শ্রম সংকটের কারণে বিদেশি শ্রমিকদের প্রয়োজনীয়তা বেড়েই চলেছে থাইল্যান্ডে। এর অংশ হিসেবে শ্রীলঙ্কা থেকে প্রথমে ১০ হাজার শ্রমিক আনার পরিকল্পনা চূড়ান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া ও ফিলিপাইন থেকেও শ্রমিক আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যা বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে। থাইল্যান্ডের কৃষি, নির্মাণ ও মৎস্যশিল্প দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল। প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসা শ্রমিকরা এই খাতের মূল শক্তি। দেশের শ্রম মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিত কম্বোডিয়ার শ্রমিকের সংখ্যা ছিল ৫ লাখ ৬০৬ জন। তবে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) অনুমান করছে, আরও প্রায় ৫ লাখ নিবন্ধনবিহীন কম্বোডিয়ার শ্রমিক থাইল্যান্ডে কাজ করছে। কিন্তু ২৪ জুলাই থাইল্যান্ড-কম্বোডিয়া সীমান্তে সংঘর্ষের পর অনেক শ্রমিক নিজ দেশে ফিরে গেছেন, ধারণা করা হচ্ছে প্রায় কয়েক লাখ শ্রমিক শ্রমবাজার ত্যাগ করেছেন। ফলে শিল্পখাতে বড় ধরনের শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। থাইল্যান্ডের শ্রমমন্ত্রী পংকাভিন জুয়াংরুয়াংকিত বলেছেন, শ্রীলঙ্কা এখনই ১০ হাজার শ্রমিক পাঠাতে প্রস্তুত। এর মধ্যে ৩০ হাজারের বেশি শ্রীলঙ্কান শ্রমিক থাইল্যান্ডে কাজের জন্য নিবন্ধন করেছেন। পাশাপাশি ক্যাবিনেট বৈঠকের সারে স্পষ্ট হয়েছে যে, বাংলাদেশ থেকেও শ্রমিক নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের শ্রমিকরা মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও কোরিয়ার শ্রমবাজারে কাজ করছেন। ভালো মজুরি ও কর্মপরিবেশের কারণে তারা বেশ জনপ্রিয়, তবে এখনও থাইল্যান্ড বাংলাদেশীদের জন্য খুব বেশি গন্তব্য হয়নি। তবে বর্তমান সংকট নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে দেশের বেকারত্বের হার ছিল মাত্র ৮.১ শতাংশ। এর অর্থ, স্থানীয় শ্রমিকের অভাব বড় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। থাইল্যান্ড চেম্বার অব কমার্সের গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক আনুসর্ন তামাজাই বলেছেন, ‘থাইল্যান্ডের শ্রমনির্ভর শিল্প বিদেশি শ্রমিক বWithout more context or information about the specific news article, it’s challenging to add further elaboration. If you’d like, I can help expand or clarify specific parts or provide a more detailed version based on additional details.
