Category: বিনোদন

  • সালমান খানের বাবা সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    সালমান খানের বাবা সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি

    খান পরিবারের জন্য এখন মোটেও সুন্দর সময় যাচ্ছে না। গত বছর সালমান খানের আশেপাশের পরিস্থিতি বেশ উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে, যখন তাকে ঘিরে একের পর এক খুনের হুমকি ও আতঙ্কের খবর প্রকাশ পায়। এর আগে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের হামলার পর থেকে বলিউডের এই তারকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি, তার বোনের স্বামী ও অভিনেতা আয়ুষ শর্মার কাছেও হুমকি বার্তা এসেছে।

    এদিকে, নতুন দুশ্চিন্তার খবর সামনে এসেছে। বলাকা সূত্র জানাচ্ছে, প্রবীণ চিত্রনাট্যকার সেলিম খান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাকে দ্রুত মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। সালমান খান নিজে দ্রুত হাসপাতালে ছুটে যান বাবার সঙ্গে দেখা করতে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে জানা গেছে যে, বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যার কারণে সেলিম খান অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। হাসপাতাল থেকে বের হওয়ার সময় জনসমক্ষে কোনো মন্তব্য করেননি সালমান। কালো টি-শার্ট ও প্যান্ট পরে অত্যন্ত কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দ্রুত হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ভক্তদের মাঝে উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়।

    উল্লেখ্য, বলিউডের স্বর্ণযুগের অন্যতম প্রখ্যাত চিত্রনাট্যকার সেলিম খান। জাভেদ আখতারসহ অন্যান্য পরিচালকদের সঙ্গে জুটি বেঁধে বহু জনপ্রিয় সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তাদের লেখা শোলে, জঞ্জির, দিওয়ার, ডন প্রভৃতি সিনেমা বলিউডের ইতিহাসে কালজয়ী এবং অবিস্মরণীয় স্থান দখল করে নিয়েছে।

    সেলিম খানের দ্রুত সুস্থতার জন্য বলিউডের তারকা ও ভক্তরা প্রার্থনা করছেন, যাতে তিনি দ্রুত আরোগ্য লাভ করেন এবং আবারও সিনেমার জগতে তাঁর অবদান অব্যাহত থাকতে পারে।

  • লাইফ সাপোর্ট থেকে বাড়ি ফেরার পর অভিনেতা তিনু করিমের মৃত্যু

    লাইফ সাপোর্ট থেকে বাড়ি ফেরার পর অভিনেতা তিনু করিমের মৃত্যু

    অভিনেতা তিনু করিম আজ ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বরিশালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন অভিনেতার স্ত্রী হুমায়রা নওশিন।

    হুমায়রা নওশিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “তিনি একদম সুস্থ ছিলেন। তিন দিন আগে আমরা গ্রামের বাড়ি বরিশালে এসেছিলাম। সব ঠিকই ছিল। দুপুরের দিকে হঠাৎ শরীর খারাপ লাগায় হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ডাক্তারদের初 বলাই—হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হয়েছে।”

    পেছনের 病 ইতিহাস অনুযায়ী, গত ৮ নভেম্বর তিনু করিম গ্রামের বাড়িতে গিয়ে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে ২৪ নভেম্বর তাকে ঢাকায় আনা হয় এবং একটি হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন পর স্বল্প উন্নতি হলে কেবিনে নেওয়া হলেও পরে রক্তচাপ ও সুগার লেভেল কমায় তিনি opnieuw জ্ঞান হারান; এরপর আবার আইসিইউতে ভর্তি করে লাইফ সাপোর্ট দেওয়া হয়। মোটামুটি চারigg মানHospitalsে কাটিয়ে তিনি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে বাড়িতে ফিরে এসে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    তিনু করিম ২০০১ সালে ‘সাক্ষর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশনে অভিষেক ঘটে। ২০১০ সালে চলচ্চিত্র ‘অপেক্ষা’ দিয়েই তিনি বড়পর্দায় قدم রাখেন। ‘রাত জাগা ফুল’, ‘আলতা বানু’সহ বহু নাটক ও বিজ্ঞাপনে তাঁর উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল।

