Category: খেলাধুলা

  • বিপিএল শুরুর আগে চট্টগ্রাম রয়্যালস দল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা

    বিপিএল শুরুর আগে চট্টগ্রাম রয়্যালস দল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা

    বিপিএলের দ্বাদশ আসর শুরুর আগ মুহূর্তে চট্টগ্রাম রয়্যালসের জন্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে। আসর শুরুর একদিন আগের বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্জাইজি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছে, আর্থিক সমস্যার কারণে তারা এই মৌসুমে অংশগ্রহণ করতে নারাজ।

    বিসিবির গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্যসচিব ইফতেখার রহমান মিঠু নিশ্চিত করেছেন, তারা সকালে ওই চিঠিটা পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সকালে চিঠি পেয়েছি। এখন বিষয়টি নিয়ে সভাপতিসহ অন্যান্য কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা চলছে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং খেলোয়াড়ের বিষয়গুলোও ব্যবস্থাপনা করতে হবে। চিঠিতে বেশ কিছু বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে, মূল সমস্যা হল অর্থের সমস্যা।’

    এর আগে, বিসিবি চট্টগ্রাম রয়্যালসের সঙ্গে যুক্ত কিছু ব্যক্তিকে দল থেকে বাদ দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। পাশাপাশি স্পন্সর প্রতিষ্ঠান নিয়েও আলোচনা চলছিল। এর মধ্যে, দল থেকে সরাসরি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত জানালেন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিক।

    উল্লেখ্য, গত আসরে চট্টগ্রাম ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটার ও স্টাফদের বেতন বকেয়া থাকার অভিযোগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ছিল। কিন্তু এবারের আসরে দলের মালিকানা বদলে গিয়েছে। তবুও, আইনী আনুষ্ঠানিকতা ও ব্যাংক গ্যারান্টির বিষয়গুলো সম্পন্ন হয়েছে কি না, তা সন্দেহের সৃষ্টি করে। এই পরিস্থিতিতে, বিসিবি গতানুগতিক আর্থিক শর্তগুলো মেনে নেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে।

    অপরদিকে, আসন্ন টুর্নামেন্টের শুরুতে, চট্টগ্রাম রয়্যালসের তিন বিদেশি ক্রিকেটার হঠাৎ করে নিজেদের নাম প্রত্যাহার করেন। তারা হলেন— পাকিস্তানের স্পিনার আবরার আহমেদ, আইরিশ ব্যাটসম্যান পল স্টার্লিং এবং শ্রীলঙ্কার নিরোশান ডিকভেলা।

    জানা গেছে, স্টার্লিং ও ডিকভেলা নিজ নিজ দেশের ক্রিকেট বোর্ডের অনুমতি (এনওসি) না পাওয়ায় তারা বিপিএল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আবরার আহমেদের এনওসি স্থগিত করার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে।

    এসব ঘটনার ফলে, বিপিএলের আসরে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও পরিকল্পনায় বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, আসরের নিরাপত্তা ও আদর্শে ভঙ্গ হতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রকাশ করছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

  • নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ সুজন আর থাকছেন না

    নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কোচ সুজন আর থাকছেন না

    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের এই বছরের আসর শুরু হচ্ছে আগামীকাল। প্রথম ম্যাচের জন্য প্রস্তুতি শেষে একের পর এক নেতিবাচক খবর সামনে আসছে। আজ সকালেই জানা যায় যে, চট্টগ্রাম রয়্যালসের মালিকপক্ষ দলটির মালিকানা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই দায়িত্ব গ্রহণ করে। এছাড়াও খবর আসে যে, নতুন দল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের প্রধান কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন আর থাকবেন না।

    বিপিএলের নতুন দল হিসেবে ঘোষণা হয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস, এটি হয়তো নোয়াখালীর প্রথম ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। ফলে এই অঞ্চলের মানুষজনের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রত্যাশা জমে উঠেছিল। কিন্তু টুর্নামেন্টের আগের দিনই আসল পরিস্থিতি জানিয়ে দেয় নেতিবাচক খবর।

