Author: bangladiganta

  • সালাহউদ্দিন আহমদ: জুলাই সনদের সূচনা, দফা নিয়ে আপত্তি ও নির্বাচন পরিকল্পনা

    সালাহউদ্দিন আহমদ: জুলাই সনদের সূচনা, দফা নিয়ে আপত্তি ও নির্বাচন পরিকল্পনা

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই সনদের চূড়ান্ত খসড়ার সূচনা এবং তিনটি দফা—২, ৩ ও ৪—সংক্রান্ত ব্যাপারে দলের আপত্তি রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, খসড়া সনদের সূচনায় অসত্য তথ্য দেওয়া হয়েছে। আজ (১৯ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “কিছু বিষয় আলোচনা এড়ানো হয়েছে বা সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হয়নি। খসড়া সনদের মধ্যে এমন কিছু বিষয় রাখা হয়েছে যা বিতর্ক সৃষ্টি করছে। বিএনপি সমস্ত বিষয় পর্যালোচনা করে জাতীয় ঐক্যমত কমিশনে তাদের মতামত দেবে। যদিও বলা হয় যে, আগামী সংসদ গঠনের দুই বছরের মধ্যে সংবিধান সংশোধনী সম্পন্ন করা যাবে, কিন্তু চূড়ান্ত খসড়ায় তার উল্লেখ নেই।”

    তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদের ৮৪ দফার মধ্যে যেসকল দফায় সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে, সেই সব দফার বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, পাশাপাশি যেসমস্ত বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট বা মতান্তর আসছে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত কি হবে—এসব বিষয়ের দ্রুত সমাধান জরুরি। বিএনপি এসব বিষয়ে পর্যালোচনা করে কমিশনে মতামত দেবে।”

    সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে তিনি বলেন, “নব্য সনদে বেশ কিছু বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়েছে। অনেক বিষয়ই বাস্তবায়নে আদেশ বা নির্বাহী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মোকাবিলা সম্ভব। তবে, সংবিধান সংশোধন ও ঐক্যমত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সব বিষয়ের সমাধান আগামী সংসদ কর্তৃক তাদের দুই বছরের মেয়াদে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। পুরনো সনদে এমন ঘোষণা থাকলেও নতুন সনদে তা নেই। এছাড়াও, দ্বিতীয় দফা আলোচনা শেষে অঙ্গীকারনামায় সনদকে সংবিধানের উপরে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক নীতিমালা অনুযায়ী অনুচিত। একথা বলেও যে, সনদ সংবিধানের উপরে থাকতে পারে—এটি ভবিষ্যতের জন্য স্পষ্ট খারাপ নজির তৈরি করবে।”

    নির্বাচন প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিত হবে। প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন, এবং নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন। সম্প্রতি বেশ কয়েকজন উপদেষ্টা এই বিষয়ে শক্তিশালী বার্তা দিয়েছেন। তাই, আমরা এতে কোনও সংশয় 없।”

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, “যারা বিভিন্ন সময় মাঠে বক্তৃতা করে নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তা কেবল কৌশলগত। তারা হয়তো কিছু রাজনৈতিক পক্ষকে চাপ দেওয়ার জন্য এ ধরনের কথন বলছে, তবে এ বিষয়ে আমাদের কোনও আপত্তি নেই।”

  • ফ্যাসিবাদ রুখতে সংবিধান আর লিখিত বিধি যথেষ্ট নয়: তারেক রহমান

    ফ্যাসিবাদ রুখতে সংবিধান আর লিখিত বিধি যথেষ্ট নয়: তারেক রহমান

    বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, সংবিধান কিংবা লিখিত বিধি-বিধান দিয়েই ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। ফ্যাসিবাদ মোকাবিলায় রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে শক্তিশালী জনগণের উপস্থিতি আবশ্যক। তিনি বলেন, জনগণকে রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতেই হবে, তখনই হয়ত ফ্যাসিবাদের বিকল্প নেই। মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের ৪৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

    তারেক রহমান বলেন, সরাসরি ভোটের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধির নির্বাচন শুরু হওয়া থেকে রাষ্ট্র এবং জনগণের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। জনগণ যদি কল্যাণমূলক এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় না হন, তাহলে রাষ্ট্র এবং সরকার বিশ্লেষণীয় শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিধিনিষেধ এবং শর্ত আরোপ করে জনগণের রাজনৈতিক অধিকার ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা হলে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে।

    তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির মধ্যে বিভেদ এড়ানোর আর্জি জানিয়ে বলেন, একাত্তর ছিল স্বাধীনতার সংগ্রাম, আর চব্বিশ ছিল স্বাধীনতা রক্ষা করার লড়াই। শহীদদের অসীম ত্যাগের বিনিময়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়ে থাকা এক ফ্যাসিস্টের পতন ঘটে, আর এখন ফ্যাসিবাদ বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি নিজেদের মধ্যে অপ্রয়োজনীয় বিতর্কে লিপ্ত হচ্ছে। এর ফলে শহীদদের আত্মত্যাগের মূল্য অবহেলিত হচ্ছে। গণতান্ত্রিক ইনসাফের ভিত্তিতে দেশ গড়ে তোলাই এখন মানবিক লড়াইয়ের মূল লক্ষ্য, যাতে শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থক হয়।

    তিনি তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশে করে বলেন, কথার রাজনীতি নয়, কাজে মনোযোগী হওয়ার সময় এসেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রচলিত রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসা জরুরি। প্রতিহিংসা বা ফ্যাসির রাজনীতি বাদ দিয়ে রাষ্ট্রীয় পরিস্থিতি উন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

    অंतত, বিএনপি’র নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে তিনি জানান, এমন কোনো কর্মকাণ্ডে যেন শামিল না হন, যা জনমনে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করে। দলের অভ্যন্তরে ঐক্য বজায় রাখতে ও দেশের গণতান্ত্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সবকিছুতে সচেতন থাকতে হবে।

  • পিআর পদ্ধতিতে জনগণের অধিকার পূরণ হবে না: মির্জা ফখরুল

    পিআর পদ্ধতিতে জনগণের অধিকার পূরণ হবে না: মির্জা ফখরুল

    সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) পদ্ধতিতে নির্বাচনে জনগণের পূর্ণ অধিকার নিশ্চিত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এই পদ্ধতিতে ভোট দেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি এবং বিএনপি এই পদ্ধতির পক্ষে নয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলাকালে এ কথা জানান মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে রেজুলেশন ও সব দলের অংশগ্রহণে সুস্থ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আয়োজন। দেশের মানুষ এখন নির্বাচনের জন্যই অপেক্ষা করছে, কারণ সংকটের একমাত্র সমাধান হলো দ্রুত নির্বাচন। তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও ভালোভাবে সম্পন্ন হওয়া দরকার, যাতে সব অংশগ্রহণকারী অংশ নিতে পারে। তিনি বলছেন, দেশের মানুষ এখনই চায় নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন, এবং যারা সংস্কার চায় না, সেটি তাদের দলেরই ব্যাপার।

  • অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪ নামে প্যানেল দিল তিন ভিন্ন বিরোধী ছাত্রসংগঠন

    অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪ নামে প্যানেল দিল তিন ভিন্ন বিরোধী ছাত্রসংগঠন

    আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনটি বামপন্থী ছাত্রসংগঠন তাদের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ), সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ-বিসিএলের সমর্থিত নেতারা। ঘোষণা অনুযায়ী, এই ১৫ সদস্যের প্যানেলের বাইরে আরও সদস্য সংযুক্ত হবে পরে। ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সভাপতি মাহির শাহরিয়ার এই প্যানেলটি ঘোষণা করেন। এই প্যানেলের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপরাজেয় ৭১ ও অদম্য ২৪’। এতে প্রধান প্রার্থীরা হলেন, বিতর্কিত ভিপি পদে নাঈম হাসান হৃদয়, সাধারণ সম্পাদক পদে এনামুল হাসান অনয় এবং অ্যাসিস্টেণ্ট জেনারেল সেক্রেটারি (এজিএস) পদে অদিতি ইসলামের নাম। এসব পদে তারা নির্বাচিত হতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এই প্যানেল নতুন উদ্যোগে ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেছেন।

  • ডাকসুতে ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা, ভিপি আবিদুল ও জিএস তানভীর

    ডাকসুতে ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণা, ভিপি আবিদুল ও জিএস তানভীর

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল তাদের নির্বাচনী প্যানেল ঘোষণা করেছে। এই প্যানেলে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আবিদুল ইসলাম খান, জিএস পদে মনোনয়ন পেয়েছেন শেখ তানভীর বারী হামিম এবং এজিএস পদে আছেন তানভীর আল হাদী মায়েদ।

    বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যের পাশে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ ঘোষণা দেয়। সংবাদ সম্মেলনে তারা জানায়, আন্দোলন চলাকালীন ১৫ জুলাই ঢাবিতে আহত সানজিদা আহমেদ তন্বীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্যানেলের গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে তারা প্রার্থী দিচ্ছে না।

    অন্যদিকে, বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে মনোনয়ন পেয়েছেনঃ
    – মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক : আরিফুল ইসলাম
    – বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক : এহসানুল ইসলাম
    – কমনরুম, পাঠকক্ষ ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক : চেমন ফারিয়া ইসলাম মেঘলা
    – আন্তর্জাতিক সম্পাদক : মো. মেহেদী হাসান
    – সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক : আবু হায়াত মো. জুলফিকার জিসান
    – গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক : খালি (সানজিদা আহমেদ তন্বীর সম্মানে)
    – ক্রীড়া সম্পাদক : চিম চিম্যা চাকমা
    – ছাত্র পরিবহন সম্পাদক : মো. সাইফ উল্লাহ (সাইফ)
    – সমাজসেবা সম্পাদক : সৈয়দ ইমাম হাসান অনিক
    – ক্যারিয়ার উন্নয়ন সম্পাদক : মো. আরকানুল ইসলাম রূপক
    – স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক : আনোয়ার হোসাইন
    – মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক : মো. মেহেদী হাসান মুন্না

    সদস্য পদে নির্বাচিত হবেন : মো. জারিফ রহমান, মাহমুদুল হাসান, নাহিদ হাসান, মো. হাসিবুর রহমান সাকিব, মো. শামীম রানা, ইয়াসিন আরাফাত আলিফ, মুনইম হাসান অরূপ, রঞ্জন রায়, সোয়াইব ইসলাম ওমি, মেহেরুন্নেসা কেয়া, ইবনু আহমেদ, সামসুল হক আনান ও নিত্যানন্দ পাল।

    সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাসিরুদ্দিন নাসির শিক্ষকদের ও আওয়ামী দোসর ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান।

  • এনবিআর এর ৪১ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি

    এনবিআর এর ৪১ কর্মকর্তাকে একসঙ্গে বদলি

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ৪১ জন অতিরিক্ত কর কমিশনারকে একযোগে নতুন কর্মস্থলে স্থানান্তর করা হয়েছে। এই বদলি কার্যক্রমটি দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশনা রয়েছে, যাতে কর্মকর্তারা অবিলম্বে নতুন পরিবেশে যোগদান করতে পারেন। মঙ্গলবার এনবিআর কর প্রশাসন থেকে প্রকাশিত এক চিঠিতে এই বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এত সংখ্যক কর্মকর্তাদের একসঙ্গে স্থানান্তর এর আগে দেখা যায়নি।

    বদলির এই প্রক্রিয়ায় ঢাকার বিসিএস (কর) একাডেমির পরিচালক হাফিজ আল আসাদকে ঢাকার কর অঞ্চল-২০ এর পরিদর্শী রেঞ্জ-১-এ বদলি করা হয়েছে। একইভাবে, শেখ শামীম বুলবুল নরসিংদী কর অঞ্চল, ছায়িদুজ্জামান ভুঞা নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চল, বেগম হাসিনা আক্তার খান গাজীপুর কর অঞ্চল, মর্তুজা শরিফুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-৬, মোহাম্মদ আব্দুস সালাম ঢাকার কর অঞ্চল-১সহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের বিভিন্ন কর অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।

