Category: সারাদেশ

  • খুলনা সাব রেজিস্ট্রিতে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা সাব রেজিস্ট্রিতে পেট্রোল বোমা হামলা

    খুলনা জেলার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্বৃত্তরা পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছে। এই হামলায় অফিসের দলিল লেখকদের জন্য ব্যবহৃত সেরেস্তায় আগুন জ্বলে উঠে, যার কারণে চেয়ার ও টেবিল পুড়ে গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাতে সাড়ে তিনটার দিকে, ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা এটি পরিকল্পিতভাবে ঘটিয়েছে।

    ঘটনার পরপরই তৎপর হয়ে উঠেন টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একদল কর্মী। তারা এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন, ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পায় অফিসের সম্পত্তি।

    সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নিরাপত্তা প্রহরী ওয়াহিদুর রহমান নান্নু জানিয়েছেন, পেট্রোল বোমা হামলায় অফিসের সেরেস্তায় আগুন লাগলে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দলিল এবং নথি পুড়ে গেছে। তিনি বলেন, হামলাকারীরা পেছনের গ্রিলের ভিতর থেকে দু’টি পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

    দলিল লেখকদের তথ্যমতে, তাঁরা সকালে অফিসে এসে দেখেন, কিছু নথি ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে গেছে এবং অফিসের আসবাবে বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

    খুলনা সদর থানার তদন্ত বিভাগের কর্মকর্তা ওসি আব্দুল হাই জানান, এই নাশকতার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

  • প্রাইভেট ও কোচিংয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা ও মানবিক গুণাবলি গুরুত্বের আহবান হেলালের

    প্রাইভেট ও কোচিংয়ের পাশাপাশি খেলাধুলা ও মানবিক গুণাবলি গুরুত্বের আহবান হেলালের

    শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট টিউশন ও কোচিং সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে এসে খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। তিনি বলেন, যত বেশি খেলাধুলা করবে, তোমাদের পড়াশোনার মনে রাখতে সুবিধা হবে। সত্যিকার শিক্ষা ও জীবনের মূল মূল্যর সংজ্ঞা নিহিত রয়েছে খেলাধুলা, চরিত্র গঠন এবং মূল্যবোধের মধ্যে।

    মঙ্গলবার দুপুরে বেলফুলিয়া ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও বেলফুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ‘একটি বাড়ি, একটি গাছ, সবুজায়নের অঙ্গীকার’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি স্মৃতিচারণ করে বলেন, “এই মাঠে আমরা খেলাধুলা করতাম ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। ভোরবেলা থেকে দুপুর পর্যন্ত নানা ধরনের খেলাধুলা করতাম। এখন সেই মাঠ আর নেই, আমাদের দাদার সময়কে মনে করে আনন্দে ভরে উঠতাম। সেটাই এখন শুধুই স্মৃতি, কারণ এখন দেখতে পাই খেলাধুলার জায়গাও কমে যাচ্ছে। যা আমাদের সন্তানের মানসিক বিকাশে বড়ই ক্ষতি।”

    বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় চাপের কথাও তিনি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বিকেলে কেউ কোচিংয়ে যায়, কেউ প্রাইভেট পড়তে যায়, এতে ছাত্ররা যেন একটা যন্ত্রে পরিণত হচ্ছে। আমাদের সময় মা আমাদের বলতেন, ‘বেলা পড়ে গেলে বই পড়ো না, মাঠে যাও ও খেলাধুলা কর।’ শারীরিক সক্ষমতা ছাড়াই জ্ঞান আদৌ কাজে আসে না।”

    শিক্ষার শুধু পরীক্ষায় প্রথম বা দ্বিতীয় হওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, “আমার সময়ের ক্লাসের যারা ফার্স্ট-সেকেন্ড হতো, তারা অনেকেই আজ সফল হয় নি। লক্ষ্য ঠিক না থাকলে সাফল্য ধরা দেয় না। দেশ ও সমাজের জন্য বড় মানুষ হতে হলে চারিত্র্য, নৈতিকতা ও পরিশ্রম সবচেয়ে বড় সম্পদ।

