Category: রাজনীতি

  • বাগছাসের ডাকসু প্যানেল ঘোষণা: ভিপি পদে আব্দুল কাদের, জিএস আবু বাকের

    বাগছাসের ডাকসু প্যানেল ঘোষণা: ভিপি পদে আব্দুল কাদের, জিএস আবু বাকের

    আজ বুধবার (২০ আগস্ট) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে। এই প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়বেন ঢাকা গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, আর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার।

    সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ’। প্যানেলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, যারা এ আন্দোলনে শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বাবা-ও উপস্থিত ছিলেন।

    অতিরিক্তভাবে, সংগঠনটির মুখপাত্র আশরেফা খাতুন ডাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন। এই নির্বাচনে বাগছাসের পক্ষ থেকে ২৮টি পদের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। গবেষণা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক পদটি জুলাই আন্দোলনে আহত সানজিদা আহমেদ তন্বীর জন্য খালি রাখা হয়েছে।

    প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে এমন প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে:
    – মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক: মো. হাসিবুল ইসলাম
    – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: আহাদ বিন ইসলাম শোয়েব
    – কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক: মিতু আক্তার
    – আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: মোহাম্মদ সাকিব
    – সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: নাহিয়ান ফারুক
    – ক্রীড়া সম্পাদক: আলামিন সরকার
    – ছাত্র পরিবহন সম্পাদক: মো. ইসমাইল হোসেন রুদ্র
    – সমাজসেবা সম্পাদক: মহির আলম
    – গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক: আহত সানজিদা হক তন্বী
    – ক্যারিয়ার ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক: রেজোয়ান আহমেদ রিফাত
    – স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক: সাব্বির আহমেদ
    – মানবাধিকার ও আইন বিষয়ক সম্পাদক: আনিকা তাহসিনা

    এছাড়া, সদস্য হিসেবে রয়েছেন: মোহাম্মদ মাসুদুজ্জামান, ফেরদৌস আইয়াম, ইসমাইল জবিউল্লাহ নাহিদ, তাপসী রাবেয়া, আরমানুল হক, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, রিফতি আল জাবেদ, আশরাফ অনিক, রওনক জাহান, মাহফুজা নওরিন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, আরিফুর রহমান ও ফেরদৌস আলম।

    আগামী নির্বাচন বা প্যানেল ঘোষণা নিয়ে এর আগে ওই দিন দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে এক সংবাদ সম্মেলন করে প্যানেলটি ঘোষণা করেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

  • ঢাবির ১৮ হলে ২০৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা ছাত্রদলের

    ঢাবির ১৮ হলে ২০৫ প্রার্থীর নাম ঘোষণা ছাত্রদলের

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্যানেল ঘোষণা করার পর এবার ১৮টি হলে ছাত্রদল তাদের প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে দলটি এই প্যানেলের ঘোষণা দেয়, যেখানে মোট ২০৫ জন প্রার্থী বিভিন্ন পদে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

    প্রতিটি হলে বিভিন্ন পদে প্রার্থী তালিকা如下:

    মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল সাংসদে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি রয়েছে। এর মধ্যে সহ-সভাপতি হিসেবে তরুণ নেতা মো. জাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জোবায়ের হোসেন, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রিজভী আলম, সাহিত্য সম্পাদক রায়হান আহমেদ সিব্বির, সংস্কৃতি সম্পাদক হারুন অর রশিদ, পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. মুজাহিদুল ইসলাম, ইনডোর গেমস সম্পাদক রবিউল ইসলাম ইভান, আউটডোর গেমস ও ক্রীড়া সম্পাদক বিশ্বাস মো. ফাহাদ, সমাজসেবা সম্পাদক মো. মিফতাহুল ইসলাম, এছাড়া সদস্য হিসেবে তৌফিকুল ইসলাম প্রতীক, ইফতেখার হাসান রাদ, শাহরিয়ার মোস্তাক দিদার ও আদনান শাহরিয়ার প্রার্থী হচ্ছেন।

