Category: বিনোদন

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের খ্যাতিমান ও বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। এই দুঃখজনক খবরটি শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার সময় মুম্বাইয়ের একজন হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

    অভিনেতার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। তিনি এক ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর আড়াইটার সময় কিডনি বিকল হয়ে তিনি মারা যান। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়, তবে চিকিৎসকরা তাকে আর ভোগান্তি থেকে উদ্ধার করতে পারেনি।’

    অশোক পণ্ডিত আরো বলেছেন, ‘এটি আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহুবার কাজ করেছি। তিনি একজন অসাধারণ অভিনেতা ছাড়াও একটি ভালো মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। এরপর তিনি ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ जैसी বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পান। সিনেমার পাশাপাশি ছোট পর্দায়েও তার রয়েছে উল্লেখযোগ্য সাফল্য; বিশেষ করে কমেডি ধারার ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ ছিল তার শেষ সিনেমা। অভিনয়ের পাশাপাশি, ২০০৮ সালে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানেও তিনি সহ-অভিনেতা ও জজ হিসেবে কাজ করেছেন। বলিউডের এই জনপ্রিয় মুখের প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মনে।

  • রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    রুনা লায়লার সামনে মোহাম্মদ রফির অবিশ্বাস্য সম্মান

    উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লার বৈচিত্র্যময় এবং সংকেতপূর্ণ গানের জগৎ আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে গভীর ছাপ ফেলেছে। এই সংগীতের জগতে তার অবদান কেবল সাধারণ শ্রোতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং সংগীতজ্ঞরাও তাকে গভীর শ্রদ্ধায় দেখে থাকেন। এরই বাংলায় একবার দেখা গিয়েছিল, অন্যতম মহান এই গায়ক মোহাম্মদ রফি হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে গেলেন রুনাকে দেখে। এটি ঘটে যখন তিনি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুনা লায়লার সঙ্গে। সেই স্মৃতি আজও যেন মানুষের মনে দমক সৃষ্টি করে।

  • শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    শাবনূর: সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ আমি জানি না

    ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অকাল মৃত্যুর কলঙ্কে আক্রান্ত হন। তার রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা এতদিন আলাদা আলাদা গুঞ্জনের জন্ম দিচ্ছে, তবে এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কেউ কিছু জানেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তার প্রিয় সহ-অভিনেত্রী শাবনূর।

    সালমান শাহর মৃত্যুর প্রায় তিন দশক পর, সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে তার অপমৃত্যু সংক্রান্ত মামলা এখন হত্যা মামলার পর্যায়ে রূপ নিয়েছে। ২০ অক্টোবর রাতেই সালমান শাহর মামা আলমগীর কুমকুম এই হত্যার দাবিতে মামলাটি দায়ের করেন। এতে শোনা যায়, মামলার সঙ্গে ‘অসৎ উদ্দেশ্য’ বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    শাবনূর এই বিষয়টি নিয়ে সোমবার (২৭ অক্টোবর) তার ফেসবুক পেজে একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি বলেন, “২৯ বছর ধরে আমাদের প্রিয় সালমান শাহের অকাল মৃত্যু নিয়েই নানা গুঞ্জন চলে আসছে। ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একজন অধিকারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে, যা আমি বিদেশে থাকাকালীন জানতে পেরেছি।

    তিনি আরও বলেন, “অসৎ উদ্দেশ্যে আমার নাম জড়িয়ে বিভিন্ন অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ করছি। আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন গুজব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে কেউ যেনো বিভ্রান্তি না তৈরি করে, এ জন্য আমি সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমি বলতে চাই, আমার জানা নাই সালমান শাহ কীভাবে মারা গেছে। আমি কেবলপ্রিয় তার সঠিক তদন্ত ও বিচার চাই, দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক—এটাই আমার একান্ত প্রত্যাশা।”

    শাবনূর সালমানের সঙ্গে কাজের স্মৃতি শেয়ার করে বলেন, “সে যেমন একজন শক্তিমান ও প্রতিভাবান অভিনেতা, তেমনি আমাদের এক সঙ্গে কাজ করে ক্যারিয়ারে বৈপ্লবিক উন্নতি হয়েছিল। আমি তার সঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছি। তার মৃত্যু আমাদের জন্য এক বিরাট ক্ষতি, যা আমি আজও গ্লানি ও বিষাদে ভুগি।”

