Author: bangladiganta

  • খুলনা বিভাগের ২০ কলেজে কেউ পাস করনি

    খুলনা বিভাগের ২০ কলেজে কেউ পাস করনি

    যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এইচএসসি পরীক্ষায় এবার খুলনা বিভাগের মোট ২০টি কলেজের শিক্ষার্থীরা পাস করতে পারেনি। গত বছর এই সংখ্যাটি ছিল সাতটি। এছাড়াও, শতভাগ পাসের তালিকায় ছিল ১৩টি প্রতিষ্ঠান, যা এবার কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ৫টিতে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) যশোর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মতিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    তথ্য অনুযায়ী, খুলনা বিভাগের এই ২০টি কলেজের মধ্যে ডুমুরিয়া মডেল মহিলা কলেজ থেকে ১ জন, খুলনা হোম ইকোনমিক্স কলেজ থেকে ১ জন, পাইকগাছার কপিলমুনি সহচারী বিদ্যা মন্দির থেকে ৫ জন এবং তেরখাদা উপজেলার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, কেবল তারাও কেউ পাস করতে পারেনি।

    অপরদিকে, মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিএন কলেজ থেকে ১১ জন, মাগুরার বোজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ থেকে ৮ জন, রাউতড়া হৃদয়নাথ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন, মোহাম্মদপুরের কাইনেরগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে ৯ জন, বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১১ জন, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের শিংজর গোপালপুর কলেজ থেকে ১৮ জন, সাতক্ষীরার আখড়াখোলা আইডিয়াল কলেজ থেকে ৯ জন, সাতক্ষীরার কমার্স কলেজ থেকে ২ জন এবং কুষ্টিয়ার আলহাজ্ব আব্দুল গনি কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হয়নি।

    এছাড়া, যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া হিজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস কলেজ থেকে ৭ জন, চৌগাছার মারুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ২৬ জন, অভয়নগরের শ্রীধারপুর ইউনিয়ন কলেজ, কেশবপুরের বুরুলী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১০ জন এবং ঝিনাইদহের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেওয়ার পরও সবাই অযোগ্য ঘোষণা পান।

    প্রফেসর আব্দুল মতিন জানিয়েছেন, শূন্য পাস হওয়া কলেজগুলোর বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নৌবাহিনীর নাবিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতারক চক্রের গ্রেফতার

    নৌবাহিনীর নাবিক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রতারক চক্রের গ্রেফতার

    বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রকে খুলনায় অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও নৌবাহিনী। এই চক্রটি চাকরি দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিত। বুধবার রাত ১১টার দিকে নগরীর খুলনা হোটেল, ধানসিঁড়ি হোটেল ও সোসাইটির হোটেলে সম্মিলিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে গ্রেফতার করা হয় কুষ্টিয়ার আশিকুর রহমান (৩৬) ও বশির উদ্দিন (৩৮) নামে দুই প্রতারককে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ভুয়া প্রশ্নপত্র, উত্তরপত্র, স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক ও অন্যান্য নথিপত্র জব্দ করা হয়। এই কক্ষটি ছিল প্রতারকচক্রের অফিস কক্ষ হিসেবে ব্যবহৃত। এ সময় আরও ১৬ জন চাকরি প্রার্থীকেও উদ্ধার করা হয় যারা এই প্রতারকচক্রের শিকার। ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, প্রতারকরা ১০-১৫ লক্ষ টাকা চাঁদা হিসেবে নি:সন্দেহে গ্রহণ করে চাকরি দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতি দেয়। তারা তাদের কাছ থেকে স্বাক্ষরিত ব্ল্যাংক চেক ও স্ট্যাম্প সংগ্রহ করত। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্ন ও উত্তরপত্র সরবরাহ করত ভুয়াভাবে। পরে ধরা পড়ে, এই প্রতারক চক্রের সদস্যরা ভুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাধারণ মানুষের অর্থ লুট করছে। পরে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সোনার দাম আট দিনেই এক লাফে ভরিতে ৬,৯০০ টাকা বাড়লো, রুপার দামে ওলটপালট