Category: আন্তর্জাতিক
-

গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ, ক্ষুধা ও মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হচ্ছে না
ইসরায়েলের অবিরাম হামলা, অবরোধ এবং চলমান দুর্ভিক্ষের কারণে প্রতিদিন গাজা উপত্যকায় মানুষের প্রাণহানি continue হচ্ছে। প্রতিদিনই ইসরায়েলের নিয়মিত বিমান হামলায় ও গোলাবর্ষণে অগণিত পরিবারের স্বজনেরা মৃত্যুর কোলে ঢলছে। কথিত ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে অক্টোবর মাস থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রায় ৬৪ হাজারের বেশি মানুষ জীবন হারিয়েছেন। এমনকি মানবিক সহায়তা করতে গিয়ে অনেক ফিলিস্তিনি জীবন হারাচ্ছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু এ তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার ৪০০ জনে পৌঁছেছে। শনিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ৬৪,৩৬৮ জন।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে আরও ৬৮ জনের মরদেহ। সেই সময়ে আহত হয়েছেন মোট ৩৬২ জন। এভাবে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জনে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বা রাস্তায় পড়ে আছেন, তাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও উদ্ধারকর্মীরা ব্যর্থ হচ্ছে।
এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় মানবিক সহায়তা নেওয়ার জন্য গাজা গিয়েছিলো আরও ২৩টি ফিলিস্তিনি গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে, একই সময়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১৪৩ জন। চলতি বছরের মে মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত সহায়তা নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,০৩৮৫ জনের বেশি, এবং আহতের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ১৭,৫৭৭।
অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে মারা গেছেন আরও ৬ ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে একজন শিশু। এভাবে, অক্টোবর ২০২২ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষুধা বা অপুষ্টিতে কষ্ট পেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮২ জন, যাদের মধ্যে ১৩৫ জন শিশু।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২ মার্চ থেকে গাজার সব সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। এর ফলে প্রায় ২.৪ মিলিয়ন মানুষ বসবাসকারী এই সংখ্যালঘু অঞ্চলটি দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা জরিপে দেখা গেছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যে খাদ্য সংকট দৃশ্যমান, আরও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এই দুর্ভিক্ষ দ্রুত নেমে আসবে দক্ষিণের এলাকাগুলোতেও।
এছাড়া, ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল নতুন করে গাজায় হামলা শুরু করে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৮২৮ জন নিহত ও ৫০ হাজার ৩২৬ জন আহত হয়েছেন। এর ফলে জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে।
গাজার দখলে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুক্রবার প্রবেশ করেছে ৭০০তম দিন। দীর্ঘ এই যুদ্ধের ফলে পুরো ভূখণ্ড ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং মানুষের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের অবস্থা তৈরি হয়েছে।
বিশ্ব আদালতও এই পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়েছে। গত বছর নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পাশাপাশি, গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) মামলা অব্যাহত রয়েছে।
-

বিমানবন্দরের রানওয়েতে ব্যক্তিের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ভাইরাল
ভারতের বিহারের দারভাঙ্গা বিমানবন্দরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে যেখানে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক বৃদ্ধ সাদা কুর্তা-পাজামা পরে রানওয়ে পার্কিংয়ে বসে প্রস্রাব করছেন। যদিও তার পরিচয় বা তিনি কি কোনও যাত্রী ছিলেন তা স্পষ্ট নয়, তখনই অন্য যাত্রীরা লাইন ধরে বিমানে উঠছিলেন। সেই সময় রানওয়ে সক্রিয় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে এক বৃদ্ধের এই অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি এবং তার ব্যবহারে দেশব্যাপী আলোচনা শুরু হয়েছে। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার খবর প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে নেয়া হয়েছে বিমানবন্দর নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নও।