    অভিনেত্রীরা আরও স্পষ্ট করে বলেন, “সালমান শাহর মৃত্যুর কারণ জানি না। তার অকালপ্রয়াণে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি। আমাদের জন্য এটা এক অপূরণীয় ক্ষতি। আশা করি, সত্য কেউ আড়াল করবে না এবং দোষীর বিচার হবে।”

    শাবনূর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “সালমানের মা নীলা আন্টির গ্লানি ও বিষাদ আমি দেখতে পেয়েছি। তাদের প্রতি আমি আন্তরিক সহমর্মিতা জানাচ্ছি। সালमान যে কতটা আপন ও প্রিয় ছিল, তা বলো যায় না। তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।”

    মামলার পরিপ্রেক্ষিতে জানানো হয়েছে, ২০ অক্টোবর রাতের মধ্যরাতে রমনা থানায় গুরুতর এই হত্যা মামলাটি দায়ের করেন তার মামা আলমগীর কুমকুম। এতে মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এই মামলার প্রধান আসামি হিসেবে রয়েছেন সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক।

    অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেকআপ শিল্পী রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রিজভী আহমেদ ফরহাদ।

    সালমান শাহ ও শাবনূর প্রথম একসঙ্গে জুটি বাঁধেন ‘তুমি আমার’ সিনেমায়। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করে ২৭টি সিনেমা উপহার দেন, যার মধ্যে অনেকগুলো ব্যবসা সফল ছিল। সালমান শাহের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা হলো—‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তুমি আমার’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘সুজন সখী’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্নেহ’ এবং ‘প্রেম যুদ্ধ’, ‘কন্যাদান’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘আঞ্জুমান’, ‘মহামিলন’, ‘আশা ভালোবাসা’, ‘বিচার হবে’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘প্রিয়জন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘সত্যের মৃত্যু নেই’, ‘জীবন সংসার’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেমপিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘শুধু তুমি’, ‘আনন্দ অশ্রু’ ও ‘বুকের ভেতর আগুন’ চলতি জীবনে তিনি তার এই সাফল্য ও এগিয়ে যাত্রা দিয়ে প্রমাণ করেছিলেন, কেন তিনি বাংলার দর্শকদের প্রিয় ছিলেন।

  • জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    জয়-মাহির ১৪ বছরের সংসার ভাঙছে

    ভারতের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ দীর্ঘ ১৪ বছরের বিবাহিতা জীবনের ইতি টানতে চলেছেন। এই দম্পতি এখন বিচ্ছেদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম পিংক ভিলা এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানিয়েছে। তাদের সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জয় ও মাহি। ক্যারিয়ার ও ব্যক্তিগত জীবন এখন সমানভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দুজন।

    বিবাহের ছয় বছর পরে, সন্তান না থাকায় তারা ২০১৭ সালে রাজবীর ও খুশি নামের দুই সন্তান দত্তক নেন। এরপর ২০১৯ সালে তাদের জীবনে একমাত্র মেয়ে তারা আসে। ২০১৪ সাল পর্যন্ত সংসার ছিল খুবই সুন্দর ও সুখী। তবে, ২০২৩ সালের জুনের পরে তারা আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একসাথে পারিবারিক ছবি শেয়ার করেননি। সবশেষ দেখা গিয়েছিল আগের বছর আগস্টে, যখন তারা তাদের মেয়ের জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন।

    তবে এর দুই মাসের মধ্যে, তারা আলাদা বসবাস শুরু করেন। জানা যাচ্ছে, পারিবারিক বিশ্বাসের ব্যাপারটি তাদের সম্পর্কের breakdown এর মূল কারণ। দুজনের পক্ষ থেকেই সম্পর্ক রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাও অকার্যকর হয়। এজন্য, চলতি বছরের জুলাইয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহ বিচ্ছেদের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

    জয় ভানুশালী ও মাহি ভিজ রিয়েলিটি শো ‘নাচ বালিয়ে ৫’ এর বিজয়ী। সিরিয়াল অভিনয়, উপস্থাপনা, ও মডেলিংসহ নানা রকম কাজে তারা সফল। জয় সিনেমা নিয়েও কাজ করতেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘হেট স্টোরি ২’, ‘দেশি কাট্টে’, ও ‘এক পেহেলি লীলা’। অন্যদিকে, মাহি মূলত হিন্দি সিরিয়াল ‘বালিকা বধূ’ ও ‘লাগি তুঝে লগন’ এর জন্য পরিচিত। তাদের এই বিচ্ছেদ নতুন একটি অধ্যায় শুরু করছে, যা অনেকের কাছেই গভীর আলোচনার বিষয়।

  • পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    পুণের ফ্ল্যাটে তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    ভারতের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘জামতারা’ খ্যাত তরুণ অভিনেতা শচীন চাঁদওয়াড়ের মরদেহ তার পুণের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তিনি ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে। মাত্র পঁচিশ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন এই প্রতিভাবান অভিনেতা। শচীনের অকাল মৃত্যুসংবাদে শোকের ছায়া নেমে এসেছে হিন্দি ও মারাঠি শোবিজ অঙ্গনে। তিনি ‘জামতারা ২’ ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে নবাগতদের মধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

    ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে জানা গেছে, শচীন চাঁদওয়াড় শুধুমাত্র একজন অভিনেতা ছিলেন না, তিনি পেশায় ছিলেন একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারও। পুণের একটি পরিচিত আইটি পার্কে কাজ করতেন তিনি। পরিবার ও বন্ধুদের কাছে তিনি সদা হাসিখুশি ও প্রাণোচ্ছল মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তবে কেন তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন, সে বিষয়ে তার ঘনিষ্ঠরা স্পষ্ট কোনো উত্তর দিতে পারেননি।

    গত ২৩ অক্টোবর সকালে পুণের তাঁর ফ্ল্যাটে শচীনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পরিবার। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও আপাতত কোনও সুফল হয়নি। শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। কিন্তু সংক্ষিপ্ত চিকিৎসার পর ২৪ শে অক্টোবর দুপুরে মারা যান তিনি। এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যুতে শোবিজ অঙ্গনসহ তার পরিবার, বন্ধু ও অনুসারীরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

  • সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার পরে জামিনে মুক্তি

    সংগীত পরিচালকের বিরুদ্ধে নারীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ, গ্রেপ্তার পরে জামিনে মুক্তি

    বলিউডের পরিচিত সংগীত পরিচালক সচিন সাংঘভীর বিরুদ্ধে এক নারী যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন। ২৯ বছর বয়সি ওই নারী অভিযোগ করেন যে, সচিন তার প্রতি দুর্ব্যবহার এবং অশালীনভাবে স্পর্শ করেছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশ তৎপরতা দেখিয়ে সচিনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে কিছু সময়ের মধ্যে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়, এবং বর্তমানে এই ঘটনায় তদন্ত চলছে।

    পুলিশের নিস্পত্তি সূত্র জানায়, অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তারা অভিযান চালিয়ে সচিনকে হেফাজতে নেয়। এরপর আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।

    অভিযোগ সম্পর্কে সচিনের আইনজীবী আদিত্য মিঠে বলেন, ‘আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পুলিশ বেআইনিভাবে তাকে আটক করেছিল, এজন্যই তাকে দ্রুত মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আমরা সব অভিযোগের সঠিক ও যথাযথ উত্তর দেব।’

    উল্লেখ্য, সচিন সাংঘভী এবং জিগার সারইয়া একসঙ্গে সংগীত পরিচালনা করেন এবং তাদের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘তারাস’, ‘এক জিন্দেগি’, ‘আপনা বানা লে’, ‘তেরে ওয়াস্তে’ এবং ‘ফির অউর কেয়া চাহিয়ে’। সম্প্রতি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবির ‘থামা’তেও তারা সংগীত দিয়েছেন।

  • আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    আসামিদের শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে: ওসি ওমর ফারুক

    অসাধারণ জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান শাহের হত্যা মামলায় আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পর এখন অভিযান শুরু হয়েছে অপরাধীদের শনাক্তের জন্য। রমনা থানার ওসি ওমর ফারুক জানিয়েছেন, দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর হৃদয়বিদারকভাবে মৃত্যুবরণ করেন সালমান শাহ। শুরুতে অনেকেরই ধারণা ছিল এটি আত্মহত্যা, তবে তার পরিবার এবং closely connected ব্যক্তিরা দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে দীর্ঘদিন ধরে নানা রহস্যবিরাজ্য চলে, কিন্তু এখন পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হচ্ছে।