    সোনার দাম আট দিনেই এক লাফে ভরিতে ৬,৯০০ টাকা বাড়লো, রুপার দামে ওলটপালট

    দেশের বাজারে মূল্যবান ধাতুর দামে ব্যাপক অস্থিরতা চলছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের স্বর্ণের বাজারে এক দিনের মধ্যে আবারও দাম বেড়েছে, যা নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৬,৯০৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে, ফলে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা। এই বাড়তি দামকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে বাজারে। একই সঙ্গে রুপার দামে ও বেশ পরিবর্তন এসেছে, যা বাজারের সমীক্ষা দেখাচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং এ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং এর বৈঠকে এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে, কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে, মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম আরও বৃদ্ধি পায়। তখন সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ২ হাজার ১৯৫ টাকা, যা এখন আবারও রেকর্ড ভেঙে গেছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ৬,৯০৫ টাকা বাড়িয়ে এখন ২ লাখ ৯ হাজার ১০০ টাকা হয়েছে। অন্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও বাড়ানো হয়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৬,৫৯० টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৯৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৫,৬৫৭ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৭ টাকা হয়েছে, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ৪,৮২৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৪২ হাজার ৩০০ টাকা ঠিক করা হয়েছে।

    বলা যায়, এর আগে, ৮ অক্টোবর, প্রথমে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়। তখন, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,৪৬৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,৩৯৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১,২০১ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৪৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১,০২৭ টাকা বাড়িয়ে ১৩৭ হাজার ৪৭২ টাকা নির্ধারিত হয়েছিল।

    অতঃপর, ৭ অক্টোবরের পরিবর্তে, স্বর্ণের দাম আরও বাড়ে। তখন, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ৩,১৫০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৭২৬ টাকা, ২১ ক্যারেট ৩,১০ টাকা বাড়িয়ে ১৯১,৬০৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২,৫৭৮ টাকা বাড়িয়ে ১৬৪,২২৯ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২,১৯২ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩৬,৪৪৫ টাকা হয়।

    গত ৫ অক্টোবর, প্রথমে দাম বাড়ানোর পরিমাণ ছিল যথাক্রমে, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ২,১৯২ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ১৯৭,৫৭৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ২,৯৯ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৮৮,৫৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১,৭৯৬ টাকা বাড়িয়ে ১ লাখ ৬১,৬৫১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম ১,৫২৮ টাকা বাড়িয়ে Carsonton ১৩৪,২৫৩ টাকা নির্ধারিত হয়।

    এছাড়া, স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি রুপার দামে থেকেও খুব বড় পরিবর্তন এসেছে। ভালো মানের ২২ ক্যারেটের রুপার প্রতি ভরি দাম ৩২৬ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ৩০৩ টাকা বেড়ে ৪ হাজার ৭৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ২৬৯ টাকা বাড়ে এবং এখন ৪ হাজার ৭১ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি রুপার দাম ১৯৮ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৫৬ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    আগের সংশ্লিষ্ট দাম অনুযায়ী, ৮ অক্টোবর ২২ ক্যারেটের রুপার দাম ছিল ৪ হাজার ৬৫৪ টাকা, যা এখন বেড়ে ৪ হাজার ৯৮০ টাকা; ২১ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৪৪৪ টাকায় পৌঁছেছে; ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ৩ হাজার ৮০২ টাকা; এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ৮৫৮ টাকা। এই দাম পরিবর্তনগুলো বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে অস্থিরতার চিত্র স্পষ্ট করে দিচ্ছে।

  • সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, ব্যাংক একীভূতিতে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না

    সরকার কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি, ব্যাংক একীভূতিতে বিনিয়োগকারীর স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে না

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) অর্থ মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক একীভূত করার পরিকল্পনায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে—এমন কোনো সিদ্ধান্ত সরকার গ্রহণ করেনি। এই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু মহল নানা গুজব ছড়াচ্ছে, যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যাংকগুলো একীভূত করার প্রকল্পের সময় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে, এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে গুজব ও মিথ্যা সংবাদ।

    সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই গুজবের বিষয়ে সবাই সতর্ক থাকাসহ বিভ্রান্তি না ছড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। ব্যাংক পুনর্গঠনের প্রক্রিয়ায় বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার সব ধরনের মূল্যায়ন ও নজরদারি করছে।

  • স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    স্বর্ণের দাম নতুন রেকর্ড, ভরি দুই লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা

    দেশের বাজারে স্বর্ণের মূল্য আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন রেকর্ডের সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বেড়েছে। এর ফলস্বরূপ, এখন একটি ভরি স্বর্ণ কিনতে গিয়ে খরচ করতে হবে ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা।

    এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ হলো স্থানীয় বাজারে তেজাবী বা পাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এই নতুন মূল্য নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে এবং জানিয়েছে, আগামী মঙ্গলবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে।

    বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বেড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর পাশাপাশি, রুপার দামেরও যোগ হয়েছে বৃদ্ধি। এখন রুপার প্রতি ভরি দাম দাঁড়িয়েছে প্রায় ছয় হাজার ২০৫ টাকা, যা আগে থেকে আরও বেশি।