ভিডিওটি পাইলটের ভাষ্য অনুযায়ী ককপিট থেকে ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সহ-পাইলটের সঙ্গে পাইলট হাস্যরসের মাধ্যমে এই ঘটনা দেখেছেন। ভিডিওটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৯ সেকেন্ড, তবে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কিছু নেটিজেনের মন্তব্যে দেখা যায়, কিছু মনে করছেন এই ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিমান ভ্রমণের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য। কেউ বলছেন, এটি কোনও ভুল নয় বরং দেখাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন ঘটনা ঘটছে। আরেকজন উল্লেখ করেছেন, প্রস্রাব করার জন্য বিমানবন্দরে বিভিন্ন টয়লেট থাকা সত্ত্বেও রানওয়ে বসে এই কাজটি নিয়েছেন।
তবে, এ ব্যাপারে এখনও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার ফলে বিমান নিরাপত্তা এবং সামাজিক আচরণ বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।
-

গাজার চিত্র ভয়ংকর: ৪০ শতাংশ ভূমি দখল এবং মানবিক সংকট অব্যাহত
গাজা শহর এখন এক দারুণ মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে শিশুরা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে ভুগছে। অনেক শিশু ওজন কমে গিয়ে মারাত্মক আহত। উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, ১৮ মাস বয়সী শিশু আলি আবু আজরা তার বয়সের তুলনায় খুব কম ওজনের হয়ে পড়েছে; তার স্বাভাবিক ওজন হওয়ার কথা ছিল সাত-আট কেজির মধ্যে, কিন্তু বর্তমানে তার ওজন মাত্র তিন কেজি। দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টির কারণে শরীর থেকে চর্বি ও পেশির টিস্যু ক্ষয়ে গেছে, ত্বক হাড়ের সঙ্গে লেগে থাকা অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। তার মা আনাদোলু জানান, আলি ডায়রিয়া, ফুসকুড়ি, জ্বর, খিঁচুনি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে নাজেহাল। এক সপ্তাহের মধ্যে ওজন একটি কেজি কমে গেছে; দুধ ও ওষুধের অভাবের কারণে তার জীবনহুমকি পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। গাজার অন্যান্য শিশুদেরও আসলে এই রকম দুরবস্থা চলমান।
আন্তর্জাতিক সংস্থা আলজাজিরা ও ইউনিসেফের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গাজা এখন মৃত্যু, আতঙ্ক ও দাফনের শহর হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি শঙ্কার মুখে, শহরটি এখন ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ইসরায়েলি হামলার ফলে বহু পরিবারের স্বজনরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি হামলায় শহরে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন স্থান জুড়ে ভারী বোমাবর্ষণে ব্যস্ত হয়েছে ইসরায়েলি সেনা, ধ্বংসের মুখে পড়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভবন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা গাজা শহরের ৪০ শতাংশ ভূখণ্ড দখল করেছে, হামাসের শাসন ভেঙে ফেলতে এবং কমান্ডারদের জিম্মি থেকে ফিরিয়ে আনতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ১১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, এর মধ্যে শুক্রবার alone ৫০ জন মারা গেছে। এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৬৪,২৩১ জন নিহত ও এক লাখ ৬১ হাজার ৫৮৩ জন আহত হয়েছেন। শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশ উদ্বেগজনক। প্রতিদিন গড়ে ২৮ শিশুকে হত্যা করা হচ্ছে।
গত Thursday রাতে গাজা শহরের অনেক বাড়িঘরসহ তাঁবু ও আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বিশেষ করে মায়েরা কষ্টের মধ্যে বলছেন, তাদের সন্তানদের দেখার জন্য হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকা, রক্তাক্ত মুখ ও দেহ দেখছেন। একজন মা বলছেন, ‘আমি আমার ছেলেকে খুঁজে বের করতে গিয়ে দেখতে পেলাম, সে পড়ে আছে, তার নাক দিয়ে রক্ত জমে আছে। অন্যদিকে আমার মেয়েও রক্তে ভাসছে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় এখন ‘নরকের দরজা’ খুলে গেছে। কারণ ইসরায়েলি সেনারা গাজা শহরের উঁচু টাওয়ারগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে, যা শহরটির ভেতরে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
