Category: জাতীয়

  • ফ্ল্যাটের অনুদানের পরে আরও এক কোটি নগদ দেবে সরকার — ওসমান হাদির পরিবারকে মোট দুই কোটি

    ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির পরিবারকে জীবিকা নির্বাহের জন্য সরকারি হিসেবে আরও এক কোটি টাকা দেওয়া হবে। এর আগে অর্থ বিভাগের মাধ্যমে ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি টাকার অনুদান অনুমোদন করা হয়েছিল; এ দুটি অনুদান মিলিয়ে পরিবারটি মোট দুই কোটি টাকা পাবেন।

    বৃহস্পতিবার নয়; বুধবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়–সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকের পর আর্থিক উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, সরকারের পক্ষ থেকে ওসমান বিন হাদির পরিবারের বিষয়ে দুইটি অর্থায়ন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ঢাকার লালমাটিয়ার ‘দোয়েল টাওয়ার’ থেকে এক হাজার ২১৫ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হবে। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার দফতর থেকে আলাদাভাবে নগদ এক কোটি টাকা দেওয়া হচ্ছে, যা পরিবারের জীবনযাত্রা চালানোর কাজে ব্যবহার করা হবে।

    অর্থ বিভাগের দাখিল করা নথিপত্র অনুযায়ী গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ফ্ল্যাট কেনার অনুদানের জন্য আবেদন করে; পারিবারিক পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার শর্তে সেই অনুদান অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি অনুদান কেনা ফ্ল্যাটটি হাদির স্ত্রী ও সন্তানরা ব্যবহার করবেন।

    পটভূমি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন শরিফ ওসমান বিন হাদি। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা পরের দিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন মডেল থানার বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় তাঁকে গুলি করা হয়। আহত অবস্থায় প্রথমে ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে অস্ত্রোপচার করা হয়; পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর এবং ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

    নিহতের অভিযোগের প্রধান আসামি এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ফয়সাল করিম পুলিশের তথ্যানুযায়ী বর্তমানে ভারতে পালিয়ে গেছেন বলে জানানো হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয়ভাবে এক দিনের শোক পালন করা হয়। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

    একই সময়ে হাদির ভাই ওমর বিন হাদিকে ১৫ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে তিন বছরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

  • তাসনিম জারা পেলেন ফুটবল প্রতীক

    তাসনিম জারা পেলেন ফুটবল প্রতীক

    ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে তিনি এই প্রতীক সংগ্রহ করেন। এসময় তিনি বলেন, আমি গত কয়েকদিন ধরে ঢাকা-৯ আসনের বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা থানাসহ বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে। অধিকাংশই জিজ্ঞেস করতেন, নির্বাচনী মার্কেট কী? তারা কোন মার্কায় ব্যালট পেপারে দেখতে পারবেন এবং যদি আমাকে সমর্থন করতে চান, তবে জানিয়ে দিতেন। এই প্রশ্নের একনিষ্ঠ উত্তর আমি আজ পেয়েছি।

    ডা. তাসনিম জারা আরও বলেন, আমি এই নির্বাচনে ফুটবল মার্কায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। আগামীকাল থেকে আমরা নির্বাচনী প্রচারণার কর্মসূচি শুরু করব। আমাদের প্রচারণার মূল ভিত্তি হচ্ছে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা, যা আমাদের রাজনীতি। সবাই দোয়া এবং শুভকামনা করলে আমরা আরও উজ্জ্বল পথে এগিয়ে যেতে পারবো বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • আবুল কালাম আজাদ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন

    আবুল কালাম আজাদ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করলেন

    মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে নিজস্ব voluntarily ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন। এই 사건ের মধ্যে তিনি এতদিন পালিয়ে থাকলেও এখন তিনি আদালতে হাজির হয়েছেন।

