Category: অর্থনীতি

  • ব্র্যাক ব্যাংক নিপ্পন পেইন্টকে উন্নত ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে

    ব্র্যাক ব্যাংক নিপ্পন পেইন্টকে উন্নত ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা দেবে

    নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশকে আধুনিক এবং কার্যকরী ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করতে ব্র্যাক ব্যাংকের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিপ্পন পেইন্টের ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটরদের জন্য ক্যাশ কালেকশন ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী, দক্ষতা বৃদ্ধি করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

    চুক্তির আওতায়, নিপ্পন পেইন্টের সিস্টেম দ্বারা ব্র্যাক ব্যাংকের ডিজিটাল ট্রানজ্যাকশন প্ল্যাটফর্ম ‘কর্পনেট’-এর সাথে এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মাধ্যমে সংযোগ স্থাপিত হবে। এর ফলে, ২০০ জন ডিস্ট্রিবিউটর থেকে সংগৃহীত অর্থের তথ্য দ্রুত এবং স্বচ্ছভাবে নিপ্পন পেইন্টের এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ERP) সিস্টেমে দেখা যাবে।

    এই উদ্যোগের ফলে নিপ্পন পেইন্টের নগদ প্রবাহের উপর নজরদারি আরও উন্নত হবে, পেমেন্ট রিকনসিলিয়েশন প্রক্রিয়া সহজ হবে এবং ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ আরও সক্রিয় ও শক্তিশালী হবে।

    ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়। এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব হোলসেল ব্যাংকিং মো. শাহীন ইকবাল সিএফএ, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড অব কর্পোরেট, কমার্শিয়াল ও ইনস্টিটিউশনাল ব্যাংকিং আসিফ বিন ইদ্রিস, হেড অব ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং এ. কে. এম. ফয়সাল হালিম এবং এরিয়া হেড অব রিলেশনশিপ ইউনিট এস এম মুসা। আর নিপ্পন পেইন্ট বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির জেনারেল ম্যানেজার রাজেশ সিরকার, সিনিয়র ম্যানেজার সালাহ উদ্দিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।

    এটি ব্র্যাক ব্যাংকের প্রযুক্তিনির্ভর ট্রানজ্যাকশন ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে কর্পোরেট গ্রাহকদের ক্ষমতায়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধি করার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। ব্র্যাক ব্যাংক অব্যাহতভাবে বিশ্বাস করে যে, এই ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তারা কর্পোরেট গ্রাহকদের জন্য আরও স্বচ্ছ, দক্ষ এবং আত্মবিশ্বাসজনক আর্থিক অংশীদার হিসেবে থাকবেন এবং তাদের টেকসই ব্যবসায়িক সফলতা অর্জনে সহায়তা করবেন।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ সোনার দাম ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার টাকা

    বাংলাদেশে সোনার বাজারে গভীর পরিবর্তন ঘটেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি-বাজুস ঘোষণা করেছে যে দেশের বাজারে নতুন করে সোনার দাম বাড়ছে, যা এখন পর্যন্ত কখনো দেখা যায়নি। প্রতি ভরি মানের সোনার দাম বেড়ে গেছে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকায়; এর ফলে সোনার দাম পৌঁছে গেছে ভরি প্রতি দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকাবিশিষ্ট। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দামের রেকর্ড।

    বাজুসের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই তথ্য জানানো হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, নতুন এই দামের বাণিজ্যিক কার্যকরিতা শুরু হবে আগামী বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে সোনার দামের এই উত্থান। বিশ্ববাজারের নির্ভরযোগ্য সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি এর তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪৫ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।

    নতুন দামে দেখা যায়, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম এখন দুই লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা। একই ধরনের ২১ ক্যারেটের সোনার দাম এখন দুই লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, আর ১৮ ক্যারেটের ভরি সোনার দাম পড়েছে এক লাখ ১৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি দাম এখন এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    এছাড়া, সোনার পাশাপাশি রুপারও দাম বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা।

  • সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল

    সোনার ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ছাড়াল

    এক দিনের ব্যবধানে আবারও দেশের স্বর্ণ বাজারে দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ স্বর্ণ Shapes; জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। এই মুহূর্তে প্রিমিয়াম মানের সোনার প্রতি ভরি দাম বেড়ে গেছে সর্বোচ্চ ৮ হাজার ৩৪০ টাকা, যার ফলে দেশে সোনার মূল্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওপরে পৌঁছেছে। এটি এখন পর্যন্ত দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনার দাম।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে, এবং নতুন এই দামের কার্যকারিতা শুরু হবে আগামীকাল, ২২ জানুয়ারি।