    এবারের বিপিএলের প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। সকল দল এই স্টেডিয়ামকেই অনুশীলনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বেছে নিয়েছে। আজ দুপুর দেড়টার দিকে নোয়াখালীর ক্রিকেটাররা বাসে করে স্টেডিয়ামে আসেন অনুশীলনের জন্য। এই সময়ে তখনি ঘটে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা। বাস থেকে নোয়াখালীর খেলোয়াড়রা নেমে মাঠে পড়ে যান, যেখানে হঠাৎ করে স্টেডিয়ামের প্রবেশের আগে স্টেডিয়াম ছেড়ে চলে যান দলের প্রধান কোচ ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক সুজন।

    সাংবাদিকরা তার পিছু নেন এবং জানতে চান, তিনি কোথায় যাচ্ছেন। উত্তরে তিনি জানান, তিনি মাঠ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। তিনি দলটির লজিস্টিক সাপোর্টের বিষয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। সাংবাদিকদের আরও প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই বিপিএল করতে রাজি নই।’

    নোয়াখালী এক্সপ্রেসের কয়েকজন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করেন সুজন। শেষে তিনি তালহা জুবায়েরকে সাথে নিয়ে সিএনজিতে করে মাঠ থেকে বের হয়ে যান। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, তিনি আর দলের কোচ থাকছেন না। কোচ পরিবর্তনের বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘অনেক কোচই আছেন, যাকে চাইবে নেওয়া যেতে পারে।’

  • ৪ বলে ৩ উইকেট শিকার করে মোস্তাফিজের দুর্দান্ত জয়

    ৪ বলে ৩ উইকেট শিকার করে মোস্তাফিজের দুর্দান্ত জয়

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে ঝোড়ো পারফরম্যান্স চালাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। রবিবার নিজের সপ্তম ম্যাচে গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে দুর্দান্ত বোলিং করে তিনি তিনটি উইকেট শিকার করেন। বিশেষ করে এক ওভারে মাত্র চার বলের মধ্যে তিন উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন তিনি। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ফলে তার দল দুবাই ক্যাপিটালস একটি গুরুত্বপূর্ণ জয় তুলে নেয়।

    আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয় দুবাই। ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মোস্তাফিজ, কিন্তু সেই ওভারটি 그는 কিছুটা অপ্রয়োজনীয় রান দিয়ে শুরু করেন—১৩ রান দেন। তবে পরে তিনি ফিরিয়ে আনেন ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, বিশেষ করে ১৪তম ওভারে আবার বল হাতে নেন। এই ওভারে তিনি প্রথম বলেই চার মারেন জেমস ভিন্স, কিন্তু পরের বলটি ওয়াইড থাকলেও, অফ কাটার দিয়ে ভিন্সকে আউট করেন। ভিন্স ছিলেন ৩৪ বলে ৩৬ রান করে। মাঠে ফিরে যান।

    এর পরে ২৬ বলে ৪৩ রান করে অঙ্গার হন আফগান ব্যাটসম্যান আফতাবউল্লাহ ওমরজাই। মোস্তাফিজের অফ কাটার দিয়ে তাকে শেষ করে দেন। এরপর his অসাধারণ এক ডেলিভারিতে লেগ স্টাম্পের বাইরে থাকা বলটি ডানহাতি শন ডিকসনের ব্যাটের বাইরের কানারা পেরিয়ে বেল ফেলে দেয়। মোট তিন ওভারে ৩৪ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেওয়া মোস্তাফিজের বোলিং অ্যাকশন ছিল খুবই দৃঢ়।

    ম্যাচে গালফ জায়ান্টসের দল পুরোপুরি অলআউট হয় ১৫৬ রান করে, যেখানে তারা ব্যাট করার সময় হেরেছেন। এই রান তাড়া করতে নেমে দুবাই ক্যাপিটালস মাত্র চার বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় অর্জন করে। এই অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য মোস্তাফিজ ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন।