    আসামির বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হোসানের নির্দেশে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়। তিনি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে সংঘটিত বিভিন্ন মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এই অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৪জনকে হত্যার, তিন নারীকে ধর্ষণের, নয়জনকে অপহরণের, দশজনকে আটক রাখার, পাঁচটি বাড়িকে অগ্নিসংযোগের এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুটের অভিযোগ।

    আসামির বিরুদ্ধে মোট সাতটি অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে ট্রাইব্যুনাল। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেত্রে মৃত্যুদণ্ড দেয়ার আদেশ দেওয়া হয়, আর চারটিতে কারাদণ্ডের বিকল্প ছিল। তবে, মৃত্যুদণ্ডের রায় নিশ্চিত হওয়ায় অন্য অপরাধগুলোতে দণ্ড দেওয়া হয়নি।

    আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে এই রায়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো যুদ্ধাপরাধের মামলার রায় ঘোষণা হলো। তবে তিনি পলাতক থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। জানা গেছে, তিনি পালিয়ে ভারত যাওয়ার পর পাকিস্তানে আশ্রয় নিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারির আগেই তিনি দেশত্যাগ করেন।

    ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ করে ট্রাইব্যুনাল। এরপর রায় দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। এই বছরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর আওতায় অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা হয়।

  • রিট খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

    রিট খারিজ, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না

    কুমিল্লা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীর প্রার্থিতা ফেরানোর জন্য করা রিট হাইকোর্ট বাতিল করেছেন। এর ফলে, তিনি ঋণখেলাপি থাকায় আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ শুনানি শেষে রিটটি খারিজ করে দেন। বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে এই বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত নেয়। নিজেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য অযোগ্য ঘোষণা করে রিটের মামলা খারিজ হওয়ার কারণে উভয় পক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী এখন নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অবস্থা নেই। এর আগে, ১৭ জানুয়ারি আপিল শুনানিতে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর আগে, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা মনোনয়ন স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে ছিলেন। তবে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কুমিল্লা-৪ আসনের গণনায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আপিল করেন।

  • মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরু

    মানবতাবিরোধী অপরাধে জয়-পলকের বিচার শুরু

    জুলাই মাসে ঘটিত গণঅভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট বন্ধ করে হত্যাযজ্ঞ চালানোর জন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় এবং সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমед পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করতে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

    আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারসহ তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। অপর দুই বিচারপতি হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

    প্রথমে, দুই আসামির পক্ষ থেকে অব্যাহতি চাওয়ার আবেদন খারিজ করে দেন ট্রাইব্যুনাল। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আনা প্রসিকিউশনের তিনটি অভিযোগ বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ পাঠ করেন। এর মাধ্যমে এ মামলার বিচার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো। এছাড়া, সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করা হয়েছে।

    এই মামলায় গ্রেপ্তার আসামি পলককে আজ সকালে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। অপর আসামি জয় তার পক্ষে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলমের মাধ্যমে।

    উল্লেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি এ মামলার অভিযোগ গঠনের বিষয়টি নির্ধারিত হওয়ার জন্য ট্রাইব্যুনাল দিন ধার্য করে। ওইদিন জয়-পলকের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী লিটন আহমেদ আর জয়টির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মনজুর আলম। শুনানিতে প্রসিকিউশনের আনা তিনটি অভিযোগের বিরোধিতা করে তারা দাবি করেন, জয়-পলকের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ জন্য চার্জ গঠন না করে তাদের অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠনের জন্য আবেদন করা হয়।

    ১১ জানুয়ারি চিফ প্রসিকিউটর মো. তাজুল ইসলাম অভিযোগ গঠনের ব্যাপারে শুনানি করেন। এ দিন তিনটি অভিযোগের বিষয়টি শোনা হয় এবং বিচার কাজ শুরুর জন্য আবেদন জানান তিনি।

