Author: bangladiganta

  • রাজধানীতে ভবনে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৩

    রাজধানীতে ভবনে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৩

    রাজধানীর উত্তরায় একটি সাত তলার ভবনের দ্বিতীয় তলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও নির্বাপণের কাজ শুরু করে। এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় সকাল আটটা বিশ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে, তবে এরপরও পুরোপুরি নিভে যেখানে যায়নি। সকাল দশটার মধ্যে আগুনের সম্পূর্ণ আগুন নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়। নিহতের মধ্যে দুই জন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়া, আহত হন কমপক্ষে ১৩ জন, যাদের কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।প্রাথমিকভাবে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন বিষয়টি তদন্ত করছে। এখনো নিহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এই ভয়াবহ ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে, তবে উদ্ধার ও তদন্ত কাজ দ্রুত চলমান রয়েছে।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের প্রায় দুই ঘণ্টার সাক্ষাৎ

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের প্রায় দুই ঘণ্টার সাক্ষাৎ

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে কথা বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাত ৯টা ১১ মিনিটে তিনি ও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা সরকারি বাসভবন যমুনা থেকে বেরিয়ে গুলশানের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। এর আগে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটে তিনি গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে বের হয়ে বাসভবনে যান। বাসভবনে ঢুকলেন ৬টা ৪৭ মিনিটে এবং ৬টা ৫২ মিনিটের মধ্যে বাসভবন ত্যাগ করে তিনি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নামক বাসে করে যমুনার দিকে রওনা হন। বিএনপি চেয়ারম্যান হিসেবে এটি তার প্রথমবারের মতো অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ। এই সাক্ষাৎকালে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। এই দীর্ঘ সাক্ষাৎ ও আলোচনা সম্পর্কিত আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য বিএনপি বা সরকারের প্রেস উইং থেকে আগের রাতে, রাত ৯টা ২৫ মিনিটের আগে প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর ১৭ বছর পর দেশে ফিরে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পা রাখার মুহূর্তে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তখনই তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। দেশে ফেরার ২১ দিন পর আজ তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য বাসভবনে যান। এর মধ্যে, ৩১ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় তিনি ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়া, গত বছর ১৩ জুন লন্ডনে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমানের মধ্যে একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা যৌথ বিবৃতি দেন। এই বৈঠক থেকেই বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচনের তারিখ নির্ধারিত হয় বলে জানা গেছে।

  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায়

    প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক সন্ধ্যায়

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি স্টার-এর প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই সূচনার বিষয়টি সরকারিভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

    এর আগে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে নেতারা পারস্পরিক খোঁজখবর নেন, মতবিনিময় করেন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য বজায় রাখতে আলোচনা করেন।

    বৈঠকটি ছিল চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সৌজন্য সাক্ষাৎ। বিএনপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, এটি ছিল রাজনৈতিক সৌজন্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ।

    প্রথমে, তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়। এতে অংশ নেন ন্যাশনাল লেবার পার্টির লায়ন মো. ফারুক রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির এমএ বাসার, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, ও প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের ফিরোজ মুহাম্মদ লিটন।

    এর পরে সমমনা জোট নেতাদের একটি আলাদা বৈঠক হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার লুৎফর রহমান (জাগপা), এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী (গণদল), ব্যারিস্টার নাসিম খান (মুসলিম লীগ), এমএন শাওন সাদেকী (ন্যাপ), এসএম শাহাদাত (গণতান্ত্রিক পার্টি), মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা (এনপিপি), খোকন চন্দ্র দাস (ডিএল), আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল (এনডিপি)সহ আরও বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

    গত কয়েক দিন ধরেই এই নেতারা রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • জামায়াত কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক, জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত, ইসলামী আন্দোলন অনুপস্থিত

    জামায়াত কার্যালয়ে জরুরি বৈঠক, জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত, ইসলামী আন্দোলন অনুপস্থিত

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে একটি জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে জোটের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে শুরু হওয়া এই বৈঠকের বিস্তারিত বিষয়ে দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, নিশ্চিত করেছেন যে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বৈঠকের একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে দেখা যায়, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমাদ আব্দুর কাদেরসহ শীর্ষ নেতারা বৈঠকে উপস্থিত হয়েছেন। তবে, ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে, যা জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ। তিনি বলেছে, আজকের বৈঠকে আমাদের কোনো প্রতিনিধি ছিলেন না। তবে এ বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে, এবং জোটে থাকা না থাকাকে কেন্দ্র করে সিদ্ধান্ত পরবর্তীতে জানানো হবে।

  • জামায়াত আমিরের সমর্থকদের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট এড়ানোর অনুরোধ

    জামায়াত আমিরের সমর্থকদের বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট এড়ানোর অনুরোধ

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সকল সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি জামায়াতের প্রতি সংহতি প্রকাশের নাম করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপ্রয়োজনীয় ও বিভ্রান্তিকর মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করছেন। এর ফলে সংহতি প্রকাশকারীদের প্রতিবেশী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। ডা. শফিকুর রহমান সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করেছেন, যদি তারা সত্যিই জামায়াতে ইসলামীর প্রতি ভালবাসা রাখেন, তাহলে এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ও বিভ্রান্তিকর আলাপচারিতা থেকে বিরত থাকুন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবাই এ ব্যাপারে সচেতন ও দায়িত্বশীল হয়ে অবদান রাখবেন।

