Author: bangladiganta

  • রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে: সেলিমা রহমান

    দেশ-রাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান।

    তিনি বলেছেন, দেশের সংস্কার আছে, রাষ্ট্রের আছে; রাজনৈতিক দলেরও সংস্কার করতে হবে। অনেকে বক্তৃতা করার সময় পেছনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলেন। আমরা যদি কোনো কাজ করতে না পারি, জনগণের কল্যাণ করতে না পারি, তাহলে এ ছবি কোনো কাজে আসবে না। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া অনেক কষ্ট করেছেন, তবুও তিনি মাথানত করেননি। তিনি বলেছেন, দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও। এর জন্যই তিনি আজীবন লড়াই করেছেন।

    সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটি’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

    সেলিনা রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা এবং দলটির নেতাকর্মীরা ভারত ও অন্যান্য দেশে অবস্থান করে বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। বিএনপি ১৭ বছর ধরে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আন্দোলন করছে। হ্যাঁ, আমাদের একটা সরকার আছে। তারা কাজ করার চেষ্টা করছে। কিন্তু স্বৈরশাসক যিনি পালিয়ে গিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, সেখান থেকে তিনি একেকদিন একেকটা ফোনকল ছাড়ছেন। আওয়ামী লীগ নেতা যারা পালিয়ে আছেন, তারা দেশের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন যাতে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য মোছা. ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে ও মহিদুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মো. সারোয়ার হোসেন রুবেলের সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্মমহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু প্রমুখ।

  • তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, ছাত্রদলের উদ্বেগ

    গত কয়েকদিন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত বিভিন্ন কলেজ ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভুলবোঝাবুঝি কিংবা তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ ও একে-অন্যের প্রিয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিনষ্টের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

    সোমবার সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

    এতে বলা হয়, দীর্ঘদিন ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার কারণে এদেশের মেধাবী শিক্ষার্থীসমাজসহ নাগরিকদের মধ্যে পুঞ্জীভূত হয়ে আছে নানা ক্ষোভ ও অভিযোগ। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে বিজয়ের পর আমরা সবাই বাংলাদেশিরা সম্মিলিত প্রয়াসে একটি ইতিবাচক ও বৈষম্যহীন সাম্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নে কাজ করে যাচ্ছি আর অন্যদিকে পতিত স্বৈরাচার খুনি হাসিনার দোসররা দেশবিরোধী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

    তাই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টজনদের কাছে নিজেদের মধ্যকার ভুলবোঝাবুঝিসহ নানা জটিলতাকে আলাপ-আলোচনা-উদারতা ও পরমত সহনশীলতার মাধ্যমে জাতীর বৃহত্তর কল্যাণ স্বার্থে বিবাদ মিমাংসার উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছে এবং একইসঙ্গে, তৃতীয় স্বার্থান্বেষী যে দেশদ্রোহী মহল শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক ঐক্য বিনষ্ট করে দূরত্ব তৈরি করছে এবং ক্যাম্পাসগুলো অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে তাদের সম্পর্কে সজাগ ও সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের শিক্ষার্থীসহ সবাই ধৈর্যশীল-উদার ও ইতিবাচক হবার অনুরোধ জানিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সব বিবাদ মিমাংসার ওপর জোর দিয়ে উল্লিখিত আহ্বান জানিয়েছেন।

  • বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপিই পারে আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে: আবদুস সালাম

    বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেছেন, এখনো ষড়যন্ত্র চলছে। নির্বাচন কিন্তু এখনো ঘোষণা হয় নাই। নির্বাচন কমিশন হয়েছে। এজন্য আমরা ধন্যবাদ জানাই।

    সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা ২৮নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    আবদুস সালাম বলেন, আশা করি সরকার অনতিবিলম্বে নির্বাচনি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তা নাহলে আওয়ামী দোসররা ষড়যন্ত্র করে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাইবে। এই অস্থিরতা মোকাবিলা করার জন্য তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি ছাড়া কি আর কেউ আছে? আওয়ামী লাঠিয়ালদের মোকাবিলা করতে পারে একমাত্র বিএনপি।

    তিনি আরও বলেন, রাজপথে এলাকায় এলাকায় ওই খুনিদের মোকাবিলা করার জন্য বিএনপিকে দরকার। আমরা এখনো মাঠে আছি। গণতন্ত্র যে পর্যন্ত ফিরে না আসবে, ভোটের ডেট যে পর্যন্ত দেওয়া না হবে, নির্বাচন যে পর্যন্ত শেষ না হবে সে পর্যন্ত আমাদের রাজপথে থাকতে হবে।

    তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আমাদের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। এজন্য জনগণের মন জয় করতে হবে। আমি সন্ত্রাসে বিশ্বাস করি না, চাঁদাবাজিতে বিশ্বাস করি না, কোনো খারাপ কাজে বিশ্বাস করি না।

    পথসভায় মিজানুর রহমান স্বপন, মোতাহার হোসেন, সেলিম রেজা, শামীম আহমেদ ও যুবদল নেতা আমির হোসেন রাজুসহ থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • বছরে দুইবারের বেশি বিদেশ যেতে পারবেন না চিকিৎসকরা

    বছরে দুইবারের বেশি বিদেশ যেতে পারবেন না চিকিৎসকরা

    চিকিৎসকদের বিদেশে সভা, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশহণের ক্ষেত্রে কোন প্রার্থী বছরে সর্বোচ্চ দুই বার বিদেশের সভা-সেমিনারে যাওয়ার নির্দেশনাসহ ১১টি নীতিমালা দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।

    রোববার মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ আবদুল হাই স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    এতে বলা হয়, ‘পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থায় কর্মরত চিকিৎসকদের বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে নিম্নবর্ণিত নীতিমালা অনুসরণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো।’

    যেসব নীতিমালা: 

    কোন প্রার্থী বছরে (সর্বশেষ ১২ মাস) সর্বোচ্চ দুই বার বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে যেতে পারবেন।

    প্রার্থী যে বিষয়ে অভিজ্ঞ বা যে বিষয়ের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত (দায়িত্ব পালনরত) কেবল সেই বিষয়ে আমন্ত্রিত হতে পারবেন।

    প্রার্থী যে বিষয়ে অধ্যয়নরত সেই বিষয়ে আমন্ত্রিত হয়ে গমন করতে পারবেন।

    আমন্ত্রণকারী সংস্থার নিজস্ব ডোমেইনভুক্ত ওয়েবমেইল হতে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ওয়েবমেইলে ([email protected], cc: [email protected]) আমন্ত্রণপত্রের অনুলিপি বা কপি পাঠাতে হবে।

    আমন্ত্রণকারী সংস্থা যাবতীয় খরচ (ভিসা ফি, উভয় পথের বিমানভাড়া, আবাসন ব্যবস্থা বা খরচ ইত্যাদি) বহন করবেন মর্মে আমন্ত্রণকারী সংস্থা হতে প্রত্যয়নপত্র প্রমাণক হিসেবে দাখিল করতে হবে।

    বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে গমনপূর্বক ফেরত আসার পর একটি প্রতিবেদন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে (প্রশাসন-১) শাখায় দাখিল করতে হবে।

    তৃতীয় পক্ষ খরচ বহন করবে, এ রকম যেকোন আবেদন সরাসরি বিবেচনার বাহিরে থাকবে।

    বৈদেশিক সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম বা প্রশিক্ষণ কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের প্রমাণস্বরূপ প্রোগ্রামে যোগদানের ও সমাপ্তি দিনের ছবি দাখিল করতে হবে।

    যথাযথ মাধ্যমে অগ্রায়নকৃত আবেদনে প্রতিষ্ঠান বা দপ্তর প্রধান ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সুপারিশ থাকতে হবে।

    অগ্রায়নের পূর্বে প্রতিষ্ঠান বা দপ্তর প্রধান প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্র ১নং হতে ৯নং ক্রমিকে বর্ণিত শর্তাদি যাচাই করে সঠিক পাওয়া গেলো (Verified and Found Ok) মর্মে প্রত্যায়িত করতে হবে।

    অন্যান্য বিষয় যা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বিবেচ্য মনে করেন।

    ‘উপরিউক্ত নির্দেশনাসমূহ আগামী ১ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখ থেকে চিকিৎসকদের আমন্ত্রণের ভিত্তিতে বিদেশে সেমিনার, সভা, সিম্পোজিয়াম, প্রশিক্ষণ বা কর্মশালা ইত্যাদিতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে এ আদেশ জারি করা হলো’, বলা হয় অফিস আদেশে।

  • ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

    ৩০০ বিলিয়ন ডলার সহায়তার প্রতিশ্রুতি

    অবশেষে জলবায়ু সংকটের ঝুঁকিতে থাকা দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর ৩০০ বিলিয়ন (৩০ হাজার কোটি) ডলার দেবে শিল্পোন্নত দেশগুলো। ২০৩৫ সাল পর্যন্ত এ অর্থ দেওয়া হবে। দীর্ঘ দরকষাকষির পর রোববার ভোরে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে এ অর্থায়নের বিষয়ে একমত হন প্রায় ২০০টি দেশের প্রতিনিধিরা। তবে কার্বনডাই অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর চুক্তিতে ঐকমত্য হলেও সাহায্যের পরিমাণকে অপমানসূচক হিসাবে আখ্যা দিয়েছে সমালোচক আর অনুন্নত দেশগুলো। এছাড়া চুক্তিটি কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে সন্দিহান পরিবেশবাদীরা। এ বছর বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি পোষাতে বছরে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন (১ লাখ ৩০ হাজার কোটি) ডলার চেয়েছিল। জলবায়ু পরিবর্তনে অন্যতম দায়ী উচ্চ হারে কার্বনডাই অক্সাইড নিঃসরণ। যার ৮০ শতাংশ করে থাকে উন্নত দেশগুলো। তাই প্যারিস জলবায়ু সম্মেলন থেকে আওয়াজ উঠে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার। পরে তহবিল গঠনে একমত হলেও তেমন তোড়জোড় ছিল না অর্থায়নে।

    আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে জাতিসংঘের ২৯তম জলবায়ু সম্মেলনে অগ্রাধিকার ছিল অর্থায়নের বিষয়টি। দুই সপ্তাহব্যাপী সম্মেলনে বিভিন্ন সেশনে এ নিয়ে চলে নানা বিতর্ক আলোচনা। শুক্রবার আয়োজনের সমাপ্তি টানার কথা থাকলেও সমঝোতা না হওয়ায় দীর্ঘ হয় আলোচনা। ধনী দেশগুলোর গড়িমসিতে ক্ষুব্ধ হয় জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্ত বেশকিছু দরিদ্র রাষ্ট্র। দুর্যোগে পর্যুদস্ত এই দরিদ্র দেশগুলো বিশ্বের দূষণের জন্য দায়ী বিত্তবান দেশগুলোর প্রতিশ্রুত এই তহবিলকে ‘অপমানজনক নগণ্য’ হিসাবে অভিহিত করেছে। আলোচনা স্থল থেকে তারা ওয়াকআউট করেন। দীর্ঘ ৩০ ঘণ্টা পর নাটকীয়ভাবে হয় সমঝোতা। একমত হন প্রায় ২০০ দেশের প্রতিনিধি। তবে, এতে অসন্তোষ জানায় পানামা, নাইজেরিয়া, কিউবাসহ বেশকিছু স্বল্পোন্নত দেশ। না মানার ঘোষণা দেয় ভারত। কপ-২৯ এর পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, শিল্পোন্নত দেশগুলোতে প্যারিস চুক্তির বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক নেতারা ক্ষমতায় ফিরতে শুরু করেছেন। ফলে ১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলার তহবিলের অর্থ অঙ্গীকার করতে রাজি হচ্ছে না উন্নত দেশগুলো। কপ-২৯ সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে ক্ষতিকর দেশগুলো কী পেল, সে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

    ভারত তহবিলের অঙ্ককে নিতান্তই কম বলে তা গ্রহণে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। ভারতের প্রতিনিধি চাঁদনি রেইনা কড়া ভাষায় বলেন, ‘এটা খুবই নগণ্য অঙ্ক।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই নথিপত্র একটি অপটিক্যাল ভুলের চেয়েও বেশি। আমাদের মতামত অনুসারে এই তহবিল যে ঝুঁকি আমরা সবাই মোকাবিলা করছি তা মেটাতে পারবে না।’ বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশ হিসাবে বিবেচিত সিয়েরা লিওনের জলবায়ুমন্ত্রী জিও আবদুলাই এই উদ্যোগকে উন্নত দেশগুলোর ‘সদিচ্ছার অভাব’ হিসাবে অভিহিত করে বলেন, ‘ফলাফল হিসাবে যা এসেছে, তা দেখে আমরা খুবই হতাশ।’ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ার ঝুঁকিতে থাকা ছোট দ্বীপদেশ মার্শাল আইল্যান্ডের জলবায়ু প্রতিনিধি টিনা স্টেজ বলেন, তিনি এই সম্মেলন থেকে লড়াই শেষে সামান্য কিছুই নিয়ে যেতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘এটা পর্যাপ্ত নয়, তবে এটা শুরু হলো।’