    শিক্ষকদের মর্যাদা মূল্যবান বলে মনে করেন হেলাল। তিনি বলেন, “শিক্ষকরা মা-বাবার সমান আসল। যারা শিক্ষকের আদেশ মানে না, তারা যতই পড়াশোনা করুক, ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে এগিয়ে যাবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের গল্প, উপন্যাস, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও বিশ্বখ্যাত ব্যক্তিত্বের জীবনী পড়ার আহবান জানান।

    এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলি জুলু, শেখ আব্দুর রশিদ, নাজমুস সাকিব পিন্টু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, আরিফুজ্জামান আরিফ, আজিজুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান বেলাল, রেজাউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম বাচ্চু ও মোশারেফ শিকদারসহ আরও অনেকে।

  • একতা আমাদের শক্তির মূল উৎস, বিভেদ নয়

    একতা আমাদের শক্তির মূল উৎস, বিভেদ নয়

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আমরা সকলে আমাদের দলের স্বার্থে একত্রিত হয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশानুযায়ী ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করে দেশের জন্য কাজ করবো। ব্যক্তির থেকে দলের বড়, এবং দলের থেকে দেশের বড় এই মানসিকতা আমাদের প্রেরণার উৎস। বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের এই উক্তিটি সামনে রেখে, আমাদের দেশকে বিভিন্ন অপশক্তি থেকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ থাকাই গুরুত্বপূর্ণ। দলের মত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একত্রে দাঁড়িয়ে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাই, যেন অপপ্রচারের কাছে হার না মানি। একতা আমাদের প্রাণের বন্ধন, বিভেদ নয়।

    গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায়, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম এস এম মোরশেদ আলম, যুবদল নেতা মরহুম ইফতেখার বিশ্বাস এবং পুরাতন ইসলামাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম আতিয়ার রহমান আতির বাসায় বেড়াতে গিয়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও দোয়া করেন। পাশাপাশি খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সদস্য অসুস্থ আব্দুর রশিদ সরদার এর বাড়িতে যান এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন। এই সময় তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।

    এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক মেয়র ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, সাদিকুর রহসান সবুজ, ইউসুফ হারুন মজনু, তৈবুর রহমান, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, মেহেদী হাসান সোহাগ, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, নাহিদ মোড়ল, আব্দুল হালিম, তুষার আলম, শামীম খান, মনিরুল ইসলাম, এ আর রহমান, মিজানুজ্জামান মিজান, আকিরুন ইসলাম, সুলতান সালাউদ্দিন সুমন, রাজিবুল আলম বাপ্পি, হাবিব খান, খান আবু দাউদ, সজল আকন নাসিব, আসমত হোসেন, জোবায়ের আলম তোয়াজ, মুশফিকুর রহমান অভি, ফয়সাল মাহমুদ, শামীম রেজা, মিজান মিয়া, শেখ আব্দুস সাত্তার, জুয়েল রহমান, শরিফুল ইসলাম, গিয়াস উদ্দিন, সোহেল খন্দকার, মুর্শিদা বেগম, সেলিম বড় মিয়া, মোস্তফা জামান নোমান, পারভেজ মোড়ল, শফিউদ্দিন আহমেদ, হারুন মোল্লা, বাবুল হোসেন, রকিব শিকদার, এসএম হোসেন সজল, সালাউদ্দিন সান্নু, মিনহাজুল ইসলাম হিরা, ওহেদুজ্জামান শিমুল, রফিক শিকদার ও মোফাজ্জেল হোসেনসহ আরও অনেকে।

  • খুলনায় এনসিপি কার্যালয়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের হামলা

    খুলনায় এনসিপি কার্যালয়ে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তদের হামলা

