Category: অর্থনীতি

  • স্বর্ণের দামে রেকর্ড ভাঙল ইতিহাস

    স্বর্ণের দামে রেকর্ড ভাঙল ইতিহাস

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে, যা নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। এই মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ১ হাজার ৫৭৪ টাকায়, ফলে নতুন দাম দাঁড়াল ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা। এই বাড়তি মূল্য যুক্ত হওয়ায় সোনার সর্বশেষ দামগুলো ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা সোনার দাম বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়। আগামী সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

    রোববার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা: দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে, এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের সোনার ভরি মূল্য ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা, যা আগে থেকে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বেশি। একইভাবে, ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের সোনা এখন ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকা, যেখানে দাম বেড়েছে ১ হাজার ২৮৩ টাকার। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি দাম বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা, বাড়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামে भी বৃদ্ধি হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে এখন ৭ হাজার ২৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম হয়েছে ৬ হাজার ৪০৮ টাকা (বাড়ে ৪০৮ টাকা), ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা, পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম বেড়ে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা হয়েছে, বৃদ্ধি হয়েছে ২৩৩ টাকা।

    এর আগে, ২২ জানুয়ারি ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয় ৮ হাজার ৩৯৯ টাকা, আগের দিন ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ২০ জানুয়ারি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা, ১৫ জানুয়ারি ২ হাজার ৬২৫ টাকা, ১৩ জানুয়ারি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি ১ হাজার ৫০ টাকার মতো মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল।

  • প্রাণ দুধের উদ্যোগে দেশের খাঁটি খামারিদের সম্মাননা

    প্রাণ দুধের উদ্যোগে দেশের খাঁটি খামারিদের সম্মাননা

    দুগ্ধশিল্পে বিশেষ অবদান রাখার জন্য প্রতিশ্রুতিশীল ও নির্ভ trusted খাঁটি খামারিদের সম্মাননা দিচ্ছে দেশের অন্যতম শীর্ষ তরল দুধের ব্র্যান্ড ‘প্রাণ দুধ’। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানে সম্মেলন কেন্দ্রে ‘প্রাণ দুধ-খাঁটি খামারি সম্মাননা ২০২৬’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়।

    এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের দুগ্ধশিল্পের উন্নয়নে নিবেদিত আপনারা যারা খাঁটি খামারি তাদের ত্যাগ ও অবদানকে স্বীকৃতি জানানো। পাশাপাশি, তাদের সফলতার গল্প সমাজের সব স্তরে পৌঁছে দিয়ে অন্যদের মধ্যে দুগ্ধ খামারী হওয়ার আগ্রহ বাড়ানোর দিকে নজর দিচ্ছে সংস্থা। অনুষ্ঠানে ইলিয়াছ মৃধা, প্রাণ গ্রæপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ‘প্রাণ দুধ খাঁটি খামারি সম্মাননা ২০২৬’ এর স্মারক উন্মোচন করেন।

    এদিকে, জানানো হয়, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত প্রাণ ডেইরীর ১২৪টি গ্রামীণ দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র থেকে স্পট রেজিস্ট্রেশনের কাজ শুরু হবে। সেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ১৬ হাজারের বেশি খামারিরা প্রয়োজনীয় তথ্যাদি দিতে পারবেন।

    রেজিস্ট্রেশনকৃত খামারিদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে বিশেষ একটি জুরিবোর্ড গঠন করা হবে, যার মাধ্যমে তারা ১০ জন ‘খাঁটি খামারি’ নির্বাচন করবেন। এরপর ভোক্তার ভোট এবং জুরির সিদ্ধান্তে সেরা তিন খামারি নির্বাচিত হবেন, যাদের জন্য থাকছে সম্মাননা স্মারক এবং লাখ টাকা সমমূল্যের পুরস্কার। আরও সাতজনের জন্য বিশেষ সম্মাননা দেওয়ার পরিকল্পনা আছে।

    ইলিয়াছ মৃধা বলেন, “আমাদের মূল লক্ষ্য এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দুগ্ধশিল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় খাঁটি খামারিদের সম্মাননা দেওয়া এবং তাদের অনুপ্রেরণা জোগানো। পাশাপাশি, গাভি লালন-পালনের গুরুত্ব ও মানসম্পন্ন দুধ নিশ্চয়তার বিষয়গুলো জনসাধারণের মাঝে তুলে ধরাই এই উদ্যোগের বড় উদ্দেশ্য।”