    সংগঠনটি বলেছে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির কারণে দেশের বাজারেও দাম বাড়ছে। বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ড স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের দামে প্রভাব পড়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.অর্গ ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৮০০ ডলারের উপরে উঠেছে।

    নতুন দামের অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতিভরি দাম এখন ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা, এবং সরাসরি সনাতন পদ্ধতিতে তৈরি স্বর্ণের প্রতিভরি দাম ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা।

    অপরদিকে, সোনার দামের সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৬ হাজার ৮৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ২০০ টাকা।

  • রেকর্ড: ভরিতে সোনার দাম ছুঁল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা

    রেকর্ড: ভরিতে সোনার দাম ছুঁল ২ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা

    দেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে আবারও সোনার দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ 8,340 টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি হওয়ায় সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম 252,467 টাকা ছুঁয়ে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    বাজুসের এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে বুধবার, ২১ জানুয়ারি, এবং নতুন মূল্য বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে বৈশ্বিক বাজারে বিশুদ্ধ সোনার (পিওর গোল্ড) দামের উত্থানের প্রভাব স্থানীয় বাজারে পড়ে এই মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি নামের বিশ্বস্ত ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ীও বৈশ্বিকভাবে স্বর্ণের দর বেড়েছে; সেখানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম 4,800 ডলারের উপরে উঠে গেছে, যা স্থানীয় স্থিতি নিয়েও প্রভাব ফেলেছে।

    নতুন ঘোষণা অনুযায়ী বিভিন্ন মানের সোনার সর্বশেষ মূল্যগুলো হলো:

    – ২২ ক্যারেট (সর্বোচ্চ মান): প্রতি ভরি 252,467 টাকা

    – ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি 240,978 টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি 206,569 টাকা

    – সনাতনী পদ্ধতির সোনা: প্রতি ভরি 169,653 টাকা

    সোনা ছাড়াও রুপার দামও বাড়িয়েছে বাজুস। রুপার নতুন মূল্য হলো:

    – ২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি 6,882 টাকা

    – ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি 6,532 টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি 5,599 টাকা

    – সনাতনী পদ্ধতির রুপা: প্রতি ভরি 4,200 টাকা

    বাজুসের এই নতুন মূল্য তালিকা ২২ জানুয়ারি থেকে ঢাকাসহ দেশের স্থানীয় বাজারগুলোতে কার্যকর হবে। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য মূল্য ওঠানামা সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

  • ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে সোনা: এক ভরি ২,৪৪,১২৮ টাকা

    ইতিহাসের সর্বোচ্চ দামে সোনা: এক ভরি ২,৪৪,১২৮ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশের স্থানীয় বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫,২৪৯ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, ফলে সবচেয়ে ভালো মানের সোনা (২২ ক্যারেট) এক ভরিতে ২,৪৪,১২৮ টাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ রেকর্ড দাম।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তি মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হয় এবং নতুন এই দাম বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে। সংগঠনটি বলেছে, বৈশ্বিক বাজারে বিশুদ্ধ স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) এবং অন্যান্য বাজারগত চাপের কারণে স্থানীয় বাজারে দাম বাড়ার this প্রভাব পরেছে।

    গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি-র তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪,৭৪৫ ডলারের ওপরে উঠে গেছে, যা স্থানীয় মূল্য বৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

    নতুন ঘোষিত দর অনুযায়ী এক ভরি সোনার মূল্য:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৪৪,১২৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৩২,৯৮৮ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ১,৯৯,৭৪৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: ১,৬৩,৮২১ টাকা

    সোনার সঙ্গে সঙ্গে রূপার দামও বেড়েছে। নতুন দর অনুযায়ী রূপার মূল্য প্রতিভর:

    – ২২ ক্যারেট: ৬,৫৯০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ৫,২৯৯ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ৫,৪২৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: ৪,০৮২ টাকা

    বাজুস ভবিষ্যতে বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী আবার দামে পরিবর্তন আনার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেছে। সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে এই শক্তিশালী উঠানামা মাথায় রেখে লেনদেন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

  • প্রতি ভরিতে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ: ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    প্রতি ভরিতে সোনার দাম ইতিহাসের সর্বোচ্চ: ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, দেশের বাজারে সোনার দাম বেড়েছে — প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ বর্ষায় পৌঁছেছে। ফলস্বরূপ সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম বেড়ে গিয়ে এক ভরিতে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকায়।

    বাজুস মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানিয়েছেন, নতুন দাম ২১ জানুয়ারি বুধবার থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটির বক্তব্য অনুযায়ী, বৈশ্বিক বাজারে পিওর গোল্ড বা তেজাবি সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাজারেও মূল্য বাড়ছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দর সম্পর্কিত চিকিৎসিত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪৭৪৫ ডলারের ওপরে পৌঁছেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এইভাবে — ২২ ক্যারেটের একটি ভরির দাম ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৮৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা।

