Category: জাতীয়

  • শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য: বেকারত্ব বাড়ানোর শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবি

    শিক্ষামন্ত্রীর মন্তব্য: বেকারত্ব বাড়ানোর শিক্ষা ব্যবস্থা বাতিলের দাবি

    শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় যে ধরনের শিক্ষা পদ্ধতি বেকারত্ব বাড়াচ্ছে, তা বাতিল করতে হবে। তার পরিবর্তে কার্যকরী ও দক্ষ শিল্প-নির্ভর শিক্ষায় মনোযোগ দিতে হবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরে মাতৃভাষা দিবসের এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    শিক্ষামন্ত্রী বললেন, বাংলা ভাষাকে সর্বত্র গুরুত্ব দিতে হবে এবং বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষার পাঠদান পদ্ধতিকে আরও যুক্তিযুক্ত করে শিশুদের হাতে-কলমে শিক্ষার ওপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, যে শিক্ষাব্যবস্থা বেকারত্ব বাড়ায়, সেটি পরিবর্তন করে কার্যকরী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, একজন শিক্ষক যদি ক্লাসে সময়ানুযায়ী শিক্ষা দায়িত্ব পালন না করেন বা কেবল সময় কাটান, তা দুর্নীতির মতোই। স্কুলে থাকাকালীন বেশিরভাগ সময়ে যদি ঠিকভাবে পাঠদানে মনোযোগ না দেন, তাহলে সেটি অনেকটাই দুর্নীতির সমতুল্য। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এক্ষেত্রে কি সেটি দুর্নীতি নয়?

    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দেশের পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। নিজ সন্তানের মতো করে প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীকে গড়ে তুলতে হবে। তিনি দেখেছেন, অনেক শিক্ষক নিজের সন্তানকে অন্য স্কুলে পড়ান, যা কি באמת একজন শিক্ষক হিসেবে উপযুক্ত? এটা তাদের পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

    শিক্ষকদের জন্য তিনি বললেন, নিজেদের অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে ভাবতে হবে তারা কী করতে চান এবং তাদের লক্ষ্য কী। সাধারণত আমাদের ভিতরে এইসব দিক উপেক্ষা করে খাওয়ার সময় হালাল-হারাম নিয়ে ভাবি, কিন্তু দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে এ বিষয়গুলো ভাবা হয় না।

    দুর্নীতির প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আমি পাঁচ বছর এই দায়িত্বে রয়েছি, আমার বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির মামলা হয়নি। সবারই উচিত নিজেদের সততার মাধ্যমে নিজের অবস্থান থেকে দুর্নীতি থেকে দূরে থাকা।

    তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরে যত্নের সঙ্গে শিক্ষাদান করলে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমে আসবে।

    আগামী বাংলাদেশ গড়ার কেন্দ্রীয় অংশীদার হিসেবে শিক্ষকরা তাদের দায়িত্ব আরও আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন।

    প্রান্তিকে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা।

    শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, যদি শিক্ষাব্যবস্থা ঠিকমত না হয়, তাহলে দেশের গঠন সম্ভব নয়। সমস্ত স্কুলে গুণগত মানের শিক্ষা সুনিশ্চিত করতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, শিক্ষার প্রতিটা দফতর দুর্নীতিমুক্ত ও স্বচ্ছ হওয়া জরুরি।

  • পানিসম্পদ মন্ত্রীর ঘোষণা: শপথের প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে

    পানিসম্পদ মন্ত্রীর ঘোষণা: শপথের প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে

    পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। নির্বাচনের ফলাফলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়লাভ করেছে, তাই এখন বিপুল স্বাভাবিকভাবেই পার্লামেন্টে সংবিধান অনুযায়ী বিল উঠবে। এই ক্ষেত্রে, ‘হ্যাঁ’ শপথের কোন প্রয়োজন নেই, কারণ এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে। এটাই হবে জুলাইয়ের সংবিধান। তিনি আরও বলেন, যেখানে ‘না’ ভোট হয়েছে, সেই সব বিষয়েও আলোচনা হবে এবং আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যেসব कानून বা সিদ্ধান্ত তৈরি হবে। যেখানে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে, সেগুলোও বৈধভাবে নির্ধারিত হবে। আইনসভা বিষয়ক ব্যাখ্যাকারীরা এসব বিষয় পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা দিয়েছেন। জানাতে চাই, এটাই প্রক্রিয়া বলে মনে করি।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে লক্ষ্মীপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    মদ্যপান নিয়ে তিনি বলেন, যারা মদপানের বিকল্প খুঁজছেন, তাদের উচিত সেগুলি থেকে সরে আসা। মদপান বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে, যা বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক গৌরবের জন্য হুমকি। সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে যাতে মদসহ অবৈধ কর্মকাণ্ড কমে আসে। সরকার ও দেশের উন্নতিতে সহযোগিতা করতে সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে আসা জরুরি। কেউ যদি এ প্রক্রিয়ার বাইরে কিছু করতে চান, তবে তার জন্য তাদেরই দায়ভার থাকবে।

    এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, সরকারের সাথে কিভাবে সহযোগিতা করা যায় ও দেশের সম্মান ও উন্নয়ন কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়—এমন বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে ভাবতে হবে। মতপথ ভিন্ন হতে পারে, তবে বিরোধিতা কমিয়ে সবাই যেন ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের জন্য কাজ করতে পারে, সেজন্য আন্তরিকতা প্রয়োজন।

    উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মো. এমরান, লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম লিটন, সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

  • ঈদের আগে শুরু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প: ত্রাণমন্ত্রী

    ঈদের আগে শুরু হবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রকল্প: ত্রাণমন্ত্রী

    সরকার ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। এই উদ্যোগটি দেশজুড়ে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে, এটি মাত্র ৮টি উপজেলার পাইলট প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়িত হবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সোমবার লালমনিরহাটে গোকুণ্ডা বাজারে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই তথ্য জানান। এটি তার নিজ জেলা লালমনিরহাটে মন্ত্রীর প্রথম সফর।

    মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত এই ১৮০ দিনের বিশেষ প্যাকেজের বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। মূলত, হতদরিদ্র ও প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে এই কার্ডের পরিকল্পনা কার্যকর করা হবে। পর্যায়ক্রমে সকল উপকারভোগীকে এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এর আওতায় আনা হবে।

    এ সময় রমজান ও ঈদকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ইফতার ও সেহরিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ঘরমুখো মানুষের জন্য নির্বিঘ্ন যাতায়াতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করাকে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    উন্নয়ন সংক্রান্ত কাজের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, খাল খনন ও সংস্কার কাজের জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করছে। পাশাপাশি, দেশের বৃক্ষ রোপণ বাড়ানোর উদ্যোগের অংশ হিসেবে চলতি বছর ৫ কোটি গাছের রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মোট পরিকল্পনা হলো ২৫ কোটি গাছ রোপণ করা।

  • গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

    গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা সুসংহত করতে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেছেন, একুশের মূল চেতনা ছিল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠা। দীর্ঘ লড়াই সংগ্রামের মাধ্যমে এই চেতনাকে ধারণ করে দেশ এক সময় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বর্তমান সরকার গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে আরও দৃঢ় ও সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    আগামীকাল মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে এক শুভেচ্ছা বাণীতে তিনি বলেন, ‘আজকের এই দিনটি আমাদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যমণ্ডিত। আমি বাংলাভাষা, দেশের সকল ভাষাভাষী ও বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে আমি গভীর শ্রদ্ধা জানাই, যাঁরা তাদের আত্মদান দিয়ে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