    প্রাণ ডেইরীর চিফ অপারেটিং অফিসার মাকসুদুর রহমান জানান, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রাণ দুধ দেশের অসংখ্য খামারিকে সমর্থন দিয়ে আসছে। তাদেরকে ন্যায্য মূল্য, প্রশিক্ষণ, ভেটেরনারি সেবা ও অন্যান্য সহযোগিতা দিয়ে উন্নত জীবনে নিয়ে আসার কাজ করে যাচ্ছে।”

    এছাড়াও, অনুষ্ঠানে প্রাণের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) মো. আলী হাসান, এর মার্কেটিং হেড সৈয়দ মুস্তায়িন কাদের ও ব্র্যান্ড ম্যানেজার ফজলে এলাহি নাঈমসহ অন্যান্য নির্বাহীদের উপস্থিতি ছিল।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: প্রতি ভরিতে ৫,২৪৯ টাকা বৃদ্ধি

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: প্রতি ভরিতে ৫,২৪৯ টাকা বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একদিনের ব্যবধানে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    বাজুস সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে এই পরিবর্তন জানায়। নতুন দাম মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) ও সামগ্রিক অবস্থার প্রেক্ষিতে মূল্যসমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন মূল্যতালিকা অনুসারে প্রতিটি ভরির দামসুচি হলো:

    ২২ ক্যারেট — ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা

    ২১ ক্যারেট — ২ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৪ টাকা

    ১৮ ক্যারেট — ২ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৪ টাকা

    সনাতন পদ্ধতি — ১ লাখ ৭৬ হাজার ৫৯৩ টাকা

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই বিক্রয়মূল্যে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। গহনার নকশা ও মানভেদের কারণে মজুরিতে পরিবর্তন হতে পারে।

    এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি বাজুস এক দফা দাম বাড়িয়েছিল; তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা (তার ওপর ১,৫৭৪ টাকা বৃদ্ধি)। সেই সমন্বয়ের পর ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের— ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি দাম ছিল ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা। ওই দাম ২৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর ছিল।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ১১ দফায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে এবং ৩ দফায় দাম কমেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—তাদের মধ্যে ৬৪ বার দাম বেড়ে এবং ২৯ বার কমে।

    স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার ক্ষেত্রে প্রতি ভরিতে ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা। অন্যান্য রুপার দরগুলো হলো:

    ২১ ক্যারেট — ৭ হাজার ৪০৭ টাকা

    ১৮ ক্যারেট — ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা

    সনাতন পদ্ধতি — ৪ হাজার ৭৮২ টাকা

    বছরভর রুপার দামও এখন পর্যন্ত ১১ দফা সমন্বয় হয়েছে।

  • খাঁটি খামারিদের গৌরবে সম্মাননা দিচ্ছে ‘প্রাণ দুধ’

    খাঁটি খামারিদের গৌরবে সম্মাননা দিচ্ছে ‘প্রাণ দুধ’

    দেশের দুগ্ধশিল্পে বিশেষ অবদান রাখা খাঁটি খামারিদের সম্মাননা দেওয়ার উদ্যোগ শুরু করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় তরল দুধ ব্র্যান্ড ‘প্রাণ দুধ’। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের এমসিসিআই সম্মেলন কেন্দ্রে উদ্বোধন করা হয়েছে ‘প্রাণ দুধ–খাঁটি খামারি সম্মাননা ২০২৬’ ক্যাম্পেইন।

    ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য হলো দুগ্ধশিল্পের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করা খাঁটি খামারিদের সম্মানিত করা ও তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্পগুলো তুলে ধরে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে দুগ্ধখামারি পেশায় আগ্রহী করে তোলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা সম্মাননা স্মারক উন্মোচন করেন।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাণ ডেইরীর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে থাকা ১২৪টি গ্রামীণ দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র (ভিএমসিসি) থেকে স্পট রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। এখানে প্রাণ ডেইরীর তালিকাভুক্ত প্রায় ১৬ হাজার খামারি অংশ নিয়ে রেজিস্ট্রেশন ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা প্রদান করবেন। অংশগ্রহণকারীদের তথ্য যাচাই-বাছাই করে পরে একটি বিশেষ জুরিবোর্ড গঠন করা হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা থাকবেন।