    কবি জসীমউদ্দীন হলের সংসদে ১৩ সদস্যের কমিটিতে সহ-সভাপতি মো. আব্দুল ওহেদ, সাধারণ সম্পাদক সিফাত ইবনে আমিন, সহকারী সম্পাদক মোহতাসিম বিল্লাহ হিমেল, সাহিত্য সম্পাদক রাফি আহম্মেদ উৎস, সংস্কৃতি সম্পাদক মো. মুনতাসির, পাঠকক্ষ সম্পাদক সাফায়াত আহসান, ইনডোর গেমস তানজিম সাকিব, আউটডোর গেমস ও ক্রীড়া আদিল মাহমুদ, সমাজসেবা সম্পাদক আরিয়ান চৌধুরী, নতুন সদস্যরা হৃদয় ভূঁইয়া, মো. হাসান, মো. তানজিউর রহমান (হিশাম) ও নাহিদুল আলম।

    মাস্টারদা সূর্যসেন হলের ১১ সদস্যের প্যানেলে সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন প্রান্ত, সাধারণ সম্পাদক লিয়ন মোল্যা, সহকারী সাধারণ সম্পাদক সামিউল আমিন গালিব, সাহিত্য সম্পাদক সিদরাতুল মুনতাহা আলিফ, সংস্কৃতি সম্পাদক সাব্বির হাসান, পাঠকক্ষ সম্পাদক শাকিল আহাম্মেদ, ইনডোর গেমস নাজিম উদ্দিন, আউটডোর গেমস ও ক্রীড়া শাদমান সাকিব, সমাজসেবা সম্পাদক শিপন মিয়া, পাশাপাশি সদস্যরা রয়েছেন লিমন মেজর লিংকন, মো. সুমন হোসাইন, জাওয়াদ আহমেদ শিকদার ও যুহাম পাশা।

    বিজয় একাত্তর হলের প্রার্থীরা যথাক্রমে: সহ-সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মো. সাকিব বিশ্বাস, সহকারী সাধারণ সম্পাদক সুলতান মো. সাদমান সিদ্দীক, সাহিত্য সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, সংস্কৃতি সম্পাদক মুহাম্মদ ইকবাল মাহমুদ, পাঠকক্ষ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ, ইনডোর গেমসের সম্পাদক শাহরিয়ার ইসলাম হৃদয়, আউটডোর গেমস ও ক্রীড়া বিভাগের ফাহিম আহমেদ, সমাজসেবা সম্পাদক ইমতিয়াজ রনি।

    শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রার্থীরা রয়েছেন সহ-সভাপতি সাইফ আল ইসলাম দীপ, সাধারণ সম্পাদক রিনভী মোশাররফ, সহকারী সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ আজীম, সাহিত্য সম্পাদক মো. শাহিনুর ইসলাম শাহিন, সংস্কৃতি সম্পাদক সাদমান সাকিব শাওন, পাঠকক্ষ সম্পাদক নাফি বিন মামুন, ইনডোর গেমসের শাকিল আহামেদ, আউটডোর গেমসের শাদমান সাকিব, সমাজসেবা সম্পাদক মো. তৌহিদুর রহমান তাহসিন।

    অপর প্রার্থীরা অন্য হলগুলোতে নিজেদের পদে প্রার্থী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন, প্রতিটি হলের নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের তালিকা ও বিস্তারিত সেখানে খুঁজে পাবেন। বাংলাদেশে এই প্রক্রিয়া চলার সময় প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও জমজমাট হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে এক সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

    বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনে এক সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বৃহস্পতিবার তার ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে ছয় দিনের দীর্ঘ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, দলটি আগামী ১ সেপ্টেম্বর বিস্তারিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করবে। অনুষ্ঠানের মধ্যে থাকছে সমাবেশ, আলোচনা সভা, র‌্যালি, এবং বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম।

    বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি জানান, দলটির ‘জাতীয় উদ্যাপন কমিটির’ সভা শেষে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচির ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয়।

    উল্লেখ্য, ৩১ আগস্ট দুপুর সোয়া দুইটায় রমনার ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ১ সেপ্টেম্বর সকালের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও দেশের সকল বিএনপি কার্যালয়ে পতাকা উত্তোলন। তার পর দিন জাতীয় নেতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দলের নেতা-কর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন। একই সঙ্গে সারাদেশে জেলা ও শহর ইউনিটগুলো আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি আয়োজন করবে।

