যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনা শীঘ্রই শুরু হতে পারে—তবে ঠিক কখন তা এখনও অনিশ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে আবেদন করা হয়েছে যে, প্রেসেটে ডোনাল্ড ট্রাম্প যেন জনসমক্ষে অতিরিক্ত কড়া বা বাগাড়ম্বরপূর্ণ ভাষা ব্যবহার না করেন।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসলামাবাদ থেকে এই বার্তা ট্রাম্পের দলে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আলোচনাকে সফল করার চেষ্টা করছে এবং সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে শান্তচিত্তে এবং সংযতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পাকিস্তানের একজন কর্মকর্তা বলেন, ইরান থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে এবং পরিস্থিতি বদলাচ্ছে। তিনি জানিয়েছেন, ‘‘আমরা আশা করছি আগামীকাল বা পরদিনের মধ্যে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল আলোচনায় অংশ নেবে।’’
পাকিস্তান জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, বিশেষত চলমান যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখার জন্য।
অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন তিনি আলোচনায় তাড়াহুড়া করবেন না, এরপরও দাবি করেছেন দ্রুতই একটি চুক্তি হবে এবং তা ২০১৫ সালের জেসিপিওএ-র চেয়ে ভালো হবে। ট্রাম্প বলছেন, ক্যামেরার সামনে ইরান দৈনিক প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে—এবং ইরানকে পারমাণবিক সক্ষমতা পরিত্যাগ করতে হবে; এতে কোনো ছাড় থাকবে না। তিনি যুঝ্তে হতে পারে এমন সম্ভাবনাও উত্থাপন করেছেন।
তেহরান এর বিপরীতে পরিষ্কার করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার ছাড়া তারা কোনো আলোচনা করবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান ও রাশিয়ার সঙ্গে ফোনালাপে বলেছেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধপূর্ণ ও অবৈধ আচরণ কূটনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।’’