    এছাড়াও, মোঃ নাসেরুজ্জামান ঢাকার কর অঞ্চল-২, মোঃ মিজানুর রহমান চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-১, মোঃ নাঈমুর রসুল চট্টগ্রামের কর অঞ্চল-২, ফখরুল ইসলাম খুলনা কর অঞ্চল, আশরাফুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-৩, মোহাম্মদ শাহ্ আলম ঢাকার কর অঞ্চল-৪, মির্জা মোহাম্মদ মামুন সাদাত ঢাকার কর অঞ্চল-১১, মোহাম্মদ আব্দুল­াহ খুলনা কর আপিল অঞ্চল, মিজানুর রহমান ঢাকার কর অঞ্চল-১৫, মোঃ মঈনুল হাসান এনবিআরের আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে, ইভানা আফরোজ সাঈদ ঢাকার কর অঞ্চল-৮, তাহমিনা আক্তার ঢাকার কর আপিল অঞ্চল-৩, শামীমা পারভীন এনবিআরের সিআইসি, সাহেদ আহমেদ চৌধুরী বড় করদাতা ইউনিটে, ফারজানা সুলতানা ঢাকার কর অঞ্চল-১৪, শামীমা আখতার ঢাকার কর অঞ্চল-১০, মৌসুমী বর্মন কর পরিদর্শন অধিদপ্তরে, মোঃ আবদুর রাজ্জাক ঢাকার কর অঞ্চল-১৬, মোঃ জসীমুদ্দিন আহমেদ ঢাকার কর অঞ্চল-১২, তারিক ইকবাল ঢাকার কর অঞ্চল-৭, মোঃ ফারুকুল ইসলাম ঢাকার কর অঞ্চল-২, মাসুম বিল্লাহ ঢাকার কর অঞ্চল-২১, সারোয়ার মোর্শেদ ঢাকার কর অঞ্চল-২৩, মাসুদুল করিম ভূঁইয়া ঢাকার কর অঞ্চল-১৮, মেহেদী হাসান ঢাকার কর আপিল অঞ্চল-১, হাছিনা আক্তার চট্টগ্রাম কর আপিল, শান্ত কুমার সিংহ ঢাকার কর অঞ্চল-১৭, রিগ্যান চন্দ্র দে’কে বিসিএস (কর) একাডেমি, ফারজানা নাজনীন কুমিল্লা কর অঞ্চল, সুমন দাস এনবিআর এর প্রথম সচিব, শেখ মোঃ কামরুজ্জামান কর পরিদর্শন পরিদপ্তর, তাপস কুমার চন্দ বৃহৎ করদাতা ইউনিট, মোঃ মোশাররফ হোসেন দিনাজপুর কর অঞ্চল, মোঃ আব্দুল মালেক ঢাকার কর অঞ্চল-৫ এবং আরিফুল হক রাজশাহী কর অঞ্চলে বদলি করা হয়েছে।

  • সব চ্যালেঞ্জ মুখোমুখি, সুস্থ ও স্বনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    সব চ্যালেঞ্জ মুখোমুখি, সুস্থ ও স্বনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যে কোনো পরিস্থিতিতে, যতই চ্যালেঞ্জিং হোক না কেন, আমাদের সুস্থ ও স্বনির্ভর প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশে অসংক্রামক রোগের প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য একসঙ্গে উদ্যোগ গ্রহণ এবং এর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য প্রকাশিত ‘যৌথ ঘোষণাপত্র’ স্বাক্ষরের অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এই অনুষ্ঠানের গুরুত্ব খুবই বেশি কারণ এটি স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে কেন্দ্র করে। তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত জাতি গঠন ও দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদ তৈরি অপরিহার্য। না হলে ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে দেশের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত সম্ভব নয়। তাই, যে কোনো পরিস্থিতি হোক বা যতই চ্যালেঞ্জিং হোক, আমাদের অবশ্যই সুস্থ ও শক্তিশালী প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, এই লক্ষ্য অর্জনে সরকারি, বেসরকারি, সুশীল সমাজ, আন্তর্জাতিক ও সমাজসেবা সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা—সকলের সক্রিয় অংশগ্রহণ দরকার। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে অসংক্রামক রোগ দিন দিন বিস্তৃত হয়ে চলেছে। বাংলাদেশের স্থান ও জনগোষ্ঠীর অবস্থান ভৌগোলিক ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই পরিস্থিতি আরও সংকটময় করে তুলেছে। এ কারণে এটি দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত জরুরি বিষয়, যা শুধু স্বাস্থ্য খাতেরই না, বরং দেশের অর্থনীতি, সামাজিক নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নেও গভীরভাবে জড়িত।