    খুলনা জেলার নিউ কনসেপ্ট পার্টি (এনসিপি) এর দলীয় কার্যালয়ে অপ্রত্যাশিত এক হামলার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) গভীর রাতে শহরের টাইগার গার্ডেনের পাশে অবস্থিত এই কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয়। ঘটনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রাত আনুমানিক ১টার সময় একদল অচেনা দুর্বৃত্ত হঠাৎ করে কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাঙচুর শুরু করেন এবং আসবাবপত্র ও অন্যান্য মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত করেন। স্থানীয়রা যখন বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন এবং এগিয়ে আসেন, তখন হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যান। উল্লেখ্য, এর ঠিক যে দিনটি ছিলো, তারই কিছুক্ষণ আগে আওয়ামী লীগের ঘোষিত হরতাল বা শাট ডাউন কর্মসূচির কারণে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ধর্মঘটের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এর মধ্যে এনসিপি কার্যালয়েও অপ্রত্যাশিত ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ ও এনসিপির নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করেন। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা দায়ের হয়নি। পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট authorities বিষয়টি আরও তদন্ত করছে।

  • চিত্রলমারীতে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ব্যবসায়ী নির্বাচন: পাঁচ পদের বিপরীতে ১৩ মনোনয়নপত্র বিক্রি

    চিত্রলমারীতে দীর্ঘ ১৭ বছর পর ব্যবসায়ী নির্বাচন: পাঁচ পদের বিপরীতে ১৩ মনোনয়নপত্র বিক্রি

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে দীর্ঘ ১৭ বছর পর। এবারের নির্বাচনে পাঁচটি পদে নির্বাচন হবে, যেখানে মোট ১৩ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বিক্রি চলে, আর এই সময়ে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা ও উৎসাহ দেখা যায়। এই দিনটি সম্পূর্ণ একটি উৎসবের পরিবেশে পরিণত হয়, যেখানে ব্যবসায়ী সমাজের মানুষেরা তাদের প্রার্থীদের সমর্থনে উপস্থিত ছিলেন।

    বুধবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার শেখ শাহাদাৎ হোসেন বুলু বলেন, এবার ব্যবসায়ীদের পাঁচটি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন পরিচালনার জন্য তফশীল ঘোষণা করা হয় ৮ নভেম্বর। মূলত মনোনয়নপত্র বিক্রিসহ অন্যান্য ধাপের নির্ধারিত সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১২ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৫ নভেম্বর, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ১৬ নভেম্বর এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ২৮ নভেম্বর।

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য জনপ্রিয় প্রার্থীরা হলেন: সভাপতি পদে মোঃ শহর আলী গাজী, মোঃ শোয়েব হোসেন গাজী ও মোঃ মনিরুজ্জামান গাজী। সাধারণ সম্পাদক পদে শেখ আসাদুজ্জামান, মোঃ রাজু আহমেদ মুন্সি ও জয়নুল পারভেজ সুমন। সাংগঠনিক পদে মোঃ রাসেল শেখ ও সাদ্দাম শেখ। কোষাধ্যক্ষ পদে লিটন শেখ ও রাজু তালুকদার। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে মনোনয়নপত্র কিনেছেন অনুপম সাহা, সৈয়দ সিব্বির ও মোঃ মুরাদ হোসেন মুন্সি।

    উল্লেখ্য, গত বারের নির্বাচন ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত হয়। তখন শেখ হাফিজুর রহমান সভাপতি এবং মোঃ শহর আলী গাজী সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে কিছুদিন পর ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি শহীদুল ইসলাম লিটন মৌলিকভাবে অভ্যুত্থান চালিয়ে নেতৃত্বে যান। দীর্ঘদিন ধরে এই পদগুলো আর নির্বাচন হয়নি। আর বর্তমান সময়ের পরিস্থিতি বিবেচনায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মোঃ সোয়েব হোসেন গাজীকে আহবায়ক ও মোঃ মনিরুজ্জামানকে সদস্য সচিব করে একটি নতুন আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়, যাতে বর্তমান নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

  • শিক্ষকদের মর্যাদা আদর্শ জাতি গঠনে প্রধান ভূমিকা: বকুল

    শিক্ষকদের মর্যাদা আদর্শ জাতি গঠনে প্রধান ভূমিকা: বকুল

    কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, একজন জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য গুণীজনের প্রতি সম্মান দেখানো অত্যন্ত জরুরি। তিনি বলেন, যে জাতি গুণী ও কৃতী ব্যক্তিদের মূল্যায়ন করতে জানে না, তার উন্নয়ন অসম্ভব। আদর্শ ও মেধাবী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হলে আমাদের সবাইকে শিক্ষকদের মর্যাদা ও সম্মান নিশ্চিত করতে হবে। যদিও আমরা ভালো ফলের প্রত্যাশা করি, কিন্তু ফলাফলের কারিগর — অর্থাৎ শিক্ষকদের জীবনযাত্রা ও সম্মান— সে বিষয়টি এখনো আমাদের সমাজের বড় দুর্বলতা হিসেবে রয়ে গেছে।