    জুরিবোর্ড প্রতিদ্বন্দ্বীর তথ্য-বিবরণী যাচাই করে প্রথমে ১০ জন ‘খাঁটি খামারি’ বাছাই করবে। চূড়ান্ত নির্বাচনে জুরিবোর্ডের দেওয়া নম্বর ও ভোক্তাদের ভোটের সমন্বয়ে সেরা তিন খামারিকে চিহ্নিত করা হবে। বিজয়ীদের জন্য থাকবে সম্মাননা স্মারক এবং লক্ষ টাকার সমমূল্যের পুরস্কার; বাছাইয়ে স্থান করা বাকি সাতজনকেও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।

    ইলিয়াছ মৃধা অনুষ্ঠানে বলেন, “এই উদ্যোগের মাধ্যমে যারা দুগ্ধশিল্পের বিকাশে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন তাদের সম্মানিত ও অনুপ্রাণিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাদের জীবন সংগ্রাম ও সাফল্যের গল্প তুলে ধরে অন্যদেরও গাভি পালনে আগ্রহী করা হবে। পাশাপাশি ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ পৌঁছে দেওয়ার আমাদের অঙ্গীকারও এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা হবে।”

    প্রাণ ডেইরীর চিফ অপারেটিং অফিসার মাকসুদুর রহমান জানান, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রাণ দুধ দেশের অসংখ্য খেটে খাওয়া খামারিদের পাশে থেকে ন্যায্য মূল্য, প্রশিক্ষণ ও ভেটেরিনারি সহায়তা দিয়েছে। এর ফলে অনেক খামারির জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।”

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রাণের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) মো. আলী হাসান, প্রাণ ডেইরীর হেড অব মার্কেটিং সৈয়দ মুস্তায়িন কাদের, ব্র্যান্ড ম্যানেজার ফজলে এলাহি নাঈমসহ প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ‘প্রাণ দুধ’ খাঁটি খামারিদের সম্মানে নতুন উদ্যোগ

    ‘প্রাণ দুধ’ খাঁটি খামারিদের সম্মানে নতুন উদ্যোগ

    দেশের দুগ্ধশিল্পে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি জানাতে ‘প্রাণ দুধ’ শুরু করেছে ‘প্রাণ দুধ–খাঁটি খামারি সম্মাননা ২০২৬’ কর্মসূচি। আজ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের এমসিসিআই সম্মেলন কেন্দ্রে এই ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।

    ক্যাম্পেইনের উদ্দেশ্য দুই জোড়া — দুগ্ধশিল্পে নিবেদিত প্রান্তিক খামারিদের কৃতিত্ব সম্মানিত করা এবং তাদের অনুপ্রেরণামূলক গল্প তুলে ধরে সমাজের ব্যাপক স্তরে দুগ্ধশিল্পকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে উৎসাহ দেওয়া। অনুষ্ঠানে প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা সম্মাননা স্মারক উন্মোচন করেন।

    ইভেন্টে জানানো হয়, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত প্রাণ ডেইরীর ১২৪টি গ্রামীণ দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র (ভিএমসিসি) থেকে স্পট রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে। পাবনা, রংপুর, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া, সাতক্ষীরা, খুলনা, যশোর, মাগুরা, কুড়িগ্রাম, নাটোরসহ দেশের অন্যান্য কেন্দ্রগুলোতে তালিকাভুক্ত প্রায় ১৬,০০০ দুগ্ধ খামারি রেজিস্ট্রেশন ফর্মে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করবেন।

    রেজিস্ট্রেশনের পর দ্বিতীয় ধাপে জমা হওয়া আবেদনপত্র যাচাই-বাছাই করে সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি বিশেষ জুরি বোর্ড গঠন করা হবে। জুরির প্রাথমিক কাজ হবে ১০ জন ‘খাঁটি খামারি’ নির্ধারণ করা। চূড়ান্ত পর্যায়ে জুরির প্রদত্ত নম্বর ও ভোক্তাদের অনলাইন/সামাজিক গণভোটের সমন্বয়ে সেরা তিনজন খামারিকে নির্বাচিত করা হবে।

    ওই সেরা তিনজনের জন্য থাকবে সম্মাননা স্মারক এবং এক লাখ টাকার সমমূল্যের পুরস্কার; বাকি সাতজনকেও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হবে।