    রূপার দামও একই সঙ্গে বেড়েছে। নতুন হিসেবে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    বাজার ও গ্রাহকদের জন্য এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে বাজার পূর্ণদৃষ্টি রাখার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

  • কাস্টমস ডিউটি কমল, মোবাইল ফোনের দামও কমার সম্ভাবনা

    কাস্টমস ডিউটি কমল, মোবাইল ফোনের দামও কমার সম্ভাবনা

    গ্রাহক এবং দেশীয় উৎপাদকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি কমিয়ে ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা হয়েছে। পাশাপাশি দেশীয় মোবাইল সংযোজনকারীদের জন্য উপকরণ আমদানির শুল্কও ১০ শতাংশ থেকে ৫ শতাংশে নামিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

    এনবিআর ওই সংশোধনী সম্পর্কিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জারি করেছে বলে প্রতিষ্ঠানটির জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ জানিয়েছেন।

    এনবিআর জানিয়েছে, মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য বিদ্যমান শুল্ক ২৫% থেকে ১০% হওয়ায় ওই শুল্কে মোট ৬০ শতাংশ হ্রাস এসেছে। একইভাবে মোবাইল ফোন সংযোজনকারীদের উপকরণ আমদানিতে বিদ্যমান শুল্ক ১০% থেকে ৫% হওয়ায় সেখানে প্রযোজ্য শুল্ক ৫০ শতাংশ কমেছে।

    এই শুল্ক হ্রাস বাস্তবায়িত হলে বাজারে প্রভাব পড়ার হিসাব অনুযায়ী, ৩০ হাজার টাকার বেশি মূল্যবাহী সম্পূর্ণ আমদানি করা প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা কমতে পারে। আর ৩০ হাজার টাকার ওপরে দেশের মধ্যে সংযোজিত প্রতিটি মোবাইল ফোনের দাম আনুমানিক ১,৫০০ টাকা পর্যন্ত কমবে বলে এনবিআর জানিয়েছে।

    সরকার আশা করছে, আমদানি ও সংযোজনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য শুল্ক হ্রাসের ফলে সব ধরণের মোবাইল ফোনে মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল সেবা গ্রহন আরও সহজ হবে। এছাড়া স্থানীয় মোবাইল সংযোজন শিল্পও বিরূপ প্রতিযোগিতা থেকে মুক্ত থাকবে।

    এনবিআর জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকারের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।

  • ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনা: প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    ইতিহাসে সর্বোচ্চ সোনা: প্রতি ভরি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। সংগঠনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির ফলে ভালো মানের সোনার দামের হার ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে—এক ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ১২৮ টাকায়।

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নতুন এই দর কার্যকর হবে ২১ জানুয়ারি (বুধবার) থেকে। বাজুস মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই স্থানীয় বাজারে মূল্য বাড়ছে। বিশ্বস্ত সূত্র গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি অনুযায়ী বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ে এবং প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪,৭৪৫ ডলারের ওপরে গেছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী ভরের দামের তালিকা হলো:

    – ২২ ক্যারেট: ২,৪৪,১২৮ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৩২,৯৮৮ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ১,৯৯,৭৪৬ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির: ১,৬৩,৮২১ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রূপার নতুন মূল্য হলো:

    – ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি: ৬,৫৯০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি: ৫,২৯৯ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি: ৫,৪২৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি: ৪,০৮২ টাকা

    বাজারে এই পরিবর্তন ক্রেতা ও স্বর্ণবিক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। যারা বিনিয়োগ বা গহনা কেনাবেচা করছেন, তাদের কাছে নতুন এই দর বিবেচনায় রাখা জরুরি।

  • মোবাইল আমদানিতে কাস্টমস শুল্ক কমলো, ফোনের দাম কমার আশা

    মোবাইল আমদানিতে কাস্টমস শুল্ক কমলো, ফোনের দাম কমার আশা

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) মোবাইল ফোন আমদানি ও দেশীয় সংযোজন শিল্পের জন্য উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি কমিয়েছে, যা বাজারে ফোনের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

    এনবিআর মোবাইল ফোন আমদানিতে প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করেছে। একই সঙ্গে দেশীয় মোবাইল সংযোজনকারীদের জন্য উপকরণ আমদানিতে ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নেয়া হয়েছে।

    এ সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন এনবিআরের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল আমিন শেখ।

    এনবিআর জানান, মোবাইল ফোন আমদানিতে বিদ্যমান শুল্কের পরিমাণ আপেক্ষিকভাবে ৬০ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে সংযোজনকারীদের উপকরণ আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, যাতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিরূপ প্রতিযোগিতার মুখে না পড়ে।