    ড. ইউনূস সাধারণত: বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০২২ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট মৃত্যুর ৭১ শতাংশ ঘটে অসংক্রামক রোগের কারণে, যেখানে ৫১ শতাংশ মারা যান ৭০ বছরের নিচে, যাকে আমরা অকাল মৃত্যু বলে থাকি। দেশের ব্যক্তিগত চিকিৎসা ব্যয়ের অনেকাংশই যাচ্ছে এই রোগের কারণে। একজনের ক্যানসার বা অন্যান্য গুরুতর রোগ হলে পরিবারকে অনেক অর্থ সংগ্রহ করতে হয় এবং অনেক সময় বিদেশ থেকে উচ্চমূল্যে চিকিৎসা করাতে হয়। একারণে দেশের অনেক অর্থ খরচ হয় বিদেশী চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে। এজন্য অত্যন্ত জরুরি, রোগের প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

    তিনি উল্লেখ করেন, এই কাজের জন্য একা স্বাস্থ্য বিভাগ সক্ষম নয়; সকল মন্ত্রণালয়কে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। খাদ্য, কৃষি, শিক্ষা, ক্রীড়া, স্থানীয় সরকার, গণপূর্ত—প্রত্যেকটি খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। প্রত্যেকখাতে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও উদ্যোগ গ্রহণের দরকার। এ জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট বিষয় চিহ্নিত করে তার উপর জোরদার নজরদারি ও বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

    প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে শুধুমাত্র সচেতন থাকলেও কাজ হয় না; বাস্তবতা হলো জীবনের প্রতিটি দিকের উপর এর প্রভাব পড়ছে। তরুণ সমাজের ওপর তামাকের বিরুদ্ধে সচেতনতা জরুরি, না হলে আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তায় পড়বে।

    সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হয়ে চিনি বা অন্য খাদ্য উপাদানের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। নাগরিক সমাজ, যুবশক্তি ও নারীদের স্বাস্থ্যবান্ধব নীতিমালা ও কার্যক্রমের অগ্রাধিকার দিতে হবে। পাশাপাশি জনসচেতনতা সৃষ্টি, স্বাস্থ্যসম্মত জীবনধারা এবং দায়িত্বশীল নাগরিক আচরণ গড়ে তুলতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে বলেন।

    তিনি বলেন, ‘যৌথ ঘোষনা’ বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক কারিগরি সহযোগিতা দরকার। তিনি বিশ্বাস করেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেল থেকে এই উদ্যোগের সফলতার সম্ভাবনা বেশি। এ জন্য স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সংশ্লিষ্ট সবাইকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। স্বাক্ষরকারী মন্ত্রণালয়গুলোকে সহযোগিতা নিশ্চিত করতে বলেন এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

    একই সঙ্গে, তিনি বলেন, প্রতিটি কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নের জন্য গভীর মনিটরিং, উপযুক্ত জনবল ও পর্যাপ্ত অর্থায়ন অপরিহার্য। সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করার জন্য সচেতনতা বাড়াতে আহ্বান জানান।

    অবশেষে, তিনি বলেন, ‘যৌথ ঘোষণা’ স্বাক্ষর মাধ্যমে আমরা দেশের জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তায় একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করলাম। এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এক আন্তরিক উদ্যোগ। এর সফল বাস্তবায়নে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য আরও উন্নত হবে এবং এটি দেশের টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮০ জনের মৃত্যু: বিআরটিএ

    জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৮০ জনের মৃত্যু: বিআরটিএ

    জুলাই ماهে দেশজুড়ে মোট ৪২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৩৮০ জন, আহত হয়েছেন আরও ৫৪২ মানুষ। বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ) এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ סাদ উদ্দিন আহমেদের স্বাক্ষরিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, এসব দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয়েছে বিভাগীয় অফিসের মাধ্যমে।

  • নতুন মামলায় গ্রেফতার পলক-আতিক, কিরণের রিমান্ড মঞ্জুর

    নতুন মামলায় গ্রেফতার পলক-আতিক, কিরণের রিমান্ড মঞ্জুর

    জুলাই মাসের আন্দোলনের সময় ঢাকার মোহাম্মদপুরে হোসেন নামে এক ট্রাক চালকের মৃত্যু ঘটনার ধারাবাহিক মামলায় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহম্মেদ পলক এবং উত্তরা পূর্ব থানার এসআই আতিককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ মিজবাহ উর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন।

    এর আগে আদালতে পলক ও আতিককে গ্রেফতার করার জন্য আবেদন জানানো হয়। উল্লেখ্য, গত ৪ জুন তাদের সাত দিনের রিমান্ডের জন্য আবেদন করা হয়েছিল। শুনানির দিন বুধবার এ দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। তেমনি কিরণের বিরুদ্ধে ৬ দফা ধার্য্য ছিল এবং তার রিমান্ডের শুনানি আজকেরদিনে অনুষ্ঠিত হয়।