    প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা বলেন, “এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে দুগ্ধশিল্পে বিশেষ অবদান রাখা খামারিদের সম্মানিত ও অনুপ্রাণিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। তাদের সংগ্রাম ও সফলতার গল্প তুলে অন্যদেরও গাভি লালন-পালনে আগ্রহী করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ ও মানসম্মত দুধ পৌঁছে দেওয়ার প্রাণ দুধের অঙ্গীকারও আমরা তুলে ধরছি।”

    প্রাণ ডেইরীর চিফ অপারেটিং অফিসার মাকসুদুর রহমান বলেন, “দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রাণ দুধ দেশের অসংখ্য খামারিকে ন্যায্য মূল্য, প্রশিক্ষণ ও ভেটেরিনারি সেবা প্রদান করে সহায়তা করছে; ফলে অনেক খামারির জীবনমান লক্ষ্যণীয়ভাবে উন্নত হয়েছে।”

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রাণের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার (মার্কেটিং) মো. আলী হাসান, প্রাণ ডেইরীর হেড অব মার্কেটিং সৈয়দ মুস্তায়িন কাদের, ব্র্যান্ড ম্যানেজার ফজলে এলাহি নাঈম এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • স্বর্ণের নতুন সর্বোচ্চ রেকর্ড: প্রতি ভরিতে ৫,২৪৯ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২,৬২,৪৪০ টাকা

    স্বর্ণের নতুন সর্বোচ্চ রেকর্ড: প্রতি ভরিতে ৫,২৪৯ টাকা বেড়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২,৬২,৪৪০ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে — বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একদিনের ব্যবধানে ভরি প্রতি ৫,২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করেছে ২,৬২,৪৪০ টাকায়। এই ঘোষণা সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে বাজুসের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয় এবং দামটি মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) ও খুচরা দামের উত্থান বিবেচনায় সামগ্রিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দামদরগুলো হলো: ২২ ক্যারেট — ২,৬২,৪৪০ টাকা; ২১ ক্যারেট — ২,৫০,৪৮৪ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ২,১৪,৭৩৪ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি দাম — ১,৭৬,৫৯৩ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, এসব বিক্রয়মূল্যে আরও যোগ করতে হবে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি; তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরিতে পরিবর্তন হতে পারে। অর্থাৎ ক্রেতার হাতে আসা চূড়ান্ত মূল্য নির্ভর করবে গহনার ধরণ ও অতিরিক্ত চার্জের ওপর।

    এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি বাজুস সর্বশেষ দাম সমন্বয় করেছিল — সেদিন ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম ভরি প্রতি ১,৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২,৫৭,১৯১ টাকা করা হয়েছিল, যা তখনকার সর্বোচ্চ ছিল এবং সেটি ২৬ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়িত হচ্ছিল।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে মোট ১৪ দফা স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ১১ দফায় দাম বাড়েছে এবং ৩ দফায় দাম কমেছে। তুলনামূলকভাবে ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়লে ২৯ বার দাম কমেছিল।

    স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার দাম ভরি প্রতি ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭,৭৫৭ টাকায় — যা রুপার ইতিহাসে সর্বোচ্চ। নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী রুপার প্রতি ভরি দাম: ২১ ক্যারেট — ৭,৪০৭ টাকা; ১৮ ক্যারেট — ৬,৩৫৭ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতিতে — ৪,৭৮২ টাকা। এই বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম মোট ১১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন রেকর্ডে ওঠা স্বর্ণ-রুপার দাম সাধারণ ভোক্তা ও গহনার ব্যবসায়ীদের জন্য প্রভাব ফেলতে পারে — ক্রয়প্রবণতা বদলে যেতে পারে এবং গহনা কেনাবেচায় মূল্য সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে। বাজুস ও বাজার সংশ্লিষ্টরা পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি কিভাবে চলবে সে অনুযায়ী দামের আরো সমন্বয় করতেও পারেন।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একদিনের ব্যবধানে আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে। ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বৃদ্ধির ফলে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা — যা বাংলাদেশের ইতিবাচক ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

    বাজুস সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাতের বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায়। নতুন এই দাম মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে। সংস্থার বরাতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ (পিওর গোল্ড) তথা পিউর গোল্ডের দাম বাড়ায় সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম):