    শিল্পীজগত ও ভক্তদের মধ্যে এই খবর শেেকে উৎসাহমূলকভাবে দুঃখ ছড়িয়ে পড়েছে।

  • নিশো ও পুতুল সেরা অভিনেতা–অভিনেত্রী, সেরা সিনেমা ‘সাঁতাও’

    নিশো ও পুতুল সেরা অভিনেতা–অভিনেত্রী, সেরা সিনেমা ‘সাঁতাও’

    রাতভর অপেক্ষার পর অবশেষে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এল — জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩-র বিজয়ীরা। প্রায় নয় মাস আগে যখন বিচারকরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেন, তখন থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে সুপারিশ জমা পড়ে। তবুও পুরস্কারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে অনেক সময় পর। বৃহস্পতিবার তথ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়, মোট ২৮টি বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

    প্রধান ফলাফলগুলোতে দেখা যায় যে রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’ সর্বোচ্চ আটটি বিভাগে পুরস্কার জিতে নিয়েছে। পরপর ছয়টি পুরস্কার পেয়েছে হিমেল আশরাফের ‘প্রিয়তমা’। আর খন্দকার সুমনের ‘সাঁতাও’ চলচ্চিত্রই প্রাপ্ত হলো সেরা সিনেমার খেতাব—এছাড়াও সে ছবির জন্য খন্দকার সুমন সেরা পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন এবং আইঅনুন নাহার পুতুল সেরা অভিনেত্রী।

    এ বছর জীবনী সম্মাননা দেওয়া হয়েছে চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও প্রখ্যাত চিত্রগ্রাহক ও নির্মাতা আব্দুল লতিফ বাচ্চুকে। আর ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে সেরা অভিনেতা হয়েছেন আফরান নিশো (সুড়ঙ্গ), সেরা অভিনেত্রী হয়েছেন আইনুন পুতুল (সাঁতাও)। খলচরিত্রে সেরা হয়েছেন আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন) এবং সেরা কৌতুক অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ)।

    শিশুশিল্পীর ক্ষেত্রে মো: লিয়ন (আম কাঁঠালের ছুটি) ও আরিফ হাসান (আম কাঁঠালের ছুটি) পেয়েছেন আলাদা ও বিশেষ স্বীকৃতি। সঙ্গীত ও প্রযুক্তিগত বিভাগেও নানা ছবির কলাকুশলী স্বীকৃত হয়েছেন। নীচে পূর্ণতালিকা দেওয়া হলো:

    আজীবন সম্মাননা: তারেক মাসুদ; আব্দুল লতিফ বাচ্চু

    সেরা সিনেমা: সাঁতাও (পরিচালক: খন্দকার সুমন)

    সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: মরিয়ম (পরিচালক: চৈত্রালী সমদ্দার)

    সেরা প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: লীলাবতী নাগ: দ্য রেবেল (পরিচালক: এলিজা বিনতে এলাহী)

    সেরা অভিনেতা: আফরান নিশো (সুড়ঙ্গ)

    সেরা অভিনেত্রী: আইনুন পুতুল (সাঁতাও)

    সেরা পার্শ্ব অভিনেতা: মনির আহাম্মেদ শাকিল (সুড়ঙ্গ)

    সেরা পার্শ্ব অভিনেত্রী: নাজিয়া হক অর্শা (ওরা সাত জন)

    সেরা খল অভিনেতা: আশীষ খন্দকার (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন)

    সেরা কৌতুক অভিনেতা: শহীদুজ্জামান সেলিম (সুড়ঙ্গ)

    সেরা শিশুশিল্পী: মো: লিয়ন (আম কাঁঠালের ছুটি)

    শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার: আরিফ হাসান আনাইরা খান (আম কাঁঠালের ছুটি)

    সেরা সংগীত পরিচালক: ইমন চৌধুরী (অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন)