    মঙ্গলবার দুপুরে খুলনার খানজাহান আলী থানার ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত ‘‘এসএসসি ২০২৫ কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা’’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে আটটি স্কুলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অংশ নেন। নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতি শেয়ার করে বকুল বলেন, এক সময় আমরা যখন শিক্ষকদের দেখতাম, তখন শ্রদ্ধা ও ভক্তি প্রকাশে মাথা নত করতাম। সেই শাসন এবং স্নেহের শিক্ষা আমাদের মানুষ করে তুলেছে। আজকে সেই সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনাটাই এখন আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ।

    বক্তব্যের এক পর্যায়ে তিনি সরাসরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন ছাত্র হৃদয় আহমেদ জানায়, সে বড় হয়ে একজন পুলিশ অফিসার হয়ে দুর্নীতিমুক্ত society গড়ে তুলতে চায়। অন্যদিকে, কুয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক তরুণী ছাত্রী আশফাকুস সুরাইয়া বলেন, তিনি একজন আদর্শ শিক্ষক হয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে চান। শিক্ষার্থীদের স্বপ্নের কথা শুনে উপস্থিত সবাই করতালিতে মুখরিত হন।

    বকুল মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্মকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজের প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। এতে তরুণরা শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী হবে, এবং সমাজও মাদকমুক্ত হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আবু সাঈদ হাওলাদার, সফল পরিচালকমণ্ডলের সভাপতি। উপস্থিত ছিলেন মো. মনিরুল ইসলাম, আয়েশা সিদ্দিকা, শাহিনুল ইসলাম, আবু জাফর, জাহিদ হোসেন, অরবিন্দু কুমার মন্ডল ও এসএ রহিমসহ আরো অনেকে।

    অনুষ্ঠানে ফুলবাড়ী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কুয়েট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মিরেরডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসা, সরকারি ল্যাবরেটরি স্কুল, কেডিএ স্কুল, আর আর এফ স্কুল, তেলিগাতী হাই স্কুল ও সোনালী জুট মিলস স্কুলের কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত ও সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

  • নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে কিশোর গুরুতর আহত

    নগরীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে কিশোর গুরুতর আহত

    নগরীতে দুর্বৃত্তদের দ্বারা হামলা করে এক কিশোর গুরুতর আহত হয়েছে। ঘটনা ঘটে গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে, নগরীর আড়ংঘাটা থানাধীন লতার মোড় ও লতার ব্রিজের পাশে। আহত শান্ত (১৫) নামের এই কিশোরকে দ্রুত তার বন্ধু-বান্ধবরা উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়, এরপর পরিস্থিতির অবনতি হলে সন্ধ্যার দিকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। শান্ত নগরীর রায়েরমহল উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতা ফয়সাল বিশ্বাস মন্টু।

    আড়ংঘাটা থানার ওসি তদন্ত প্রদীপ বলেন, আমরা ঘটনার বিষয়ে খতিয়ে দেখছি। লতার মোড় থেকে লতার ব্রিজ পর্যন্ত এলাকার CCTV ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে, এখনও কোন রক্তের ছাপ বা ট্রেস পাওয়া যায়নি। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানা যায়, শান্ত সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন না। পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার খবর দ্রুত তারা ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। ঘটনার পেছনে কোন সম্ভাব্য কারণ বা অপরাধীদের সম্পর্কে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

  • বকুলের অভিযোগ: ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকেও বাংলাদেশের জনগণের ভবিষ্যৎ লুট হয়েছে