    – ২২ ক্যারেট: ২,৬২,৪৪০ টাকা

    – ২১ ক্যারেট: ২,৫০,৪৮৪ টাকা

    – ১৮ ক্যারেট: ২,১৪,৭৩৪ টাকা

    – সনাতন পদ্ধতি অনুযায়ী: ১,৭৬,৫৯৩ টাকা

    বাজুস জানিয়েছে, ক্রেতাকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি মূল্যসংগতিতে যোগ করতে হবে। গহনার নকশা ও মানের উপর ভিত্তি করে মজুরির পরিমাণ পরিবর্তিত হতে পারে।

    এর আগেও গত ২৫ জানুয়ারি বাজুস স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল; তখন ২২ ক্যারেটের এক ভরি দাম ভরিতে ১,৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২,৫৭,১৯১ টাকা করা হয়েছিল এবং তা ২৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়েছিল। সেদিনের শতাংশ অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২,৪৫,৫২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২,১০,৪১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির দাম ছিল ১,৭২,৯১৯ টাকা।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশে ১৪ দফা স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে ১১ দফা দাম বেড়েছে এবং ৩ দফা দাম কমেছে। গত বছর (২০২৫) মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।

    স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। রুপার প্রতি ভরি দাম ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭,৭৫৭ টাকা, যা রুপারও সর্বোচ্চ মূল্য। অন্যান্য ক্যারেট অনুযায়ী রুপার দাম: ২১ ক্যারেট ৭,৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৬,৩৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতি ৪,৭৮২ টাকা। চলতি বছর রুপার দাম এখন পর্যন্ত ১১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে।

    বাজারে তীব্র ওঠানামার এই ধারায় ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্বাসযোগ্য মূল্যসূত্র দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

  • স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

    স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

    দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও বাড়িয়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চ স্তর ছুঁয়ে ফেলেছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) দাম ১,৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকায়।

    বাজারে তেজাবী সোনা (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই বাড়তি মূল্য ঘোষণা করেছে। নতুন দাম সোমবার, ২৬ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।

    রোববার বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে এ বাড়ানো মূল্যের সিদ্ধান্ত হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    অন্যান্য মানের সোনার নতুন মূল্যও নির্ধারণ করা হয়েছে—২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ১,৫১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১,২৮৩ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১,০৫০ টাকা বাড়িয়ে তা হয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা।

    সোনার পাশাপাশিও রুপার দাম বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ হাজার ২৩২ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৯৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    গত কয়েক সপ্তাহে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। এর আগের বৃদ্ধি হয়েছিল—২২ জানুয়ারি ৮,৩৯৯ টাকা, ২১ জানুয়ারি ৫,২৪৯ টাকা, ২০ জানুয়ারি ৪,১৯৯ টাকা, ১৫ জানুয়ারি ২,৬২৫ টাকা, ১৩ জানুয়ারি ৪,১৯৯ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি ১,০৫০ টাকা। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধির মধ্যেই সাম্প্রতিক এই নতুন রেকর্ড দাম স্থির করা হলো।

  • স্বর্ণের দাম ভাঙল সব রেকর্ড: এক ভরি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

    স্বর্ণের দাম ভাঙল সব রেকর্ড: এক ভরি ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা

    দেশের বাজারে সোনার দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছে ইতিহাসের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। ২২ ক্যারেট তথা সবচেয়ে ভালো মানের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়িয়ে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা করা হলে নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ১৯১ টাকা।

    এই দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) মূল্য বাড়াকে জোর দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, এই নতুন দাম সোমবার (২৬ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিংয়ের বৈঠকে রোববার এই দাম বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

    বিবরণ অনুযায়ী অন্যান্য মানের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে এভাবে:

    – ২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ হাজার ৫১৬ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ৪৫ হাজার ৫২৭ টাকা।

    – ১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৪১৯ টাকা।

    – সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ৯১৯ টাকা।

    সোনা ছাড়াও রূপার দামও বাড়িয়ে দিয়েছে বাজুস:

    – ২২ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭ হাজার ২৩২ টাকা।

    – ২১ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৪০৮ টাকা বাড়িয়ে ৬ হাজার ৯৪০ টাকা।