    সেরা নৃত্য পরিচালক: হাবিবুর রহমান (লাল শাড়ি)

    সেরা গায়ক: বালাম (গান: ‘ও প্রিয়তমা’, সিনেমা: প্রিয়তমা)

    সেরা গায়িকা: অবন্তী দেব সিথি (গান: ‘গোটা পৃথিবীতে খুঁজো’, সিনেমা: সুড়ঙ্গ)

    সেরা গীতিকার: সোমেস্বর অলি (গান: ‘ঈশ্বর’, সিনেমা: প্রিয়তমা)

    সেরা সুরকার: প্রিন্স মাহমুদ (গান: ‘ঈশ্বর’, সিনেমা: প্রিয়তমা)

    সেরা কাহিনিকার: ফারুক হোসেন (প্রিয়তমা)

    সেরা চিত্রনাট্যকার: নিয়ামুল মুক্তা (রক্তজবা)

    সেরা সংলাপ রচয়িতা: রায়হান রাফী ও সৈয়দ নাজিম উদ দৌলা (সুড়ঙ্গ)

    সেরা সম্পাদক: সালাহ উদ্দিন আহমেদ বাবু (ওরা সাত জন)

    সেরা শিল্প নির্দেশক: শহীদুল ইসলাম (সুড়ঙ্গ)

    সেরা চিত্রগ্রাহক: সুমন কুমার সরকার (সুড়ঙ্গ)

    সেরা শব্দগ্রাহক: সুজন মাহমুদ (সাঁতাও)

    সেরা পোশাক ও সাজসজ্জা: বিথী আফরিন (সুড়ঙ্গ)

    সেরা মেকআপম্যান: সবুজ (প্রিয়তমা)

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হলো যে বিভাগভিত্তিক আরও পুরস্কার রয়েছে, এবং পৃথক অনুষ্ঠানে বা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঘোষণায় তাদের তুলে ধরা হবে। এই ফলাফলগুলোতে গত বছরের বিভিন্ন ধাঁচের চলচ্চিত্র ও শিল্পীদের প্রচেষ্টা ও বৈচিত্র্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে—অভিনয়, মিউজিক আর প্রযুক্তিগত দক্ষতা মিলিয়ে বাংলা সিনেমা বছরে নানা সফলতা পেয়েছে।

  • ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান, পরিচিত নাম কেআরকে,কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) তাকে আদালতে তোলা হবে।

    পুলিশ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চারটি গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীর বিবৃতির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করলে সন্দেহের তির কাটে কেআরকের দিকে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না।

    অভিনেতার ভাষ্য অনুযায়ী, বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না পরীক্ষা করার জন্য তিনি বাড়ির সামনে থাকা ম্যানগ্রোভের দিকে গুলি ছোড়েন। বায়ুর গতিবেগের কারণে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গুলিগুলো পাশের একটি আবাসিক ভবনে লেগে যায়—এমনটাই তিনি পুলিশের সামনে দাবি করেন।

    মুম্বাই পুলিশ ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিতভাবে তদন্ত চালাচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় কারিগরি ও প্রত্যক্ষ প্রমাণ শনাক্তের চেষ্টা করছে।

    কামাল আর খান বলিউডে বিতর্কিত একটি ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। ২০২২ সালে তিনি একটি যৌন হেনস্থার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং সামাজিক মাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ বা উসকানিমূলক মন্তব্য করলে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনগত মামলা হয়েছে।

  • ওশিওয়ায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ায় গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকার একটি আবাসিক ভবনে গুলি চালানোর অভিযোগে বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে শুক্রবার গ্রেফতার করেছে মুম্বাই পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করা হবে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান ও অন্যান্য প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং কেআরকে-কে হেফাজতে নেয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে কেআরকে বলেছেন, কেউকে আঘাত করার উদ্দেশ্য তার ছিল না। তিনি দাবি করেছেন যে বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করার জন্য বাড়ির সামনেই থাকা ম্যানগ্রোভ বা বনাঞ্চলের দিকে লক্ষ্য রেখেই গুলি করেছিলেন। তার কথায়, বাতাসের দিকবদলের কারণে গুলিগুলো ভ্রান্ত পথে চলে গিয়ে পাশের আবাসিক ভবনকে আঘাত করেছে।