    এ ঘোষণার পর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তবে শুক্রবার খসড়া চুক্তিতে বছরে ২৫০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব করায় বাংলাদেশ গভীর হতাশা প্রকাশ করে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান একে খুবই হতাশাজনক একটি প্যাকেজ বলে অভিহিত করেছিলেন। এর আগে শুক্রবার সম্মেলনে খসড়া চুক্তিতে বছরে ২৫০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে ওই প্রস্তাব নাকচ করে দেয় দরিদ্র দেশগুলো।

    চূড়ান্ত চুক্তি অনুযায়ী, ২০৩৫ সাল পর্যন্ত দরিদ্র দেশগুলোকে প্রতিবছর অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলার দেবে উন্নত দেশগুলো। জলবায়ু তহবিলে জমা দেওয়া এই অর্থ দরিদ্র দেশগুলোর অর্থনীতিকে আরও পরিবেশবান্ধব করতে এবং দেশগুলোয় জলবায়ু সংকটের কারণে সৃষ্ট দুর্যোগ মোকাবিলায় খরচ করা হবে। বর্তমানে এই তহবিলে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন ডলার জমা দিচ্ছে ধনী দেশগুলো। এ প্রস্তাবেও অসন্তোষ ছিল দরিদ্র দেশগুলোর। তাদের অভিযোগ, এই বরাদ্দও অপ্রতুল।

    এই জলবায়ু চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন সম্মেলনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি ওপকে হোয়েকস্ট্রা। তিনি একটি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, জলবায়ু অর্থায়নের নতুন যুগের সূচনা হিসাবে কপ-২৯ সম্মেলনকে বিশ্ব স্মরণে রাখবে। অন্যদিকে চুক্তির সমালোচনা করে গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার শিফট আফ্রিকার পরিচালক মোহামেদ আদোউ বলেছেন, ‘উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য এই কপ একটি বিপর্যয়। ধনী দেশগুলো যারা জলবায়ু পরিবর্তনকে গুরুত্ব দেওয়ার দাবি করে, তারাই পৃথিবী ও এর বাসিন্দাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’

     

     

     

  • তৃতীয় দিন শেষে ১৮১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    তৃতীয় দিন শেষে ১৮১ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ

    অ্যান্টিগা টেস্টে ৪৫০ রানে ইনিংস ঘোষণা করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ৪০ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিন শেষ করে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনের শুরুতেই শাহদাত হোসেন দিপুর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। তবে লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মুমিনুল হক।

    তবে সেট হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি এই দুই ব্যাটার। তাদের বিদায়ে ফলোঅনের শঙ্কায় পড়েছ বাংলাদেশ। তবে জাকের আলি ও তাইজুল ইসলামের ব্যাটে ফলোঅন এড়ায় টাইগাররা। ৯ উইকেট হারিয়ে ২৬৯ রান সংগ্রহ করে তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।

    মুমিনুল ২৩ বলে ৭ ও দিপু ৩১ বলে ১০ রানে নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামেন। তবে এ দিন সুবিধা করতে পারেননি দিপু। দলীয় ৬৬ রানে ৭১ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফিরে যান তিনি।

    দিপুর বিদায়ের পর ক্রিজে আসা লিটনকে সঙ্গে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন। দেখেশুনে খেলে রানের চাকা সচল রাখেন এই দুই ব্যাটার। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ফিফটি তুলে নেন মুমিনুল।

    ৬২ রানের জুটি গড়েন লিটন ও মুমিনুল। তবে দলীয় ১২৮ রানে ১১৬ বলে ৫০ রান করে আউট হন মুমিনুল। তার বিদায়ের পর পরই সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ৭৬ বলে ৪০ রান করেন তিনি।

    এরপর জাকের আলিকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তবে দলীয় ১৬৬ রানে ৬৭ বলে ২৩ রান করে আউট হন মিরাজ। তার বিদায়ে বেশ চাপে রয়েছে বাংলাদেশ।

    এরপর তাইজুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে চাপ সামাল দেয় জাকের আলি। ৬৮ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। ফিফটি তুলে নেন জাকের।

    তবে দলীয় ২৩৪ রানে ৬৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন তাইজুল। ফিফটির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকের। ফিরেছেন ৮৯ বলে ৫৩ রান করে। তার বিদায়ের পর ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি হাসান মাহমুদ। ১৬ বলে ৮ রান করে আউট হন তিনি।

    এরপর তাসকিন আহমেদ ও শরীফুল ইসলাম মিলে দিনের বাকী খেলা শেষ করেন। তাসকিন ২১ বলে ১১ ও শরিফুল ৮ বলে ৫ রানে অপরাজিত আছেন।

