Category: রাজনীতি

  • এনসিপির প্রস্তুতি: স্থানীয় নির্বাচন এককভাবে করার পরিকল্পনা, জোটের দরজা খোলা থাকবে

    এনসিপির প্রস্তুতি: স্থানীয় নির্বাচন এককভাবে করার পরিকল্পনা, জোটের দরজা খোলা থাকবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করছে প্রাথমিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থী ঘোষণা করার জন্য। তবে দলের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে এবং দেশের স্বার্থে জোটগতভাবে প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দলের অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেন দলের নেতারা।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক সারজিস আলম জানান, দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, উপজেলা এবং পৌরসভাসহ বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রাথমিক প্রার্থী নির্বাচন ও ঘোষণা কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ঈদের পরপরই নির্বাচন পরিচালনা কমিটি বিভিন্ন সাংগঠনিক অঞ্চল থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করবে। বর্তমান পরিকল্পনায় দলটি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে দেশের বৃহৎ স্বার্থে যদি ১১-দলীয় জোট রূপান্তরিত হয়ে একসঙ্গে নির্বাচনে অংশ নায়, তখন শেষ মুহূর্তে সেই সিদ্ধান্তে আসা হতে পারে।

    সারজিস আলম বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করছি যে, আমরা প্রত্যেকটি জায়গায় নির্দিষ্টভাবে প্রার্থী ঘোষণা করব। এখনো পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, আমরা এককভাবে নির্বাচনে যাব। তবে শেষ সময়ের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে সকলের সঙ্গে বসে বৃহৎ স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের বিশ্বাস, সাংগঠনিক সম্প্রীতি ও বোঝাপড়ায় কোনো সমস্যা হবে না।’

    দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব বলেন, ‘এবারের নির্বাচনে আইন অনুযায়ী দলীয় মনোনয়ন বা মার্কা থাকবে না। এ কারণে সবাই ব্যক্তিগতভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি তাদের নির্দিষ্ট প্রার্থীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সমন্বয় করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে সহযোগিতা করবে। নির্বাচনের জন্য তালিকা ও মনোনয়ন এই কমিটি নির্ধারণ করবে।’

    সংবাদ সম্মেলনে দলের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় এবং ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি নানা পেশার আগ্রহী ব্যক্তিদের যোগাযোগের জন্য উৎসাহ দেওয়া হয়।

    সারজিস আলম অভিজ্ঞতার কথা মনে করে বলেন, ‘গতবারের জাতীয় নির্বাচনের সময় প্রার্থী বাছাই ও জোটগত সিদ্ধান্তে কিছুটা সমস্যা হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকে আমরা এখন আগেভাগে প্রস্তুতি গ্রহণ করছি।’

    এছাড়া, ছয়টি সিটি করপোরশনে প্রশাসক নিয়োগের ওপর সমালোচনাও করে দলের নেতারা। তারা বলেন, প্রজ্ঞাপনে মেয়াদ উল্লেখ না থাকায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের দাবি, সব পৌরসভা ও সিটি করপোরেশনের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং তাড়াতাড়ি একটি বিস্তারিত সময়সূচি ঘোষণা করা জরুরি।

    এনসিপি পুলিশি অভিযান ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাকে নিন্দা জানিয়ে বলে, আন্দোলন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সাংবিধানিক অধিকার। এই অধিকারকে ক্ষুণ্ণ করা গেলে গণতন্ত্রের জন্য হুমকি সৃষ্টি হবে।

    উল্লেখ্য, সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় সদস্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা, যেমন- দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক, সচিব এবং নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও মঞ্জিলা ঝুমা।

  • পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল সত্য উন্মোচনের দাবি জাতির স্বার্থে: গোলাম পরওয়ার