    – ১৮ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ৯৪৯ টাকা।

    – সনাতন পদ্ধতি রুপা: প্রতি ভরি ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা।

    গত কয়েক সপ্তাহে সোনার দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে — এ মাসেই ইতোমধ্যে নানা দিনে বাড়ানো হয়েছে দাম; ২২ জানুয়ারি ৮ হাজার ৩৯৯ টাকা, ২১ জানুয়ারি ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ২০ জানুয়ারি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা, ১৫ জানুয়ারি ২ হাজার ৬২৫ টাকা, ১৩ জানুয়ারি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং ১১ জানুয়ারি ১ হাজার ৫০ টাকা। এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি গ্রাহক ও গহনা ব্যবসায়ীদের ওপর তাত্ক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

  • ট্রাম্পের শুল্কের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে চীনের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত

    ট্রাম্পের শুল্কের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হতে পারে চীনের বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত

    ২০২৬-এর শুরুতেই চীনের সাম্প্রতিক বাণিজ্য পরিসংখ্যান বিশ্ব অর্থনীতির মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। ২০২৫ সাল জুড়ে শুল্কযুদ্ধের চাপ থাকা সত্ত্বেও চীনের রপ্তানি না কমে বেড়েছে এবং দেশটির বার্ষিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রেকর্ড—প্রায় 1.2 ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার—অন্তর্জাতিকভাবে নজির সৃষ্টি করেছে।

    এই তথ্য প্রকাশিত হতেই কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন কর্নেল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ও ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র ফেলো ঈশ্বর প্রসাদ। তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসে মন্তব্য করেছেন যে, মুক্ত বাণিজ্য রক্ষার দিক থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের চেয়েও বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে চীনের এত বড় বাণিজ্য উদ্বৃত্ত। তার যুক্তি—চীনের সস্তা পণ্য শুধু উন্নত দেশগুলোর শিল্পকে নয়, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর শিল্পকেও প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়া কঠিন করে তুলছে; এতে বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়ম-নীতি ভঙ্গের ঝুঁকি বাড়ছে।

    অন্যদিকে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের সাবেক প্রধান সম্পাদক হু সিজিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এই উদ্বৃত্ত ওয়াশিংটনের অভিজাত শ্রেণিকে আতঙ্কিত করেছে, কারণ চীনের অর্থনীতি অত্যন্ত স্থিতিস্থাপক এবং কোনো বাণিজ্য যুদ্ধ দিয়েই সহজে দমন করা যায় না। হু সিজিন আরও জানান যে, চীনের পণ্য রপ্তানি জোর করে বা বাধ্য করে নয়—এগুলো বাজারে প্রতিযোগিতায় জিতেছে সততা, সাশ্রয়ী মূল্য ও শ্রমঘন উৎপাদনের কারণে।

    এই রেকর্ড উদ্বৃত্তের পেছনে মূল কারণগুলো স্পষ্ট: শক্তিশালী রপ্তানি প্রবাহ আর দুর্বল আমদানি। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের রপ্তানি প্রায় ২০% কমলেও আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা, আসিয়ান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ে—আফ্রিকায় রপ্তানি বেড়েছে রেকর্ড ২৫.৮%। একদিকে বিশ্বব্যাপী চাহিদা স্থিতিশীল থাকার পাশাপাশি ইউয়ানের দুর্বলতা ও চীনের মুদ্রাসঙ্কোচন চীনা পণ্যের আন্তর্জাতিক মূল্যে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা দিয়েছে।

    অন্যদিকে, ২০২৫ সালে চীনের মোট আমদানি মাত্র 0.5% বাড়ে—রপ্তানির 6.1% বৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম। অভ্যন্তরীণ চাহিদার অনির্দিষ্টতা, ভোক্তা গৃহীত ব্যয় কমে যাওয়া ও বিনিয়োগে মন্দা আমদানির মন্থরতার মূল কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ভোক্তা পণ্যের খুচরা বিক্রির বৃদ্ধির হার ধারাবাহিকভাবে কমে আসে; বিশেষ করে নভেম্বর মাসে বৃদ্ধি ছিল কেবল 1.3%, যা গত তিন বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। আবাসন খাতের সংকটও বিনিয়োগকে চাপে রেখেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে ১৯৯৮ সালে তথ্য সংগ্রহ শুরু করার পর প্রথমবারের মতো বার্ষিক বিনিয়োগে পতন আসতে পারে।

