আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল জানিয়েছেন, ইউরোপে যাত্রীবাহী বিমান চলাচলের জন্য পর্যাপ্ত জেট ফুয়েলের মজুদ মাত্র ছয় সপ্তাহের সমপরিমাণ অবশিষ্ট আছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই মজুদ দ্রুতই শেষ হয়ে গেলে পরবর্তীতে ফ্লাইট বাতিল এবং বিমানসেবা বিঘ্নিত হতে পারে।
বিরল আরও বলেছেন যে, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা যদি দ্রুত শীতল না হয় তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট এবং বার্তা সংস্থা এপি‑তে প্রদত্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাত বা সরবরাহ প্রবাহে বিঘ্ন হলে জ্বালানি সংকট তীব্রতর হবে।
আইইএ প্রধানের ভাষ্য অনুযায়ী, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহে ব্যাঘাত বাড়লে তা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ধীর করবে এবং মূল্যস্ফীতি আরও বাড়বে। সরবরাহ সংকটের সরাসরি প্রভাব হিসেবে পেট্রোল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা সাধারণ ভোক্তা ও ব্যবসায়িক খরচ উভয়কেই প্রভাবিত করবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান মজুদ ও বাণিজ্য পথগুলোর স্থিতিশীলতা রক্ষা করার জন্য দ্রুত কূটনৈতিক উদ্যোগ ও বিকল্প সরবরাহ উৎস অন্বেষণ করা জরুরি। যদি তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে এ বছরের মধ্যেই এ ধরনের জ্বালানি সংকট বিমান চলাচল ও অর্থনীতিতে ملموس প্রভাব ফেলতে পারে।
সংক্ষেপে, আইইএ প্রধানের সতর্কবার্তা এই মুহূর্তের জ্বালানি অবস্থাকে ঘনিষ্ঠভাবে মনিটর করার আহ্বান জানাচ্ছে — নাহলে ছয় সপ্তাহের মধ্যে ইউরোপে বিমানচলায় বড় ধরণের ঝুঁকি দেখা দেবে।