    পিলখানা হত্যাকাণ্ডের আসল সত্য উন্মোচনের দাবি জাতির স্বার্থে: গোলাম পরওয়ার

    দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য ষড়যন্ত্রমূলক পরিকল্পনাগুলোর প্রকৃতি স্পষ্ট করতে হলে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মূল ঘটনা ও সত্য অনুপস্থিত রক্ষার কোন সুযোগ নেই—এ কথা বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের সময় সংঘটিত নৃশংস হামলার পেছনে দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্তের বিষয়টি স্পষ্ট, যা যেন দ্রুত উন্মোচিত হয়। বুধবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কার্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। এ আলোচনা সভা মূলত সেই দুঃস্মৃতি ঘটনাটির বিচারের জন্য আজও অপেক্ষা করছে—ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের মাধ্যমে দেশের স্বাধিকার, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করার সংকল্প ব্যক্ত করেন তিনি। গোলাম পরওয়ার বলেন, যারা এই হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়েছে, তাদের পেছনে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ছিল। এই ঘটনা যদি আজই প্রকৃতভাবে উন্মোচিত না হয়, তাহলে আবারও কারো কল্পিত শঙ্কা ও ষড়যন্ত্রের পথ খুলে যাবে। এজন্য আমাদের সকলের উচিত এই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও আসল হোতাদের শনাক্ত করে তাদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার করা। তিনি আরও জানান, শহীদদের পরিবারের অশ্রúd ও আহাজারি জাতির জন্য একটি অভিশাপ হয়ে দাড়িয়েছে; সেই অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে হলে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ বিচার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচার দীর্ঘায়িত হওয়া আর সম্ভব নয়, দ্রুত সময়ে এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, অপ্রামাণিক ও নাটকীয় বিচারের নামে নিরপরাধ বিডিআর সদস্যদের দণ্ডিত করে মুক্তি ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। সভায় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান দাবি করেন, তখনকার সময়ের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের নীরবতা এই হত্যাকাণ্ডে তাদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ। তিনি আরও বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রিয় সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করে সেনা ও রাষ্ট্রের দুর্বলতা তৈরি করা, যাতে তারা দেশপ্রেমিক সেনাদের নির্মূল করে বাংলাদেশকে তাদের স্বার্থের গরিষ্ঠতা বহনকারী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছে। এই ষড়যন্ত্রের বেশিরভাগ দিক তারা সফলও হয়েছে বলে দাবি করেন বক্তারা। আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন, সহকারী সেক্রেটারি ড. আব্দুল মান্নান ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সভাপতি আব্দুস সালাম।

  • আওয়ামী লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন এবং এর পরিণতি

    আওয়ামী লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন এবং এর পরিণতি

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্মরণে জামালপুরের বকশিগঞ্জের বকশীগঞ্জ ইউনিয়নের বগারচর এলাকায় এক প্রকার অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটে। স্থানীয় কিছু নেতা-কর্মী ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধ ঘোষিত কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এই ঘটনাটি ঘটার সময় তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতও পরিচালনা করেন।

    পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন ন্যাশনাল আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। তবে এই কর্মকাণ্ডের পর তারা কিছুক্ষণ ওই কার্যালয় থেকে সটকে পড়ে। ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় শুরু হয় নানা ধরনের আলোচনাজনক প্রতিক্রিয়া।

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন বকশিগঞ্জ উপজেলা গণঅধিকারের সভাপতি শাহরিয়ার আহমেদ সুমন। তিনি ফেসবুকে লিখেন, “আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দেয়। এই ঘটনা এই এলাকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং বাধ্যতামূলক বিচারের অভাবে ঘটছে। বিগত এক বছর ধরে আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে বিচারকার্য অগ্রগতিহীন রয়েছে। আমি চাই, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নেতাকর্মীদের দ্রুত গ্রেফতার করা হবে, না হলে ছাত্র সমাজ তাদের উপযুক্ত জবাব দেবে।”

    অপরদিকে, স্থানীয় জনতায় জানতে পারা যাচ্ছে, এ ঘটনায় বেশ ক্ষোভ ও বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়েছে। বকশিগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেন, “আমরা সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। কিন্তু উপস্থিত নেতাকর্মীরা দ্রুত পালিয়ে যায়। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমোদন নেই: মির্জা ফখরুল

    আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমোদন নেই: মির্জা ফখরুল

    কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে আওয়ামী লীগ, বিভিন্ন জায়গায় নিজেদের কার্যালয় খুলছে। এ নিয়ে এখনও বিভিন্ন আলোচনা এবং মতবিরোধ চলমান। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে বলেছেন, সরকার এখন পর্যন্ত এই ধরনের কার্যালয় খোলার পক্ষে নয়। তিনি জানান, সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। চলতি মাসের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পরে এটি ছিল মির্জা ফখরুলের প্রথমবারের মতো দলের কার্যালয়ে যাওয়া।

    আলাপকালে তিনি দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করে বলেন, এই কার্যালয়েই শূন্যতার মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছি। তার জন্য তিনি ঐ সময়ের স্মৃতিচারণ করেন এবং আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

    মির্জা ফখরুল আরও জানান, সারাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার বিষয়টি এখনও সরকার দ্বারা অনুমোদিত নয়। কারণ, আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সংশ্লিষ্ট বিভাগ এই বিষয়টি প্রয়োজনীয়ভাবে দেখবে।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায়, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের মানুষ নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতে থাকবেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দল এবং সরকার তার নেতৃত্বে সুসংগঠিত এবং সফল হবে। গনতন্ত্রের উন্নয়ন ও গণতন্ত্র মুক্তির যাত্রায় সাংবাদিকদের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ, তা ইতিহাসে উল্লেখ থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রথা আছে যা শেষ করেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নারী মনোনয়ন দেওয়া হবে, আর দলীয় মনোভাবও থাকবে ব্যাপক।