  • ইসলামী আন্দোলনের আসন সমঝোতার বার্তা ও বর্তমান অবস্থা

    ইসলামী আন্দোলনের আসন সমঝোতার বার্তা ও বর্তমান অবস্থা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন সমঝোতার ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু ঘোষণা হয়নি বলে জানিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের গঠনে ইসলামপন্থি দলগুলোর মধ্যে ‘একবাক্স’ নীতিকে ভিত্তি করে শুরু হওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার পথচলা এখনো শেষ হয়নি। এই পথচলায় কিছুটা অসুবিধা ও অস্বস্তি দেখা দিলেও, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এখনই সময় আসেনি।

    সাংবাদিকদের জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন, যাতে একটি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত ও পথনির্দেশ পাওয়া যায়। যখনই চূড়ান্ত কিছু নির্ধারিত হবে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে সাধারণ জনগণকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ব্যাপারে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি রোধে গুরুত্বারোপ করেছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি ফেসবুকে এক পোস্টে বলেন, ‘প্রিয় সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি মুসলিম সংগঠন জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামি আন্দোলনের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও লেখালেখি চালাতে দেখা যাচ্ছে, যা অপপ্রচার ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।

    তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, যদি Islamite দলগুলোকে সত্যিই ভালোবাসেন এবং সম্মান করেন, তবে এই ধরনের অপ্রয়োজনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি বা অপপ্রচারে অংশ নেবেন না। আপনারা সবাইকে অনুরোধ করেন সত্যের পথে থাকুন ও বিভ্রান্তি এড়িয়ে চলুন। ধন্যবাদ।

  • ৪ দিনের শুনানিতে প্রার্থীতা পুনরুদ্ধার করলেন জাপার ২৬ জন প্রার্থী

    ৪ দিনের শুনানিতে প্রার্থীতা পুনরুদ্ধার করলেন জাপার ২৬ জন প্রার্থী

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক নির্ধারিত প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে تنظیم বলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (জাপা) ২৬ জন প্রার্থী চার দিনের আপিল শুনানির মাধ্যমে তাদের মনোনয়ন আবারো পেয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে এই আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দলের মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

    তিনি জানিয়েছেন, ওই দিন মোট পাঁচটি আপিল আবেদন অনুমোদিত হয়েছে। এর ফলে ওই চার দিনে মোট ২৬ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থীত্ব ফিরে পান। তিনি আরও বলেন, এখনো দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আসন্ন নির্বাচনে বেশ নাজুক। মব মিছিল, ঘেরাওসহ নানা অশান্তি দৃশ্যমান, যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। নাম-বেনামে বিভিন্ন অযাচিত সংগঠন দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে, যা সরকারের গণতান্ত্রিক কার্যক্রমকেও বাধাগ্রস্ত করছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এভাবেই যদি চলতে থাকে, তাহলে ফ্যাসিবাদ আরও ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারে।

    নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলছেন, জাতীয় পার্টির অচিরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না। এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্ত, বাইরে থেকে কেউ এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দিতে পারে না।

    উল্লেখ্য, গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) শামীম হায়দার পাটোয়ারী জানিয়েছিলেন, দলটি মোট ২৫টি আপিল করেছে, এর মধ্যে ২১টি আপিল স্বীকৃত হয়েছে এবং প্রার্থিতা পুনরুদ্ধার করেছেন। বাকি চারজন উচ্চ আদালতে রিট করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

    অন্যদিকে, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের জন্য রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন জমা পড়ে। নির্বাচন কমিশন এসব আপিলের শুনানি ৫ জানুয়ারি শুরু করে এবং ৯ জানুয়ারি শেষ করে। এর আগে, ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তারা ৭২৩টি মনোনয়নপত্র বাতিল করেন, যেখানে জাপা ২৪৪ জনের মনোনয়ন দাখিল করেছিল। এর মধ্যে প্রায় ৩০ জন অবৈধ হিসেবে বাছাইয়ে 꼴 হয়েছে, যার জন্য তারা আপিল করেন ২৫ জন। নির্বাচনের তফসিল অনুসারে, ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত শুনানি চলবে, আর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবেন ও প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। এরপর, ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হবে, যা চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে গণভোট।

  • ইসি সচিবের ব্যাখ্যা: পোস্টাল ব্যালটে ধানের শিেশের অবস্থান সম্পর্কে

    ইসি সচিবের ব্যাখ্যা: পোস্টাল ব্যালটে ধানের শিেশের অবস্থান সম্পর্কে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টাল ব্যালটে বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতীক ‘ধানের শীষ’ ভাঁজের মধ্যে পড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করেছে। ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ব্যালট পেপার প্রিন্টিংয়ের ক্ষেত্রে সরকারি গেজেটের ধারাবাহিকতা বা ক্রম অনুসরণ করা হয়েছে। তিনি বুধবার বিকেলে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান।