  • আওয়ামী লীগের দুই সাবেক সংসদ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন

    আওয়ামী লীগের দুই সাবেক সংসদ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন

    ঝিনাইদহ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নায়েব আলী জোয়ারদার ২ মামলায় ৭ দিনের এবং ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি ৩ মামলায় ২০ দিনের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন

    রোববার (২৪ নভেম্বর) ঝিনাইদহ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এমরান হোসেন চেীধুরী আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ জামিন আদেশ দেন।

    জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান।

    জানা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য নায়ের আলী জোয়ারদারকে ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদের বাড়ি ও জেলা বিএনপির অফিসে হামলা অগ্নিসংযোগের অভিযোগের মামলায় গত ১২ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনার দিন রাতে ঝিনাইদহ শহরের আরপপুরের জামতলা এলাকার বাড়ি থেকে র‍্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে। তারপর থেকেই তিনি জেলে ছিলেন। ঝিনাইদহ-১ আসনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আবদুল হাই মৃত্যুবরণ করলে বিনাভোটে নায়েব আলী জোয়ারদার এমপি নির্বাচিত হন।

    এ দিকে ঝিনাইদহ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য তাহজীব আলম সিদ্দিকীকে গত ৬ অক্টোবর সাভারের নবীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ২০১৩ সালে জামায়াত নেতা আব্দুস সালাম হত্যা মামলা, জেলা বিএনপি সভাপতি এম এ মজিদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও জেলা বিএনপি অফিস পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে তিনটি পৃথক মামলা রয়েছে।

    এ বিষয়ে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান বলেন, মেডিকেল গ্রাউন্ডে আদালত আওয়ামী লীগের সাবেক দুই সংসদ সদস্যকে জামিন দিয়েছেন। দীর্ঘদিন তারা শারীরিকভাবে অসুস্থ বলে আসামির আইনজীবী আদালতকে জানান। তারপরও তাদেরকে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিয়ে জামিন মঞ্জুর করেছেন।

     

  • ২৬ সাংবাদিকসহ ২৯ জনের ব্যাংক হিসাব তলব

    ২৬ সাংবাদিকসহ ২৯ জনের ব্যাংক হিসাব তলব

    দেশের ২৬ সাংবাদিকসহ ২৯ জনের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। একইসঙ্গে তাদের ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা পাঠিয়েছে সংস্থাটি।

    রোববার (২৪ নভেম্বর) বিএফআইইউয়ের সংশ্লিষ্ট একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা দুটি পৃথক চিঠির মাধ্যমে তলবের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    প্রথম চিঠি অনুযায়ী যাদের হিসাব তলব করা হয়েছে তারা হলেন— দৈনিক বাংলার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক চৌধুরী জাফরুল্লাহ শারাফত, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান, টিভি টুডে প্রধান সম্পাদক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, ওয়াশিংটনের সাবেক প্রেস মিনিস্টার সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, ডিবিসি নিউজের অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর নাজনীন মুন্নি, ইনডিপেনডেন্ট টিভির প্রধান বার্তা সম্পাদক আশীষ ঘোষ সৈকত, গাজী টিভির এডিটর (রিসার্চ) অঞ্জন রায়, সময় টিভির চট্টগ্রাম ব্যুরো চিফ কমল দে, দৈনিক আমার সময়ের প্রধান সম্পাদক আব্দুল গাফফার খান, যুগান্তরের সাবেক নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি রাজু আহমেদ এবং এক্সিম ব্যাংকের হেড অব পিআরও সঞ্জীব চ্যাটার্জী।

    হিসাব তলব করা ব্যক্তি ও তাদের ব্যক্তি মালিকানা ব্যবসায়িক অ্যাকাউন্টের সব ধরনের লেনদেন আগামী ৩০ দিন বন্ধ থাকবে। প্রয়োজনে লেনদেন স্থগিত করার এ সময় বাড়ানো হবে।

    বিএফআইইউয়ের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, যেসব হিসাব তলব করা হয়েছে তাদের হিসাব সংশ্লিষ্ট তথ্য বা দলিল, যেমন হিসাব খোলার ফরম, কেওয়াইসি ও লেনদেন বিবরণী যাবতীয় তথ্য চিঠি দেওয়ার তারিখ থেকে দুই কার্যদিবসের মধ্যে বিএফআইইউতে পাঠাতে হবে।