    অন্যদিকে, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা থেকে বেড়ে ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম বেড়ে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫ টাকা থেকে এখন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮৮ টাকায় পৌঁছেছে।

  • ১৪ দিনের মধ্যে ছয় বার বেড়ে গেলো সোনার দাম

    ১৪ দিনের মধ্যে ছয় বার বেড়ে গেলো সোনার দাম

    দেশের বাজারে এই মাসের প্রথম ১৪ দিনে ছয় বার বাড়ানো হয়েছে স্বর্ণের মূল্য, যা একটি অবিশ্বাস্য রেকর্ড। এর ফলস্বরূপ, দেশের স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম পৌঁছেছে নতুন উচ্চতায়। একদিনের ব্যবধানে আবারো স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বাজারে। বাজুস (বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন) ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা إضاف করে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা এখন এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এটি এখন দেশের স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। এই নতুন দাম ১৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, চলমান বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং স্বর্ণের তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে দেশীয় বাজারে প্রতি ভরি (১২ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম হবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি মূল্য হলো ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা। এদিকে, বাজুস জানিয়েছে যে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরির যোগ করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে এই মজুরির পরিমাণে পার্থক্য আসতে পারে। উল্লেখ্য, গত ১৩ অক্টোবর বাজুস স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এনেছিল; তখন ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা। ওই দিন থেকে এই মূল্য কার্যকর হয়।

  • ভারত থেকে জাল টাকা ঢোকা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    ভারত থেকে জাল টাকা ঢোকা নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং পত্র-পত্রিকায় দেখা যাচ্ছে যে, ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। এই খবরের প্রভাবে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে এবং অযথা উদ্বেগ বাড়তে পারে; তাই বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্কবার্তা জারি করেছে। বুধবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের অসত্য খবরের কারণে বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে এবং জনসাধারণকে এড়ানো উচিত অপ্রয়োজনীয় উদ্বেগ।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের প্রচলিত আইনে জাল টাকা তৈরি, বহন ও লেনদেন অনেক গুরুতর অপরাধ। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়মিতভাবে জাল টাকা প্রতিরোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারা জাল নোটের উৎস, চলাচল এবং ব্যবহারে তীক্ষ্ণ নজরদারি চালাচ্ছে।

    জনগণকে সতর্ক থাকার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। প্রথমত, বড় অঙ্কের লেনদেনে নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমান প্রিন্ট, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি, ও ক্ষুদ্র লেখা লক্ষ্য করে যাচাই করতে হবে। দ্বিতীয়ত, বৃহৎ পরিমাণের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করে করতে হবে। তৃতীয়ত, নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার দেয়া উচিত। শেষবারের মতো, সন্দেহজনক কোনও নোট পেলেই নিকটস্থ থানায় অথবা জরুরি সার্ভিস ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ‘আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন’—এই উদ্দেশ্যে তারা বলে থাকে যে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd ভিজিট করুন। এছাড়াও, প্রত্যেক ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তকরণে এক্স-ব্যানার ও পোস্টার দেখা যাবে।

    সম্প্রতি কাতারভিত্তিক একটি অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিক তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন, যেখানে এই জাল টাকার খবরটি উলেখ করা হয়। ওই পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী খুবই সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা দ্রুত এই অপতৎপরতা রুখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

  • সালাহউদ্দিনের ঘোষণা: জুলাই সনদে ভিন্নমতের নোট থাকবে

    সালাহউদ্দিনের ঘোষণা: জুলাই সনদে ভিন্নমতের নোট থাকবে

    এখানে উল্লেখ্য যে, জুলাইয়ের সনদে আমরা সব বিষয়ে স্বাক্ষর করব, তবে পাশাপাশি ভিন্নমত বা বিভেদরেখা সব সময় স্পষ্টভাবে উল্লিখিত থাকবে। প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এই কথাগুলো বলেন। তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্টের মাধ্যমে আমাদের ভিন্নমতের বিষয়গুলো পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করা হবে, কারণ এই নোট অব ডিসেন্ট দেওয়ার এখতিয়ার আছে এবং এজন্যই আমরা ঐকমত্যের ভিত্তিতে আলোচনা করেছি।

    বুধবার (১৫ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। সালাহউদ্দিন আরও বলেন, আমাদের দেশ এই সংস্কার চায় এবং আমরাও চাই। যে কোনও দল ক্ষমতায় এলে বা জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল এই সংস্কার বাস্তবায়ন করতেই হবে।