    গত ২০ অক্টোবর আদালত সালমান শাহর অমৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে রূপান্তর করার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে, সেদিনই রমনা থানায় এক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে ১১ জনকে আসামি করা হয়। প্রধান আসামি হিসেবে উঠে এসেছে সালমানের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, পাশাপাশি আরও কারা কারা জড়িত তা তদন্তে জানা যাচ্ছে।

    এ মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভী আহমেদ ফরহাদ রয়েছেন।

    ওসি গোলাম ফারুক জানান, অনেক অভিযুক্ত এখন দেশের বাইরে থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষকে সতর্কতা অবলম্বন করে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দেশের ভেতরে থাকা আসামিদেরও দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, খুব দ্রুতই সংশ্লিষ্ট দের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।

    সালমান শাহের মৃত্যুর রহস্য এখনও পুরোপুরি উন্মোচিত না হলেও, তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী, এসব ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আঙিনা এখন ত্বরিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    সালমান শাহ হত্যা মামলার ১১ আসামির দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি

    বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শোবিজে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রিয় নায়ক সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তের নতুন ধাপ এবার যুক্ত হয়েছে। গত ২১ অক্টোবর রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে তার প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খানসহ মোট ১১ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এ বিষয়ে রমনা থানার পক্ষ থেকে ইমিগ্রেশন বিভাগকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত এখন আদালতের নির্দেশে পুনরায় চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, নিশ্চিত করতে যে অভিযুক্তরা কোনওভাবেই দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সে জন্য সব বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরকে সতর্ক রয়েছে। রমনা থানার ওসি গোলাম ফারুক সংবাদমাধ্যমে বলেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মামলার তদন্ত এখন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তাই কোনও আসামি যেন দেশের বাইরে যেতে না পারেন, সেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

    মামলার এজাহারে প্রথম অভিযুক্ত করা হয়েছে সালমান শাহের প্রাক্তন স্ত্রী সামিরা খানকে। এ মামলাটি তার পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা হয়েছে, যেখানে মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে আছেন ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুসি, অভিনেতা-খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুল ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফারহাদ। উল্লেখ্য, বেশ কয়েকজন অভিযুক্ত বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন।

    সালমান শাহের মৃত্যুর ঘটনা সত্যিই বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ এরিয়া। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এরপর দীর্ঘ তদন্ত চলতে থাকে, যা প্রায় তিন দশক পর্যন্ত চালিত হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করে, সালমান শাহ হত্যাকাণ্ড ছিল আত্মহত্যা। তবে এই মামলার নতুন এপিসোডে সত্যতা ও অন্যান্য তথ্য উঠে আসায় তদন্তের অবস্থা নতুন মোড় নিচ্ছে।

  • সালমান শাহের মরদেহের ময়নাতদন্তে নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন রমেশ

    সালমান শাহের মরদেহের ময়নাতদন্তে নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন রমেশ

    ঢালিউডের কিংবদন্তি নায়ক সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য এখনও ভেদ করা সম্ভব হয়নি। তার মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ বছর ধরে ধাাঁন্ধা বিতর্ক চলমান থাকলেও সম্প্রতি নতুন এক সংযোজন যুক্ত হয়েছে। অপমৃত্যুর মামলা তখনই রূপ নেয় হত্যা মামলায়, যার পরিপ্রেক্ষিতে তার মৃত্যুর পেছনে কী সত্য তা নতুন করে উঠছে প্রশ্নের মুখে।

    তারই ধারাবাহিকতায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা প্রকাশ পেয়েছে, যেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে কাজ করা রমেশ নামের একজন জানান, তিনি সালমানের মরদেহের ময়নাতদন্তের সময় নিজ হাতে ছুরি চালিয়েছিলেন। রমেশ বলেন, সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তে তিনি বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না যে, তার প্রিয় নায়ক মারা গেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমার প্রিয় নায়কের বুকের মধ্যে আমি নিজেই ছুরি চালিয়েছিলাম। ফরেনসিক চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী সব কিছু করতে হয়েছিল, তবে ক্রমশ বোঝা গেল যে সালমান আর ফিরবেন না।’