অন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহল এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণের জন্য কাজ করা তিনটি ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আল-হক, প্যালেস্টিনিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস (পিসিএইচআর) এবং আল-মিজান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস। এই সব সংস্থা গাজা পরিস্থিতি ও ইসরায়েলের দখলদারির বিচার-তদন্তে সহযোগিতা করায় তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
-

ভারতের গো-মাংস শিল্পে মোদির সময় দুর্বার প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি রেকর্ডে নতুন দিগন্ত
ক্ষমতায় আসার আগে গরুর মাংস রপ্তানি নিয়ে কট্টর সমালোচনা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি, কিন্তু তার শাসনামলে এই শিল্প চূড়ান্ত বিকাশ লাভ করেছে। বর্তমানে ভারতের গোমাংস শিল্প ৬৫টি দেশে রপ্তানি করছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক বড় এক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বছর বছর এই খাতের রপ্তানি দিচ্ছে দেশটি প্রায় ৪৩ কোটি ডলার আয়, যেখানে ভারত এখন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম গোমাংস রপ্তানিকারক দেশ। এটি রপ্তানি করছে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে, যেখানে ভারতের গরু ও মহিষের চাহিদা খুবই উচ্চ।
ভারতের গোমাংস রপ্তানি শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে। তবে মোদির শাসনামলে এক দশকেরও বেশি সময়ে এই শিল্পের বিকাশ অনেক গুণ বেড়েছে। বর্তমানে ভারতের অন্যতম বড় গরুর মাংস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দেশে প্রচুর গরু এবং মহিষ রয়েছে—বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মহিষ বাংলাদেশের বাইরে ভারতেই দেখা যায়, যার সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি পঞ্চাশ লাখ। প্রতিদিনই ভারত থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন গরুর মাংস বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়।
প্রাকৃতিক চারণভূমিতে বেড়ে ওঠা গরু ও মহিষের কারণে এই মাংসের চাহিদাও ব্যাপক। যদিও গরু ও মহিষের মধ্যে মাংসের রপ্তানি নিয়ে ভারতে কিছু বিতর্ক রয়েছে, বিশেষ করে গরুর মাংসের বৈধতা ও ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে। তবে অনেক উপসাগরীয় দেশ ও বাইরের বাজার এই মাংসের চাহিদা বাড়িয়ে চলেছে। বিশেষ করে হিন্দু ব্যবসায়ীদের মধ্যেও এই শিল্পে যুক্ত থাকার স্বীকৃতি বাড়ছে, কারণ এটি বড় একটি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা।
সার্বিকভাবে দেখা যায়, মোদির আমলে ভারতের গোমাংস শিল্পের বিকাশ নতুন পর্যায়ে পৌছেছে, যা দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।
-

ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন জোরমতো
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ডের মোতায়েনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থান থেকে শতশত মানুষ রাস্তায় নেমেছে। তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি করেন, রাজধানীর রাস্তায় সেনা টহল বন্ধ করতে হবে এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই বিক্ষোভের প্রধান স্লোগান ছিল, ‘ট্রাম্পকে এখনই বিদায় করুন’। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই প্রতিবেদনের খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।
বিক্ষোভকারীরা জানান, ট্রাম্পের নির্দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাস্তায় মোতায়েন করা হয়েছে, যা তারা একেবারেই মানতে চান না। তারা দাবি করেন, এই বাহিনীকে শহর থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। প্রতিবাদে যোগ দেন অবৈধ অভিবাসী ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সমর্থকরা। তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে লিখেন—“ট্রাম্পকে এখনই বিদায় করুন”, “ডিসিকে মুক্ত করুন”, “স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন”।
অ্যালেক্স লফার নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমি এখানে এসেছি ডিসির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। আমরা কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরোধিতা করছি, ফেডারেল পুলিশ ও ন্যাশনাল গার্ডকে রাস্তায় থেকে সরাতে হবে।”
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গত মাসে সেনা মোতায়েন করেছেন, যাতে “আইন, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা” নিশ্চিত করা যায়। এছাড়াও, তিনি রাজধানীর মেট্রোপলিটন পুলিশকে সরাসরি ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন এবং অভিবাসন ও শুল্ক সংস্থাসহ (আইসিই) অন্যান্য বাহিনী শহরে নামিয়েছে। সমালোচকেরা এসব কর্মকাণ্ডকে বলছেন, এটি ফেডারেল ক্ষমতার অপব্যবহার।
