ করবো—তিনি এও উল্লেখ করেন।

    নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী মঙ্গলবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় খুলনা জেলা পরিষদে দায়িত্ব গ্রহন করেন। দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, তরিক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের লক্ষ্য জেলা পরিষদকে দুর্নীতিমুক্ত, জনবান্ধব ও কল্যাণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। কোনো দুর্নীতিবাজের সেখানে ঠাঁই হবে না; তৃণমূল পর্যায়ে আর্থিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দেয়া হবে—এটাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।

    দায়িত্ব হস্তান্তর করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য এম. আমীর এজাজ খান ও জেলা বিএনপির আহবায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু।

    দায়িত্ব গ্রহনের পরে বক্তৃতায় এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেন, দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক সরকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছে। দেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর যারা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। তিনি জানান, তাকে জেলা পরিষদকে সততা, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার সাথে পরিচালনা করে দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

    মনিরুল হাসান বাপ্পী দাবি করেন, গত ১৭ বছর ধরে খুলনা জেলা পরিষদ দুর্নীতিগ্রস্ত ছিল এবং সেখানে নিয়ম ও নীতির অভাব ছিল। তাই তিনি জনগণের স্বচ্ছ যাতায়াত নিশ্চিত করে জবাবদিহিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। তিনি মহান আল্লাহর শোকরিয়া করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও খুলনাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং দীর্ঘ সময়ের সংগ্রামী নেতাকর্মী ও সমর্থকদেরও ধন্যবাদ জানান।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকোসহ মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়। অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুস্হ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমানসহ জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতা-কর্মীরা। এছাড়া খুলনার নয়টি উপজেলা ও দুই পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীরা অংশ নিয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি তাঁর নির্ধারিত কক্ষে বসে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।

  • জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক: উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে

    জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক: উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হবে

    খুলনা জেলা পরিষদে নবনিযুক্ত প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীর দায়িত্ব গ্রহণকালে বক্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, প্রশাসক নিয়োগের ফলে জেলা পরিষদের স্থবিরতা কাটিয়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড দ্রুত গতি লাভ করবে এবং জনসাধারণের প্রত্যাশা পূরণ হবে।

    সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টায় জেলা পরিষদ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জেলা পরিষদগুলো সচল করতে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছেন। এই নিয়োগ ঈদের আগে গুরুত্বপূর্ন বার্তা দিয়েছে এবং খুলনা জেলায় উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত হবে বলে তার দৃঢ় বিশ্বাস। তিনি বলেন, সাম্প্রতিককালে নিজেও সিটি করপোরেশনে দায়িত্ব পেয়েছেন; এখন মিলে খুলনা মহানগরী ও জেলার মানুষের কল্যাণে কাজ করবে প্রশাসন ও স্থানীয় নেতারা।

    নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী দায়িত্ব গ্রহণপূর্ব বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ স্বৈরশাসন-পীড়নের পরে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক সরকার তারেক রহমানের নেতৃত্বে যাত্রা শুরু করেছে। অনিয়ম ও দুর্নীতিতে স্থবির হয়ে পড়া জেলা পরিষদকে সততা, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে পরিচালনা করে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতেই তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    মনিরুল হাসান বাপ্পী দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে খুলনা জেলা পরিষদ দুর্নীতির কবলে পড়ে ছিল, সেখানে নিয়ম-নীতি কার্যকর ছিল না। তিনি প্রতিজ্ঞা করেন—দুর্নীতিবাজদের কোনো ঠাঁই থাকবে না, জেলা পরিষদকে জনকল্যাণমুখী ও স্বচ্ছ সেবামূলক প্রতিষ্ঠান করা হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের আর্থিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সেবা পৌঁছে দিতে কাজ করবেন।

    দায়িত্ব হস্তান্তর করেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা-১ আসনের সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান এবং জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু।

    অনুষ্ঠানে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তাদের পরিবারসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে ও ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নিবেদিত প্রাণদের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া আয়োজিত হয়। একই সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু—এবং দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।

    অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (ট্রাফিক) মো. শফিকুল ইসলাম, জেলা পুলিশ সুপার মো. মাহবুবুর রহমান এবং জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতা ও কর্মী। খুলনা জেলার নয়টি উপজেলা ও দুই পৌরসভার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী-সমর্থকরা আনন্দঘন পরিবেশে অংশ নিয়ে নবনিযুক্ত প্রশাসককে ফুলেল শুভেচ্ছা দেন। খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ¦ আলি আসগর লবির পক্ষেও ফুল তুলে শুভেচ্ছা জানানো হয়।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর নবনিযুক্ত প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পী তাঁর অফিস কক্ষে বসে আনুষ্ঠানিক দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন এবং জনগণের দ্রুত সেবা নিশ্চিত করার জন্য কার্যক্রম প্রশাসনিকভাবে মনিটরিং ও বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। তিনি জেলাবাসী ও দলের কর্মীদের সহযোগিতা চান এবং উন্নয়ন ও সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকার কথাও জানান।

  • চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ‘ডিবি’ পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ২ জন আটক

    চুয়াডাঙ্গায় ভুয়া ‘ডিবি’ পরিচয়ে চাঁদাবাজি: ২ জন আটক

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় ডিবি পুলিশের পরিচয় প্রদর্শন করে সড়কে যানবাহন থেকে চাঁদা তুলতে গিয়ে দুই ভুয়া ডিবিকে স্থানীয়রা আটক করেছেন। পরে তারা গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

    ঘটনাটি ঘটে সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের চেংড়িখালী ব্রিজ সংলগ্ন সড়কে। স্থানীয়রা জানান, কিছু লোক নিজেদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে একটি রেজিস্ট্রেশনবিহীন সুজুকি মোটরসাইকেল সড়কের পাশে রেখে ভ্যান, রিকশা ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যান থামিয়ে নগদ টাকা আদায় করছিলেন।

    সন্দেহ হলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদেরকে ঘিরে ধরে; তখন তারা ডিবি লেখা জ্যাকেট পরে ছিল। এক পর্যায়ে গণধোলাই দিয়ে দুইজনকে আটক করে এলাকাবাসী পুলিশে সোপর্দ করে। ঘটনাস্থল থেকে আরও ২-৩ জন সহযোগী পালিয়ে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

    আটক ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে—ঝিনাইদহ জেলা গাবতলা পাড়ার আক্কাস আলীর ছেলে আহাদ (৩৫) এবং কোটচাঁদপুর উপজেলার বাজারপাড়ার ইউসুফ আলীর ছেলে রিজভী সালমান (২৯)।

    জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সোলায়মান শেখ জানান, ওই দুইজনকে বিভিন্ন যানবাহন থেকে চাঁদা নিচ্ছেন বলে আটকের পর থানায় রাখা হয়েছে। ঘটনায় পলাতক অন্যান্যদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • চিতলমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এডিপি অর্থায়নে ইসিজি মেশিন বিতরণ

    চিতলমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এডিপি অর্থায়নে ইসিজি মেশিন বিতরণ

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টায় এডিপি অর্থায়নে ইসিজি মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের এই সহায়তা স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বাড়াতে এবং হৃদরোগ সংক্রান্ত দ্রুত ও সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় সহায়ক হবে।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ সাজ্জাদ হোসেন মেশিনগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) চিকৎসক এস এম আরজান আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন চিকিত্সক মফিজুর রহমান ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন।

    অনুষ্টানিকভাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান খান পিকলু, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ একরামুল হক মুন্সি, চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর, সাধারণ সম্পাদক তাওহিদুর রহমান বাবু, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোষাধ্যক্ষ মোঃ কুতুব উদ্দিন, ফার্মাসিস্ট শিশির মজুমদার, ইসিজি টেকনিশিয়ান স্বর্ণা রানী ও নার্সিং সুপারভাইজার শান্তনা রানী দত্ত। প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীরা মিলিতভাবে মেশিন ব্যবহারের প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করেন।

    ইসিজি মেশিন বিতরণের পর ইউএনও মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ও উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন হাসপাতাল চত্বরে সিসিটিভি বসানোর কাজের উদ্বোধনও করেন, যার মাধ্যমে নিরাপত্তা ও সেবা তদারকিতে উন্নতি আশা করা হচ্ছে।