    ২ সেপ্টেম্বর, অর্থাৎ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল দিন, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি বিশাল র‌্যালি বের করা হবে। ৩ সেপ্টেম্বর দেশের সব উপজেলা ও পৌরসভায় দলীয় সমাবেশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। ৪ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে সারা দেশে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ, বৃক্ষরোপণ, ক্রীড়া ও বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবিরের মতো জনসেবামূলক বিভিন্ন গণ-প্রোগ্রাম পালন করবে বিএনপি। ৫ সেপ্টেম্বর, দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে যা রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবে।

    কেবল কেন্দ্রীয় কর্মসূচিগুলোই নয়, বিএনপি’র সহযোগী সংগঠনগুলো ও মাঠে থাকা সকল ইউনিটও নিজস্ব কর্মসূচি পালন করবে বেশ যথাযথ মর্যাদা ও উৎসাহের সঙ্গে। এই দিনগুলোতে পারবে পোস্টার, ক্রোড়পত্র প্রকাশসহ অন্যান্য সাংগঠনিক উদ্যোগ।

    প্রসঙ্গত, বিএনপি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশান্তরে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গঠন করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে দলটি বেশ কয়েকবার দেশ শাসনেও ক্ষমতা গ্রহণের সুযোগ পেয়েছে।

    বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের জন্য ১৬ সদস্যের একটি ‘জাতীয় উদ্যাপন কমিটি’ গঠন করা হয়, যেখানে নজরুল ইসলাম খানকে আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে সদস্য সচিব নিযুক্ত করা হয়েছে।

  • জামায়াতের হুঁশিয়ারি: পিআর পদ্ধতি না মানলে কক্ষ দুটিতেই আন্দোলন

    জামায়াতের হুঁশিয়ারি: পিআর পদ্ধতি না মানলে কক্ষ দুটিতেই আন্দোলন

    নতুন বাংলাদেশ গঠনে সম্প্রতি জাতীয় ঐকমত্য কমিশন জুলাই সনদের খসড়া চূড়ান্ত করেছে এবং তা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে পাঠিয়েছে। তবে সংবিধানে পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পারিপার্শ্বিক পরিবর্তনের ওপর বড় বড় রাজনৈতিক দলের মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দেশের প্রধানদলের একজন হিসেবে জামায়াতে ইসলামি সম্প্রতি ভোটের ভিত্তিতে সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষে পিআর পদ্ধতি চালুর দাবি তুলেছেন। এই দাবি বাস্তবায়ন না হলে তারা আগামী আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

    জামায়াতের দাবি, পিআর পদ্ধতি চালু হলে দেশের জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হবে এবং সেবার মাধ্যমে দুর্নীতি কমে আসবে। দলের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, পিআর ছাড়া সত্যিকার নির্বাচন হবে না। এজন্য দলটির সর্বশক্তি দিয়ে বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালানো হবে। অন্যদিকে, দলের আরেক নেতা ডাঃ সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যে উচ্চকক্ষে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছে। তবে তারা মত প্রকাশ করেন, শুধু উচ্চকক্ষের পরিবর্তে নিম्नকক্ষণেও পিআর পদ্ধতি জরুরি, কারণ এতে সরকারের পরিচালনা আরও ভালো হবে।

    জামায়াতের শীর্ষ নেতারা বলছেন, গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্ন পূরণের জন্য নির্বাচনের আগে প্রয়োজন সংস্কার ও পরিবর্তন। তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণপরিষদ নির্বাচনকে ইতিবাচক বলে মনে করেন। সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, এই সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য আইনী ভিত্তি তৈরি করতে হবে। এই ভিত্তির ওপরেই ভবিষ্যতের ভোট হবে। বাৎসরিক সংস্কার বা পরিবর্তন ছাড়া নির্বাচন সম্পন্ন হলে তা দেশের পরিস্থিতি আগের মতোই জাহিলিয়াতের দিকে নিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