দৃশ্যত, বিচার বিভাগ জানাচ্ছে, ২০২৪ সালে ওয়াশিংটনের সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা গত ৩০ বছরে সবচেয়ে কম পর্যায়ে পৌছেছে।
ন্যাশনাল গার্ড সাধারণত দেশের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের অধীনে থাকে, কিন্তু ডিসি ন্যাশনাল গার্ড সরাসরি প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করে। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি শিকাগোতেও ন্যাশনাল গার্ড পাঠাবেন। এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইলিনয়ৰ গভর্নর জেবি প্রিটজকার জানাচ্ছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই শিকাগোতে আইসিই এজেন্ট ও সামরিক যান পাঠিয়েছে, আরও পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একজন প্রতিবাদকারী কেসি বলেন, “এ ধরনের কর্মকাণ্ড অন্য একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো করে। যদি মানুষ বাধা দেয় না, তবে তারা অচিরেই অন্য জায়গায়ও এরূপ প্রয়োগ করবে। তাই থেকে চিহ্নিত হয় উঠতে এখনই থামানো উচিত।”
বর্তমানে ছয়টি রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা দুই হাজারের বেশি সৈন্য ওয়াশিংটনে টহল দিচ্ছে। তাদের মূল মিশন কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সেনাবাহিনী ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের মোতায়েনের মেয়াদ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
-

নাগরিকতা পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম থাকা, আদালতে নিষ্পত্তির জন্য মামলা
ভারতের কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে দিল্লির আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অভিযোগ, ১৯৮৩ সালে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার তিন বছর আগে থেকেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই অভিযোগটি করেছেন বিকাশ ত্রিপাঠী নামে একজন নাগরিক। আদালত মামলার শুনানি জন্য ১০ সেপ্টেম্বরের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। খবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের।
প্রকৃতপক্ষে, সোনিয়া গান্ধী ১৯৮৩ সালে ভারতের নাগরিকত্ব লাভের আগে, ১৯৮০ সালে প্রথমবারের মতো ভোটার তালিকায় নিজের নাম দেখেন। ত্রিপাঠীর অ্যাপ্লিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথমে ১৯৮০ সালে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছিল। তবে, কিছু আপত্তির কারণে ১৯৮২ সালে তার নাম বাদ দেওয়া হয়। এরপর, ১৯৮৩ সালে নাগরিকত্ব লাভের পর আবার তার নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়।
তারা বলছেন, এই ঘটনাটি ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতিতেই প্রশ্ন সৃষ্টি করে। অভিযোগকারীর প্রশ্ন, কিভাবে নাগরিকত্ব না থাকলেও সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় রাখা হয়েছে, সেটা জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, তাঁর মনে হয়, প্রথমে সোনিয়া গান্ধীর নাম বাদ যাওয়ার কারণ হতে পারে তাঁর নাগরিকত্বের অনুপস্থিতি বা মাঠের পরিবর্তন। আদালতের আইনজীবীর দাবি, জাল নথি দ্বারা ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
দেশজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলার প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলগুলি সোচ্চার। কিছুদিন আগে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তার দাবি, বিকাশ ত্রিপাঠীর এ মামলার সঙ্গে মিল রয়েছে অমিতের দাবির। তিনি একটি পোস্টে সফদরজং রোডের ১৪৫ নম্বর বুথের ভোটার তালিকার ছবি শেয়ার করেন এবং একইভাবে অভিযোগ পোষ্ট করেন।
-

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় ৫৫ বছরে প্রায় ৪ কোটি মানুষের প্রাণহানি: গবেষণা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো প্রভাবশালী শক্তির মাধ্যমে বিরোধী দেশগুলোকে শায়েস্তা করার জন্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করছে। এই কৌশলটির কতটা কার্যকর, এ নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও এর ফলে কোটি কোটি মানুষ জীবন হারাচ্ছেন, এটা নিঃসন্দেহে সত্য। সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই নিষেধাজ্ঞার কারণে কত মানুষ হতাহত হয়েছেন।
-

ভারতে মহারাষ্ট্রে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৮ নিহত
ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের নাগপুর জেলায় একটি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে গেছে। এই দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যে আটজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়ছে, আর অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শুক্রবার বিকেল সাড়ে বারোটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই কারখানা, যা নাগপুরের ভান্দারা এলাকার মধ্যে অবস্থিত, ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে ৫ কিলোমিটার দূর থেকেও এর আওয়াজ শোনা গেছে। জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কোলতে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের কারণে কারখানার ছাদ ধসে পড়ায় বেশ কয়েকজন শ্রমিক চাপা পড়েন। দ্রুতই উদ্ধার কাজ শুরু হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, পাশাপাশি আরও ২৫ জনকে জীবিত অবস্থায় আনিত হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে কারখানার আরডিএক্স (অ্যাকসিডাইজড রেডিয়ওঅ্যাকটিভ সাবস্ট্যান্স) উৎপাদনের প্লান্টে। এক শ্রমিকের ভাষ্য, হঠাৎ চারপাশে ধোঁয়া ছেয়ে যায়, এবং শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয়। তার সঙ্গে আরও একজন ধারনা দেন, সুপারভাইজার বলেছিলেন, দ্রুত কারখানা থেকে বেরিয়ে যেতে। এরপরই বিস্ফোরণ ঘটে।
একজন শ্রমিক জানান, বিস্ফোরণের সময় কারখানাটি ভূমিকম্পের মতো কেঁপে উঠেছিল। এই ধাক্কার কারণে তিনি এবং অন্য একজন সহকর্মী মাটিতে বিছানা খেয়ে গিয়েছিলেন। এরপর তাঁরা প্রাণপণে কারখানার বাইরে ছুটতে শুরু করেন।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০২৩ সালে এই একই কারখানায় অতীতে একটি বড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে নয়জন শ্রমিক নিহত হন। এই ঘটনার মতোই আজকের দুর্ঘটনা শ্রমিকদের জন্য এক ভয়াবহ ট্রাজেডি।
-

একদিনে আরও ৬৯ ফিলিস্তিনি নিহত, ইসরাইলের বর্বরতার মধ্যেই দখল গাজায়
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলের হামলায় এক দিনে আরও ৬৯ জন ফিলিস্তিনি মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, অনাহারে মারা গেছেন আরও তিনজন। এই অস্থির পরিস্থিতিতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩০০ জন ফিলিস্তিনি জীবন হারিয়েছেন।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর প্রতিবেদন সংস্থা আনাদোলুর।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নিকৃষ্ট রূপে পড়ে ৬৯টি লাশ আনা হয়েছে, পাশাপাশি আহত হয়েছে ৪২২ জন। এর ফলে মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৬২,০০৫ জনে।
ইসরাইলি বর্বরতা এতটাই ভয়ংকর যে, অনেক মৃতদেহ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে কিংবা রাস্তায় পড়ে রয়েছে, যেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছে না।
এছাড়া, গত এক দিনে মানবিক সাহায্য সংগ্রহের চেষ্টা চলাকালে গুলিতে আরো ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১৯০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে, ২৭ মে থেকে এই পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৩৬২ জনে ও আহতের সংখ্যা ১৭,৪৩৪ জনের বেশি।
অতিরিক্ত, গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে ও অপুষ্টিতে আরও তিনজন মারা গেছেন। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭৬ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৩৪ শিশু।
এদিকে, ২০২৩ সালের মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়, ফলে ২৪ লাখের বেশি মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই অঞ্চলে তীব্র দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, যা জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা মূল্যায়ন নিশ্চিত করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ মাসের শেষে এটি পুরোপুরি উত্তর গাজায় ছড়িয়ে পড়বে।
২০১৯ সালের জানুয়ারিতে কাতার, মিশর ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, ১৮ মার্চ থেকে ইসরাইলি সেনারা নতুন করে গাজায় হামলা চালাচ্ছে। তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ১১ হাজার ৭৬৮ জন নিহত ও ৪৯ হাজার ৯৬৪ জন আহত হয়েছেন।
বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এছাড়াও, গাজায় চলমান এই সংঘর্ষের জন্য ইসরাইল গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) মোকাবিলা করছে।