    প্রজ্ঞাপনের প্রভাব হিসাব করে এনবিআর বলেছে: সম্পূর্ণভাবে আমদানিকৃত প্রতিটি মোবাইল ফোন (৩০,০০০ টাকার বেশি মূল্যের) আনুমানিক ৫,৫০০ টাকা সস্তা হতে পারে; আর ৩০,০০০ টাকার বেশি মূল্যের দেশে সংযোজিত প্রতিটি ফোনের দাম প্রায় ১,৫০০ টাকা কমতে পারে।

    এনবিআর ও সরকার আশা করছে, উল্লেখযোগ্য শুল্কহ্রাসের ফলে সব ধরনের মোবাইল ফোনের মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে এবং দেশের নাগরিকদের জন্য ডিজিটাল সেবা গ্রহণ আরও সহজতর হবে। সরকার মোবাইল ফোনের মূল্য জনগণের নাগালের মধ্যে রাখার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে।

  • রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    রাজনৈতিক পরিবর্তন আসছে, বিনিয়োগ বাড়বে: গভর্নর

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে, এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই পরিবর্তনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক গতি দ্রুতই বাড়বে। তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর গুলশানে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

    গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর উল্লেখ করেন, দেশের তারল্য সংকট ধীরে ধীরে কমে আসছে। আগে যেখানে অর্থনীতিকে চাপে ফেলত অক্সিজেনের অভাব, যেখানে শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি করত তারল্যের অভাব, এখন সেই চাপ কিছুটা কমতে শুরু করেছে। তিনি বলেন, ব্যাংকগুলো পূর্বে ঝুঁকি এড়িয়ে বেশি মুনাফা করত, তবে এখন সরকারের অর্থনৈতিক নীতির কারণে তারা অস্বস্তিতে রয়েছে। ভবিষ্যতে নাড়াচাড়া ও সঠিক ঋণগ্রহীতাকে বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে আরও কঠোর হতে হবে।

    তিনি বলেন, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। চলতি অর্থবছরে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও অন্যান্য মূল্যপণ্য সস্তা হওয়ায় দেশের আমদানির ওপর চাপ কমেছে।

    সুদ হার নিয়ে তিনি জানান, এই মুহূর্তে এটি দেশের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে বিনিময় হার মোটামুটি স্থিতিশীল রয়েছে। দেশের টাকা আরও আকর্ষণীয় করতে নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইতিমধ্যে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার কিনেছে, যা আন্তর্জাতিক বিতরণের চেয়েও বেশি। এছাড়া, বাজারে আরও ৪৫ বিলিয়ন টাকা ছাড় করা হয়েছে। এর ফলে তারল্য ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

    গভর্নর বলেন, রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক অস্থিরতা ব্যবসায়ের ওপর কিছু প্রভাব ফেলেছে, তবে যাদের টিকে থাকার সক্ষমতা রয়েছে, তারা সহায়তা পেয়েছে। কোনো দল বা গোষ্ঠীর ভিত্তিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়নি। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, খুব দ্রুত সুদের হার কমানো ঠিক নয় কারণ এতে অর্থনীতির বিনিময় হার ও বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনে অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে মূল্যস্ফীতি এখনও ৮ শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা লক্ষ্য করা হয় যে ৫ শতাংশের নিচে নামাতে এখনো কিছু সময় লাগবে। মূল্যস্ফীতি ১ শতাংশ কমলেই নীতিগত সুদের হার কমানো হবে। ইতিমধ্যে বড় ঋণগ্রহীতাদের জন্য সুদের হার প্রায় ২ শতাংশ কমানো হয়েছে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিদিন উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ডেটা বিশ্লেষণ করছে, যেখানে রয়েছে বিনিময় হার, সুদের হার, রিজার্ভ, রেমিট্যান্স, ও আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত তথ্য। সেই সঙ্গে প্রতিদিনই রেমিট্যান্সের প্রবাহ পর্যবেক্ষণ চলমান, যেখানে সোমবার রেমিট্যান্স এসেছে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বেশি। চলতি মাসে এখন পর্যন্ত, গত মাসের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ৬৯ শতাংশ বেশি। মাসিক ও সাপ্তাহিক ডেটার পাশাপাশি এখন ত্রৈমাসিক জিডিপি রিপোর্টও পাওয়া যাচ্ছে, যা অর্থনীতির তুলনামূলক বিশ্লেষণে সহায়তা করছে।

    অতীতের অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এমসিসিআই’র সভাপতি কামরান টি রহমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার ও ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর জেমস গোল্ডম্যান, পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ, এবং পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) চেয়ারম্যান ড. জাইদি সাত্তার প্রমুখ।