    প্রধানমন্ত্রী একুশে ফেব্রুয়ারিকে আমাদের জাতীয় জীবনের এক অসামান্য অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ১৯৫২ সালে এই দিনে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার জন্য শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ অনেকে। তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে বৈষম্য ও শোষণের অবসান ঘটিয়ে পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান তৈরি হয়। মাতৃভাষার এই আন্দোলন কেবল ভাষার স্বীকৃতি এনে দেয়নি, এটি আমাদের স্বাধিকার, গণতন্ত্র এবং সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করে। একুশের এই রক্তক্ষয়ী পথই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতার পথ সহজ করে দেয়।

    তিনি emphasizing করেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের মূল ভিত্তি। ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তঃজাতীয় মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, যা আমাদের মাতৃভাষার প্রতি ভালবাসা ও ত্যাগের স্বীকৃতি। আজ বিশ্বজুড়ে একুশের চেতনা ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সংরক্ষণে বৃহৎ আন্দোলনের রূপ নিয়েছে।

    তারেক রহমান যোগ করেন, ‘আমরা ভাষা শহীদদের, ৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং ২০২৪ এর স্বাধিকার সংগ্রামের সকল মহত্ত্বের চেতনা ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ ও মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চাই।’

    প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সকল জাতিগোষ্ঠীর ভাষার মর্যাদা রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই। আমাদের দেশে ভাষার বৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষা ও সমুচিত ব্যবহারে সবাই সচেতন হয়ে উঠি।

    শেষে, তিনি সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচি সফলতা কামনা করেন।

  • ৮ উপদেষ্টার দফতর বণ্টন: কে পেলেন কোন দায়িত্ব

    ৮ উপদেষ্টার দফতর বণ্টন: কে পেলেন কোন দায়িত্ব

    সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকার আজ আরও স্পষ্ট হয়েছে একাধিক নতুন দফতর ও দায়িত্বের মাধ্যমে। সম্প্রতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আট জন উপদেষ্টার দফতর বণ্টন ঘোষণা করেছে। এর আগে গত মঙ্গলবার মোট দশ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজ্ঞাপন অনুসারে, মন্ত্রী পর্যায়ের উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। মাহদী আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, রেহান আসিফ আসাদ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    নতুন এই দফতর বণ্টন চালুর ফলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নীতিমালা দৃশ্যমানভাবে আরও সাবলীল ও গতিশীল হওয়ার আশা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তন সরকারের দায়িত্বশীলতা ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা, ডাক্তারদের পেছনে না ঘুরে ডাক্তাররা মানুষকে ঘুরাবেন

    মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা, ডাক্তারদের পেছনে না ঘুরে ডাক্তাররা মানুষকে ঘুরাবেন

    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো চিকিৎসা সেবাকে পুরোপুরি দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত করে দেওয়া। তিনি বলেন, এখন থেকে মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ছুটতে হবে না; বরং ডাক্তাররা মানুষকে সেবা দিতে তাঁদের পেছনে ঘুরে বেড়াবেন। চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য ও সকলের জন্য সুবিধাজনক করে তোলার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার হাফিজপুর গ্রামে নিজের বাড়িতে প্রশাসন ও কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, তাদের উপর আমাদের দায়িত্ব বেশি, আর যারা ভোট দেননি, তাদেরও সমান দায়িত্ব আমাদের। সব ধরনের প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পক্ষের মানুষকে নিয়ে এক সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করছি।

    মন্ত্রী আরও জানান, নরসিংদীতে একটি মেডিকেল কলেজের ভবিষ্যত চিন্তাও রয়েছে, আপনি সবাই দোয়া করবেন। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশে যেখানে যেখানে মেডিকেল পরিষেবা প্রয়োজন হবে, সেখানেই করা হবে। নরসিংদীর ২৫০ শয্যার হাসপাতালসহ আরো কিছু কেন্দ্রের যখনই প্রয়োজন হবে, সেগুলোর দ্রুত প্রসার ও চালু করতে আমরা কাজ করব। তিনি নরসিংদীতে দুটি আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।

    অতিরিক্ত তিনি উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ এবং অন্যান্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সকালের সময়, মন্ত্রী নিজ বাড়িতে পৌঁছালে প্রশাসন ও নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

  • রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে

    রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, রাতের বেলায় কিশোররা যদি অপ্রয়োজনীয়ভাবে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়, তবে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি এই পরিস্থিতি কনস্টিটিউশনাল ভায়োলেন্সের পর্যায়ে পৌঁছে যায়, সেটা পরে দেখা হবে।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    এ সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতিমুক্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি কেউ দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকে, তাহলে তাকে অন্যত্র বদলি করে দিতে হবে। তিনি বলেন, আমি জীবনে দুর্নীতি করব না, কাউকে করতে দেব না—এটাই আমার শপথ।

    মহান মিলন আরও বলেন, আমি নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং যা কিছু করব, তা জনগণের স্বার্থে এবং সততার সঙ্গে করব। যারা এই অঙ্গীকারের সঙ্গে একমত নন, তাদেরকে অনুরোধ করব, দয়া করে নিজের পদ থেকে সরে যান বা আমাকে জানাবেন, আমি যথাযথভাবে বদলি করে দেব। তবে আমি এই এলাকার পবিত্রতা ও সুশাসন রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ।

    তিনি বলছেন, যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে লড়াই চালিয়ে যাব। আমার এই অঙ্গীকার সবাই জানে এবং আমি তার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    মন্ত্রী বলেন, কচুয়াসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং নির্মূল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এর পাশাপাশি, বাজারে চাঁদাবাজি রোধে নজরদারি জোরদার করতে তিনি গুরুত্ব দেন। আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাছির, ওসি boরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তর এবং সংগঠনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

  • নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে ২ নিহত

    নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে ২ নিহত

    নোয়াখালীর কবিরহাটে এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি তেলবাহী ট্রাক দোকানে প্রবেশ করে অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, ট্রান্সমিটার এলাকায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া।

    ওসি জানান, নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে কবিরহাটের দিকে যাওয়ার সময় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলে এক দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

    প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলেছেন, দুর্ঘটনার পরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখনো নিহত এবং আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং আরো বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

  • নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে দুই নিহত

    নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে দুই নিহত

    নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় অবিবার্তন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে পড়লে দুইজন নিহত ও আরও তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায়, তবে এখনও আহত ও নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এর আগে সকালে, সাড়ে ১০টায়, ট্রাকটি ট্রান্সমিটার এলাকায় গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া জানান, নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে কবিরহাট যাওয়ার পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন। ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে বলে ওসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

  • একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

    একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

    ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তিনি জানান, এই দিনটি উদযাপনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে ঘিরে ১৫ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্যের সমন্বিত এবং বহুস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আজ (শুক্রবার) সকালে শহীদ মিনার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

    শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, মহান শহীদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করতে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ শহীদ মিনারে উপস্থিত থাকবেন। এর জন্য ঢাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মোতায়েন থাকবেন। তিনি সবাইকে শৃঙ্খলা রক্ষা ও শহীদ মিনারের পবিত্রতা বজায় রাখার অনুরোধ জানান।

    ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, সফলতার সাথে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভোটাররা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট দিয়েছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অমর একুশে উদযাপনেও কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকছে না। এ জন্য শহীদ মিনারে নিয়মিত পুলিশ ও বিভিন্ন বিশেষ দল – সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ক্রাইম সিন ইউনিট – সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারী এবং সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পুরো ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করছি এবং চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। শহীদ মিনারে প্রবেশের জন্য সাধারণ জনগণকে পলাশী মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রুট অনুসরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যাবে না। নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর বা চানখার পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেউ যদি ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য শহীদ মিনারে নিয়ে আসার চেষ্টা করে, তবে সেটি করতে দেওয়া হবে না। সবাই নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে শহীদ মিনারে প্রবেশ ও প্রস্থান করবেন। আপনারা শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যদের জন্য সুযোগ করে দিন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।

    নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে আজ শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ডাইভারশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহীদ মিনার এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।