  • রূপসায় শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন

    রূপসায় শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ ফুটবল চ্যাম্পিয়ন

    রূপসা ঘাটভোগ ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা আদর্শ যুব সংঘের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ৮ দলের ফুটবল টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান এবং মহানগর বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনা করে এক বিশেষ দোয়া গতকাল রোববার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর বামনডাঙ্গা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এই সুন্দর ও মানুষের মনে উদ্দীপনা জাগানো প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ফাইনালে মুখোমুখি হয় রূপসার কাজদিয়া শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ ও মৌলাহাট মানিক স্মৃতি একাদশ। এই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি শুরুতেই আক্রমণে এগিয়ে যায় শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ। প্রথম ৪ মিনিটের মধ্যেই ৭ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় মিরাজ ও ১০ নম্বর জার্সিধারী লিপু পরপর দুটি গোল করে দলকে আধিপত্য বিস্তার করে। এরপর মানিক স্মৃতি একাদশের ১১ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড় শহিদুল একটি গোল করেন। খেলাটি পরবর্তীতে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে, তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আর কোনো দল গোল করতে পারেনি। অবশেষে ২-১ গোলে বিজয়ী হয় শহীদ মনসুর স্মৃতি সংসদ, যারা এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সম্মানিত হয়। খেলা পরিচালনা করেন রেফারি শেখ কামাল হোসেন, সাইফুল ইসলাম ও মুক্তার হোসেন মিঠু। ধারাভাষ্যে ছিলেন মোস্তাহিদুর রহমান মুক্ত। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার আলী জুলু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল কবীর সজল, উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, জেলা বিএনপি’র সদস্য শেখ আঃ রশিদ, আরিফুর রহমান, শেখ আনিসুর রহমান আনিস ও মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া সংগঠক অধ্যাপক খান আহমেদুল কবির (চাইনিজ) এবং সাবেক মারিন অফিসার ক্যাপ্টেন শেখ আবুল মাসুম। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা মোঃ হালিম মোল্যার সভাপতিত্বে ও বিএনপি নেতা মোল্লা দুরুল হুদা ও মোঃ রেজাউল্লাহ সরদারের যৌথ পরিচালনায় এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক হুমায়ূন কবীর, ঘাটভোগ ইউনিয়ন সার্চ কমিটির সদস্য এস এম আঃ মালেক, মিকাইল বিশ্বাস, সাইফুল ইসলাম পাইক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুজিবর শেখ, মোস্তফা শেখ, জিন্নাত শেখ, আরিফ মোল্লা, আবুল কাশেম কালা, মহিতোষ ভট্টাচার্য প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শেষাংশে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে একটি বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এই দোয়ায় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা জানানো হয়।

  • সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মারিয়া সোল, স্থগিত হলো বিয়ের অনুষ্ঠান

    সড়ক দুর্ঘটনায় আহত মারিয়া সোল, স্থগিত হলো বিয়ের অনুষ্ঠান

    যুক্তরাষ্ট্রে একটি সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন লিওনেল মেসির বোন মারিয়া সোল মেসি। দুর্ঘটনার কারণে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় আগামী মাসে নির্ধারিত ছিল যে বিয়ের অনুষ্ঠান, সেটি আপাতত স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছেন পরিবার।

    খবর অনুযায়ী, মায়ামিতে গাড়ির চালানোর সময় মারিয়া সোলের উপর গাড়ি চাপা পড়ে। এতে তার মেরুদণ্ডসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন তিনি। চিকিৎসকদের সরবরাহকৃত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে তিনি আশঙ্কামুক্ত হলেও সম্পূর্ণ সুস্থ হতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে।

    আর্জেন্টিনার জনপ্রিয় টেলিভিশন উপস্থাপক অ্যাঞ্জেল দে ব্রিতো বলেন, লিওনেল মেসির মা সেলিয়া কুচিত্তিনি মারিয়া সোলের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুর্ঘটনায় মারিয়া সোলের মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর সাথে তার গোড়ালি ও কবজির হাড়েও ফাটল ধরা পড়েছে।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, দুর্ঘটনার সময় মারিয়া সোল অজ্ঞান হয়ে যান এবং একটি দেয়ালে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তার শরীরে দগ্ধের কিছু চিহ্নও রয়েছে, যা চিকিৎসায় কিছুটা জটিলতা সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে তিনি আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় আছেন।

    আগামী ৩ জানুয়ারি রোজারিও শহরেই তার বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মেসি পরিবারের সদস্যরা ও লিওনেল মেসিও। তবে চিকিৎসকদের পরামর্শে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, নিরাপত্তার জন্য বিয়ের অনুষ্ঠান থামিয়ে রাখা হবে এবং পরবর্তী সময়ে নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