    পুলিশ জানান যে তারা এখনও ঘটনার ব্যাপক তদন্ত চালাচ্ছে — সিসিটিভি বিশ্লেষণ, বলিস্টিক পরীক্ষাসহ আরও কাগজপত্র ও সাক্ষ্য যাচাই করা হচ্ছে। আদালত তদন্তের অগ্রগতি এবং আইনানুগ ব্যবস্থার নির্দেশ দিতে পারে।

    কামাল আর খানকে বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত করা হয়। ২০২২ সালে তিনি এক যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এবং সামাজিক মাধ্যম ও টিভিতে তার কটাক্ষাত্মক ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনি অভিযোগও রয়েছে। বর্তমানে চলমান গুলিকাণ্ডের মামলায় তার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে।

  • ঢালিউডের ‘ডান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ডান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের স্বতন্ত্র নৃত্যশিল্পী ও প্রথিতযশা অভিনেতা ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে আজ সোমবার বেলা সওয়া এগারোটার দিকে তিনি প্রয়াত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮২ বছর। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশভুক্ত পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি; পরে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে চলে গেলে, এক পর্যায়ে ভাগ্য তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে টেনে আনে।

    জানা গেছে, বেশ কিছু বছর ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন ইলিয়াস জাভেদ। গত বছরের এপ্রিলেও হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। পরবর্তী সময়ে বাসায় রেখে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছিল; হাসপাতালের চিকিৎসক ও দুই নার্স নিয়মিত তাকে দেখাশোনা করছিলেন। আজ সকালে দুজন নার্স এসে বলেন তার শরীর শীতল এবং দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন— এমনটি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী।

    অভিনয়ে তার শুরু হয় ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’-র মাধ্যমে। এরপর ১৯৬৬ সালে পরিচালক মুস্তাফিজের ‘পায়েল’ ছবিতে কিংবদন্তি নায়িকা শাবানার বিপরীতে অভিনয় করে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান নিশ্চিত করেন; এ সময়ই মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করান।

    নৃত্য পরিচালনা থেকেই ক্যারিয়ার শুরু হলেও পরবর্তী সময়ে তিনি নায়ক হিসেবে দর্শকদের মনে বিশেষ স্থান করে নেন। একাধিক ব্যবসাসফল ছবির মাধ্যমে ৭০ ও ৮০-এর দশকের প্রেক্ষাপটে তিনি দর্শকদের কাছে ‘ডান্সিং হিরো’ হিসেবে সমাদৃত ছিলেন। অভিনয়জীবনে তিনি শতাধিক ছবিতে কাজ করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি বিয়ে করেছেন চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীকে।

    ইলিয়াস জাভেদ অভিনীত কিছু উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র: মালেকা বanu, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের এক স্বতন্ত্র অধ্যায়ের সমাপ্তি হলো—নাচ আর একশনকে মিশিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা এক শিল্পীর বিদায়। শোকসংবেদনায় পরিবারের প্রতি দর্শক ও সহকর্মীদের সহমর্মিতা রইল।

  • ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ায় বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে গুলি ছোড়ার ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান (কেআরকে)কে মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পাঠানোর কথা জানা গেছে।

    পুলিশ সূত্রে and ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় চারটি গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনার ভিত্তিতেই মুম্বাই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং ধাপে ধাপে আলামত সংগ্রহ করে কেআরকে-কে নিশানায় আনে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেছেন যে গুলিগুলো তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তার দাবি, কাউকে আঘাত করার মনোভাব ছিল না। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন যে বন্দুকটি পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকঠাক কাজ করছে কি না পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে বাড়ির সামনের ম্যানগ্রোভের দিকে গুলি ছোড়েন। কেআরকে বলেছে বাতাসের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে এসে লেগেছে।