    বকুলের অভিযোগ: ১৭ বছর ক্ষমতায় থেকেও বাংলাদেশের জনগণের ভবিষ্যৎ লুট হয়েছে

    কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের কোন পরিবর্তন আসেনি। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের লোভে জনগণের ভোট লুট করে ক্ষমতায় থাকা এই সরকারের সময় শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও তাদের অনুসারীরাই উন্নতির সুযোগ পেয়েছেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ আজও দারিদ্র্য ও কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। তিনি রোববার দুপুরে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন ৬ নং ওয়ার্ডের নারীনির্নীত ভোটারদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

    বকুল উল্লেখ করেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের প্রতিটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘হেলথ কার্ড’ প্রদান করা হবে। প্রথম ধাপে এক কোটি শিক্ষিত যুবক-যুবতীর জন্য কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, সরকার যদি এই পরিকল্পনায় সামিল হয়, তাহলে পরিবারভিত্তিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ের মাধ্যমে কম খরচে চাল, ডাল, তেলসহ প্রয়োজনীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে পারবে। এছাড়াও, নারীদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করতে ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হবে। পাশাপাশি, নারীদের স্বাবলম্বী করে তুলতে অনলাইনভিত্তিক কুটির শিল্পের প্রশিক্ষণ ও ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা ঘরে বসেই আয় করতে পারেন।

    সরকারের সমালোচনা করে বকুল বলেন, এই ১৭ বছরে দেশ শাসন করলেও মা-বোনদের ভাগ্য পরিবর্তন হয়নি, বরং লুটপাটের জন্য মাথায় উঠে গেছে দুর্নীতি। টিসিবি কার্ড থেকে শুরু করে সরকারি ভাতা—all জায়গাতেই চলছে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাট, জনগণের প্রাপ্য বরাদ্দ নিজের পকেটে তুলছে ক্ষমতাধারীরা। তিনি অতীতের ইতিহাস টেনে বলেন, ৩০ লাখ শহীদের রক্তে অর্জিত এই দেশের সুখ-শান্তির কথা ছিল। কিন্তু ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘আমার ভাগের কম্বলটি গেল কোথায়?’ এবং ‘সবাই সোনার খনি পাচ্ছে, আমি পাচ্ছি চোরের খনি’—এটাই ছিল দুর্নীতির শুরু।

    তিনি বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে দেশের খারাপ সময়ে ত্রাণের ত্রাতা হিসেবে তুলে ধরেন। বলেন, যখন দেশ নেতৃত্বশূন্য ছিল, তখন জিয়াউর রহমান নিজের জীবন বাজি রেখে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে, তিনি দুর্ভিক্ষে ভুগতে থাকা দেশকে স্বনির্ভর করে তুলেন। বিএনপি সব সময় দেশের মানুষের পাশে রয়েছে বলে ব্যাখ্যা করেন।

    জনগণের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বকুল বলেন, আমি ভোটের জন্য আসিনি, আসলে আপনাদের কথা শুনতে ও আমাদের পরিকল্পনাগুলি জানাতে এসেছি। যারা ভবিষ্যতে ভোটের জন্য আসবেন, তাদের প্রশ্ন করুন— এতদিন তারা কোথায় ছিলেন, আর আমাদের জন্য কী করেছেন? নিজেকে তিনি দেশের নেতা তারেক রহমানের বার্তাবাহক হিসেবে তুলে ধরেণ এবং বলেন, ‘আমাকে পাঠিয়েছেন আপনারা কেমন আছেন এবং ভবিষ্যতে কীভাবে ভালো থাকবেন জানাতে। বিএনপি অতীতেও জনগণের পাশে ছিলো, আজও রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা মহিলা দলের আহ্বায়ক সালমা বেগমের সভাপতিত্বে, মদিনা হাওলাদার, জিএম জাকারিয়া, মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক শফিকুল ইসলাম হোসেন, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি মুর্শিদ কামাল এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেন। পরে বকুল মহেশ্বর পাশা মহাশ্মশান পরিদর্শন করেন এবং দৌলতপুর রেলিগেট মোড়ে বিএনপি’র ৩১ দফা কর্মসূচির লিফলেট বিতরণ ও ধানের শীষের ভোটের জন্য গণসংযোগ করেন।