    এ সময় বিএনপির অন্যান্য নেতারা, যেমন মুনির হোসেন ও মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান উপস্থিত ছিলেন।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। সংকটময় এই অবস্থায় তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেল তার ফেসবুক পেজের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। পোস্টে বলা হয়েছে, সেলিমা রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে এবং দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়েছে। সেলিমা রহমান দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ একজন নেতা হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিব ও ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার রাজনৈতিক জীবনে অনেক নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েছেন, বহুবার কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। এই সুসংবাদ ও শুভ কামনাসমূহের জন্য দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা ও দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার ও দলের নেতারা।

  • সারজিস আলমের নতুন দায়িত্ব

    সারজিস আলমের নতুন দায়িত্ব

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে নতুন কমিটি গঠন করেছে। নবগঠিত এই কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলেন দলের উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক, সারজিস আলম। তিনি দায়িত্ব নেওয়ার পরই দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে, এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই কমিটি গঠনের বিষয়টি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনসিপির আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে এ ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।

    কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ। এছাড়া, আরও দায়িত্ব পেয়েছেন আরিফুল ইসলাম আদীব, আলাউদ্দীন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা। সব বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা এক্স-অফিসিও সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ কমিটিকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

    দায়িত্ব গ্রহণের পর, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে সারজিস আলম বলেন, নতুন করে প্রস্তুতি নিন। সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, ইউনিয়ন—from শুরু করে ওয়ার্ড যারা প্রার্থী হতে চান, তারা প্রস্তুত হন। আমরা আসছি আপনার খোঁজে।

    কমিটির দ্রুত কার্যক্রম ও প্রার্থী সন্ধানের উদ্যোগ স্থানীয় নির্বাচনের প্রস্তুতিকে ত্বরান্বিত করবে বলে দলের সূত্র জানিয়েছে।

  • এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি, জোটের দরজা খোলা রয়েছে

    এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি, জোটের দরজা খোলা রয়েছে

    স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। তবে শেষ মুহূর্তে দেশের স্বার্থে এবং দলের অবস্থান শক্তিশালী করতে জোটভুক্ত অন্য শরিকদলের সঙ্গে সমন্বয় করেUnified প্রার্থী তালিকা তৈরি করতে পারে দলটি। আজ الثلاثاء সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে দলটির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন দলের নেতারা।

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, দেশের ১২টি সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও পৌরসভায় দলীয়ভাবে প্রাথমিক প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। ঈদের পর নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সংগঠনিক অঞ্চলে গিয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চালু করবে। আপাতত দলটি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে ১১ দলের জোট যদি একসঙ্গে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নেয়, তাহলে শেষ মুহূর্তে সেই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন আসতে পারে।

    সারজিস আলম আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, প্রতিটি এলাকায় আমরা এককভাবে প্রার্থী ঘোষণা করব। এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হলো, আমরা এই পরিস্থিতিতে এককভাবে লড়াই চালিয়ে যাব। তবে শেষ সময়ে যদি সবাই বসে সম্মত হন, তখন বৃহত্তর স্বার্থে যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সেটাই চূড়ান্ত হবে। আমাদের বিশ্বাস, সাংগঠনিকভাবে কোনও সমস্যা হবে না।’

    দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘এবার আইন অনুযায়ী এই নির্বাচনে কোনও মনোনয়ন বা মার্কা থাকবে না। সবাই ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচন করবেন। তবে দলটি তাঁদের প্রার্থীদের সঙ্গে সাংগঠনিক সমন্বয় করবে। এই বিষয়টি নির্ধারণ করবেন দলীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।’

    সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের স্থানীয় নির্বাচন প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া বিভিন্ন পেশার আগ্রহী ব্যক্তিদেরও যোগাযোগের জন্য বলা হয়।

    সারজিস আলম বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই ও জোটভুক্ত সিদ্ধান্তশেষ মুহূর্তে হওয়ায় আমরা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আমরা আগেভাগেই প্রস্তুতি শুরু করেছি।’

    অতীতে বিভিন্ন সিটি করপোরশনের মেয়াদেরdge শেষ হওয়ার প্রসঙ্গ তুলে এনে, আসিফ মাহমুদ সজীব বলেন, ‘৬টি সিটি করপোরেশনে প্রশাসক নিয়োগের প্রজ্ঞাপনে মেয়াদ ও সময় উল্লেখ না থাকায় স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আমাদের দাবি, দ্রুত সংশ্লিষ্ট মেয়াদ শেষ হওয়া সিটি করপোরেশনের নির্বাচন আয়োজনের জন্য সময়সূচি ঘোষণা করা উচিত।’