    তিনি বলেন, ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠেয় সংবিধান অনুযায়ী স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পূর্বে প্রধান উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করতে চেয়েছিলেন। সবাই যাতে অংশগ্রহণ করে এবং এই ঐতিহাসিক দলিলটি সংরক্ষণ করে, স্বাক্ষর করে।

    সালাহউদ্দিন জানান, আমরা সবাই এতে সম্মত হয়েছি। তবে কিছু বিষয়ে আলোচনা ও মতভেদ থাকলেও, তারা সব দল অংশ নেয়নি। তিনি বলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। জুলাইয়ের সনদ প্রণয়ন ও অন্যান্য কার্যক্রমের মূল লক্ষ্যও এই নির্বাচনই, যা সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বিশ্বস্ত হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই সনদ ও নির্বাচন কার্যক্রমের মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক নেই।

    তিনি বলেন, এই সংস্কার সারা জাতি চায় এবং আমরাও চাই। বাংলাদেশে যে কোনও ক্ষমতাসীন দল বা অধিক সংখ্যক আসনপ্রাপ্ত দল এই সংস্কার বাস্তবায়ন করবে। গণভোটের মাধ্যমে জনগণের পক্ষ থেকে সার্বভৌম ক্ষমতা সংসদকে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে এই সংস্কারগুলো জাতীয় স্বার্থে গ্রহণ করা হবে। এগুলোর জন্য গণভোটের আয়োজন করা হবে, যাতে জনগণ সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আলোচনা মূলত সেই বিষয়ে ছিল যেখানে রাজনৈতিক দলগুলো একমত বা অমত রয়েছে। যেখানে দ্বিমত বা ভিন্নমত রয়েছে, সেগুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যদি জুলাইয়ের সনদ স্বাক্ষরিত হয় এবং এতে ভিন্নমত থাকলে, তখন গণভোটে একমাত্র প্রশ্ন উঠবে—“এই সনদ আপনার পক্ষে কি?”। আশা করা হচ্ছে, এই ভোটে প্রচুর মানুষ অংশ নেবে, কারণ সাধারণ জনগণ এই সংস্কারের পক্ষে।

    অবশেষে তিনি বলেন, সব দল ও জনগণের সমর্থনে এই সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়িত হবে। তার কথায়, জনগণই এই সংস্কারের সুরক্ষা ও স্বীকৃতি দেবে এবং তারা এই পরিবর্তনকে স্বীকৃতি দেবে জাতীয় স্বার্থে।

  • জুলাই সনদে স্বাক্ষর মানতে না পারলে জামায়াতের অস্থিরতা, গণভোটের দাবিতে থাকার সংকেত

    জুলাই সনদে স্বাক্ষর মানতে না পারলে জামায়াতের অস্থিরতা, গণভোটের দাবিতে থাকার সংকেত

    জাতীয় সংসদের উভয় কক্ষে পিআর (প্রচার মাধ্যমের ভোটাধিকার) পদ্ধতিতে নির্বাচনের জন্য জুলিই সনদে আগাম NOVEMBER মাসে গণভোট আয়োজনের প্রস্তাব যদি অন্তর্ভুক্ত না করা হয়, তাহলে জামায়াতে ইসলামীরা সে সনদে স্বাক্ষর করবেন না বলে কঠোর বার্তা দিয়েছেন। এই ঘোষণা দিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মি. গোলাম পরওয়ার। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে এক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন, যেখানে ‘জুলাই জাতীয় সনদের আইনি ভিত্তি, গণভোট এবং পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা হয়। 
    তিনি বলেন, ‘আগামীকাল আমরা জুলিই সনদের স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি এবং দলের মধ্যে আমাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। যদি নভেম্বরের গণভোটের জন্য প্রস্তাবিত বিষয়গুলো সমাধানে আলোচনা করে আমাদের সন্তুষ্টি আসে, তবে আমরা স্বাক্ষর করতে পারব। কিন্তু যদি তাদের দৃষ্টি হয় যে, এই বিষয়গুলো অপ্রয়োজনীয় বা অগ্রাধিকার নয়, তাহলে স্বাক্ষরে অনাগ্রহ থাকবে।’
    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদের খসড়ায় উভয় কক্ষে পিআর প্রস্তাব অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, সেটি গণভোটের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে হবে। যদি সাধারণ মানুষ তা গ্রহণ করে, তাহলে আমাদের মানতে হবে। আর যদি না মানে, তবুও মানতে হবে। কারণ, জনগণের মতামত না নেওয়া হলে এ বিষয়টি অচল হয়ে যাবে।’
    তিনি আরও বলেন, ‘কেউ কেউ বলছেন, একদিনে গণভোট ও নির্বাচন সম্ভব নয়। তবে নভেম্বরের মধ্যে গণভোট সম্পন্ন করার পক্ষে আমরা। এক দিনে না হলেও, দুই বা তিন দফায় ভোটাভুটির পরিকল্পনা থাকতে পারে। এই জন্য জরুরি সময়ের বাইরে না গিয়ে সময়মতো পরিকল্পনা করতে হবে।’
    অন্যদিকে, গোলাম পরওয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করতে হঠাৎ কিছু গোপন সম্পর্কের জালঁর উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টাকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘শুধু ভয় দেখানো বা বিভ্রান্ত করা তুলনায় মূলত উদ্দেশ্য হচ্ছে, কোন বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা যদি হয় তাহলে তা রুখে দেওয়া হয়।’
    জামায়াতের প্রধান বলেন, ‘ইতোমধ্যে অনেক সংস্কার করা হয়েছে, কিন্তু তা কি যথেষ্ট? যদি কোন দলের পকেটে আরেকটি বড় রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, তাহলে এই সকল পরিবর্তন বৃথা হয়ে যাবে। প্রধান উপদেষ্টাকে সাবধান থাকতে হবে, না হলে দেশের সব রক্তদানের কর্মসূচি, অভ্যুত্থান বা চুক্তি অর্থবহ থাকবে না।’