    সকাল সাড়ে ১০ টায় শুনানি শুরু হয়। প্রথমে পলককে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেওয়া হয়। এরপর আতিক ও কিরণের মামলার শুনানি চলে। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের বৈধতা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত বছর ১৮ জুলাই সারাদেশে মোট বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে। এই সময়ে উত্তরা এলাকায় শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন দলের সদস্যরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা গুলি করে প্রাণহানি ঘটায়, বিশেষ করে কিরণ সহ অন্যান্যরা। কিরণ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। তদন্তের সুবিধার্থে তার রিমান্ডে নেওয়া জরুরি, তাই সর্বোচ্চ সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুরের দাবি করেন তিনি।

    অপরদিকে, কিরণের পক্ষে আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন জানান। তিনি বলেন, গত ৪ জুন রিমান্ডের আবেদন করা হলেও আজ প্রায় ১১৭ দিন পরে শুনানি হচ্ছে, যা আইনগতভাবে প্রশ্নাতীত। তিনি জানান, তিনি এই ঘটনায় জড়িত নন। তাঁর জন্য বর্তমান পরিস্থিতি খুবই কঠিন। তাই রিমান্ড বাতিল করে জামিনের জন্য আবেদন করেন।

    প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এসআই আতিকুর রহমান বলেন, এই আসামিকে আদালতে হাজির করতে ছয়বার প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছে, কিন্তু অনিবার্য কারণে তার উপস্থিতি সম্ভব হয়নি। জেল সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেওয়া হয়েছে। আজ তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

    অথচ, আদালত কিরণের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ও আতিকের গ্রেফতার দেখানোর আবেদনও অনুমোদন দেন।

    অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, আন্দোলনের সময় ১৮ জুলাই উত্তরা পূর্ব থানার চার নম্বর সেক্টরে এক ব্যবসায়ী ইশতিয়াক মাহমুদসহ অন্যরা অংশগ্রহণ করেন। ওই দিন তিনি ও অন্যরা আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের হামলার শিকার হয়। গুলিবর্ষণে ইশতিয়াকের পেটে গুলি লাগে, তিনি দ্রুত এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।

    তাছাড়া, ২৯ অক্টোবর ইশতিয়াক মাহমুদ বাদী হয়ে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

    মোহাম্মদপুরে ১৯ জুলাই গুলিতে ট্রাকচালক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় তার মা রিনা বেগম ৩১ আগস্ট মামলা দায়ের করেন।

  • ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এস আলমসহ ২৬ জন আসামি

    ২০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় এস আলমসহ ২৬ জন আসামি

    দুদক অর্থাৎ দুর্নীতি দমন কমিশন অভিযোগ তুলেছে যে, ঋণের নামে মোট ২০৭ কোটি ৪২ লাখ টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন আসামিরা। অভিযোগ অনুযায়ী, এস আলম গ্র“পের মালিক ও ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম, পাশাপাশি ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক দুই পরিচালক রন হক শিকদার ও রিক হক শিকদারসহ মোট ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। যে মামলাটি মঙ্গলবার ঢাকাপ্রদর্শন করে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১)। সংস্থাটির মহাপরিচালক মোঃ আক্তার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মামলার অপর আসামিরা হলেন বিভিন্ন ব্যাংকের কর্মকর্তা, কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজন ও ব্যবসায়ী যারা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার, জালিয়াতি ও প্রতারণার মাধ্যমে এই অর্থ হাতিয়ে নেন। এ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা আন্তর্জাতিক মানের জালিয়াতি ও অর্থের বিনিময়ে বিভিন্ন কৌশলে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক থেকে ১১ কোটি ১০ লাখ টাকার ঋণ উত্তোলন করে। এরপর তারা এই অর্থের পরিমাণ সুদসহ এখন মোট ২০৭ কোটি ৪২ লাখ ২২ হাজার ৭৬৯ টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছেন। এই অর্থের মধ্যে কিছু অর্থ পরবর্তীতে অন্য ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তর করা হয়েছে, যা মানিলন্ডারিং কর্মকাণ্ডের অংশ। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড বিধি ৪০৯, ৪২০, ১০৯, ১২০খ, এছাড়াও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।