    পুলিশ এখন ঘটনার সঠিক কারণ পর উৎপাতের পরিপ্রেক্ষিতে আরও প্রমাণ-তদন্ত করছে এবং কী ধরণের আইনগত গঠন দেখা হবে তা নির্ধারণ করবে। তদন্তকারী কর্মকর্তারা সিসিটিভি ফুটেজ, শোল্ডার-টু-শোল্ডার সাক্ষ্য ও উদ্ধারকৃত আলামত বিশ্লেষণ করছেন।

    কামাল আর খানকে বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে চেনা যায়। ২০২২ সালে তিনি একটি যৌন হেনস্তার মামলায় গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকাদের নিয়ে কটাক্ষ ও উসকানিমূলক মন্তব্যের কারণে বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি এবং আইনি মামলা রয়েছে। এই প্রেক্ষিত মাথায় রেখে পুলিশ ও আদালত কী পদক্ষেপ নেবেন তা এখন নজরদারি রাজস্ব।

  • ঢালিউদের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউদের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন

    ঢালিউডের সোনালী যুগের জনপ্রিয় নায়ক ও উজ্জ্বল নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করার পরে ৮২ বছর বয়সে আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

    মৃত্যুর সংবাদ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। পরিচালক-মঞ্চ ও রুপালি পর্দার বহু স্মরণীয় образ করে রাখা এই তারকা ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরিবার পাঞ্জাবে গেলে, পরে কর্মজীবন তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে টেনে আনে।

    পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইলিয়াস জাভেদ ক্যানসারে ভুগছিলেন এবং নানা শারীরিক জটিলতায় পড়ছিলেন। গত বছরের এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানিয়েছেন, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থা হঠাৎ মারাত্মকভাবে খারাপ হয়। কিছুদিন ধরে বাসায় চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে তার সেবা করছিলেন; আজ সকালে নার্সরা এসে জানান তাঁর শরীর ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদের চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয় নৃত্য পরিচালনায়; পরে নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে ১৯৬৪ সালের উর্দু ছবি ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে। কিন্তু সত্যিকারের খ্যাতি আসে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবির মাধ্যমে, যেখানে তিনি বিশিষ্ট অভিনেত্রী শাবানার বিপরীতে অভিনয় করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামে পরিচিত করেন।

    তার পরবর্তী কয়েক দশকে একের পর এক জনপ্রিয় ও ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের মনে তিনি ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ জায়গা করে নেন। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বাস্তবে তাঁর নাম ছিল রাজা মোহম্মদ ইলিয়াস। ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন।

    সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল ঝড়ো নাচ আর অ্যাকশনের এক অনবদ্য মিশ্রণ। তাঁর প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক যুগের সমাপ্তি হিসেবে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন গোপনে চিকিৎসা নিলেও তিনি সিনেমাপ্রেমীদের মনে চিরস্মরণীয় হয়ে থেকে যাবেন।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য কিছু চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে: ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আবদুল্লাহ’।

    শোকাহত পরিবার ও চলচ্চিত্র সম্প্রদায়ের প্রতি সমবেদনা। detail জানবার ক্ষেত্রেঃ পরিবারের বিবৃতি ও শিল্পী সমিতির আনুষঙ্গিক তথ্য অনুসরণ করা হচ্ছে।

  • ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ার অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    ওশিওয়ারায় গুলি ছোড়ার অভিযোগে বলিউড অভিনেতা কামাল আর খান গ্রেফতার

    মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা এলাকায় গুলিবর্ষণের ঘটনায় বলিউড অভিনেতা ও চলচ্চিত্র সমালোচক কামাল আর খান, পরিচিত কেআরকে, মুম্বাই পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তাকে শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) আদালতে পেশ করা হবে।