    বিভিন্ন পুলিশি অভিযান এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দলের নিন্দা জানিয়ে তারা বলেন, যৌক্তিক আন্দোলন ও মত প্রকাশের অধিকার সাংবিধানিক সংরক্ষিত। এসব অধিকার খর্ব হলে তা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি হবে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব, দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, তাহসীন রিয়াজ ও মঞ্জিলা ঝুমা।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান। তিনি বর্তমানে হাসপাতালটির সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খবর জানানো হয়েছে। ওই পোস্টে জানানো হয়েছে, সেলিমা রহমানের পরিবার এবং বিএনপির পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্যের জন্য দোয়া চাওয়া হয়েছে। সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে তৎকালীন বিএনপি সরকারে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং ভাইস-চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা অত্যাচার ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে, এমনকি কয়েকবার কারাভোগও করতে হয়েছে তাকে।

  • ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিসে পতাকা উত্তোলন

    ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিসে পতাকা উত্তোলন

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ঠিক উৎসবের সময় জামালপুরের বকশীগঞ্জে বগারচর ইউনিয়ন এলাকায় নাটকীয় ঘটনায় দেখা গেছে। সেখানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দেয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে। তারা এই অনুষ্ঠানে ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করেন।

    শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে এই ঘটনা ঘটেছে দলীয় কার্যালয়ের সামনে, যেখানে তারা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এই সময় তারা ভাষা আন্দোলনে শহীদদের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন। অভিযোগ উঠেছে, এই পতাকা উত্তোলন ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের নিষিদ্ধ হওয়ার পরও সক্রিয় নেতাদের সমর্থন ও নিষেধাজ্ঞাকে উপেক্ষা করে এই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

    পতাকা উত্তোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল, ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী।

    তবে পতাকা উত্তোলনের পরে নেতাকর্মীরা দ্রুত কার্যালয় থেকে সটকে যান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বগারচর ইউনিয়নে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা মহল এই ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছেন।

    বিশেষ করে, গণঅধিকার পরিষদের বকশিগঞ্জ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শাহরিয়ার আহমেদ সুমন তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা পতাকা উত্তোলন ও স্লোগান দিয়ে আনন্দ উদযাপন করে। এর জন্য দায়ী আওয়ামী রাঘববোয়ালদের বিচারে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিগত এক বছরের বেশি সময় ধরে এইসব নেতাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি পুলিশ। তিনি আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই দোষীদের গ্রেফতার দাবি করেন। না হলে ছাত্রজনতা উপযুক্ত জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

    স্থানীয়দের মধ্যে এই ঘটনার প্রতি রীতিমতো তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ও নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। পুলিশের পক্ষ থেকে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ওসি।

  • আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমতি নেই: মির্জা ফখরুল

    আওয়ামী লীগ কার্যালয় খোলায় সরকারের অনুমতি নেই: মির্জা ফখরুল

    দেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা বিএনপি নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয় খুলতে শুরু করেছেন। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা আর সমালোচনা দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করেছেন, সরকারের সঙ্গে এই কার্যালয় খোলার কোনো অনুমোদন নেই। তিনি জানান, বিষয়টি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই কথা বলেন তিনি। এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর, তিনি প্রথমবারের মতো দলের কার্যালয় পরিদর্শনে যান।

    এ সময় মির্জা ফখরুল বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মৃতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, এই কার্যালয়েই তিনি প্রয়াত নেত্রীর সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন। তাঁর স্মৃতি স্মরণ করে দোয়া ও মাগফেরাত কামনা করেন।

    ফখরুল স্বীকার করেন, সরকার ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলায় অনুমতি দেয়নি, কারণ আইনগতভাবে দলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে।

    তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের প্রতি জনগণের সমর্থন অব্যাহত রয়েছে। তিনি মনে করেন, তার নেতৃত্বে দেশ নতুন সমৃদ্ধির স্বপ্ন দেখছে এবং দল ও সরকার একসঙ্গে সুসংগঠিত ও সফল হবে।

    মির্জা ফখরুল গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে সাংবাদিকদের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, এ ইতিহাসে লেখা থাকবে।

    নির্বাচন নিয়ে তিনি জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য মন্ত্রণালয়ের কিছু নিয়ম রয়েছে, সেগুলো শেষ হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, দলের সদস্য নারীদের মনোনয়নও দেওয়া হবে।

    এ সময় বিএনপি নেতা মুনির হোসেন ও মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।