    অভিযোগের তিনটি মূল বিষয় হলো: জয়ের নির্দেশে ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই রাতে ফেসবুকে উসকানি দেওয়া, এরপর ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশ, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনীর হামলা, ইন্টারনেট বন্ধ করে মারণাস্ত্র ব্যবহারে উসকানি দেওয়া ও প্ররোচনা। এ সময় তারা হত্যাকা-েও সহায়তা করেন। ফলে পুলিশ ও সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় শহীদ হন রাসেল, মোসলেহ উদ্দিনসহ ২৮ জন। তিন নম্বর অভিযোগ অনুযায়ী, তারা উত্তরায় ৩৪ হত্যার ঘটনায় সহায়তা করেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ১০ ডিসেম্বর জয়কে আত্মসমর্পণের জন্য আদালত দুটি জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন। গ্রেপ্তার পলককে একইদিন হাজির করা হয়। ৪ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) আদালত গ্রহণ করেন।

  • সাগর-রুনির মতো বিচার পেছাবে আল্লাহই জানেন: হাদির স্ত্রী

    সাগর-রুনির মতো বিচার পেছাবে আল্লাহই জানেন: হাদির স্ত্রী

    সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির মতো কতবার যে জুলাই গণআন্দোলন এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বিচার পেছাবে, তা আল্লাহই ভালো জানেন বলে মন্তব্য করেছেন তার স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    রাবেয়া ইসলাম সম্পা লিখেছেন, ‘রাত পোহাবার কত দেরি, পাঞ্জেরি? শহীদ ওসমান হাদির বিচারে কত দেরি হচ্ছে?’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের বাংলাদেশের অন্যতম স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হলো বিচার পাওয়ার জন্য লড়াই করা। কিন্তু দেখা গেছে, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের বিচার শত বার অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে, আবরার ফাহাদ হত্যার সঠিক বিচার এখনও সম্পন্ন হয়নি এবং এখন শহীদ ওসমান হাদের জন্যও একই অবস্থা। কতবার যে তারা পেছাবে, তা আল্লাহই জানেন। তবে আমাদের স্পষ্ট বিশ্বাস, আমরা একদিন অবশ্যই বিচার পাবো। কবে, কত দিন, কত মাস লাগবে, সেটা আল্লাহর ইচ্ছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘হাদির হত্যার বিচার না হলে এই রাষ্ট্রে আর কেউ কষ্ট পাবে না, আলোচনায় আসবে না, রাস্তায় নামবে না। যদি মনে করেন, হাদির পরিবারের জন্য কিছু দেয়া-পাওয়া করে বিচার কাজ থামিয়ে দেয়া যাবে, তাহলে আপনি খুব বড় ভুল করছেন। হাদিরা শুধু তার পরিবার নন, তারা সারা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতি এবং স্বপ্নের অংশ। পুরো দেশের মানুষই জানেন, কেন বিচার দেরি হচ্ছে এবং কী কারণে delays হচ্ছে। যত দেরি করবেন, ততই আমরা একজোট হয়ে লড়াই চালিয়ে যাব।’

    সবশেষে শরিফ ওসমান হাদির স্ত্রী উল্লেখ করেছেন, ‘সরকার কি দিচ্ছে বা দিচ্ছে না, আমি এর সঙ্গে আলাদাভাবে অঙ্গীকারিত নই। আমার মূল বিষয় হলো, আমি চাই আমার স্বামীর হত্যা দ্রুত বিচারের আওতায় আসুক আর তার রেখে যাওয়া আমানত, আমার ছেলেকে নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারি।’

    ইতিহাস সাক্ষী, গত ১২ ডিসেম্বর পল্টন এলাকায় আলোচনায় থাকা নেতা শরিফ ওসমান বিন হাদিকে দুর্বৃত্তরা গুলি চালিয়ে গুরুতর আহত করেন। ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