    মারিয়া সোল পেশাগত জীবনে একজন ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত। তার নিজস্ব ব্যবসা রয়েছে এবং মাঝে মাঝে তিনি ভাই লিওনেল মেসির ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজে সম্পৃক্ত থাকেন। ব্যক্তিগত জীবন সাধারণত গণমাধ্যমের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করেন তিনি।

    দুর্ঘটনার পর মেসি পরিবার থেকে ভক্ত ও শুভাকাঙ্খীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মারিয়া সোলের দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার দোয়া চাওয়া হয়েছে।

  • মেসির ভারতের সফর এবং কলকাতা অনুষ্ঠানের বিবরণ প্রকাশ

    মেসির ভারতের সফর এবং কলকাতা অনুষ্ঠানের বিবরণ প্রকাশ

    ১৩ ডিসেম্বর কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে লিওনেল মেসির এক অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার পেছনের কারণ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন গ্রেপ্তার হওয়া প্রধান আয়োজক শতদ্রু দত্ত। বিশেষ তদন্তকারী দল (এসআইটি)-এর জেরায় তিনি জানিয়েছেন, অনুষ্ঠানের সময় অতিরিক্ত ভিড় ও অবাঞ্ছিত স্পর্শে তিনি খুবই বিরক্ত হয়েছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই মাঠ ত্যাগ করেন বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবল কিংবদন্তী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদে শতদ্রু দত্ত বলেন, “মেসি পিঠে হাত দেওয়া বা জড়িয়ে ধরা পুরোপুরি অপছন্দ করেন।” তিনি আরো জানান, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই বিদেশি নিরাপত্তাকর্মীরা আয়োজকদের বিষয়টি জানিয়েছিলেন।

    দত্তের ভাষ্য অনুযায়ী, দর্শকদের সংযত ও শান্ত থাকার জন্য মাইকিং করা হলেও কোনো প্রভাব পড়েনি। তিনি বলেন, “যেভাবে মেসিকে ঘিরে ধরা হয়েছিল, সেটি তার জন্য সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য ছিল।” পরিস্থিতি এতটাই বিঘ্নিত হয় যে, মেসি নিজেও এর বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন।

    অনুষ্ঠানের সময়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে মেসির কাছাকাছি দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন ভিডিও ও ছবি বলছে, ছবি তোলার সময় অরূপ বিশ্বাস মেসির কোমরে হাতে রাখেন। এই ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি, পরে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কীভাবে এত বিপুলসংখ্যক মানুষ মাঠের ভেতরে প্রবেশের অনুমতি পায়, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। দত্তের দাবি, প্রথমে মাত্র ১৫০টি গ্রাউন্ড পাস ইস্যু করা হয়েছিল। কিন্তু একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তির হস্তক্ষেপে সেই সংখ্যা তিনগুণ বৃদ্ধি পায়। তিনি অভিযোগ করেন, এর ফলে পুরো অনুষ্ঠান পরিকল্পনাবহির্ভূত হয়ে যায় এবং নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়ে।

    দত্ত আরও দাবি করেছেন, প্রভাবশালী ব্যক্তির মাঠে পৌঁছানোর পর পুরো পরিস্থিতি মারাত্মকভাবে অব্যবস্থাপনায় পড়ে যায়, ফলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি। পুলিশ এখন যাচাই করছে, পাসের সংখ্যাবর্ধনের জন্য মূল কারণ কি ভিড় নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা।

    সাক্ষাতকারে দত্ত আরও জানান, মেসির ভারত সফরের জন্য তাকে মোট ৮৯ কোটির টাকাপয়সা দেয়া হয়। এর পাশাপাশি ভারত সরকার কর হিসেবে ১১ কোটি টাকা levied করে। সব মিলিয়ে এই সফরে ব্যয় ধরা হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি টাকা, যার প্রায় ৩০ শতাংশ আসে স্পনসরদের কাছ থেকে, এবং বাকি ৩০ শতাংশ আসে টিকিট বিক্রির থেকে।