    পুলিশ সূত্রে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওই এলাকায় একটি আবাসিক ভবনের সামনে চার রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানের ভিত্তিতে মুম্বাই পুলিশ তৎক্ষণাৎ তদন্ত শুরু করে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কেআরকে স্বীকার করেন যে গুলি তার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বন্দুক থেকেই ছোড়া হয়েছিল। তবে তিনি দাবি করেছেন, কাউকে আঘাত করার কোনো উদ্দেশ্য তার ছিল না। অভিনেতার বক্তব্য—বন্দুক পরিষ্কার করার পর সেটি ঠিকমত কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে তিনি বাড়ির সামনে ম্যানগ্রোভ এলাকার দিকে গুলি ছোড়েন। দাবি অনুযায়ী বাতাসের গতিবেগের কারণে গুলিগুলো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে পাশের একটি আবাসিক ভবনে গিয়ে লাগে।

    পুলিশ তাঁর এই দাবির সত্যতা যাচাই করছে। বন্দুক ও গুলির ব্যালিস্টিক পরীক্ষা এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান মিলিয়ে ঘটনার обстоятель্য নির্ধারণে তদন্ত চলছে। প্রয়োজনে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং আইনি পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    কামাল আর খান বলিউডে বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০২২ সালে একটি যৌনহেনস্তা মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং সামাজিক মাধ্যমেও তার টানটান মন্তব্য ও উস্কানিমূলক কটাক্ষের কারণে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানহানি ও আইনগত অভিযোগ ওঠে। বর্তমানে চলমান এই গুলিবর্ষণের ঘটনার প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে নতুনভাবে যে অভিযোগ গঠিত হচ্ছে, সেটি আদালতের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের সোনালী দিনের জনপ্রিয় নায়ক ও কালের বিবর্ণতা অতিক্রম করা নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে সংগ্রাম করার পর আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ৮২ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান এই মৃত্যুর সংবাদ গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

    ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলায় পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে চলে গেলে পরবর্তী সময়ে নাম লেখান ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে। জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারে ভুগছিলেন এবং অন্যান্য শারীরিক জটিলতাও ছিল। গত বছর এপ্রিলেও তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিছুদিন ধরে তিনি বাড়িতে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছিলেন; হাসপাতালে থেকে চিকিৎসক ও দুজন নার্স নিয়মিতভাবে এসে সেবা দিচ্ছিলেন। আজ সকালে তাঁর শারীরিক অবস্থায় মারাত্মক অবনতি হলে দ্রুত অ্যাম্বুল্যান্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন—দিব্যাংশটি জাভেদের পরিবারই সংবাদমাধ্যকে জানিয়েছেন।

    জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, সকালে শরীর সম্পূর্ণভাবে ঠান্ডা পাওয়া যায় এবং চিকিৎসকরা হাসপাতালে নিলে সেখানে মৃত্যুর কনিষ্ঠ ঘোষণা দেন।

    ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ি জিন্দেগি’ থেকে নায়কের ভূমিকায় রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তাঁর। কিন্তু পেশাগতভাবে বড় প্রাপ্তি আসে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ চলচ্চিত্রে—সেখানে শাবানার বিপরীতে অভিনয় করে তিনি দর্শকদের মন জয় করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই পরবর্তীতে তাঁকে জাভেদের নামকরণ করেন।

    নৃত্যশিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু হলেও খুব দ্রুতই নায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে সক্ষম হন। একের পর এক ব্যবসাসফল ছবির মাধ্যমে দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী অবস্থান তৈরি করেন তিনি। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। জাভেদের আসল নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস; চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি শতাধিক ছবিতে কাজ করেছেন।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী এবং আবদুল্লাহ।

    সত্তুর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে ইলিয়াস জাভেদ মানেই ছিল পর্দা কাঁপানো নাচ ও অ্যাকশনের দুর্লভ মেলবন্ধন। তাঁর প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক পরিচিত অধ্যায়ের সমাপ্তি নয়ন করে—শিল্পী ও দর্শক উভয়েরই ক্ষতি। পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।