  • যুক্তরাষ্ট্রে আরও ৩৬ বাংলাদেশিকে শূন্য হাতে ফেরত পাঠাল আও

    যুক্তরাষ্ট্রে আরও ৩৬ বাংলাদেশিকে শূন্য হাতে ফেরত পাঠাল আও

    অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান চালানোর অংশ হিসেবে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৩৬ জন বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দুপুর ১২টায় একটি বিশেষ সামরিক ফ্লাইটে আসা এই ব্যক্তিরা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন।

    প্রবাসে উন্নত জীবনের স্বপ্ন নিয়ে তারা দেশের জমি বিক্রি, গহনা বিক্রির পাশাপাশি অনেকেই ঋণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন। তবে স্বপ্নের বিপরীতে তারা শূন্য হাতে ফিরে আসছেন, প্রত্যাবাসিত হয়ে তারা দীর্ঘ সময়ের আইনি লড়াই শেষে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

    ব্র্যাকের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, ফেরত আসা প্রবাসীদের জন্য বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার পর ব্র্যাকের পক্ষ থেকে তাদের পরিবহন ও জরুরি সাহায্য প্রদান করা হয়।

    ফেরত আসা ৩৬ জনের মধ্যে বেশিরভাগই নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, লালমনিরহাট, শরীয়তপুর, বরগুনা, ফেনী, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং নেত্রকোনা জেলার বাসিন্দা। এ ধরনের ফেরত আনা বাংলাদেশিদের সংখ্যা ২০২৫ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ২৯৩ জনে।

    প্রবাসীরা বলছেন, প্রথমে তারা বৈধভাবে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) সার্টিফিকেট নিয়ে ব্রাজিলে যান, কিন্তু পরে সেখান থেকে মেক্সিকো হয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন। আশ্রয়ের জন্য অনুরোধ করলেও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তাদের আবেদন খারিজ হয়ে গেছে, আর তাই মার্কিন প্রশাসন ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    নোয়াখালীর জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘অর্ধেকের বেশি অর্থ ঢাকায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য দালালদের কাছ থেকে খরচ করেছি—প্রায় ৮০ লাখ টাকা।’ আবার গাজীপুরের সুলতানা আক্তার জানান, ব্রাজিল হয়ে মেক্সিকো পার করে দেওয়ার জন্য তিনি ৩০ লাখ টাকা দিয়েছিলেন, যা সবটাই বৃথা।

    তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে, অনেকেরই খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৮০ লাখ টাকার মতো। তবে শেষ পর্যন্ত তারা দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন ব্যর্থতার বোঝা মাথায় নিয়ে।

    শরিফুল হাসান বলেন, ‘প্রথমে কেউ কেউ ব্রাজিলে বৈধভাবে কাজের অনুমতি নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু পরে বোঝা যায় তারা মূলত যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার ট্রানজিট হিসেবে এটি ব্যবহার করছেন। আমাদের উচিত এই বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা, কারণ এই সব কর্মীদের পাঠানো এবং এজেন্সিগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।’

    তিনি আরো জানান, ২০২৫ সালের মধ্যে মোট ১৩২০ বাংলাদেশি ব্রাজিলে গিয়েছেন, যার মধ্যে নোয়াখালীর সংখ্যা ৯৫১ জন। ধারণা করা হচ্ছে, অনেকে মেক্সিকো হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। সরকারের উচিত আগে সতর্কতা অবলম্বন করা।

    এছাড়াও, উল্লেখ্য যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বারের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও কঠোর হয়েছে। এর প্রভাব হিসেবে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা একের পর এক ফেরত পাঠানো হচ্ছে। মার্কিন আইন অনুযায়ী, বৈধ কাগজপত্র ছাড়া অবস্থানকারী অভিবাসীদের আদালত বা প্রশাসনিক নির্দেশে নিজ দেশেও ফেরত পাঠানো যায়। এই প্রক্রিয়া এখন অনেক দ্রুততর হয়েছে, যার মধ্যে চার্টার্ড ও সামরিক ফ্লাইটের ব্যবহারে বৃদ্ধি হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে হাত-পা শেকল পরিয়ে ফেরত পাঠানোর অভিযোগও উঠেছে।