    এসআইটির অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দত্তের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২০ কোটির বেশি টাকা জব্দ হয়েছে। শুক্রবার তার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রসহ বেশ কিছু আর্থিক তথ্যও সংগ্রহ করা হয়। দত্তের দাবি, তার অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ এসেছে টিকিট বিক্রি, স্পনসরদের কাছ থেকে পাওয়া টাকা এবং আয়োজকৃত মেসি ইভেন্টের অন্যান্য সামগ্রী থেকে। তবে তদন্তকারীরা এই দাবি যাচাইয়ে কাজ করছেন।

    উল্লেখ্য, সল্টলেক স্টেডিয়ামের ওই অনুষ্ঠানে হাজার হাজার দর্শক উচ্চমূল্যের টিকিট কিনেছিলেন। তবে, দর্শকদের বিশৃঙ্খলার কারণে মাঠের ভেতর থেকে মেসিকে পরিষ্কারভাবে দেখা যায়নি, যার ফলে অনেক দর্শক মনে ক্ষোভ দেখা দেয়। পরে কিছু অংশ স্টেডিয়ামের বিভিন্ন অংশে ভাঙচুর চালায়।

    এই ঘটনার তদন্তে রাজ্য সরকার একটি বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে, যেখানে রয়েছেন পীযূষ পাণ্ডে, জাভেদ শামিম, সুপ্রতিম সরকার ও মুরলিধর। ভাঙচুরের পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যর্থতা, অনুমতি লঙ্ঘন ও আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভূমিকা—সব বিষয়ই এখন এই দলের তদন্তের আওতায়।

  • মদ্যপ অবস্থায় পথ হারিয়ে ফেলেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার, ভিডিও ভাইরাল

    মদ্যপ অবস্থায় পথ হারিয়ে ফেলেছেন ইংলিশ ক্রিকেটার, ভিডিও ভাইরাল

    মাত্র ১১ দিনে ইংল্যান্ডের অ্যাশেজ সিরিজে হেরেছে প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এসেছে ইংলিশ ক্রিকেটার বেন ডাকেটের একটি ভিডিও, যা ভাইরাল হয়ে গেছে। সেখানে দেখা যায়, অতিরিক্ত মদ্যপান করে হারিয়ে ফেলেছেন তার পথ। ভিডিওটির সত্যতা এখন ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) যাচাই করছে।

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) এক ভিডিও সামাজিক নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি গণমাধ্যমে আলোচিত হয়। এই ভিডিও আগে ঘটে স্থানীয় তৃতীয় টেস্টের আগে। এতে দেখা যায়, ডাকেট মদ্যপ অবস্থায় একদল মানুষের সঙ্গে কথা বলছেন। তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি কোথায় আছেন। যখন তাকেAsked about his location, he responds that he doesn’t know. এ সময় একজন তাকে কৌতুক করে বলেন, ‘নেটে যাওয়ার জন্য তোমাকে একটা উবার ডেকে দিই, নাকি? সেটা হয়তো ভালো হবে।’ ভিডিওটি শেয়ার হওয়ার কিছু ঘন্টা পরে বোর্ডের পক্ষ থেকে Ian Watmore, ইসিবির শরীরবৃত্তীয় বিষয়সম্পর্কিত উপদেষ্টা, বলেছিলেন যে, সানশাইন কোস্ট রিসোর্টের সফরটি নিয়ে তদন্ত করা হবে।

    সফরের সময় চার দিন ব্যাহত হয়। এই সফরটি ইসিবি কেউ ছুটি হিসেবে গণ্য করেনি। এক বছর আগে দলটির প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম এই পরিকল্পনা করেছিলেন মূলত খেলোয়াড়দের সতেজ করতে। তখন কোনো অনুশীলনসূচিও ছিল না।

    অন্যদিকে, পরবর্তী টেস্টে অ্যাডিলেডে ভালো পারফরম্যান্স করেও ইংল্যান্ড হেরেছে ৮২ রানে। ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া মাত্র ১১ দিনেই ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে।

    মেলবোর্নে শুরু হতে যাওয়া চতুর্থ টেস্টের আগে রব কি বলেন, এই সফরটি তিনি গভীরভাবে তদন্ত করবেন। তবে তার বিশ্বাস, খেলোয়াড়রা ‘অসাধারণ আচরণ’ করেছে।

    অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান বেন ডাকেট, যে ইংল্যান্ডের অন্যতম নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়, কিন্তু অ্যাশেজে এখন পর্যন্ত পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। তিনি এখন পর্যন্ত ৩ টেস্টে মোট ৯৭ রান করেছেন, গড় ১৬.১৬, এবং সর্বোচ্চ ২৯ রান।

  • বাংলাদেশের স্বার্থে সৌদি আরবের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বিসিবি

    বাংলাদেশের স্বার্থে সৌদি আরবের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে বিসিবি

    বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকত্ব দিয়ে ক্রিকেটার ও কোচ নিয়োগ করে সেই দেশের প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজেদের পরিচিতি গড়ে তুলছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ওমানসহ আরও কিছু দেশ এই পথে এগোতে চাইছে। এরই অংশ হিসেবে সৌদি আরবও ক্রিকেটের প্রসার ঘটানোর পরিকল্পনা করছে, যেখানে বাংলাদেশ থেকেও কিছু ক্রিকেটার ও কোচ নেওয়ার প্রস্তাব ছিল। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন যে, সৌদি আরবের এ ধরনের প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় দুই মাস আগে সৌদি আরব আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমি সেই সময়ই তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করি। তারা পুরুষ ও নারী উভয় বিভাগের ক্রিকেটার ও কোচ পাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে। এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, নিজের দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে অন্য দেশে ক্রিকেটার বা কোচ পাঠানো সম্ভব নয়।’

    ‘ভিশন ২০৩০’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সৌদি আরব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের অবস্থান রাখার জন্য ব্যাপক বিনিয়োগ করছে। ক্রিকেটেও তারা দ্রুত অগ্রসর হতে চাইছে, ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশগুলো এই পথ অনুসরণ করেছিল।

    ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সম্প্রতি সৌদি আরব বিসিবির কাছে খেলোয়াড় পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশি ক্রিকেটের নিয়ম মানতে না চাওয়া ও দেশের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে বিসিবি এই বিকল্পে রাজি হয়নি।

    বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে সৌদি আরবের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে। লিভ গলফ, ফর্মুলা ওয়ান, এবং ২০৩৪ ফিফা বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে দেশটি বিপুল বিনিয়োগ করেছে। এখন তারা ক্রিকেটেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চেষ্টা করছে। আইসিসি ও এসিসির সহযোগিতায় উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রিকেটের নতুন কেন্দ্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে দেশটি।

  • ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

    ভারতকে হারিয়ে এশিয়া কাপের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান

    অভিষেকের পর থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ বাংলাদেশের দল টানা দুইবার এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছে। তবে এইবারের আসরে তাদের মনের আশা ভঙ্গ হয় সেমি ফাইনালে, যেখানে পাকিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কাছে হার মানেন জুনিয়র টাইগাররা। চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ফাইনালে ওঠা পাকিস্তান বাংলাদেশকে ছাড়িয়ে গেলো এবং ভারতের বিরুদ্ধে বড় ব্যবধানে ১৯১ রানের জয়ে এশিয়া কাপের শিরোপা প্রত্যাশা তৈরি করল।

    দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এই ফাইনালে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তান ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৩৪৭ রান তোলে। দলের হয়ে প্রখ্যাত ব্যাটসম্যান সামির মিনহাস ১৭২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে পাকিস্তানের জয়ের ভিত শক্ত করেন। ভারতের জন্য নিশ্ছিদ্র এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২৬ ওভারে ১৫৬ রানে অলআউট হয়ে যায় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দল।

    ভারতের শুরুটা ভালো ছিল না। ওপেনার বৈভব সূর্যবংশী প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক থাকলেও বেশিক্ষণ টিকে থাকেননি। মাত্র ১০ বলে ২৬ রান করে ছয়টি চার ও একটি ছক্কার মাধ্যমে ধরা পড়েন। এর পরে মিডল অর্ডারে অবিজ্ঞান কুন্ডু ও কনিশ চৌহানরা চেষ্টা করলেও ইনিংসটি বড় করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় ভারত।