    অপরদিকে, জামায়াতের নেতারা মনে করেন, সংস্কার ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না এবং এর মাধ্যমে দেশে স্থিতিশীলতা আসবে না। ফলে, তারা কঠোর হুঁশিয়ারি দেন, যদি বর্তমান ডাকা সংস্কার না মানা হয়, তাহলে কক্ষ দুটিতে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এই অবস্থায় তারা আশঙ্কা করছেন, পরিবেশ উত্তপ্ত ও উত্তেজনাপূর্ণ হতে পারে।

  • পিআর পদ্ধতিতে জনগণের অধিকার পূরণ হবে না: মির্জা ফখরুল

    পিআর পদ্ধতিতে জনগণের অধিকার পূরণ হবে না: মির্জা ফখরুল

    সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনে জনগণের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এই পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি এবং বিএনপি এই পদ্ধতির পক্ষে নয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলাকালে এ কথা জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে রেজুলেশন ও সব দলের অংশগ্রহণে সুস্থ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন। দেশের মানুষ এখন নির্বাচনের জন্যই অপেক্ষা করছে, কারণ সংকটের একমাত্র সমাধান হলো দ্রুত নির্বাচন। তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ভালোভাবে সম্পন্ন হওয়া দরকার, যাতে সব অংশগ্রহণকারী অংশ নিতে পারে। তিনি বলছেন, দেশের মানুষ এখনই চায় নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন, এবং যারা সংস্কার চায় না, সেটি তাদের দলেরই ব্যাপার।

  • ফ্যাসিবাদ রুখতে সংবিধান আর লিখিত বিধি যথেষ্ট নয়: তারেক রহমান

    ফ্যাসিবাদ রুখতে সংবিধান আর লিখিত বিধি যথেষ্ট নয়: তারেক রহমান

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সংবিধান কিংবা লিখিত বিধি-বিধান দিয়েই ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে শক্তিশালী জনগণের উপস্থিতি আবশ্যক। তিনি বলেন, জনগণকে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতেই হবে, তখনই হয়ত ফ্যাসিবাদের বিকল্প নেই। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধির নির্বাচন শুরু হওয়া থেকে রাষ্ট্র এবং জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। জনগণ যদি কল্যাণমূলক এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় না হন, তাহলে রাষ্ট্র এবং সরকার বিশ্লেষণীয় শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং শর্ত আরোপ করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

    তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে বিভেদ এড়ানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, একাত্তর ছিল স্বাধীনতার সংগ্রাম, আর চব্বিশ ছিল স্বাধীনতা রক্ষা করার লড়াই। শহীদদের অসীম ত্যাগের বিনিময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে থাকা এক ফ্যাসিস্টের পতন ঘটে, আর এখন ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি নিজেদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে লিপ্ত হচ্ছে। এর ফলে শহীদদের আত্মত্যাগের মূল্য অবহেলিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ গড়ে তোলাই এখন মানবিক লড়াইয়ের মূল লক্ষ্য, যাতে শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থক হয়।

    তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশে করে বলেন, কথার রাজনীতি নয়, কাজে মনোযোগী হওয়ার সময় এসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রচলিত রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। প্রতিহিংসা বা ফ্যাসির রাজনীতি বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি উন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

    অंतত, বিএনপি’র নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে তিনি জানান, এমন কোনো কর্মকাণ্ডে যেন শামিল না হন, যা জনমনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করে। দলের অভ্যন্তরে ঐক্য বজায় রাখতে ও দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবকিছুতে সচেতন থাকতে হবে।