  • নির্বাচনে কোনো অপচেষ্টা বাধা দিতে পারে না: হেলাল

    নির্বাচনে কোনো অপচেষ্টা বাধা দিতে পারে না: হেলাল

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ হয়, তবে কোনো শক্তিই নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। বিএনপি গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য নির্বাচনের মাধ্যমে প্রবৃত্ত রাজনীতি বিশ্বাস করে এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে জনগণের সঙ্গে সাহসিকতার সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়বে। রবিবার বিকেলে তেরখাদা উপজেলার হাড়িখালি এলাকায় একটি নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, তেরখাদা বিএনপির উর্বর জমি। এই অঞ্চলের শরীফ বংশসহ বহু পরিবার ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দলিলের সঙ্গে জড়িত। যদিও অতীতে কিছু মতবিরোধ দেখা দিয়েছিল, এবার সব অসুবিধা ও বিভেদ ভুলে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি তেরখাদাবাসী বিপুল ভোটের মাধ্যমে ধানের শীষকে বিজয়ী করবে। হেলাল আরও বলেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হবে। আখের উৎপাদনকে গুড়ে রূপান্তর করে স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে। উন্নয়ন এবং মানুষের অধিকার রক্ষার জন্য এই অঞ্চলের জনগণের প্রতিনিধিত্বকে জাতীয় সংসদে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি নেতা-কর্মী ও ভোটারদের নির্দেশ দেন, দলটির ঘোষণা করা ৩১ দফা ও লিফলেটগুলো ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে। তেরখাদা বিএনপির সার্চ কমিটির আহ্বায়ক চৌধুরী কাওছার আলী সভাপতিত্বে এই সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের খুলনা জেলা আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা তুহিন, উপজেলা বিএনপির নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের একাধিক নেতাকর্মী যেমন: ফকরুল ইসলাম বুলু চৌধুরী, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, আবদুল মান্নান সরদার, সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, নাইম, কালাম লস্কর, মিল্টন হোসেন মুন্সি, আজিবর শেখ, ইউসুফ মোল্লা, জাহিদ, মোবাশের মোল্লা, পিলু লস্কর, পলাশ মেম্বার, আজিজুল ইসলাম, লিটন মোল্লা, হুমায়ুন মোল্লা, সোহাগ মুন্সি, আমিনুল ইসলাম, সাব্বির আহমেদ লিমন, মেহেদি চৌধুরী প্রমুখ।

  • খুলনায় ছাত্রলীগ নেতা দীপ পান্ডে আটক

    খুলনায় ছাত্রলীগ নেতা দীপ পান্ডে আটক

    খুলনায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতা এবং খুলনা জেলা পরিষদ থেকে সাবেক চেয়ারম্যান শেখ হারুন অর রশীদের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) দীপ পান্ডেকে গ্রেফতার করেছে খুলনা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। রোববার (৯ নভেম্বর) রাতে নগরীর ফরাজিপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ জানায়, দীপ পান্ডে গত বেশ কিছু দিন ধরে গভীর গোপনায় ছিলেন। তিনি খুলনা জেলা ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতারূপে পরিচিত ছিলেন। নগর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৈমুর ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে—দীপ পান্ডে আসন্ন ১৩ নভেম্বরের নাশকতা পরিকল্পনায় জড়িত থাকতেন, যেখানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের যুব সদস্যরা সংগঠিত হচ্ছেন। এই খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে ফরাজিপাড়া এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ওসি আরও উল্লেখ করেন, দীপ পান্ডে দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে ছিলেন, এবং ধারণা করা হচ্ছে—তিনি বিভিন্ন স্থানে গোপন বৈঠক করে নাশকতার পরিকল্পনা করছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে, এবং সম্ভবত সোমবার (১০ নভেম্বর) সকালে আদালতে হাজির করা হতে পারে। উল্লেখ্য, দীপ পান্ডে প্রথম থেকেই খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তবে, সংগঠনটি নিষিদ্ধ হওয়ার পরও তিনি গোপনে সংগঠনটির কার্যক্রমে আপাতত সক্রিয় ছিলেন বলে জানা যায়।