    আখতার আহমেদ আরও বলেন, যতটুকু জানা গেছে, সরকারিভাবে প্রকাশিত গেজেটের অর্ডার অনুযায়ীই ব্যালটগুলো তৈরি করা হয়েছে। তিনি বিভিন্ন সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে যোগ করেন, এই স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, ধানের শীষ প্রতীকটি intentionally ভাঁজের মধ্যে রাখা হয়েছে, যা সহজে নজরে পড়বে না। তিনি আরও বলেন, যদি সংশ্লিষ্ট ব্যালটগুলো ভুলক্রমে পাঠানো হয়ে থাকে, তবে সেগুলোর সংশোধনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

    এদিকে, ব্যালট আবার ছাপা হবে কি না, এ বিষয়টি নিয়ে ইসি সচিব বলেন, এই ব্যাপারে এখনই কিছু বলা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশনের সভায় আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

  • তিন ধরনের কোর্টকে বিশেষ জজ আদালত হিসেবে ঘোষণা

    তিন ধরনের কোর্টকে বিশেষ জজ আদালত হিসেবে ঘোষণা

    সারাদেশের বিভিন্ন আদালত ব্যবস্থাকে আরো কার্যকর ও স্বচ্ছ করতে সরকার সম্প্রতি তিন ধরনের আদালতকে বিশেষ জজ আদালত হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের আওতায় পারিবারিক আপিল আদালত, শিশু ধর্ষণ ও অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনালকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত ১২ জানুয়ারি আইন ও বিচার বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানায়।

    প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের আশ্রয় নেওয়া ‘বিশেষ আদালত (অতিরিক্ত দায়িত্ব) আইন ২০০৩’ এর ক্ষমতাবলে, এসব আদালত ও ট্রাইব্যুনালকে জেলা জজ আদালত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি বলা হয়েছে তারা এখন থেকে ‘বিশেষ জেলা জজ আদালত’ নামে পরিচিত হবে। একইসঙ্গে, ফৌজদারী মামলার বিচারেও এগুলিকে দায়রা জজ আদালত হিসেবে দেখা হবে, যা ‘বিশেষ দায়রা জজ আদালত’ হিসেবে পরিচিত হবে।

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারাদেশে বিদ্যমান সব পারিবারিক আপিল আদালত, শিশুর নিরাপত্তা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল এবং ল্যান্ড সার্ভে সম্পর্কিত আপিল ট্রাইব্যুনাল এই ঘোষণা কার্যকর হবে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বিচার প্রক্রিয়া আরও দ্রুততর ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • ইসির সীমানা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা দুই সংসদীয় আসনে নির্বাচন হবে

    ইসির সীমানা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা দুই সংসদীয় আসনে নির্বাচন হবে

    গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের দ্বারা জারি করা গেজেটের সীমানা অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনা-১ ও ২ আসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আদালত থেকে নির্দেশনা দিয়েছে আপিল বিভাগ। এই নির্দেশনা অনুযায়ী, সাথিয়া উপজেলাকে আলাদাভাবে পাবনা-১ আসনের অংশ হিসেবে গণ্য করা হবে; অন্যদিকে, সুজানগর ও বেড়া উপজেলা মিলিয়ে পাবনা-২ আসন হিসেবে ধরা হবে।

    পাবনা-১ আসনের চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা ছাড়াই এই নির্বাচন করতে হবে, যা আগে নির্বাচনী সীমানার বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছিল। এর ফলে, নির্বাচন কমিশনের ২০২৪ সালের গেজেটের এই অংশটি অবৈধ ঘোষণা করে আদালত স্থগিত করে, এবং এই রায় কার্যকর থাকবে যতক্ষণ না নতুন করে সিদ্ধান্ত হয়।

    বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। তারা উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের গেজেটের এই পরিবর্তন আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে বৈধ নয়, তাই তা স্থগিত থাকবে।

    এই মামলায় আদালতে ইসির পক্ষ থেকে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। জামায়াতের পক্ষ থেকে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, আর বিএনপির পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী।

    এর আগে, ১৪ জানুয়ারি, হাইকোর্ট পাবনা-১ আসন থেকে চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে গেজেটটি অবৈধ ঘোষণা করে। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের জন্য বৃহস্পতিবার শুনানি ধার্য করা হয়।

    অক্টোবরের ১৩ তারিখে, এ সম্পর্কিত আপিলের উপর শুনানি শেষে, নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশনা দেওয়া হয় যেন ভোটের কার্যক্রম স্থগিত থাকে যতক্ষণ না নতুন নির্দেশনা আসে। এর আগে, ৫ জানুয়ারি, পাবনা-১ ও ২ আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে ২৪ ডিসেম্বর জারি করা গেজেটও স্থগিত দেয় আপিল বিভাগ।

    অতএব, এই নির্দিষ্ট সীমানাগ্রহণের ফলে, নির্বাচনের ঠিক তারিখে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে। আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতে এই আসনগুলোর নির্বাচন যথাসময়ে হবে যখন সব আইনি দিক পরিষ্কার হবে।