    আরেকটি উদ্বেগজনক সূচক—২০২৫ সালের সাত মাহে চীনের মাসিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত প্রতিটি মাসেই ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল; তুলনায় ২০২৪ সালে এটি কেবল একবার ঘটেছিল। এই ধারাবাহিকতা দেখায় যে, শক্তিশালী রপ্তানি ও কাঁচামাল-নির্ভর আমদানির কমতি কোনো সংক্ষিপ্ত কার্যকর নয়, বরং কাঠামোগত প্রবণতা।

    এই অবস্থার সুবিধা ও অসুবিধা দুটোই রয়েছে। শক্তিশালী রপ্তানি চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সমর্থন করছে এবং বিশ্বে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সরবরাহ করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছে—বিশেষ করে উন্নত দেশগুলোর দামের চাপ কমাতে চীনা পণ্যের বড় ভুমিকা থাকতে পারে। কিন্তু উদ্বৃত্তের ধারাবাহিকতা চীনের ওপর রপ্তানিমুখী অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা নির্দেশ করছে। যদি অভ্যন্তরীণ ভোক্তা ও বিনিয়োগ বাড়ানো না যায়, তাহলে চীন এমন এক চক্রে আটকে যেতে পারে যেখানে বৈশ্বিক চাহিদা ভালো থাকা সত্ত্বেও দেশীয় চাহিদা দুর্বল থেকে যায়। আন্তর্জাতিক স্তরেও এ ধরনের ভারসাম্যহীনতা বাণিজ্য অংশীদারদের ক্ষুব্ধ করতে পারে এবং চীনা পণ্যের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বা শুল্ক আরোপ বাড়িয়ে দিতে পারে।

    আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়ে গেছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা সতর্ক করেছেন যে, যদি চীন রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধি মডেলে অনড় থাকে, তবে তা বিশ্ব বাণিজ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁও বলছেন, যদি বেইজিং ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যিক ভারসাম্য নিরসনে ব্যর্থ হয়, তাহলে ইইউকে চীনা পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করতে হতে পারে।

    বেইজিং নিজেও নীরবে বসে নেই। গুয়াংডং পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং বলেছেন, আমদানির পরিধি বাড়ানো এবং আমদানি-রপ্তানির মধ্যে সমতা কায়েম করা জরুরি। বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাওও ঘোষণা দিয়েছেন যে, চলতি বছরে বাণিজ্য মেলা ও লক্ষ্যভিত্তিক ক্রয়ের মাধ্যমে আমদানির পরিমাণ বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হবে। পাশাপাশি চীন শুরু করেছে কিছু নীতিগত বদলে—২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে ফটোভোলটাইক পণ্যের ওপর রপ্তানি ভ্যাট রিবেট বাতিল করা হচ্ছে; ব্যাটারি পণ্যের ক্ষেত্রে রিবেটের হারও ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা হবে। তদুপরি, চীন ও ইইউয়ের মধ্যে বৈদ্যুতিক যানবাহনের শুল্ক নিয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে, যেখানে চীনা নির্মাতারা অ্যান্টি-সাবসিডি শুল্কের বদলে ন্যূনতম মূল্য বজায় রাখার শর্তে ব্যবসা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

    শেষ পর্যন্ত প্রশ্ন থেকেই যায়—এই বিশাল বাণিজ্য উদ্বৃত্ত কি চীনের ও বিশ্বের জন্য আশীর্বাদ, নাকি অভিশাপ? উত্তর নির্ভর করছে—রপ্তানি থেকে অর্জিত আয় কি চীনের অভ্যন্তরীণ বাজারে ফিরছে, তা কি আমদানিকে ত্বরান্বিত করছে, এবং বাজারগুলো কীভাবে আরও উন্মুক্ত হচ্ছে। বাস্তবে উত্তর সম্ভবত একদম ধ্রুব নয়: হু সিজিনের তুলনায় অতটা আশাব্যঞ্জক নাও হতে পারে, আর প্রসাদের মতো আতঙ্কিত হওয়ার কথাও সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে চীনের নীতিতে—কি করে তারা আমদানি বাড়ায়, অভ্যন্তরীণ চাহিদি জাগায় এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে। সূত্র: বিজনেস টাইমস।