  • সালাহউদ্দিন আহমদ: জুলাই সনদের সূচনা, দফা নিয়ে আপত্তি ও নির্বাচন পরিকল্পনা

    সালাহউদ্দিন আহমদ: জুলাই সনদের সূচনা, দফা নিয়ে আপত্তি ও নির্বাচন পরিকল্পনা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ার সূচনা এবং তিনটি দফা—২, ৩ ও ৪—সংক্রান্ত ব্যাপারে দলের আপত্তি রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, খসড়া সনদের সূচনায় অসত্য তথ্য দেওয়া হয়েছে। আজ (১৯ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “কিছু বিষয় আলোচনা এড়ানো হয়েছে বা সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। খসড়া সনদের মধ্যে এমন কিছু বিষয় রাখা হয়েছে যা বিতর্ক সৃষ্টি করছে। বিএনপি সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে তাদের মতামত দেবে। যদিও বলা হয় যে, আগামী সংসদ গঠনের দুই বছরের মধ্যে সংবিধান সংশোধনী সম্পন্ন করা যাবে, কিন্তু চূড়ান্ত খসড়ায় তার উল্লেখ নেই।”

    তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদের ৮৪ দফার মধ্যে যেসকল দফায় সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে, সেই সব দফার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, পাশাপাশি যেসমস্ত বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট বা মতান্তর আসছে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত কি হবে—এসব বিষয়ের দ্রুত সমাধান জরুরি। বিএনপি এসব বিষয়ে পর্যালোচনা করে কমিশনে মতামত দেবে।”

    সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, “নব্য সনদে বেশ কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে। অনেক বিষয়ই বাস্তবায়নে আদেশ বা নির্বাহী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মোকাবিলা সম্ভব। তবে, সংবিধান সংশোধন ও ঐক্যমত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সব বিষয়ের সমাধান আগামী সংসদ কর্তৃক তাদের দুই বছরের মেয়াদে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। পুরনো সনদে এমন ঘোষণা থাকলেও নতুন সনদে তা নেই। এছাড়াও, দ্বিতীয় দফা আলোচনা শেষে অঙ্গীকারনামায় সনদকে সংবিধানের উপরে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী অনুচিত। একথা বলেও যে, সনদ সংবিধানের উপরে থাকতে পারে—এটি ভবিষ্যতের জন্য স্পষ্ট খারাপ নজির তৈরি করবে।”

    নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন, এবং নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা এই বিষয়ে শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। তাই, আমরা এতে কোনও সংশয় 없।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যারা বিভিন্ন সময় মাঠে বক্তৃতা করে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তা কেবল কৌশলগত। তারা হয়তো কিছু রাজনৈতিক পক্ষকে চাপ দেওয়ার জন্য এ ধরনের কথন বলছে, তবে এ বিষয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”

  • ডাকসুতে ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা, ভিপি আবিদুল ও জিএস তানভীর

    ডাকসুতে ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা, ভিপি আবিদুল ও জিএস তানভীর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তাদের নির্বাচনী প্যানেল ঘোষণা করেছে। এই প্যানেলে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আবিদুল ইসলাম খান, জিএস পদে মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ তানভীর বারী হামিম এবং এজিএস পদে আছেন তানভীর আল হাদী মায়েদ।

    বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের পাশে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ ঘোষণা দেয়। সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, আন্দোলন চলাকালীন ১৫ জুলাই ঢাবিতে আহত সানজিদা আহমেদ তন্বীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্যানেলের গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে তারা প্রার্থী দিচ্ছে না।

    অন্যদিকে, বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে মনোনয়ন পেয়েছেনঃ
    – মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক : আরিফুল ইসলাম
    – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক : এহসানুল ইসলাম
    – কমনরুম, পাঠকক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক : চেমন ফারিয়া ইসলাম মেঘলা
    – আন্তর্জাতিক সম্পাদক : মো. মেহেদী হাসান
    – সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক : আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান
    – গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক : খালি (সানজিদা আহমেদ তন্বীর সম্মানে)
    – ক্রীড়া সম্পাদক : চিম চিম্যা চাকমা
    – ছাত্র পরিবহন সম্পাদক : মো. সাইফ উল্লাহ (সাইফ)
    – সমাজসেবা সম্পাদক : সৈয়দ ইমাম হাসান অনিক
    – ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক : মো. আরকানুল ইসলাম রূপক
    – স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক : আনোয়ার হোসাইন
    – মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক : মো. মেহেদী হাসান মুন্না