  • মির্জা ফখরুলের ওই নোট অব ডিসেন্ট যদি লিপিবদ্ধ হয়, বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

    মির্জা ফখরুলের ওই নোট অব ডিসেন্ট যদি লিপিবদ্ধ হয়, বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা অবশ্যই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করব, যদি আমাদের করা নোট অব ডিসেন্ট (ভিন্নমত) গুলোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়। তিনি বলেন, যদি যেসব বিষয় নিয়ে আমরা ভিন্নমত পোষণ করেছি, সেগুলো যদি লিখিতভাবে রেকর্ড করা হয়, তবে আমাদের স্বাক্ষর করার দরজা খুলে যাবে। বৃহস্পতিবার রাতে ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের বন্দর এলাকায় উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এক পথসভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সাংবাদিকরা hỏiেছিলেন, বিএনপি কি সত্যিই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে? উত্তরে তিনি বলেন, একটু অপেক্ষা করুন। দু’টি দল ইতিমধ্যেই বলেছে, এরূপ সনদে স্বাক্ষর তখনই করবে যখন তাদের বিষয়গুলো লিখিতভাবে মান্যতা দেয়া হবে। কিন্তু বিএনপি সেই কথা বলে আসছে না। বরং বলেছে, আমরা অবশ্যই সনদে স্বাক্ষর করব, যদি আমাদের ভিন্নমত গুলো লিপিবদ্ধ করা হয়।

    তিনি সবাইকে ধৈর্য্য ধারণ করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, আমরা গণভোটের ভিত্তিতে এগুচ্ছি। জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আজকের পরিস্থিতিতে আমরা একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছি। ভবিষ্যতে সিদ্ধান্ত জানানোর সময় আসবে, তখনই জানানো হবে, বিএনপি কি সনদে স্বাক্ষর করবে কি না। তিনি আরও বলেন, অস্থির হওয়ার কিছু নেই, একটু অপেক্ষা করুন। একটু টেনশন থাকা ভালো, কারণ এটা স্বাভাবিক।

    মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরে আসার জন্য প্রস্তুত। তিনি বলেন, তার ফিরে এলে জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হবে একটি উত্তাল আগুন, সেই উত্তাল তরঙ্গের মধ্যে সব অপশক্তি ধ্বংস হয়ে যাবে।

    তিনি বলেন, আমাদের জন্য অতন্দ্র সুযোগ চিরকাল আসে না। আমাদের সামনে যে সুযোগ এসেছে, তা হলো গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা এবং আমাদের ভবিষ্যৎকে গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেয়া। সেই সুযোগকে আমরা গ্রহণ করব।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বিএনপি একটি পরীক্ষিত রাজনৈতিক দল। যার জন্ম গণতন্ত্র এবং সংস্কারের মাধ্যমে। বিএনপি শুরু করেছে বহুতল গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রাজনীতি। দুঃখজনকভাবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটিও বিএনপিই সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করেছিল। এই সরকার পরিচালিত অনেক সুষ্ঠু নির্বাচন তাঁদের অধীনে হয়েছে, কিন্তু পরে শেখ হাসিনা সেটি বন্ধ করে দিয়েছেন কারণ, বোঝা গেছে, অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপি জিততে পারবে না।