    বর্তমানে ধর্মান্তরিত হয়ে সেকান্দার নামে পরিচিত রমেশ সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান শাহর ভক্ত এদেশের লাখো মানুষ। আমি নিজেও তাদেরই একজন। হঠাৎ শুনেছিলাম, সালমান শাহ মারা গেছেন, মরদেহ মর্গে আসছে। সে সময় হয়তো শুক্রবার ছিল—সরকারী ছুটি। মর্গের সামনে হাজারো মানুষ ভিড় করে অপেক্ষা করছিলেন, প্রিয় নায়কের শেষ দেখা পাবার আশায়।’

    রমেশ আরও জানান, ঢাকায় তখন মর্গের ব্যবস্থা ততোটা উন্নত ছিল না। পুরোনো মর্গে তার পাঠানো মরদেহ নিয়ে ময়নাতদন্ত করেন তিনি। লাশ কাটার সময় তিনি অনুভব করেছিলেন, যেন নিজের প্রিয় ব্যক্তিকে আঘাত করছেন। ৩৫ বছর ধরে চাকরি করে এখন অবসর নিয়েছেন এই অবসরপ্রাপ্ত মর্গকর্মী। তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার লাশের মধ্যে সালমানের লাশে হাত দেওয়ার সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি আমি আজও ভুলতে পারিনি।’

    ১৯৯৬ সালে ৬ সেপ্টেম্বর রহস্যজনকভাবে মারা যান সালমান শাহ। শুরুর দিকে তার মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করা হয়েছিল, তবে সালমানের পরিবার শুরু থেকেই দাবি করে আসছিল যে, এটি খুনের অপবাদ। দীর্ঘ ২৮ বছর পর, চলতি বছরের ২০ অক্টোবর আদালত তার মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে গ্রহণ করার নির্দেশ দেয়।

    বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সালমান শাহর মৃত্যু এখনো এক অমোঘ রহস্য, যার উত্তর খুঁজে ফিরছে তার কোটি কোটি ভক্ত।

  • বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই

    বলিউডের জনপ্রিয় এবং বর্ষীয়ান অভিনেতা সতীশ শাহ আর জীবিত নেই। শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরের দিকে তিনি মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছিলেন এই অভিনেতা, যা শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবনের শেষ মুহুর্তকে স্পর্শ করে।

    অভিনেতার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্র নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। এক ভিডিও বার্তায় তিনি জানিয়েছেন, ‘আমাদের প্রিয় বন্ধু এবং অভিনেতা সতীশ শাহ আর নেই। আজ দুপুর ২টার দিকে তাঁর কিডনি বিকল হয়ে হ্রদয় বন্ধ হয়ে যায়। সকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁকে দ্রুত হিন্দুজা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু চিকিৎসকের প্রচেষ্টায় জীবন বাঁচানো সম্ভব হয়নি।’

    অশোক পণ্ডিত আরও বলেন, ‘এটা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক বিশাল ক্ষতি। আমি তার সঙ্গে বহু কাজ করেছি। তিনি যেমন একজন খুব ভালো অভিনেতা ছিলেন, তেমনই একজন মানবিক মানুষও ছিলেন।’ জানা গেছে, শনিবারই তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে বলে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    সতীশ শাহ ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘জানে ভি দো ইয়ারো’ ছবির মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন, যা তাকে ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এর subsequent জনপ্রিয় ছবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘ইয়ে জো হ্যায় জিন্দেগি’, ‘ম্যায় হুঁ না’, ‘কাল হো না হো’, ‘ফানা’, ‘ওম শান্তি ওম’ ইত্যাদি। দর্শকমনে তিনি স্থান করে নেন একাধারে অভিনেতা এবং কমেডি তারকার পরিচয়ে।

    তার জনপ্রিয়তা ছোট পর্দায়ও ছিল অত্যন্ত বেশি; বিশেষ করে ‘সারাভাই ভার্সেস সারাভাই’ শো তাকে ঘরে ঘরে পরিচিত করে তোলে।

    ২০১৪ সালে তিনি সাজিদ খান পরিচালিত ‘হামশকলস’ সিনেমায় শেষবারের মতো অভিনয় করেন। এর পাশাপাশি, ২০০৮ সালে ‘কমেডি সার্কাস’ অনুষ্ঠানে অর্চনা পুরন সিংয়ের সঙ্গে সহবিচারক হিসেবে কাজ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে এই প্রিয় অভিনেতার মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সহকর্মী ও ভক্তদের মধ্যে।