    সদস্য পদে নির্বাচিত হবেন : মো. জারিফ রহমান, মাহমুদুল হাসান, নাহিদ হাসান, মো. হাসিবুর রহমান সাকিব, মো. শামীম রানা, ইয়াসিন আরাফাত আলিফ, মুনইম হাসান অরূপ, রঞ্জন রায়, সোয়াইব ইসলাম ওমি, মেহেরুন্নেসা কেয়া, ইবনু আহমেদ, সামসুল হক আনান ও নিত্যানন্দ পাল।

    সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন নাসির শিক্ষকদের ও আওয়ামী দোসর ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

  • অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪ নামে প্যানেল দিল তিন ভিন্ন বিরোধী ছাত্রসংগঠন

    অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪ নামে প্যানেল দিল তিন ভিন্ন বিরোধী ছাত্রসংগঠন

    আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনটি বামপন্থী ছাত্রসংগঠন তাদের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-বিসিএলের সমর্থিত নেতারা। ঘোষণা অনুযায়ী, এই ১৫ সদস্যের প্যানেলের বাইরে আরও সদস্য সংযুক্ত হবে পরে। ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহির শাহরিয়ার এই প্যানেলটি ঘোষণা করেন। এই প্যানেলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪’। এতে প্রধান প্রার্থীরা হলেন, বিতর্কিত ভিপি পদে নাঈম হাসান হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক পদে এনামুল হাসান অনয় এবং অ্যাসিস্টেণ্ট জেনারেল সেক্রেটারি (এজিএস) পদে অদিতি ইসলামের নাম। এসব পদে তারা নির্বাচিত হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই প্যানেল নতুন উদ্যোগে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

  • দেশ যেন চরমপন্থি ও মৌলবাদের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: তারেক রহমান

    দেশ যেন চরমপন্থি ও মৌলবাদের কেন্দ্রবিন্দু না হয়: তারেক রহমান

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশকে কখনোই চরমপন্থি ও মৌলবাদের অভয়ারণ্য হিসেবে রূপান্তরিত হতে দেব না। তাঁর এই প্রত্যাশা সব দলের ও জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সচেতনতা বৃদ্ধি করে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটি জবাবদিহি রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার ওপর জোর দেয়। তিনি বলেন, দেশের মালিকানা শুধুমাত্র জনগণের হাতে, তাই ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের বিকাশে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    রোববার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘গণতন্ত্র উত্তরণে কবি সাহিত্যকদের ভূমিকা ও করণীয়’ শীর্ষক এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, মানুষ ভোটের অধিকার রক্ষা করে শুধু ভোটাধিকার কেই নয়, সেই সাথে মুক্ত আকাশে বাকস্বাধীনতা ও সমালোচনার সামর্থ্য নিশ্চিত করতে পারে।

    প্রজন্মের গণআন্দোলনের উল্লেখ করে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যে স্বৈরাচার দেশের জনগণ কিছুদিন আগে বিতাড়িত করেছে, সেই স্বৈরাচারের আবার ফিরে আসা রোধে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি বিএনপি দৃঢ় অঙ্গীকারবদ্ধ, এবং বিভিন্ন মতাবলম্বী কবি-সাহিত্যিকেরা দেশের উন্নয়ন ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এককভাবে ভিন্ন হলেও মূলত লক্ষ্য একই।

    তারেক রহমান কবি-সাহিত্যিকদের প্রশংসা করে বলেন, তাঁরা সাধারণ মানুষের অনুভূতি সুন্দর করে তুলে ধরেন এবং শিল্পীদের মতো দেশের মেধা ও মনোভাবের প্রতিচ্ছবি। তিনি শেক্সপিয়র, ওয়ার্ডসওয়ার্থ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলামের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, তাঁরা নিজেকে জাতির মুখপাত্রে পরিণত করেছেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘প্রথম বাংলাদেশ’ গানকে দলের সঙ্গীত করার পেছনেও এই উচ্চতার অনুপ্রেরণা ছিল, বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    এই মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি মোহন রায়হান এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, ভাইস চেয়ারম্যান কবি নুরুল ইসলাম মনি ও অন্যান্য কবি-সাহিত্যিক ও দলের নেতাকর্মীরা।