    অপ্রত্যাশিত এই বড় ব্যবধানে হেরে যায় ভারত, যেখানে বড় সংগ্রহের জন্য তারা হতাশ। অবশ্য শেষের দিকে খিলান প্যাটেল ও দীপেশ দেবেন্দ্র কিছুটা লড়াই করে দেখান। খিলান ২৩ বলে ১৯, আর দীপেশ ১৬ বলে ৩৬ রান করেন, যা কিছুটা হলেও হারের ব্যবধান কমিয়ে দেয়।

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংস শুরু হয় ধীরগতিতে। প্রথম উইকেট পড়ার পর উসমান খান ও সামির মিনহাস মুহূর্তের জন্য দলকে স্বস্তিতে এনে দেন। উসমান খান ৭৯ বলের মধ্যে ৯২ রান করেন এবং মিনহাস তার সতীর্থ আহমেদ হুসেইনের সাথে ১২৫ বলে ১৩৭ রান যোগ করেন, যা উল্লেখযোগ্য। মিনহাস ৭১ বলে ১২ চার ও ৪ ছয়ে ১৭২ রান করে আউট হন। এই অসাধারণ সেঞ্চুরির পর পাকিস্তান বড় সংগ্রহের পথে এগোতে থাকে। এরপর আহমেদ হুসেইন ৫৬ রানে আউট হলেও পাকিস্তান ৩০২ রান করে ৪৩ ওভারে। শেষ দিকে, শফিক ও সাইয়াম ২০ বলে ২০ রান যোগ করে দলকে ৩৪৭ রানে পৌঁছে দেন, যা এশিয়া কাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ স্কোর। দীপেশ দেবেন্দ্র তিনটি উইকেট নেন, হেনিল প্যাটেল দুটির দেখা পান। চূড়ান্তভাবে পাকিস্তান এই জয়ে ৮ উইকেট হারিয়ে শিরোপা জিতে নেয়।

  • ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে বলিষ্ঠ জয় দুবাইয়ের

    ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট নিয়ে বলিষ্ঠ জয় দুবাইয়ের

    সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দারুণ দাপট দেখিয়েছেন বাংলাদেশি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। রোববার 자신의 সপ্তম ম্যাচে গালফ জায়ান্টসের বিপক্ষে তিনি অসাধারণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন। মাত্র ৪ বলের মধ্যে ৩ উইকেট শিকার করে তিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এই পারফরম্যান্সের জন্য দলের জয় নিশ্চিত করতে সাহায্য করেছেন তিনি।

    আবুধাবির শেখ জায়েদের স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় গালফ জায়ান্টস। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে আসেন মোস্তাফিজ, তবে প্রথম ওভারে তিনি কিছুটা খারাপ করেন এবং ১৩ রান দেন। এরপর ১৪তম ওভারে আবারো বল হাতে নেন ফিজ, তখনই তিনি ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেন। মুশফিকের প্রথম বলেই চার মারেন জেমস ভিন্স, তবে পরের বলটি ওয়াইড হয়। দ্বিতীয় বলের মোকাবেলায় ভিন্স সাজঘরে ফিরে যান, ৩৪ বলে ৩৬ রান করে তিনি ক্যাচ দিয়ে আউট হন।

    পরের ওভারে স্ট্রাইক পান কাইল মায়ার্স। মোস্তাফিজের অফ কাটার বলটি খেলতে গিয়ে ভিন্সের মতোই আউট হন আফগান ব্যাটার আজমতউল্লাহ ওমরজাই, ২৬ বলে ৪৩ রান করে তিনি বোল্ড হয়ে যান। এরপর তিনি এক অসাধারণ ডেলিভারিতে আরও একটি উইকেট তুলে নেন, ডান হাতি ডিকসনের ব্যাটের বাইরের কানা দিয়ে। বাবার মতো মেজাজে থাকায় এই ডেলিভারিটি অসাধারণ ছিল।

    মোস্তাফিজ নিজে ৩ ওভার বল করে ৩৪ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন। শেষ পর্যন্ত গালফ জায়ান্টস সবকিছু হার মানিয়ে ১৫৬ রান করে অলআউট হয়। সেই রান টপকাতে নেমে দুবাই দ্রুত শুরু করে এবং ৪ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় লাভ করে। ম্যাচের সেরা পারফরমার্স হিসেবে তিনি পুরস্কার পান। এই জয়ে মোস্তাফিজের দক্ষতা আবারও প্রমাণিত হলো, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের মন জয় করে নিল।