    অপর চিঠি অনুযায়ী তলব করা ব্যক্তিরা হলেন- ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সুভাষ চন্দ্র বাদল, ঢাকা ট্রিবিউন ও নিউইয়র্ক টাইমস বাংলাদেশ প্রতিনিধি জুলফিকার আলি মানিক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন, দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সিনিয়র নির্বাহী সম্পাদক মাসুদা ভাট্টি, দ্য ডেইলি অবজারবারের সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরী, ডিবিসি নিউজের সাবেক ডিরেক্টর মো. শহীদুল আহসান চেয়ারম্যান, ঢাকা বাংলা মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালক রাহনুমা আহসান, এটিএন নিউজের বার্তা প্রধান নুরুল আমিন (প্রভাষ), ঢাকা বাংলা মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালক মাহবুবা হেলেন, ঢাকা বাংলা মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালক শাহ মোহাম্মদ শফিকুল আহছান, ঢাকা বাংলা মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশনস লিমিটেডের পরিচালক মো. সালাউদ্দিন চৌধুরি, একাত্তর টিভির কাউন্সেলর মোবাশ্বিরা ফারজানা মিথিলা, দৈনিক জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়, সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়ের ও ইকবাল সোবহান চৌধুরীর মেয়ে সাবরিনা মাহজাবীন।

  • আইজিপির বাসভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

    আইজিপির বাসভবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

    বদলি-পদোন্নতির তদবিরের জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) বাসায় পুলিশ সদস্যদের যাতায়াতের সুযোগ আর থাকছে না। বর্তমান আইজিপি দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বদলি বা পদোন্নতির তদবিরের জন্য তার বাসভবনে অনুমতি ছাড়া প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তার বাসভবনে যাওয়ার আগে অনুমতি নিতে হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ সদর দফতর। 

    পুলিশ সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, আইজিপির বাসায় প্রায়ই পুলিশ সদস্যদের ভিড় থাকতো। তারা বিভিন্ন দাবি কিংবা তদবির নিয়ে যেতেন আইজিপির বাসায়। এক্ষেত্রে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হতো। বর্তমানে সেই সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। অনুমতি ছাড়া এখন আইজিপির বাসভবনে কোনও পুলিশ সদস্য যেতে পারবেন না।

    শনিবার (২৩ নভেম্বর) পুলিশ সদর দফতর  অতিরিক্ত ডিআইজি মিয়া মাসুদ করিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    আদেশে বলা হয়, পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সাক্ষাতের জন্য বাসভবনে যেতে হলে পূর্বানুমতি প্রয়োজন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের সব সদস্যকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

    আদেশের কপিটি পাঠানো হয়েছে, পুলিশ সদর দফতরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন), র‍্যাব মহাপরিচালক, সিআইডি প্রধান, পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর, রেলওয়ে পুলিশের প্রধান, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান, আর্মড পুলিশের প্রধান, সারদা পুলিশ একাডেমি, নৌ পুলিশের প্রধান, ডিএমপি কমিশনার, ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান, এসবি প্রধান, শিল্পাঞ্চল পুলিশ প্রধান, পিবিআই প্রধান, এটিইউ প্রধান এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল।

    এছাড়াও সব রেঞ্জ ডিআইজি, মেট্রোপলিটন কমিশনার, অতিরিক্ত ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপারদের আদেশের কপিটি পাঠানো হয়েছে।

    এর আগে গত ২০ নভেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে আইজিপি হিসেবে নিয়োগ পান বাহারুল আলম।

  • নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে: তারেক রহমান

    নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে: তারেক রহমান

    জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বেছে নেয়া নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। 

    রোববার এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বাংলাদেশের জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে বেছে নেয়া একটি নির্বাচিত সরকারই দেশকে পুনর্গঠন শুরু করতে পারে। জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিকে সম্মান করতে হবে। জনপ্রতিনিধিদেরও জনগণের সেবা করতে হবে। উভয় পক্ষকেই সরকারে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে, যাতে সবার জন্য সমতা, অংশগ্রহণমূলক ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পারে বাংলাদেশ।

    তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক নির্বাচন যত বিলম্বিত হবে, আওয়ামী লীগ যে ভঙ্গুর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করে গেছে নিজেদের আখের গোছানোর জন্য, তা ততই তীব্র হবে। সমাজে জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা ব্যবস্থা, কৃষক যে সমস্যার মুখোমুখি, ব্যবসায় যে চ্যালেঞ্জের মুখে, বিচার বিভাগে এবং সরকারি কর্মক্ষেত্রে যে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব বিদ্যমান, তাতে আমরা একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার পথে এগুতে পারবো না।