  • মানব কল্যাণে রাজনীতি করি: মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

    মানব কল্যাণে রাজনীতি করি: মায়ের দোয়া অনুষ্ঠানে তারেক রহমান

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমি ক্ষমতার জন্য নয়, মানুষের কল্যাণের জন্য রাজনীতি করি। আমি আপনাদেরই সন্তান, এবং আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মহাখালী টিঅ্যান্ডটি মাঠে একটি দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

    তারেক রহমান স্মৃতিচারণ করে বলেন, এক সময় তিনি ক্যান্টনমেন্ট এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। সেই বাড়িটি সেভাবে ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ঘটনা এখনো মনে পড়ে তার। এই অভিজ্ঞতা থেকে তিনি সাধারণ মানুষের কষ্ট অনুভব করেন এবং কড়াইলবাসীর জন্য কাজ করতে চান।

    কড়াইলবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি জিয়াউর রহমানের সন্তান, খালেদা জিয়ার সন্তান, তবে এই পরিচয়ের চেয়েও বড় পরিচয় হলো আমি আপনার সন্তান। আমি বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করি। সবাই যেন আল্লাহর কাছে হাত তুলে দেশের কল্যাণ কামনা করে, সেই আহ্বান জানান তিনি। এ সময় কড়াইলবাসীর প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    তারেক রহমান বলেন, খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় মা-বোনদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছিলেন। একইভাবে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসী অনেকভাবে উপকৃত হয়েছে।

    দোয়া মাহফิลটির আয়োজন করেন ঢাকা-১৭ আসনের বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক আব্দুস সালাম। অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    বিএনপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতির আগে পুরো মাঠ দর্শক লোকারণ্য হয়ে ওঠে, যার ফলে তারেক রহমানের আসন ঘিরে আড়মোড়া ভরে। তিনি জানান, তিনি পক্ষে ১৭ আসনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে কড়াইল বস্তি ও মহাখালী এলাকাও।

    তারেক রহমান বলেন, মা-বোনদের স্বাবলম্বী করে ও নিরাপদে চলাফেরা নিশ্চিত করতে বিশেষ ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরিকল্পনা আছে। এছাড়াও, কৃষকদের জন্যও ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যদি জনগণ আমাদের সুযোগ দেন।

    বস্তিবাসীর সন্তানদের ভবিষ্যৎ জন্য তিনি বলেন, আমরা চাই কড়াইলের সন্তানরা বিদেশি ভাষা শিখুক এবং উন্নত চিকিৎসাসেবা পাবে। এজন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    তিনি আরও বলেন, সবাই যাতে থাকার সুযোগ পায়, সেজন্য ছোট ফ্ল্যাট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, বিএনপি ক্ষমতায় এলে এই এলাকায় একটি ক্লিনিক স্থাপনেরও প্রতিশ্রুতি দেন।

    তারেক রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ‘২৪-এর আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এবং বলে থাকেন, করাইলবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে, যদি আল্লাহ রহম করেন এবং আপনাদের দোয়া থাকলে, আমরাই এই সকল পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন করতে পারবো।

  • সরকার ওসমান হাদির পরিবারের জন্য কোটি টাকার ফ্ল্যাট বরাদ্দ

    সরকার ওসমান হাদির পরিবারের জন্য কোটি টাকার ফ্ল্যাট বরাদ্দ

    জনপ্রিয় বক্তা ও জুনাই অভ্যুত্থানের সম্মুখসারীর একজন নেতা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী নেতৃত্বাধীন সরকার একটি সম্পন্ন এবং আধুনিক ফ্ল্যাট উপহার দিচ্ছে। এই সুবিধার জন্য রাজধানীর লালমাটিয়ার এলাকায় একটি সুসজ্জিত ফ্ল্যাট প্রদান করা হবে, যা তার পরিবারের জন্য এক বিশাল সাহায্য এবং সম্মান।

    বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, এই ফ্ল্যাটের ক্রয় ও সেটি সম্পর্কিত অন্যান্য খরচের জন্য গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে এক কোটি টাকার বিশেষ অনুদান প্রদান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এই বরাদ্দের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে, ফ্ল্যাট হস্তান্তরের জন্য ওসমান হাদির স্ত্রীর ও সন্তানের পরিচয় নিশ্চিত করার শর্ত রাখা হয়েছে।

    শরীফ ওসমান বিন হাদি ছিলো জুলাই অভ্যুত্থান ও আওয়ামী লীগ বন্ধের আন্দোলনের একজন সক্রিয় নেতা। আওয়ামী লীগের নিষিদ্ধের আন্দোলনে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ তাকে জনমনে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন থেকে ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

    তার জীবনে ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগকারীর মত এক মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তের গুলিতে গুরুতর আহত হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

    শহীদের মৃত্যুতে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া এক বক্তৃতায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক প্রকাশ করেছিলেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন যে, শহীদ হাদির স্ত্রীর দায়িত্ব রাষ্ট্র গ্রহণ করবে এবং তার একমাত্র সন্তানের জন্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

  • বিএনপির অভিযোগে জামায়াত, এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

    বিএনপির অভিযোগে জামায়াত, এনসিপিসহ ৪ দলকে সতর্ক করল ইসি

    বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা জারি করেছে, যেখানে তিনি বিশেষ করে বেশ কিছু রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে সতর্কতা জাহির করেছেন। বিএনপি এর আগে নির্বাচনি সময়ের আগে কোনো প্রচারণা চালালে তার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়ার পর, এবার আরও চারটি দলের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছে কমিশন। এই চার দল হলো জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ খিলাফত মজলিস।

    নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চার দলের প্রধানদের কাছে ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনের নির্ধারিত সময়ের আগে প্রচারণা চালানো আইন বিরুদ্ধ এবং ভবিষ্যতেও এর অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    অতিরিক্ত বলা হয়, বিএনপি অভিযোগ করেছে যে, প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে তারা বলেছে, ২১ জানুয়ারির আগে নির্বাচন সংক্রান্ত প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও এই চারটি দল বিভিন্ন কর্মসূচি ও প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, যা নির্বাচনি বিধিমালা লঙ্ঘন করছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কর্মকর্তারা সতর্কবার্তা জারি করেছেন।

    চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ের আগে বা নির্ধারিত সময়ে প্রার্থীরা কোনো ধরনের প্রচারণা, পোস্টার, ব্যানার বা জনসংযোগের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবেন না। এর ফলে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন বিভিন্ন দল বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে, যা নির্বাচন কৌশল ও সমান সুযোগের নীতির জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করছেন ইসি।

    বিএনপি অভিযোগ করেছে যে, কিছু রাজনীতি দল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অমান্য করে আগাম প্রচারণা চালাচ্ছে, যা নির্বাচনী পরিবেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। তারা বলেছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনের স্বচ্ছতাকে হুমকি দেয়।

    নির্বাচন কমিশনের একজন কর্মকর্তার মতে, তারা চাইছে যেন নির্বাচনোত্তর ভোটের লড়াইটি সুবিচার ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়। তাই তারা কঠোর পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুত, যাতে কোনো দল বা গোষ্ঠী নির্ধারিত সময়ের বাইরে প্রচারণা চালাতে না পারে।

    অতিরিক্তভাবে, বলা হয়, যদি কোনো দল নিয়ম ভাঙে, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচন কমিশনের এই কঠোর মনোভাব ও সতর্কতা অব্যাহত থাকলে আগামী নির্বাচন ছিল আরও সুজন ও নিরপেক্ষ হয়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।